Recent Updates Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 20:12 on November 15, 2015 Permalink |
    Tags: Army Stadium, Bangladesh Folk Festival 2015, Bengal Classical Fest   

    কেমন হলো ফোক ফেস্ট? – মাহবুব রশীদ 

    ফোক ফেস্টিভ্যাল ভাল লাগে নাই। সাউন্ড খারাপ ছিল, লাইটিং খারাপ ছিল, প্রোডাকশন খারাপ ছিল। অডিয়েন্স বেয়াদব টাইপ আর স্থুল রুচির ছিলো।

    মিউজিক ফেস্টিভ্যালে সাউন্ডের ত্রুটি বড় অপরাধ। লাইটিং নিয়ে বাঙালীর কোন সেন্সিটিভিটি নাই। তাদের আলোক সজ্জা মানে বিয়ে বাড়ির মতো মরিচা বাতি। লাইট-শেড-ফোকাস দিয়ে কোন স্ট্রাকচারের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলার কথা তারা ভাবতেই পারে না। আবিদা পারভিনের ভক্তিগীতি চলার সময় যে অডিয়েন্স ডিজে পার্টির নাচ শুরু করে তারা ভালো অডিয়েন্স নয়। পার্বতী বাউলের শ্রীকৃষ্ণ কীর্তণে যারা শিশ দেয়, তারা রীতিমতো বেয়াদব।

    যে আয়োজকেরা রব ফকির বা শফি মণ্ডলদের স্টেজ থেকে পুরো পরিবেশনা শেষ করা্র আগেই সময়ের অভাবের কথা বলে নামিয়ে দেয় তাদের কালচারাল হাইট নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। কালচারাল হাইটের জন্য লম্বা চর্চা লাগে, পরম্পরা লাগে। প্রেজেন্টারদের ভুল বাংলা শুনে মনে হয়েছে তারা লাক্স-আনন্দধারা প্রেজেন্ট করছেন।

    পুরো প্রোডাকশন ছিল বেঙ্গলের ক্লাসিক্যাল মিউজিক ফেস্টিভ্যালের টেমপ্লেট। কিন্তু ক্ল্যাসিক্যালের মঞ্চ পরিকল্পনা আর বাউল গানের আসরের মঞ্চ পরিকল্পনা এক নয় সে টুকু বোঝার মতো স্পর্শকাতরতা আয়োজকদের ছিলো না। মাঠের মাঝে একটা গোল স্টেজ করে লোকগীতির ভাবটা সহজেই আনা যেতো। এবং আমি বুঝিনি এটা ফোক ফেস্টিভ্যাল না ফোক ফিউশন ফেস্টিভ্যাল। কণক ‘দা, রাহুল ‘দারা যে মঞ্চে ওঠেন সেখানে আবিদা পারভিন কীভাবে খাপ খায়?

     
  • probirbidhan 18:22 on November 14, 2015 Permalink |
    Tags: , Ninit Humayun, Nishat Humayun,   

    Humayun Ahmed’s mural inaugurated 

    Actor Meher Afroz Shaon, with her sons Nishad and Ninit, unveils a mural of her late husband and prominent writer Humayun Ahmed on the occasion of his birthday yesterday at Nuhash Palli, Gazipur .

    Actor Meher Afroz Shaon, with her sons Nishad and Ninit, unveils a mural of her late husband and prominent writer Humayun Ahmed on the occasion of his birthday yesterday at Nuhash Palli, Gazipur .

    The 67th birth anniversary of popular author dramatist and filmmaker Humayun Ahmed was observed at Nuhash Palli in Gazipur yesterday with avid love and respect.

    Stars recall wordsmith Humayun Ahmed on his 67th birthday

    Hundreds of fans of the late writer gathered at Nuhash Palli from the morning in order to pay respect and observe the day.

    Story by Dhaka Tribune

    A mural of Humayun was unveiled at Nuhash Palli by Humayun’s wife and actor Meher Afroz Shaon and their sons Nishad and Ninit around 9:40am. After that, the family, accompanied by the fans, placed a floral wreath on his grave.

    Later, they cut a cake to celebrate the writer’s birthday in front of the mural.

    Humayun Ahmed’s birthday celebrated at Nuhash Polli 

    “I cannot tolerate the word “late” before his [Humayun’s] name. I think writers and artists such as him cannot die; they live forever through their works,” Shaon said.

    “I had wanted to build a mural in memory of Humayun. An organisation named Sona Rong took the initiative to build it and finished it fairly quickly. They built it using a photo of Humayun taken by photographer Nasir Ali Mamun.”

    She thanked everyone involved with the project for the work.

    The architect of the mural, Hafiz Uddin Babu, who was present on the occasion, said it was an honour to build the mural of the writer as he was a fan himself.

    “It is the first mural of any writer in the country. It took us around 25 days to complete the work. I hope to build more murals of Humayun Ahmed across the country.”

    Meanwhile, Shaon said she wanted the state to take initiatives to observe Humayun’s birthday around the country.

    “I believe the government should come forward and take it upon itself to celebrate the birth anniversary of Humayun. He was a national treasure, after all.”

    Earlier, the staff of Nuhash Palli lit 800 candles around the premises at 12:01am to celebrate Humanyun’s birthday. “This is how Sir [Humayun] liked to celebrate his birthday, so we are doing it to celebrate this day and to remember him,” said Saiful Islam Bulbul, manager of Nuhash Palli.

     
  • probirbidhan 21:13 on August 16, 2015 Permalink |  

    যেই সরকারে যায়, সেই সংখ্যালঘুদের জমি দখল করে 

    সরকারি দলের সাংসদ দবিরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গায় হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখলের চেষ্টা করছেন। পিরোজপুরের সাংসদ এম এ আউয়ালের বিরুদ্ধে স্বরূপকাঠিতে এক ব্যবসায়ীর দোকান দখলের অপপ্রয়াস চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংসদের হুইপ মাহবুব আরা গিনির বিরুদ্ধে গাইবান্ধার রামগঞ্জ মিশন ও আশ্রমের জমি দখল এবং গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। ফরিদপুরের ভাজনডাঙ্গার জমিদার সতীশ চন্দ্র গুহ মজুমদারের বাড়ি দখলে নিয়ে পুরোনো ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী এক মন্ত্রী। সাংবাদিকেরা প্রভাবশালী ওই মন্ত্রীর নাম জানতে চাইলে রানা দাশগুপ্ত বলেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

    Fight Bangladesh Corruption

    সংখ্যালঘুদের জমি দখলে নেমেছেন সাংসদ

    ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মাজহারুল ইসলাম ওরফে সুজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখল, তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিত ব্যক্তিদের মধ্যে ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের এক নেতার পরিবারও আছে।
    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন; হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
    তবে সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মাজহারুল জমি দখল, নির্যাতন বা হুমকি দেওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি বলে প্রথম আলোর কাছে দাবি করেছেন।
    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদন ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, সাংসদ দবিরুল ইসলাম তাঁর সংসদীয় আসনের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের রনবাগ নামক স্থানে রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি চা-বাগান গড়ে তুলেছেন। ১০৬ একর আয়তনের ওই বাগানের মাঝখানে অকুল চন্দ্র সিংয়ের ২১ বিঘা জমি, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিংয়ের ২৭ বিঘা জমি, থোনরাম…

    View original post 1,432 more words

     
  • probirbidhan 20:04 on August 16, 2015 Permalink |  

    ফরিদপুরের ‘নুলা মুসা’ 

    একাত্তরের ২১ এপ্রিল পাকি সৈন্যদের ফরিদপুরে ঢোকার ব্যাপারে মানচিত্র ও পথনির্দেশনা দিয়ে নেপথ্যে সহযোগিতা করেছে এই মুসা। তার প্রমাণ পাওয়া যায় পাকি মেজর আকরাম কোরায়শীর সাথে মুসার গভীর ঘনিষ্ঠতায়। ফরিদপুরে পাকি সৈন্য ঢোকার পরদিন অর্থাৎ একাত্তরের ২২ এপ্রিল ফরিদপুর সার্কিট হাউসে মেজর আকরাম কোরায়শী ও নুলা মুসাকে দেখা যায় খুবই অন্তরঙ্গ পরিবেশে। সেদিন এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন মুক্তিযোদ্ধা একেএম আবু ইউসুফ সিদ্দিক পাখী।

    Fight Bangladesh Corruption

    জেনে নিন কে এই ‘প্রিন্স ড. মুসা বিন শমসের’ !

    ২০১৫ জুলাই ১৭ ১৩:২৫:২৮

    জেনে নিন কে এই 'প্রিন্স ড. মুসা বিন শমসের' !

    একাত্তরের কুখ্যাত রাজাকার নুলা মুসা সম্পর্কে জনকণ্ঠ প্রকাশিত ‘সেই রাজাকার’ বইয়ের লেখাটি উত্তরাধিকার ৭১ নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল। এই লেখাটি দৈনিক জনকণ্ঠের প্রথম পাতায় প্রকাশ পেয়েছিল ‘সেই রাজাকার’ কলামে ২০০১ সালের ২৪ মার্চ।

    ‘সেই রাজাকার’ পুরো বইটি পড়তে ক্লিক করুন।


    ফরিদপুরের ‘নুলা মুসাই’ এখন ঢাকার রহস্যে ঘেরা ধনাঢ্য ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা-বিন-শমসের
    প্রবীর সিকদার, ফরিদপুর থেকে।। ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার মদনগোপাল আঙ্গিনার মেয়ে কমলা ঘোষ। বাবা অমূল্য ঘোষ লবণ ব্যবসায়ী। সবে বিয়ে হয়েছে কমলার। বাবার বাড়ি বেড়াতে আসতে না আসতেই একাত্তরের পঁচিশে মার্চের কাল রাতে শুরু হয় দেশব্যাপী পাকি সৈন্যদের হত্যাযজ্ঞ, তাণ্ডব। ফরিদপুরেই আটকা পড়ে যায় কমলা। একদিন পাকি মেজর আকরাম কোরায়শী ও তিন পাকি সেনা সহযোগে মদনগোপাল আঙ্গিনায় ঢোকে নুলা মুসা। কমলাদের ঘরে কমলাকে নিয়ে আদিম উল্লাসে ফেটে পড়ে পাকি সেনারা। সেদিন কমলার কোন আর্তনাদই পাকি দুর্বৃত্তদের মন গলাতে পারেনি। রক্তাক্ত ও অজ্ঞান কমলা…

    View original post 1,207 more words

     
  • probirbidhan 18:35 on August 15, 2015 Permalink |
    Tags: , , Felani Khatun murder trial,   

    Indian Supreme Court for reinvestigation in Felani murder 

    The Indian Supreme Court yesterday issued a rule upon the central and West Bengal governments, the Border Security Force and the Central Bureau of Investigation over Felani Khatun murder case, the first such case over killings along Bangladesh border.

    Taking a petition into cognisance, the three-member bench headed by Chief Justice HL Dattu asked the authorities concerned to issue notices to the respondents.

    The petition challenged the acquittal of BSF Constable Amiya Ghosh by a special court in a revision trial on July 3. The self-confessed killer, Amiya, was earlier acquitted by the same court on September 6, 2013.

    The second verdict is yet to be approved by the BSF chief, who last week said that they would consider fresh trial in the case by constituting a new court if Felani’s father wanted.

    Father of Felani Nur Islam and West Bengal-based rights group Banglar Manabadhikar Suraksha Mancha (MASUM) filed the petition last week seeking retrial in the sensational case and compensation for the victim’s family.

    The petition sought order for constitution of a Special Investigation Team (SIT)/CBI team consisting of officers from outside West Bengal to take over the investigation and to prosecute the offenders in accordance with the law, MASUM said in a statement yesterday.

    Felani, 15, was shot dead on January 7, 2011 while crossing the barbed wire fence at Anantapur frontier in Kurigram’s Phulbari upazila.

    MASUM said that the trials held in secrecy and that all investigation, prosecution and judgement had been done by the BSF. Two other petitions filed over the trial procedure are pending with the Supreme Court of India.

    BSF will consider retrial of Felani murder case

    Felani verdict to dominate BGB-BSF talks

    Felani’s self-confessed killer acquitted again

     
  • probirbidhan 17:53 on August 4, 2015 Permalink |
    Tags: acid violence, , fatwa, , , , sexual violence, suicide   

    জুলাই মাসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৫ জন! 

    বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের দেওয়া তথ্য মতে, জুলাই মাসে মোট ৩৬৮ জন নারী বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ৮৩টি। গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৫ জন। আর ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৯ জনকে। এ ছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ১৯ জনকে। শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন ১০ জন। যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন একজন।

    আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সংস্থাটির লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংর‌ক্ষিত ১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

    মহিলা পরিষদ বলছে, ওই মাসে ৬২ নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪১ জন নারী। এদের মধ্যে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে ১৯ জনকে। অ্যাসিড দগ্ধ হয়েছেন ৪ জন। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৬টি। নারী ও শিশু পাচার হয়েছে ৪ জন। এর মধ্যে যৌনপল্লিতে বিক্রি করা হয়েছে ২ জনকে। গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪ জন। এর মধ্যে হত্যা করা হয়েছে দুজনকে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই সময়ের মধ্যে উত্ত্যক্ত করা হয়েছে ২৪ জনকে। এর মধ্যে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন একজন। ফতোয়ার শিকার হয়েছেন ৭ জন। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ২৬ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন এবং নয়জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাল্য বিয়ের শিকার হয়েছে ৩ জন। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দুজন। শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে ৩০ জনকে।

     
  • probirbidhan 19:09 on August 1, 2015 Permalink |
    Tags: , Islamisation, , radical Muslims,   

    Blogger killing probe draws flak from activists 

    Four secular Bangladeshi writers have been killed since November of 2014: Rajshahi University professor AKM Shafiul Islam, and writers Avijit Roy, Oyasiqur Rahman Babu and Ananta Bijoy Das.

    At least a dozen more have been killed and scores of others attacked or threatened with death for their progressive and secular views, since massive protests erupted in 2013 calling for Islamist parties to be banned. The protesters also demanded that war criminals including some Islamist politicians be hanged for war crimes committed in 1971. A war crimes court handed down a series of death sentences to a number of people including a few Islamist leaders later that year.

    All of the murdered bloggers or activists had one thing in common: they openly opposed Bangladesh’s increasingly unpopular largest Islamist party Jamaat-e-Islami, and similar communal Islamist organisations, who have been fighting a losing battle for a more conservative, religion-based legal regime in the country since 1971 when the country first won independence from Pakistan. In 2013, Bangladesh’s Supreme Court declared the Jamaat illegal, blocking it from contesting in the country’s elections.

    Law enforcement and the judiciary have failed to adequately investigate the recent killings, some of which have happened with apparent blessings from international militant groups like al-Qaeda.

    Bangladesh is a non-religious parliamentary democracy, which means there is no Sharia or blasphemy law. People who identify as atheists have the same rights as other citizens. However, under Section 295A of Bangladesh’s Penal Code (1860), any person who has a “deliberate” or “malicious” intention of “hurting religious sentiments” is liable to imprisonment. While Bangladesh’s constitution has recognised and protected the right to secularism since 2011, it also allows religion-based politics and identifies Islam as its state religion. Government inaction and police ineffectiveness have also given Islamist groups a certain amount of impunity.

    Several militant leaders and field-level workers were arrested in a crackdown recently, including an alleged leader of Al-Qaeda’s branch in the region. Al-Qaeda in South Asia has claimed responsibility for the murder of several secular bloggers in Bangladesh this year, including Mukto-Mona blog (free-thinker) founder Avijit Roy.

    Law enforcers have also identified new militant organizations that are campaigning against progressive cultural norms to justify the need for Islamic revolution in this state. But the cases of the bloggers and professor mentioned above have scarcely seen progress. Police last week claimed to have identified seven suspected killers of Avijit, saying that their photos had been verified by the wife of the slain blogger, but Mukto-Mona blog refuted the claim on Thursday.

    Global Voices contacted several secular bloggers and online activists to know their views regarding the recent killings, investigation process and possible future plan of the militant groups operating in the country. We received responses from four individuals. Several others refrained from making any comment out of fear of reprisal.

    Read the interviews on Global Voices

     
  • probirbidhan 18:13 on July 31, 2015 Permalink |  

    The August Tragedy 1975 and 2004 

    জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু

    15 August 1975

    On 25 January country switched over to the presidential system of governance and Bangabandhu took over as President of the republic. On 24 February, Bangladesh Krishak Awami League, comprising all the poliotical parties of the country, was launched. On 25 February, Bangabandhu called upon all parties and leaders to join this national party. He felt the need for making Bangladesh a self-reliant nation by reducing dependence on forign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-reliance by reducing dependence on foreign aid. So he overhauled the economic policies to achieve the goal of self-relaince. He launched the Second revolution to make independence meaningful and ensure food, clothing, shelter, medicare, education and jobs to the people. The objectives of the revolution were: elimination of corruption, boosting production in mills, factories and fields, population control and established of national unity.Bangabandhu received an unprecedented…

    View original post 10,749 more words

     
  • probirbidhan 17:44 on July 31, 2015 Permalink |
    Tags: Abdur Rahman Biswas, , , Hamidul Haq Chowdhury, Justice Nurul Islam, Khan A Sabur, Mahmud Ali, Manzur Ahmed Chowdhury, Maulvi Farid Ahmed, Moulana Abdul Mannan, Nurul Amin, Raja Tridiv Roy, Reaz Rahman, , Shah Azizur Rahman   

    Salauddin Quader and other privileged collaborators of 1971 

    The sentence of death passed on Salauddin Quader Chowdhury is as good a time as any to delve into the stories of the whereabouts of the collaborators of the Pakistan occupation army after the liberation of Bangladesh in December 1971. Read on Dhaka Tribune by Syed BAdrul Ahsan.

    In the early phase of Bangladesh’s freedom, Fazlul Quader Chowdhury, father of Salauddin, former speaker of the Pakistan National Assembly in the era of Field Marshal Ayub Khan and a leading collaborator of the Yahya Khan junta in 1971, was taken into custody when he reportedly tried to flee to Burma. He was lodged in Dhaka Central Jail, where he eventually died of natural causes. Salauddin Quader’s fortunes turned out to be better, thanks to the rise of anti-historical forces in the aftermath of Bangabandhu’s assassination in 1975.

    The repeal of the Collaborators Act in December 1975 enabled Salauddin, and also old collaborators like Khan A Sabur, once Ayub’s communications minister, to resurface in politics, ironically in a country they had violently opposed between March and December 1971.

    Sabur was elected to the Jatiyo Sangsad at the elections of February 1979. He reorganised the Muslim League as the Bangladesh Muslim League and served as its president till his death, when he was replaced by Justice BA Siddiky, once chief justice of the East Pakistan High Court. Salauddin was to serve as a minister in the Ershad regime and then in the BNP government led by Begum Khaleda Zia. At one point, he was her adviser on parliamentary affairs.

    Within hours of the liberation of Bangladesh, Maulvi Farid Ahmed, chief of the Nizam-e-Islam party, was lynched by citizens. His remains were never found. Another collaborator, Syed Sajjad Husein, who served as vice chancellor of Dhaka University under Tikka Khan and AAK Niazi, was the recipient of a mass beating and left for dead. He survived and made his way to Saudi Arabia, where he taught for a number of years before returning to Bangladesh in the times of General Ershad. He died not long after.

    Hamidul Haq Chowdhury, owner of the Pakistan Observer newspaper and former foreign minister of Pakistan, was stranded in Rawalpindi at the time of Bangladesh’s liberation. He returned to Bangladesh in the 1980s, reclaimed his newspaper, by then known as the Bangladesh Observer, in a legal battle and died some years later.

    His sons-in-law, Reaz Rahman and Manzur Ahmed Chowdhury, both in Pakistan’s diplomatic service, opposed Bangladesh’s liberation but went on to serve as Bangladesh’s diplomats in the post-1975 period of the country’s history. Reaz Rahman is, today, foreign affairs adviser to BNP Chairperson Khaleda Zia.

    Ghulam Azam, stranded in Pakistan, where he had gone in November 1971 for consultations with General Yahya Khan, was sent to a number of Middle Eastern capitals by President ZA Bhutto in the post-December 1971 period, to spread propaganda against a newly-independent Bangladesh.

    Azam disseminated the lie before his hosts that Islam was under threat in Bangladesh and Hindus were in control of the country. He returned to Bangladesh in 1978 on a Pakistani passport and stayed on despite the expiry of his visa. The regime of General Ziaur Rahman looked the other way as Azam slowly made inroads into Bangladesh politics. He died in disgrace not long ago, having been convicted of war crimes in 1971.

    Nurul Amin, chief minister of East Pakistan between the late 40s and early 50s, was one of two individuals bucking the Awami League wave at the 1970 general elections. After March 25, 1971, he became a willing collaborator of the genocidal Yahya-Tikka junta. On December 3, 1971, he was appointed Pakistan’s prime minister by President Yahya, with Bhutto as deputy prime minister and foreign minister.

    The surrender of Pakistan’s army in Dhaka, a fortnight later, changed conditions in Rawalpindi. Zulfikar Ali Bhutto took over as president from the disgraced Yahya Khan and appointed Nurul Amin as the country’s vice president, in which capacity Amin spread the falsehood that the Indian army and the Mukti Bahini were engaged in genocide in “East Pakistan.” He died in 1974 and was buried beside Pakistan’s founder Mohammad Ali Jinnah in Karachi.

    Mahmud Ali, a leading right-wing politician from Sylhet, and Raja Tridiv Roy, chief of the Chakma tribe, cheerfully lent their support to the Pakistan army in 1971. Following the emergence of Bangladesh, both men, then stranded in Pakistan, were appointed as ministers in the government of ZA Bhutto. Roy later served as Pakistan’s ambassador to Argentina before taking on the role of Pakistan’s special envoy. Both men were to die in Pakistan.

    Shah Azizur Rahman, who led Pakistan’s delegation to the United Nations General Assembly session in September 1971, became a prisoner in Bangladesh after liberation in December of the year. His support was solicited by General Ziaur Rahman, Bangladesh’s first military dictator, when the latter sought to make a formal entry into politics in the late 1970s. Zia subsequently appointed Shah Aziz as Bangladesh’s prime minister. Other collaborators, among whom were Abdur Rahman Biswas, Moulana Abdul Mannan, and Justice Nurul Islam, were rehabilitated by the military regimes of General Zia and General Ershad.

    Biswas would become Bangladesh’s president; Moulana Mannan, accused of playing a leading role in the abduction and murder of Bengali intellectuals on the eve of liberation, would become minister for religious affairs in the Ershad regime as well as owner of two newspapers, Inqilab and The Telegraph, and would die before he could be prosecuted for war crimes; Justice Nurul Islam, who was chairman of the East Pakistan Red Cross Society in 1971, would serve as Bangladesh’s vice president under General Ershad.

    Here ends this brief account of the lives and careers of some of the leading Bengali collaborators of the Yahya Khan junta in a free Bangladesh. There are other stories of other men and women, of a similar nature, that need to be told in the larger interest of history.

     
  • probirbidhan 17:42 on July 21, 2015 Permalink |
    Tags: nudity, , , , sex education, women body   

    ‘অামি তাদের নারী শরীর সম্পর্কে ধারণা দিতে চাই’ 

    ‘আমার ঘরভর্তি ছেলে, মোট চারজন। তারা এখনো প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠেনি। তাই তাদের ম্যাট্রেসের নিচে এখনো কোন পর্নো ম্যাগাজিন পাওয়া যায় না কিংবা লুকিয়ে কোন পর্নো সাইটও ব্রাউজ করে না তারা। আমি যতই ভাবি, আমার ছেলেরা এসবের প্রতি আসক্ত হবে না, কিন্তু অমি জানি, সেটা হবেই, তারা নারী সম্পর্কে জানতে কৌতুহলী হবে। আমি এটাও জানি, আমাদের সময়ে আমরা যে বয়সে এসব সম্পর্কে ধারণা পেয়েছিলাম, ছেলেরা তার অনেক আগেই সেসব সম্পর্কে ধারণা পেতে চাইবে। পর্নো ম্যাগাজিন পড়ে কিংবা পর্নোমুভি দেখে নারীর শরীর সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার অাগেই অামি তাদের নারী শরীর সম্পর্কে ধারণা দিতে চাই। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি আমার সন্তানদের সামনে নগ্ন হবো।’

    কথাগুলো হাফিংটন পোষ্টে নিজের ব্লগে লিখেছিলেন চার ছেলের জননী রিটা টেম্পলেটন। লেখার এক পর্যায়ে তার এমন সিদ্ধান্তের যথার্থতা উল্লেখ করে লিখেছেন, যদি আমি এমনটি না করি, তাহলে তারা কোন ম্যাগাজিন বা মুভিতে ‘নারী দেহের অসম্ভব সুন্দর আকার’ সম্পর্কে জানবে। তখন তাদের মনে কী ধারণা জন্ম নেবে? সব নারীদের শরীরই ওই রকম হওয়া চাই? কিন্তু ছবিতে নয়, বাস্তবে একজন নারী শরীর দেখতে কেমন হয়, সেটাই অামি ছেলেদের জানাতে চাই।

    তার এ লেখা নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে ইন্টারনেটে। তার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে হাফিংটন পোষ্ট তাদের লাইভ শোতে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রিটার।

    সূত্র

    সাক্ষাৎকারে রিটা বলছিলেন, তিনি সবসময়ই বাস্তবাদী মানুষ। ছেলেদেরকেও তিনি বাস্তব শিক্ষা দিতে চান। রিটা মনে করেন, সময়টা নারীশরীর নিয়ে উন্মত্ততার। চারদিকে নানান কায়দায় চলছে নারীশরীরের প্রদর্শনী। কখনও নামেমাত্র কিছু পোশাক, কখনওবা আবার পোশাকহীন। রিটার মতে, আসলে বিশেষ এক ধরনের নারী শরীরই সবজায়গায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। রোগা, লম্বা, স্ফীত স্তনের এক রকমের নারীশরীর ক্রমশ প্রদর্শিত ও বিক্রিত হয়ে চলেছে, এবং এই নারীশরীর যে ফ্যান্টাসির জন্ম দিচ্ছে তাই বিকৃতি ডেকে আনছে সমাজে।

    নগ্ন হয়ে সন্তানদের রিটা জানিয়ে দিতে চান, আসল নারীশরীর কেমন। ডিজিট্যাল প্রক্রিয়াকে সম্বল করে ফ্যান্টাসি উসকানো যে ছবি দেখানো হয়, যে ছবিতে নারীকে বিকৃত করে বিক্রি করা হয়, তা যে সত্যিকারের নারীদেহ নয় এবং তা নিয়ে অকারণ ফ্যান্টাসির প্রয়োজন নেই, সেই মিথটিই ভেঙে দিতে চান তিনি। আর তাই, নারীশরীর নিয়ে কোনও বিকৃতি যেন তাঁর সন্তানদের মধ্যে কখনও বাসা না বাঁধে এমনটাই চান তিনি৷

    রিটার এই পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজার হাজার বার শেয়ার হয়েছে। নারী শরীরকে পণ্য করে তোলার প্রতিবাদে রিটার এই অভিনব ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বহু মানুষ। রিটার এমন উদ্যোগ নিতে বাধ্য হওয়া এটাই প্রমাণ করে, নারী শরীরকে কেন্দ্র করে অহেতুক যৌনতার ব্যবসা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে!

     
  • probirbidhan 18:01 on July 16, 2015 Permalink |
    Tags: , , Hefazat, honeymoon, , , Prof Asif Nazrul, Sheila Ahmed   

    ফজলুল বারীঃ আসিফ নজরুলের রাজনৈতিক হানিমুন 

    Asif Nazrul_Sheila Ahmed-marriage-5আমাদের সময়ের একজন পন্ডিত (!) ব্যক্তি। তার আজকের নাম আসিফ নজরুল। আজ প্রথম আলোতে হানিমুন বিষয়ে একটি রচনা লিখেছেন। হানিমুন কী, কত প্রকার ইত্যাদি! তিনি কামেল মানুষ। জ্ঞাতসারে এরমাঝে তিন খানা বিবাহ করেছেন। অজ্ঞাতসার সমূহ সম্পর্কে আমাদের বন্ধুবান্ধবদের যথেষ্ট ধারনা আছে। যেহেতু একাধিক বিবাহ করেছেন, একাধিকবার হানিমুনে যাবার অভিজ্ঞতা আছে, তাই এই বিষয়টি নিয়ে দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু তিনি তার রচনায় তার ব্যক্তি অভিজ্ঞতা বাদ দিয়ে এক্ষেত্রেও শেখ হাসিনার সরকারকে টার্গেট করাতে যার পর নাই পুলকিত! অবশ্য ইনি এমনই। এসবই উনার সাম্প্রতিক এসাইনমেন্টও বটে।

    ইনার সঙ্গে যখন পরিচয় তখন তিনি খবর গ্রুপের চিত্রবাংলা, ছায়াছন্দ এসব চটি পত্রিকায় খ্যাপ লিখতেন। আমাদের বিচিন্তার আসরে আসার পর তাকে বলা হয়, আপনার নামটি খুব পচা। এরপর তার মো: নজরুল ইসলাম নামটি পাল্টে আসিফ নজরুল করা হয়। এখন তিনি সেই পরিবর্তিত নামেই পরিচিত। হয়তো এফিডেবিট করে পিতামাতার রাখা নামটি পাল্টে থাকতে পারেন। কিন্তু গোলাম আযমের বিচারের গণ আদালত পর্যন্ত তার সার্টিফিকেটে পিতামাতার নামটি মো: নজরুল ইসলামই ছিলো। উল্লেখ্য তখন গণ আদালতে কেউ গোলাম আযমের আইনজীবী হতে কেউ রাজি হচ্ছিলোনা। ইনি কেন রাজি হন তা ওয়াকিফহালরা জানেন। পরবর্তিতে তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সঙ্গে প্রতারনা অথবা স্বরূপে আবির্ভূত হবার পর কি করে পক্ষ ত্যাগ করেন, তা নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। এরপরের একটা ঘটনা বলি। বিএনপি-জামায়াত শিক্ষক কোটায় তিনি ততক্ষনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় ঢুকে গেছেন। শামসুন্নাহার হলের ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ভিসি আনোয়ারুল্লাহ’র পদত্যাগের দাবিতে তুমুল ছাত্র আন্দোলন চলছে। পদ আঁকড়ে রাখতে ভিসি সকালে এককথা বিকালে আরেককথা বলেন। এসব নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকরা ছেঁকে ধরেছেন আনোয়ারুল্লাহকে। তখন আনোয়ারুল্লাহকে রক্ষা করতে ইনি তার পাশে বসেন কামেলের ভূমিকায়! ইনি সাংবাদিকদের বলেন ‘আমি মিথ্যা বলতে পারি, কিন্তু আনোয়ারুল্লাহ স্যার কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ আজকের প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার মোশতাক তখন জনকন্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে সে আমাকে বলে, এই লোকটা না আপনাদের সঙ্গে কাজ করতো। এমন দুই নাম্বার কেন এই লোক? আর যে লোক নিজের মুখে বলে সে মিথ্যা বলে, বলতে পারে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়-থাকে কী করে?

    ২০০১ সালে যখন বিএনপি-জামায়াতের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয় ইনি লুকিং ফর শত্রুজ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর ঘনিষ্ঠ বিশেষ খ্যাতিমান হয়ে ওঠেন। তিনি বাবরকে ফোন করলেই তাকে যা খুশি করে দেয়। ১/১১’এ বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতাচ্যুত হবার পর ইনার নানা দূর্ভাবনা বিশেষ প্রকাশ পায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর নীতি-নৈতিকতার বিষয়গুলো নিয়ে উনার উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বাড়ে! যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর পর সাঈদি যুদ্ধাপরাধী না, তার এক বক্তব্যে তিনি কিছুটা বিপাকে পড়েন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার অফিস আক্রান্ত হয়। আমাকে তখন একজন বলেন, ইনি না আপনাদের সঙ্গে কাজ করতেন। আপনাদের পত্রিকায় না প্রথম ছাপা হয়েছিল সাঈদি যুদ্ধাপরাধী। আমি তাকে জবাবে বলেছিলাম, আমাদের পত্রিকায় ছাপা হবার সময় তিনি যেহেতু চিত্রবাংলা, ছায়াছন্দে চটি লিখতেন তাই হয়তো সেই লেখাটি খেয়াল করেননি। আর শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সঙ্গে বেঈমানির আগে ইনি কিন্তু সাঈদিকে যুদ্ধাপরাধী জেনে-বলেই মুখে ফেনা তুলতেন। বেঈমানি করার পর মনে করেন না। কারন যখন যে দেবতার পুজা তিনি করেন তাকেই তিনি শুধু ভোগ দেন।

    এমন এক কামেল ব্যক্তি আজ বরাতজোরে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পত্রিকা প্রথম আলোর আশ্রয়পুষ্ট। বাংলাদেশের সামাজিক-রাজনৈতিক নানা সমস্যা আছে। এরপরও বিস্ময়কর ইতিবাচক অনেক অর্জন সাফল্য আছে বাংলাদেশের। কিন্তু শুধু প্রথম আলোতে এই ভদ্রলোকের যদি লেখাগুলোর যোগফল দাঁড় করান, তাহলে বলতে হবে বাংলাদেশ বলেতো কিছু নেই আর! অনেক আগে ভেনিস হয়ে গেছে বাংলাদেশ! অথবা এসব ক্রন্দনের মূল কারন একটাই, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় কেন নেই, আসেনা কেনো? অথবা আসিবে কী কভু? প্রথম আলোর শুক্রবারের লেখায় ইনি তার গুরু এমাজউদ্দিন থেকে শুরু করে সবাইকে ধুয়ে দিয়েছেন! কারন এরা কেউ তার বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় ফেরত আনতে পারছেনা! তার লেখাটির নিচে এক পাঠক মন্তব্যটি বেশ মজার! ইনি লিখেছেন, “Mr. Asif Nazrul, Have you ever found anything good in AL? Have you ever found anything bad in Jamat or BNP? Who are you? What are you, Mr. Nazrul?”

     
  • probirbidhan 22:13 on July 5, 2015 Permalink |
    Tags: , coal-fired power plants, energy and power   

    Investment in coal is a key climate threat 

    By Alex Kirby

    LONDON, 5 July, 2015 − The future of coal has come under scrutiny from a perhaps unlikely source – the head of the organisation representing wealthy nations that relied on coal for 32% of electricity generation last year.

    Angel Gurría, secretary-general of the Organisation for Economic Co-operation and Development (OECD), said the scale of new investments in “unabated” coal-fired electricity generation − where greenhouse gases are emitted directly to the atmosphere − posed the most urgent threat to the Earth’s climate.

    Speaking in London, he said governments should be sceptical about the benefits of coal for their citizens. They should rethink the role of coal in energy supply, and conduct a more rigorous evaluation of its true costs.

    Environmental costs

    With prices failing to fully account for the environmental, health and financial costs of coal, many of the coal plants being built today might have to be shut down before the end of their economic lifetimes.

    The OECD, founded to stimulate economic progress and world trade, has 34 members drawn from the richest and most powerful industrialised countries.

    But Gurría, in a passage that will hearten many developing countries in the approach to the UN climate change negotiations in Paris in November/December this year, said that if poorer nations could not afford low-carbon alternatives, then richer countries should find the money to close the cost gap.

    Without new mitigation measures, coal generation is projected to emit more than 500 billion tonnes of CO2 between now and 2050 − eating up around half the remaining carbon budget that scientists say is consistent with keeping a global temperature rise below 2°C.

    In any case, Dr Gurría said, countries’ contributions to emissions reductions after 2020 are not consistent with a 2°C pathway. He said the carbon clock was ticking and the Paris COP21 climate conference must give a clear and credible signal that governments are determined to go for a higher level of ambition.

    Calling something a process doesn’t guarantee an outcome,” he said. “We have been in a process for over 20 years and, so far, the commitments simply don’t add up.”

    Continued investment in coal is one of many “misalignments” between climate goals and countries’ policies in other domains, Dr Gurría said.

    Action undermined

    A report by the OECD, its specialised Nuclear Energy Agency, the International Energy Agency and the International Transport Forum says policy misalignments undermine climate action in areas from tax to trade, electricity market regulation and land use.

    The report says two-thirds of global energy investments still go into fossil fuels, 50% of agricultural subsidies in OECD countries harm the climate, and various tax provisions encourage fossil fuel production and use.

    This “policy incoherence”, as the report describes it, limits the effectiveness of countries’ climate change efforts, and increases the cost of the transition to a low-carbon economy.

    Dr Gurría urged governments to consider what needed to be done to resolve such misalignments, starting with a demand that each ministry should regularly report on which of its policies run counter to desirable climate results.

     
  • probirbidhan 18:41 on July 4, 2015 Permalink |
    Tags: , , militants, radical Islamists, religious fanatics,   

    ব্লগারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে: অধ্যাপক অজয় রায় 

    আন্তর্জাতিক এই সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী বাকস্বাধীনতা ও তথ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে।

    শুক্রবার ব্র্যাক সেন্টার ইন মিলনায়তনে ‘স্পন্দমান ও শঙ্কামুক্ত অনলাইন ক্ষেত্র চাই’ শিরোনামে ওই ‘সনদ’ উন্মোচন করেন নিহত ব্লগার অভিজিৎ রায়ের বাবা পদার্থবিজ্ঞানী অজয় রায়।

    আর্টিকেল ১৯ এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া পরিচালক তাহমিনা রহমান বলেন, “মত প্রকাশের অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে ব্লগাররা সাধারণত যে সব জটিলতার মুখোমুখি হয় সেসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ব্লগারদের জন্য এই সনদ।

    “এই সনদে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের অধিকার, তাদেরকে সহিংসতা, নির্যাতন ও হয়রানি থেকে সুরক্ষার কথা জোরালোভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।”

    পাশাপাশি তথ্যসূত্র প্রকাশ করতে বাধ্য না করা এবং সরকারি সংস্থার সাথে নিবন্ধন করার ব্যাপারে বাধ্য না করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যাপক অজয় রায় ‘ব্লগারদের প্রতি সরকারের নিষ্ক্রিয় মনোভাব রয়েছে’ অভিযোগ করে বলেন, “তারা (ব্লগাররা) যে এক ধরনের মৌলবাদীদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে সেটি সরকার অনুধাবন করতে পারেনি। যদি পারত, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে তিনটি হত্যাকাণ্ড হত না।”

    অভিজিতের হত্যা মামলার অগ্রগতি জানতে কিছু দিন আগে গোয়েন্দা কার্যালয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা বলছে, তারা দুজনকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। তবে এখনও ধরতে পারেনি।”

    ব্লগারদের প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলে অজয় রায় বলেন, “ধরে নিলাম ব্লগাররা নাস্তিক, সেটি যদি অপরাধ হয় তাহলে তাদের বিচারের সম্মুখীন করুক। যদি আদালত তাদের ফাঁসির রায় দেয় তাহলে ফাঁসিতে লটকাবে, কেন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সরকার প্রশ্রয় দেবে?”

    ব্লগারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে বলেও জোর দিয়ে বলেন তিনি।

    “অভিজিতের হত্যাকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিফোন করে বলেছিলেন, আপনার জন্য কী করতে পারি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ, তিনি সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এ খবরটি তিনি মিডিয়াতে দেননি অর্থাৎ ব্লগারদের প্রতি তার কিছু না কিছু সহানুভূতি প্রকাশ পাক সেটিও বোধহয় তিনি জনগণকে জানাতে চাননি।”

    “ব্লগারদের প্রতি সরকারের নিষ্ক্রিয় মনোভাব রয়েছে, তারা বিচার চান না সেটা আমি বলবো না। কিন্তু এটি নিয়ে তাদের একটা খুব আহামরি অভিযোগ নেই।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন এই অধ্যাপক।

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় যে কথা বলেছেন তার কোন প্রয়োজন ছিল না। তোমার এ ব্যাপারে মাথা ঘামানোর কোন দরকার ছিল না। সে উটকো মন্তব্য করে বলেছে, অভিজিৎ একজন স্বঘোষিত নাস্তিক, আওয়ামী লীগ এ ধরনের রাজনীতি করে না। তোমার এই অর্বাচিন উক্তিটার দরকার কী ছিল?”

    “এদিক থেকে দেখে মনে হয় ব্লগারদের প্রতি বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের হত্যাকারীদের ধরার ব্যাপারে উৎসাহ নেই, এমনকি ব্লগার হত্যার বিষয়ে সরকারের ঘৃণা বা প্রতিবাদও নেই।”

    ঢাকায় স্বামীর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সরকারের কার্যক্রমের সমালোচনা করে রাফিদা আহমেদ বন্যার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জয় বলেছিলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি তার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য এতটাই নাজুক যে প্রকাশ্যে তার কিছু বলা স্পর্শকাতর ছিল, তাই তিনি ব্যক্তিগতভাবে অভিজিতের বাবাকে সহমর্মিতা জানিয়েছিলেন।

    অভিজিৎকে ‘ঘোষিত নাস্তিক’ উল্লেখ করার পর রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে জয়কে উদ্ধৃত করে বলা হয়, “আমরা (আওয়ামী লীগ) নাস্তিক হিসেবে পরিচিত হতে চাই না। তবে এতে আমাদের মূল আদর্শের কোনো বিচ্যুতি হবে না। আমরা ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী।”

    যে সনদ তৈরি করা হয়েছে তা ব্লগারদের সুরক্ষা কবজ হিসেবে কাজ করবে এবং এই সনদ সরকার আমলে নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন অভিজিতের বাবা অজয় রায়।

    ব্লগারদের উদ্দেশে অজয় রায় বলেন, “এমন কিছু ‍লিখবেন না যা জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। আপনারা এই সনদ ছাড়াও নিজেদের আত্মনিয়ন্ত্রণ করুন, আপনারা মত প্রকাশ করতে যেয়ে এমন কাজ করবে না যা অন্যর চেতনা বা ধর্মীয় বা অন্য যে চেনতাই হোক তাতে নিরর্থক আঘাত হানে।”

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক শাখার প্রধান আদ্রিয়ান জোনস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহবুবুর রহমান, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগের মডারেটর আইরিন সুলতানা, ব্লগার ফাতিমা আবেদিন নাজলা, কবি নীল সাধু ও নাসরিন সুমি।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে শতাধিক ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, ব্লগ সঞ্চালকরা উপস্থিত ছিলেন।

    ১২ সুপারিশ

    আর্টিকেল ১৯ এর ১২টি ধারার মধ্যে অন্যতম অনলাইনে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে আন্তজার্তিক আইনের যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা। অনলাইন মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর যে কোন বিধি-নিষেধ আরোপের ক্ষেত্র্রে আন্তজার্তিক মানদণ্ড অনুসরণের সুপারিশ এসেছে সনদে।

    এছাড়া ব্লগে লেখালেখির কারণে ব্লগারদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের হয়রানিমূলক অপপ্রয়োগ বন্ধ করা, তাদের উপর আক্রমণ ও সহিংসতাকে মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর প্রত্যক্ষ আঘাত হিসেবে বিবেচনা করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

    অন্যদিকে বিদ্যমান আইনে পেশাদার সাংবাদিকরা যে ধরনের সুরক্ষা বা সুবিধা পেয়ে থাকেন, জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের কাজে নিয়োজিত ব্লগারদের জন্যও একই ধরনের সুরক্ষা ও সুবিধাদি নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করে আর্টিকেল ১৯।

    পেশাদার সাংবাদিকদের পাশাপাশি ব্লগারদের জন্যও প্রবেশাধিকার সম্পর্কিত সরকারি স্বীকৃতিব্যবস্থা উম্মুক্ত করা, সাংবাদিকতাধর্মী কাজে নিয়োজিত ব্লগারদের পেশাদার সাংবাদিকদের মতই তথ্যসূত্রের সুরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা, তথ্যসূত্র প্রকাশের যে কোন অনুরোধ বা নির্দেশ শুধু গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে সনদে।

    তবে এক্ষেত্রে প্রথমে আদালতের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।

    আর্টিকেল ১৯ বলছে, ব্লগারদের কখনোই সরকার বা সরকারি সংস্থার কাছে নিবন্ধিত হতে বাধ্য করা যবে না।

    ব্লগে লেখালেখির জন্য ব্লগারদেরকে তাদের প্রকৃত নামে নিবন্ধিত হতে বাধ্য করা যাবে না।

    এছাড়া প্রচলিত ধারার গণমাধ্যম কর্তৃক প্রণীত আচরণ বিধি মেনে চলতে ব্লগারদের বাধ্য না করার সুপারিশও এসেছে সনদে।

    ১৯৮৭ সাল থেকে তথ্য অধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিয়ে কাজ করছে লন্ডন ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন আর্টিকেল ১৯। ‘মানবাধিকার সনদের’ ১৯ ধারা থেকে সংগঠনটি তাদের নাম নিয়েছে।

     
  • probirbidhan 18:37 on July 4, 2015 Permalink |  

    যে কয়টা নারী নির্যাতনের ঘটনা চোখে পড়ে তা কি যথেষ্ট লোমহর্ষক নয়! 

    probz blog

    stop sexual harassmentসর্বশেষ সরকারী তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে দিনে গড়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে ১৪০টি। আর এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা হচ্ছে গড়ে ৯টি।

    জানুয়ারি ২৫, ২০১৫ তারিখে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকির সংসদে দেওয়া তথ্যে এ চিত্র ফুটে উঠেছে।

    গত ৫ বছরের নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলা প্রসঙ্গে সরকার দলীয় মহিলা সংসদ সদস্য মিসেস আমিনা আহমেদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ (২০০৯-১৪) বছরে দেশে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫২টি।

    এসব নির্যাতনের ঘটনায় বিভিন্ন থানায় মামলা হয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে ধর্ষণ মামলা রয়েছে ১৬ হাজার ৭৭৪টি।

    প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যের হিসাবে দেখা যায়, দিনে গড় নারী নির্যাতনের সংখ্যা ১৪১ দশমিক ৪০টি এবং ধর্ষণ মামলার সংখ্যা গড়ে ৯.২টি।

    Reported rape incidents in 2015 (Jan-May 23) — 241, 2014 — 789, 2013 — 719, 2012 — 836, 2011 — 603, 2010 — 411. (Source: Bangladesh National Women Lawyers’ Association)

    জাতিসংঘের তথ্য মতে, বাংলাদেশে স্বামীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার হন ৪৭…

    View original post 954 more words

     
  • probirbidhan 17:36 on July 4, 2015 Permalink |
    Tags: ইসলামি জঙ্গি, জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, জিডিপি, , ধর্মনিরপেক্ষতা, বাল্যবিবাহ, বিয়ের বয়স, শিক্ষা, সাক্ষরতা, স্বাস্থ্যসেবা   

    শে হাসিনা বিবিসি-কে যা বললেন 

    সোহরাব হাসান

    আমাদের নেতা-নেত্রীরা খুব একটা গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন না। তাঁরা একতরফা বলতে ভালোবাসেন। আবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও বাংলাদেশের নেতা-নেত্রীদের মুখোমুখি হওয়ার তাগিদ তেমন দেখা যায় না। সেদিক থেকে বিবিসি ওয়ার্ল্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকারটি গুরুত্বের দাবি রাখে। এখন দেখার বিষয় এই সাক্ষাৎকারে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা তথা বাস্তবতার কতটা অ-মিল বা বে-মিল আছে।
    সাক্ষাৎকারের একটি বড় অংশ ছিল জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাঁর সরকারের সাফল্য ও ব্যর্থতা। সেই অনুষঙ্গে এসেছে বাল্যবিবাহ বা মেয়েদের বিয়ের বয়স নিয়ে সরকারের স্ববিরোধী অবস্থান। এসেছে দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের অগ্রবর্তী অবস্থান, রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতা, ইসলামি জঙ্গিদের হাতে মুক্তচিন্তার কয়েকজন লেখক-ব্লগারের খুন হওয়ার ঘটনা। বাদ যায়নি সম্প্রতি ঢাকা সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্তব্য কিংবা প্রধানমন্ত্রীর ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকের হাউস অব কমন্সের সদস্য নির্বাচিত হওয়া।
    জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের সাফল্য ও কৃতিত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের আগেই আওয়ামী লীগের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী তাঁরা অনেক বিষয়ে কাজ করেছেন, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাঁরা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানিসহ আটটি কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনেক দূর এগিয়ে গেলেও ২০০১-২০০৮ সালে দেশ পিছু হটতে শুরু করে, অনেক কর্মসূচি বিএনপি সরকার বন্ধ করে দেয়। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সামাজিক খাতে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
    তাঁর এই দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন না করেও যে কথাটি বলা প্রয়োজন তা হলো, সামাজিক উন্নয়ন খাতের সাফল্যের পেছনে পূর্বাপর সব সরকারেরই কমবেশি ভূমিকা আছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের বড় কোনো কর্মসূচি বিএনপি বন্ধ করেছে বলে জানা নেই। বরং প্রধানমন্ত্রী মেয়েদের শিক্ষার প্রসার নিয়ে যে কৃতিত্ব দাবি করেছেন, তার সূচনাটি হয়েছিল খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারের আমলে। সেই সময়ই মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের জন্য বৃত্তি চালু হয়। পরবর্তীকালে সেটি উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে উন্নীত হয়। অন্যদিকে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে যে দুস্থ নারী ও বৃদ্ধ ভাতা চালু করা হয়, খালেদা জিয়ার সরকারও সেটি বহাল রাখে।
    বাংলাদেশে এখন ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। এ অবস্থায় কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরও অধিকসংখ্যক নারীর শিক্ষা গ্রহণ করার তাগিদ বোধ করছেন কি না—বিবিসির সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধানে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার কথা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিশুর ভর্তি, বিনা বেতনে মেয়েদের শিক্ষা, সবাইকে বিনা মূল্যে বই দেওয়া, বিদ্যালয়ে খাবার ও গরিব বাবা–মাকে নগদ অর্থ দেওয়া এবং স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।
    এসব কার্যক্রম সত্ত্বেও এক-তৃতীয়াংশ মেয়েশিশুর ১৫ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার তথ্যটি কিসের ইঙ্গিত—এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মেয়েরা এখন বিদ্যালয়ে, কলেজে যাচ্ছে। তারা লেখাপড়ায় থাকলে আপনাতেই বাল্যবিবাহ কমে যাবে। তাদের জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা হচ্ছে, কেউ মেয়েদের নাজেহাল করলে আইন অনুযায়ী তার বিচার হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
    প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মেয়েদের সুযোগ দিলে ও পরিবেশ নিশ্চিত হলে বাবা-মা ভাববেন, বিয়েটাই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। মেয়েরা এখন অর্থ উপার্জন করতে পারে, তারা পরিবারকে সহায়তা করতে পারে, তারা অনেক কিছু করতে পারে। পাঁচ হাজারেরও বেশি তথ্যসেবাকেন্দ্রে ছেলেরা ও মেয়েরা কাজ করছেন।
    প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত করার সুযোগ নেই। কিন্তু এত সব সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ-আয়োজন সত্ত্বেও এক-তৃতীয়াংশ মেয়ের ১৫ বছরের আগে বিয়ে হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি উদ্বেগজনক।
    তাহলে কি সরকারের, বেসরকারি সংস্থাগুলোর কোনো কর্মসূচি এই এক-তৃতীয়াংশের কাছে পৌঁছায় না? তারা কি প্রদীপের নিচে অন্ধকার হয়েই থাকবে? প্রধানমন্ত্রী বলছেন, শতভাগ শিশু বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। কিন্তু ভর্তি হওয়ার পর কি তাদের সবাই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে? তা যে পারছে না তার প্রমাণ সাক্ষরতার হার আমরা ৫৭ শতাংশের ওপরে নিতে পারেনি। শ্রীলঙ্কায় এই হার ৯২, ভারতে ৬১ ও মিয়ানমারে ৯৩ শতাংশ। সমাজের এক-তৃতীয়াংশ মেয়ের ১৫ বছরের আগে বিয়ে হয়ে যাওয়ার অর্থ তাদের পড়াশোনা, সংসারের বাইরে গিয়ে কাজকর্ম সবই বন্ধ হয়ে যাওয়া। অল্প বয়সে মা হলে প্রসূতি ও সন্তান দুজনই অপুষ্টি ও নানা রোগে ভোগে।
    মেয়েদের বিয়ের বয়স নিয়ে যেসব প্রশ্ন করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী প্রায় সবটাতেই স্ববিরোধী উত্তর দিয়েছেন। একবার বলেছেন, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছরই থাকবে। আবার বলেছেন, এ ব্যাপারে ইংল্যান্ডের আইন অনুসরণ করা হবে। ইংল্যান্ডে ১৬ বছর স্বীকৃত। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তি হলো, যদি কোনো দুর্ঘটনা হয়, অর্থাৎ ১৮ বছরের আগেই কোনো মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে, তাহলে বাবা-মায়ের সম্মতিতে তাকে বিয়ে দেওয়া যাবে। বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের সামাজিক অবস্থান এক নয়। সেখানে শতভাগ ছেলেমেয়ে লেখাপড়ার সুযোগ পায়; বিয়ের ব্যাপারেও নিজেরা সিদ্ধান্ত নেয়। আর বাংলাদেশে এখনো সব শিশু পড়াশোনার সুযোগ পায় না, অধিকাংশের বিয়ে হয় পারিবারিক উদ্যোগে। সবার জন্মনিবন্ধনও করা হয় না। আইনে ১৮ বছর থাকলেও অনেক অভিভাবক বয়স বাড়িয়ে দেখিয়ে ১৬ বছরেও মেয়ের বিয়ে দেন। আইন শিথিল করে সেটি ১৬ বছরে নামিয়ে আনলে ১৪ বছরের মেয়েকেও বিয়ের পিঁড়িতে বসানো হবে ১৬ বছর দেখিয়ে।
    বিবিসির প্রশ্ন ছিল, তাহলে কি আপনারা বিয়ের বয়স ১৮ থেকে নামিয়ে ১৬ বছর করার কথা ভাবছেন? প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘না। আপনি আমাকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করছেন।’ এরপর তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায়, যদি ১৬ বা ১৭ বছর বয়সে কোনো মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে, সে ক্ষেত্রে আমাদের দেশে তো অবৈধ শিশুকে গ্রহণ করা হয় না। অতএব, আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।
    পদক্ষেপ নেওয়ার অর্থ কোনোভাবেই বিয়ের বয়স কমানো নয়। পদক্ষেপ হলো প্রতিটি মেয়ের অন্তত উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা নিশ্চিত করা। সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। পদক্ষেপ হলো লেখাপড়ার পর সব মেয়ে যাতে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে জন্য তাদের কাজের ব্যবস্থা করা।
    প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ কারণেই এটি আইন অনুযায়ী ১৮ বছরই থাকবে। কিন্তু আইনটি শিথিল করতে হবে।
    বিবিসি সাংবাদিক জানতে চান, বাল্যবিবাহের ব্যাপারেই শিথিলতা জরুরি কি না? প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি সামাজিক দাবি। গার্ল সামিটে শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ বছরের নিচে বিয়ে পুরোপুরি বন্ধ করার ওয়াদা করেছেন। সেই ওয়াদা পূরণের উপায় হিসেবে বিয়ের বয়স কমানো হবে আত্মঘাতী। বিয়ের বয়স কমিয়ে উন্নয়নের সূচক বাড়ানো যায় নাবরং আর্থসামাজিক ও শিক্ষার পরিবেশটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে কোনো অভিভাবক ১৫ বছরের নিচে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তাই করবেন না। প্রধানমন্ত্রী সেই পথে না গিয়ে উল্টো সমাধান খুঁজছেন। তিনি ‘দুর্ঘটনার’ কথা বলেছেন। কিন্তু ‘দুর্ঘটনা’ দিয়ে তো আইন হয় না। আইন হয় আর্থসামাজিক বাস্তবতার আলোকে।
    দুর্নীতির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাবেক সামরিক সরকারগুলোর ওপর দোষ চাপিয়েছেন। তাঁর সরকারের আমলে দুর্নীতি কমেছে বলে দাবি করেছেন। কোথায় কমেছে? হল–মার্ক, বেসিক ব্যাংকের মতো ঘটনা কি আগের কোনো সরকারের আমলে হয়েছে? তাঁর দাবি, দেশে ব্যাপক দুর্নীতি থাকলে জিডিপি ৬ শতাংশ হতে পারত না। চীন, রাশিয়াসহ অনেক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের জিডিপি আরও অনেক বেশি। অতএব, প্রধানমন্ত্রীর এই যুক্তিও টেকে না।
    তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে আপনার বাবা (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এখনো বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা আছে কি না?
    প্রধানমন্ত্রীর জবাব, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আছে। ১৯৭৫ সালে আমার বাবাকে হত্যা করে যখন সামরিক শাসকেরা ক্ষমতা গ্রহণ করেন, তখন তাঁরা সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা মুছে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে তিনি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছেন।
    কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সামরিক শাসকদের প্রবর্তিত পঞ্চম সংশোধনী ও অষ্টম সংশোধনীর সংশ্লিষ্ট ধারা কেন বাতিল করলেন না? তিনি যেই দুই সামরিক শাসকের কঠোর সমালোচনা করেছেন, তাদের মধ্যে নিকৃষ্টজনকে নিয়েই তো এখন দেশ শাসন করছেন আওয়ামী লীগ। তাঁর প্রবর্তিত রাষ্ট্রধর্ম রেখে দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা হয় না।
    এরপর ইসলামি জঙ্গিদের, বিশেষ করে যারা হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি তাদের উৎসাহিত করেছে। তাদের শাসনামলে এই জঙ্গিদের ব্যবহার করে আমাদের দলের দুই হাজারেও বেশি নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে। তাদের হাতে দুজন সাংসদ খুন হয়েছেন। আমার ওপরও হামলা হয়েছে। আমরা সরকার গঠনের পর জঙ্গিবাদ বা যেকোনো সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। দেশে এখন একটি বা দুটি ঘটনা ঘটেছে এবং আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি, তাদের গ্রেপ্তার করেছি এবং জেলে ঢুকিয়েছি। আমরা কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হতে দেব না।’ যেসব বিশিষ্ট নাগরিককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে, তাঁদের উপযুক্ত নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি হুমকিদাতাদের খুঁজে বের করার কথাও বলেছেন তিনি।
    প্রধানমন্ত্রী যখন জঙ্গি দমনে তাঁর সরকারের সাফল্য বয়ান করছেন, তখন বাস্তব অবস্থা হলো নিহত তিন লেখক–ব্লগার অভিজিৎ রায়, ওয়াশিকুর রহমান ও অনন্ত বিজয় দাসের খুনিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ওয়াশিকুরের ঘটনায় দুই খুনিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ধরিয়ে দিলেও তার নেপথ্যে কারা আছে, সরকার তাও খুঁজে বের করতে পারেনি। অনেকেই এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। জঙ্গিদের তালিকাভুক্ত ৮৫ জনের একজন অনন্য আজাদ, যাঁর বাবা প্রখ্যাত লেখক হুমায়ুন আজাদও এক দশক আগে জঙ্গিদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন, ডিপ্লোম্যাট পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছেন, ‘জীবন বাঁচাতে আমি দেশ ত্যাগ করছি। আমার কাছে দুটি বিকল্প আছে। বিদেশে নির্বাসন অথবা নিহত হওয়া। আমি প্রথমটি বেছে নিতে যাচ্ছি। কিন্তু আমি আমার লেখালেখি বন্ধ করতে পারব না।’
    মুক্তবুদ্ধির একজন তরুণের এই অসহায়ত্ব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী কি বলবেন? অনন্য আজাদের মতো আরও যঁারা হত্যার হমকি মাথায় নিয়ে আছেন, তাঁদের সম্পর্কে রাষ্ট্রের কি কিছুই করুণীয় নেই?
    সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
    sohrabhassan55@gmail.com

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel