খনিজ বালুর বিদেশ ভ্রমন

কল্লোল মুস্তাফা
গ্যাস-কয়লার পর এবার দেশের উপকুলীয় এলাকার খনিজ বালির মূল্যবান খনিজ সম্পদ লুটের আয়োজন সম্পন্ন করছে শাসক গোষ্ঠী।
সিঙ্গাপুর ভিত্তিক অস্ট্রেলীয় কোম্পানি প্রিমিয়ার মাইনিং লিমিটেড (পিএমএল) কে ভোলা ও পটুয়াখালির পাচটি চরের মোট ৪ হাজার হেক্টর জমির খনিজ বালু থেকে জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, লিউকক্সিন, ম্যাগনেটাইট ইত্যাদি মূলবান খনিজ সম্পদ উত্তোলণ করে রপ্তানির জন্য ইজারা দেয়ার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বরাবর পাঠাচ্ছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ১৯৬৮ থেকে ১৯৮৮ সাল- এই ২০ বছর অনুসন্ধান ও গবেষণা চালিয়ে কক্সবাজার সহ গোটা উপকূলীয় এলাকার বালিতে মোট ১২টি খনিজ সম্পদ আবিস্কার করে।
এখন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই খনিজগুলো উত্তোলণ করে দেশের জনগণের প্রয়োজনে কাজে লাগানোর বদলে বিদেশী কোম্পানির হাতে তুলে দেয়ার ধান্দা করছে শাসক গোষ্ঠী এবং ঠিক কি শর্তে, দেশের ভাগে উত্তোলিত খনিজ সম্পদের কত ভাগ মালিকানা রেখে অষ্ট্রেলিয় কোম্পানির সাথে চুক্তি করা হবে সেটাও গোপন রেখেছে তারা।
অন্যদিকে এশিয়া এনার্জি কোম্পানি যেমন ফুলবাড়ির উন্মুক্ত খননের অনুমোদন পাওয়ার আগেই ফুলবাড়ি কয়লা খনিকে নিজেদের বলে প্রচার করে শেয়ার বাজার থেকে অর্থ কামানো শুরু করেছিল, এই প্রিমিয়ার মাইনিং লিমিটেড (পিএমএল) কোম্পানিও একই ভাবে বাংলাদেশের খনিজ বালুকে তাদের সম্পদ হিসেবে দাবী করে নিজস্ব ওয়েবসাইটে লিখেছে: “The Premier Group is an Asian focused resources company with a portfolio of mineral exploration and development projects in Bangladesh and Australia. The Premier Group believes that its Bangladesh resource is one of the world’s largest lease areas for minerals sands, approximately 24,000 hectares in area, and containing high-grade heavy minerals such as zircon and rutile, potentially, of concentration superior to other mineral sands areas.”
দেশের মূল্যবান খনিজ সম্পদ বিদেশী কোম্পানির হাতে তুলে দেয়ার এই তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জরুরী।

কক্সবাজারের খনিজ বালু : আবিষ্কৃত ১৮ স্পটের ১৬টিই নষ্ট

Sand mining project in fragile coast

Australian co to invest $400m in mineral sand mining

BAEC:: Bangladesh Atomic Energy Commission