Exclusive: America eyes Bangladesh for Navy Base

ঢাকা, জুন ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে তার নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেছে ভারতের টাইমস গ্রুপের টিভি চ্যানেল টাইমস নাউ।

সংবাদভিত্তিক এই চ্যানেলে এক অনুষ্ঠানে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান চীনা প্রভাব মোকাবেলা করতেই বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌবহরের ঘাটি চাইছে যুক্তরাষ্ট্র, যা ভারতের জন্য উদ্বেগজনক।

শুক্রবার ‘আমেরিকা আইস বে অব বেঙ্গল’ শীর্ষক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র তার সপ্তম নৌবহরের একটি বড় অংশের ঘাটি হিসেবে চট্টগ্রামকে ব্যবহার করতে চায় বলে আলোচকরা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক টাইমস নাউয়ের এডিটর ইন চিফ অর্নব গোস্বামী আলোচনার সূচনায় বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সহায়তা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর পাঠাতে চেয়েছিল। এখন ৪১ বছর পর এই যুক্তরাষ্ট্রই চট্টগ্রামে সপ্তম নৌবহরের ঘাটি বানাতে চাচ্ছে।

কোনো সূত্র উল্লেখ না করে তিনি দাবি করেন, টাইমস নাউ নিজস্ব অনুসন্ধানে জেনেছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বাংলাদেশে তার সাম্প্রতিক সফরে এ নিয়ে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন ওয়াশিংটনের হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো লিসা কার্টিস, বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাই কমিশনার বীণা সিক্রি, বিজেপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেশাদ্রি চারি, স্ট্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্স বিশ্লেষক মাহরুফ রাজা, টাইমস নাওয়ের উপদেষ্টা সম্পাদক ওয়াসবির হুসেইন এবং হংকংভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিসের চীনের প্রতিনিধি অ্যান্টনি উ।

টাইমস নাও দাবি করে, দক্ষিন চীন সাগরে অনেক চীনা ঘাটি ছড়িয়ে রয়েছে যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে এশিয়ায় চীনা নৌ বাহিনী প্রভাব বিস্তার করছে। এর মোকাবেলায় চট্টগ্রামে নৌঘাটি চায় যুক্তরাষ্ট্র।

বর্তমানে জাপান, গুয়াম ও সিঙ্গাপুরে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের ঘাটি রয়েছে।

তবে অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেওয়া মার্কিন পররাষ্ট দপ্তরের মুখপাত্র ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড দাবি করেন, হিলারির বাংলাদেশ সফরে এ নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি।

কিন্তু টাইমস নাওয়ের ওয়াশিংটন প্রতিনিধি প্রিসিলা হাফ দাবি করেন, “যুক্তরাষ্ট্রে পররাষ্ট্র দপ্তর নিশ্চিত করেছে যে হিলারি সপ্তম নৌবহরের ভবিষ্যৎ ঘাটি নিয়ে আলোচনা করে এসেছেন।”

টাইমস নাউয়ের উপদেষ্টা সম্পাদক ওয়াসবির হুসেন বলেন, তার কাছে বাংলাদেশ থেকে তথ্য এসেছে যে, ২০০৮ সাল থেকেই চট্টগ্রামে নৌঘাটি করা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিমান ঘাটিগুলো নিয়ে জরিপ চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় যে তার নৌযান নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত পৌঁছাক।

তিনি বাংলাদেশের কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সেনা কমান্ডো বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জেনেছেন বলে দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার কঠোর সমালোচনার ভয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই আলোচনা পুরোপুরি অস্বীকার করছে। তবে আগামী নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সরকার এ ধরণের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুকি নেবে কিনা তা নিয়ে আলোচকেরা সন্দেহ প্রকাশ করেন।

 

 

Excl: America eyes Bangladesh

31 May 2012, 2031 hrs IST

America’s threat to send its seventh fleet to stop liberation of Bangladesh in 1971 is a known fact. Now, 41 years later – it is America again – which wants to park its seventh fleet in the country – for its strategic interests. Worried by increasing presence of Chinese naval bases in the South China Sea – America now eyes a counter strategy – as it wants an overall presence in Asia – right from Japan to its Diego Garicia base in the Indian Ocean.

This by parking its seventh fleet in a base in Chittagong giving it both an eye on taking on China and a strategic post in Asia as it pulls out of Afghanisthan. The US State Department denying on the record that Hillary Clinton’s visits had anything to do with military co-operation.

Victoria Nuland: Please, in the back.

Question: Two questions.

Victoria Nuland: Yeah.

Question: The first one is about Bangladesh when Secretary Clinton was there. Can you confirm that she discussed the future of the seventh fleet with Bangladeshi officials? And does the State Department have a position on the future of the – home of the seventh fleet?

Victoria Nuland: That sounds like a question for the Pentagon. I will take it in terms of whether it came up in her consultations, but I don’t believe it did

Off the record, confirmation of key strategic meetings between Bangladesh and America and the recent visit of US Secretary of State Clinton. America’s concerns clearly documented in the Pentagon report as they increasingly worried over the string of pearls of Chinese bases across the South China Sea and their naval might spreading all across Asia – putting the America behind. The Bangladeshi Government remaining extremely tightlipped over the recent developments – as they have internally decided to deny it on record – fearing backlash from their own hardliners.

Reporter: Recently Hillary Clinton visited your country. She has demanded for stronger relations between Bangladesh and US. Are you exploring the options?

Ambassador: I don’t know what she has discussed and in any case this is not the fora to discuss political issues.

Reporter: US had asked to allow Chittagong port to be used as their naval base? Will you allow them?

Ambassador: I am not aware of any such requests to the best of my knowledge.

This move by America could put India on the back foot if the American fleet moves to Bangladesh, all of India’s security installations will come under the American scanner. Bangladesh is not willing to comment on record even offering explanation to deny the developments. This Clinton visit a more strategic one than just a friendly one- the Indian establishment caught unawares–as this base could cast a shadow on India’s own strategic interests.

Following this, online newspaper bdnews24.com reports:

US plans naval base in Ctg: Indian TV

Fri, Jun 1st, 2012 11:41 pm BdST

The Indian media says the United States is desperate to build a naval presence in Bangladesh as a strategy to counter growing Chinese influence in the region.

The Times Now ran an investigative report titled “U.S. eyes Bangladesh” on May 31 saying the Americans want to use Chittagong port to park a large part of its Seventh Fleet. The report was followed a debate organised by the TV channel styled “America eyes Bay of Bengal “.

It suggested the US Secretary of State Hillary Clinton recent visit to Bangladesh “was much more than a friendly gesture’ and she discussed military co-operation with Bangladeshi officials last month.

“America… wants to park its seventh fleet in the country – for its strategic interests. Worried by increasing presence of Chinese naval bases in the South China Sea – America now eyes a counter strategy – as it wants an overall presence in Asia – right from Japan to its Diego Garcia base in the Indian Ocean,” said the report by the 24-hour English news channel.

Times Now’s Editor-in-Chief Arnab Goswami moderated the debate titled “America Eyes Bay of Bengal” based on its own investigation.

The discussants were The Heritage Foundation’s Senior Research Fellow Lisa Curtis, Former Indian High Commissioner to Bangladesh Veena Sikri, Member, National Executive Committee, BJP Sheshadri Chari, Strategic Affairs Analyst Mahroof Raza, Times Now’s Consulting Editor Wasbir Hussain and Centre for Strategic Research & Analysis (CESRAN) Representative Antony Ou China.

The report said the Americans were increasingly worried over the string of pearls of Chinese bases across the South China Sea and their naval might spreading all across Asia – putting America behind.

Spokesperson for the United States Department of State Victoria Nuland was quoted by the Times of India as saying, during the Bangladesh visit of Hillary Clinton no talks took place regarding the issue.

But Priscilla Huff, Washington Correspondent of Times Now, said: “The US State Department is confirming the US Secretary of State Hillary Clinton did discuss a future home for the Seventh Fleet when she was in Bangladesh.”

The Seventh Fleet currently has homes in Japan, Guam and Singapore, she added.

“The Bangladeshi Government remaining extremely tightlipped over the recent developments – as they have internally decided to deny it on record – fearing backlash from their own hardliners,” said the Times Now report.

But Bangladesh’s High Commissioner to India told Time Now that he was “not I aware of any such requests to the best of my knowledge”, when he was asked by TV reporter whether the US had asked to allow Chittagong port to be used as their naval base and whether Bangladesh will allow it.

“Bangladesh is not willing to comment on record even offering explanation to deny the developments. This Clinton visit is a more strategic one than just a friendly one- the Indian establishment caught unawares–as this base could cast a shadow on India’s own strategic interests,” the report concluded.

Lisa Curtis in the debate said she did not see any reason for US to go for any deal in Asia without consulting with India beforehand.

The debate claimed Bangladesh’s Ministry of Home Affairs held secret meeting with the US representatives on issues like containing militancy, extremism, terrorism and even guarding the border with India.

Consulting editor of the television Wasbir Hussain said he had information from Bangladesh that the talks between Bangladesh and US were going on since 2008. US proposed to survey Bangladesh’s airfield and also wanted to have its marine fleet reach till inland river port Narayanganj.

He claimed to have talked with Bangladeshi commandos in the military and members of parliament.

The discussants questioned whether the Awami League government would risk such a decision with the next national election so close to come.

Some of them claimed the discussion was being held unofficially under the pretexts of different occasions.

চট্টগ্রামে ঘাঁটি গাঁড়ছে আমেরিকান ৭ম নৌ বহর

Friday, 01 June, 2012 12:14:23 PM

বার্তা২৪ ডেস্ক

নয়া দিল্লি, ১ জুন: আমেরিকার ৭ম নৌবহর চট্টগ্রামে ঘাঁটি গাঁড়ছে বলে দাবি করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া (অনলাইন)। বৃহস্পতিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও চিত্রে এই দাবি করা হয়। বাংলাদেশে আমেরিকান রণতরীর ঘাঁটি গাড়ার পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে চীনকে।

ভিডিও ফুটেজে বলা হয়, গত মাসে আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের সময় উভয় পক্ষ এই বিষয়ে কৌশলগত বিভিন্ন কথাবার্তা সেরে রেখেছিল।

কারণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নৌঘাঁটি গঠনসংক্রান্ত খবরে পেন্টাগণের ওই অঞ্চলে কর্তৃত্ব হারানোর উদ্বেগ বাড়ছে। তাই তারা চীনকে রুখতে কাছাকাছি অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি মজুদ রাখতে চায়। এছাড়া আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান সেনা প্রত্যাহার শুরু হলে তারা দক্ষিণ এশিয়ায় কর্তৃত্ব ধরে রাখতে চাইবে। তাই এই শক্তি মজুদের জন্য বঙ্গোপসাগরই উপযুক্ত স্থান।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদিও হিলারির সফরের সময় ৭ম নৌ বহর বা সামরিক কোনো বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে আমেরিকান প্রশাসন। তবে এ বিষয়ে তারা পরিষ্কার করে কিছু জানায়ওনি। এমনকি বাংলাদেশ সরকারও এই বিষয়টিতে মুখ বন্ধ রেখেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে এ বিষয়ে একটি প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নটি হলো-যদি আমেরিকা চট্টগ্রামে তাদের নৌ ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি চায়, আপনি কি তাতে মত দেবেন? উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না এমন কোনো অনুরোধ এসেছে কিনা।’

এছাড়া এই বিষয়ে একটি চীনা মিলিটারি ওয়েবসাইট জানায়, টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্টটিতে বাংলাদেশে হিলারির সফরকে যতটানা বন্ধুত্বের তার চেয়ে বেশি কৌশলগত বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে। কারণ চট্টগ্রামে আমেরিকান নৌবহর ঘাঁটি গাঁড়লে ভারতও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তাদের ধারণা। কারণ তখন ভারতের সকল নিরাপত্তা স্থাপনা আমেরিকার নজরদারির আওতায় থাকবে। তাছাড়া নতুন এই ঘটনায় ভারতও বিস্মিত হয়েছে, কারণ চট্টগ্রামের প্রতি ভারতেরও কৌশলগত আগ্রহ রয়েছে বলে ওয়েবসাইটটি দাবি করে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট সত্য হলে তা হবে গত ৪১ বছরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহরের প্রথম প্রবেশ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সাহায্য করার জন্য আমেরিকান ৭ম নৌবহর বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছিল। তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের পাল্টা হুমকির মুখে তা ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

America eyes Bangladesh

shash2k2, Yesterday at 12:24 PM

Myanmar And Bangladesh In US’ China-Containment Strategy

United States foreign policy formulations are marked by a significant quintessential characteristic in that its drivers are predominantly strategic in nature and superseding any idealistic political fixations. This once again gets eminently reflected in the new American openings to Myanmar and Bangladesh in recent months.

Myanmar and Bangladesh rose to the fore in United States strategic calculus coincidently with US President Obama’s ‘strategic pivot to Asia’ and to Asia Pacific more specifically.

United States ‘strategic pivot’ to Asia Pacific stood underpinned by an American awakening after a decade of strategic neglect that China’s military rise and new aggressiveness now needed to be met by putting into place a China Containment Strategy. American policies of engagement and congagement with China had not worked.

United States policy planners on surveying the security architecture of their China Containment Strategy on their operational maps would have been struck by the stark fact that while East Asia and South East Asia to a limited extent served its strategic imperatives, it was the Eastern Flank of Asia Pacific that stood bare without any significant strategic presence or a strategic partnership.

The Eastern Flank of the Asia Pacific rested on three countries—Myanmar, Bangladesh and India. While the United States had a Strategic Partnership with India of sorts, there was no such linkage with Myanmar and Bangladesh. Notably, Myanmar in American military perceptions was a military-client state of China and Bangladesh too was indebted to China as countervailing power to India.

Strategically, it would be a strong American policy imperative to unloosen Myanmar and Bangladesh from their strategic linkages with China. Further, for successful implementation of the US strategic pivot to Asia and its corollary of China Containment Strategy, the American security architecture had to incorporate Myanmar and Bangladesh in that architecture.

Of the two, Myanmar has overwhelming military significance for US strategy as Myanmar has physical geographical contiguity with China in its northern and north-eastern confines. Furthermore China has made heavy strategic, military and political investments on Myanmar as part of its counter-containment strategies aimed at the United States.

United States strategic interests on Myanmar are for the very opposite reasons that drove China to woo and invest so heavily and win over Myanmar to its strategic fold.

The United States in a strategic partnership or in a strategically cooperative relationship with Myanmar would be able to deny China a land access to the Bay of Bengal and the Indian Ocean. US would be able to neutralise the carefully crafted overland oil pipelines grid from the Myanmar coast to South China. This was a Chinese military aim to outflank and avoid dependence on the Straits of Malacca for its oil supplies which could be blocked by the United States.

More significantly, the full consummation of a Myanmar-United States strategic relationship would facilitate eventually a second land foothold on continental Asia in addition to Vietnam which is similarly being wooed. Militarily at some time in the future, Myanmar’s Navy and Air Force bases could open up for use by United States as part of China Containment Strategy.

Bangladesh while not enjoying any geographical contiguity with China has what one could call strategic contiguity with China as countervailing power against India and also in the process having a Bangladesh-China Defence Cooperation Agreement.

Bangladesh figures in the strategic calculus of the United States militarily in the Navy and Air Force domains. In the United States China Containment Strategy, with Bangladesh strongly in its fold eventuality exists where the US Navy and US Air Force could use Bangladeshi bases.

Politically, our policy planners view offshore oil-blocks only in economic perspectives. But United States policy planners view these in strategic and military terms. The United States strategic formulations would be to deny to China access to and use of respective offshore oil-blocks of Myanmar and Bangladesh in the Bay of Bengal. It must be remembered that an important component of US China Containment Strategy would be the ‘energy strangulation’ of China.

Concluding, it needs to be highlighted that United States recent political moves towards Myanmar and Bangladesh were not motivated by Myanmar’s release of Aung San Syuu Kyi and democratic reforms or in Bangladesh the stamping down on Islamist terrorist organisations. These were political moves, more as political fig-leaves, to provide suitable cover for the U-turn in US policies especially in the case of Myanmar.

United States recent openings to Myanmar and Bangladesh have to be viewed in the long-term perspective as driven by US strategic imperatives to draw-in Myanmar and Bangladesh into the over-arching US China Containment Strategy as both Myanmar and Bangladesh were the missing dots on the Eastern Flank of the Asia Pacific security architecture of the United States.

India has to note that the United States has for years has militarily activated the Arabian Sea; the United States is now in the process of militarily activating the Bay of Bengal hitherto fore viewed by Indian policy establishment as exclusive military backwaters of India. The military connotations of such moves whether in complementary role to US strategies or even in terms of India’s independent strategic postures need to be seriously contemplated by India’s policy planners.

About the author:

    SAAG

[IMG]SAAG is the South Asia Analysis Group, a non-profit, non-commercial think tank. The objective of SAAG is to advance strategic analysis and contribute to the expansion of knowledge of Indian and International security and promote public understanding. http://www.eurasiareview.com/210520…sh-in-us-china-containment-strategy-analysis/