Democracy, HR at stake, say rights activists, echoes minister

TIB Chairperson Sultana Kamal addresses the inaugural ceremony of a national conference organised by Sachetan Nagorik Committee and Youth Engagement Support (YES) at the Bangabandhu International Conference Centre in the capital yesterday. On her left is TIB Executive Director Dr Iftekharuzzaman and on her right are TIB Trustee Board Member M Hafizuddin Khan and former chief election commissioner ATM Shamsul Huda. Photo: STAR

TIB Chairperson Sultana Kamal has said she finds signs of instability in the country.

“The situation we today have in Bangladesh — say it good governance, human rights or democracy — from all perspectives we see elements of massive unrest,” she said at the inaugural of a convention at the Bangabandhu International Conference Centre in Dhaka yesterday.

“An undemocratic force…that sort of trend is increasing day by day. All these are linked to corruption,” said Sultana, also executive director of rights body Ain O Salish Kendra.

Transparency International Bangladesh (TIB) organised the two-day national event of the Sachetan Nagorik Committee (concerned citizens committee) and Youth Engagement Support (YES).

TIB runs its anti-graft awareness movement across the country through these groups.

Sultana Kamal, also former adviser to a caretaker government, said people’s rights are being snatched and their dream of a prosperous democratic society is being vanished.

“People have no power today. Impunity and insecurity have crept deep [in the society]. People have lost hope that anything good will happen in this country. This is a great injury to the society,” she noted.

Parliament and the cabinet appear to be non-distinctive, and government institutions are being destroyed, according to the rights activist.

Citizens have a major role in overcoming these hurdles, but they often do not know their rights and power, she said, adding, “Therefore, we need to educate ourselves as citizens and work hand in hand to realise our rights.”

Corruption is on the rise with the Anti-Corruption Commission being reduced to a “handicapped” institution and parliament non-functional, said TIB Trustee Board Member M Hafizuddin Khan.

“Checking corruption was one of the five major election pledges of the government. However, things are quite different now,” he told about 700 members of the Nagorik committee.

The session for the YES members will be held today.

Hafizuddin, also former adviser to a caretaker government, called for waging a citizen movement to fight graft.

According to former chief election commissioner ATM Shamsul Huda, there is a syndicate of those in the power –from top to bottom — and that is responsible for corruption.

“The government knows it very well, but there is no remedy to it,” said Huda, now a TIB Trustee Board member.

Referring to his experience as a government official in Bagerhat, he said he had seen how the influential people close to the power structure deprived people of their properties in the name of building infrastructure.

On picking up honest candidates in the polls, he said, “Citizens have to play the role here. Through various activities they have to create an environment so that the political parties nominate honest and competent candidates.”

He called on the youths to unite and wage a resistance against corruption and abuse of power. “The resistance should come both from individual and group levels. This surely has an impact.”

Prof Rawshan Jahan, widow of eminent economist Muzaffer Ahmad, administered oath to the Nagorik committee members who pledged to fight corruption.

The convention was dedicated to the memory of two former chairpersons of the TIB Trustee Board — industrialist Samson H Chowdhury, who died on January 5, and Prof Muzaffer Ahmad, who died on May 22.

Meanwhile, Transparency International Chairperson Hugette Label in a statement yesterday said members of Nagorik committee and YES are actively working against corruption, which is a model for a positive change.

 

সাংবাদিক নির্যাতন: সুরঞ্জিত দুষলেন দুর্বল গণতন্ত্রকে

ঢাকা, জুন ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ‘দুর্বলতাকে’ দায়ী করেছেন দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “গণমাধ্যমকে আক্রমণ করার কথাতো পুলিশের ছিল না। এতো অসহিষ্ণুতা কেন। এগুলো গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতার কারণে ঘটছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যেমন সংসদ কিংবা নির্বাচন কমিশন যদি কার্যকর এবং শক্তিশালী হতো তাহলে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটতো না।”

দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশকে ‘সংযমী আচরণ’ করার আহবান জানান তিনি।

গত সপ্তাহে রাজধানীতে মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বিক্ষোভের সময় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন প্রথম আলোর তিন ফটো সাংবাদিক। আদালত পাড়ায় পুলিশের হাতে এক তরুণীর শ্লীলতাহানির খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক পিটুনির শিকার হন। আর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কার্যালয়ের সামনে এই ইন্টারনেট সংবাদপত্রের দুই সাংবাদিককে ছুরি মেরে আহত করে সন্ত্রাসীরা।

শুক্রবার সকালে একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় ‘দুঃখ’ প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন।

এরপর দুপুরে বার্তা সংস্থা পিটিবি নিউজ ডটকম আয়োজিত আলোচনা সভায় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতার জন্য বিরোধীদলের সহযোগিতার অভাবকে দায়ী করেন ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য সুরঞ্জিত।

তিনি বলেন “বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সংকটে রয়েছে গণতন্ত্র। দেশে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখাই বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমার সন্দেহ হয় আদৌও তারা (বিএনপি) গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে কিনা।”

“গণতন্ত্রে বিরোধী দল না থাকলে গণতন্ত্রের জবাবদিহিতা থাকে না। পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ নেই যে দেশে বিরোধী দল সংসদে অংশ নেয় না”, যোগ করেন তিনি।

বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “সরকার বিরোধী দলের সাথে সংলাপে রাজি আছে। তবে সংলাপে কোনো শর্ত যোগ করা যাবে না। আপনারা (বিরোধী দল) নির্বাচন বিষয়ে আপনাদের রূপরেখা জানান। সরকার অবশ্যই তা বিবেচনায় আনবে।”

অবশ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আবার প্রবর্তনের বিষয়টি নাকচ করে তিনি বলেন, “কোনো অনির্বাচিত সরকারের হাতে সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না।”

পিটিবি নিউজ ডটকম আয়োজিত ‘স্বাধীনতার চল্লিশ দশক পূর্তি : জাতির প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এ আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, পঙ্কজ ভট্টাচার্য বক্তব্য রাখেন।