আমাদের রক্ষা করবে কে? — আসিফ নজরুল

অধিকাংশ বাঙালির মতো আমি বলতে ভালোবাসি। কিন্তু আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের সামনে গেলে আমার শুধু শুনতে ইচ্ছে করে। তিনি কেতাবের কথা বলেন, তার চেয়ে অনেক বেশি বলেন নিজস্ব দর্শনের কথা। নিজের মতো চিন্তা করতে পারা এবং কঠিন বিষয় হাস্যরসের মাধ্যমে সহজ করে বলতে পারার দুটি দুর্লভ ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। তার আরেকটি অসাধারণ গুণ হলো অগ্নিগর্ভ বিষয়েও অতি মার্জিতভাবে কথা বলতে পারা।
স্যারের সঙ্গে আমার ভালো করে আলাপ হয় না অনেক দিন। টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে শুনি, তিনি নাকি সাংসদদের আচরণকে চোর-ডাকাতের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আমার উচিত ছিল প্রথমেই এতে সন্দেহ পোষণ করা। কারণ, এ ধরনের কথা বলার মতো মানুষ তিনি কখনোই না। এ ধরনের বক্তব্য দূরের কথা, কোনো তীব্র কথা এমনকি শোনার মানসিকতাও তাঁর নেই। কিন্তু তাঁর ‘বক্তব্য’ নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়েছে। যে ভদ্রলোক সেদিন স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি পর্যন্ত বলেছেন তাঁকে এ জন্য সংসদে তলব করা হবে এবং দাঁড়িয়ে ক্ষমা চাইতে হবে।
পরে আমরা প্রমাণ পেলাম তাঁর বয়ানে সম্পূর্ণ মিথ্যা বক্তব্য একটি পত্রিকা ছেপেছিল এবং কিছু সাংসদ সেই পত্রিকার সংবাদের ভিত্তিতে তাঁর প্রতি নিষ্ঠুর এবং অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। সাংসদ শেখ সেলিম, যিনি একসময় তাঁরই ছাত্র ছিলেন, তিনি তাঁর আর্থিক সততা নিয়ে পর্যন্ত প্রশ্ন তুলেছেন। সায়ীদ স্যার কোনো দিন আমাদেরও যা বলেননি, তা-ই জানিয়ে দিলেন বাধ্য হয়ে: এই বিশ্বখ্যাত মানুষটি থাকেন দুই কামরার বাসায় এবং ম্যাগসাইসাই পুরস্কার না পেলে তাঁর হয়তো চিকির‌্যাসাও করা হতো না ঠিকমতো।
আমাদের সাংসদদের উচিত ছিল সংসদের কার্যবিবরণী থেকে তাঁদের অন্যায় ও অসত্য বক্তব্যগুলো বাদ দেওয়া, সায়ীদ স্যারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা এবং যে পত্রিকা মিথ্যা খবর ছেপেছে, ওই পত্রিকার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। সংসদ তা এখনো করেনি, এমনকি সায়ীদ স্যারের একসময়ের ছাত্র শেখ সেলিম পর্যন্ত তাঁর কাছে ক্ষমা চাননি। বাংলাদেশে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কুর‌্যাসা রটনা, বিষোদ্গার কিংবা অশ্রদ্ধামূলক মন্তব্যের যে প্রবণতা আমরা লক্ষ করছি, সাম্প্রতিক সময়ে তাই যেন স্বাভাবিক চিত্র হতে চলেছে দেশে।
আমাদের কারও প্রতি কারও শ্রদ্ধা নেই, কেউ কাউকে সম্মান জানাতে রাজি নয়, বাক্যসন্ত্রাসের এক অমানিশা যেন গ্রাস করছে আমাদের জীবন আর জগর‌্যা। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ, বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ড. কামাল হোসেন, সবশেষে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ—আলোকবর্তিকার মতো যে মানুষদের আদর্শে জীবন গড়া উচিত আমাদের তরুণ প্রজন্মের, তাঁদের পর্যন্ত খাটো করে তোলার জন্য কুর‌্যাসা রটনা হয়েছে। কারও কারও বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হয়েছে জাতীয় সংসদে।
বিশেষ অধিকারবলে সংসদ ‘ফ্রি স্টাইল’ কথা বলার জায়গা, এখানে কমবেশি কিছু বাক্যবাণ হয়তো মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু আমরা দেখেছি সমাজের সম্মানিত ও দায়িত্বশীল মানুষ অপদস্থ হয়েছেন এমনকি উচ্চ আদালতের মতো প্রতিষ্ঠানে, যেখানে বিচারকদের অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে বাকসংযম, নিরপেক্ষতা এবং উচ্চ আদালতের সুমহান প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা বজায় রাখা।
এখন আমরা স্বয়ং সংসদ ও উচ্চ আদালত কর্তৃক একে অপরকে আক্রমণ করতে দেখছি। স্পিকারকে অজ্ঞ ও অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী বলা হয়েছে, তাঁর একটি বক্তব্যকে রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল বলা হচ্ছে। যে বিচারক এটি বলেছেন, তাঁকে মানসিক বিকারগ্রস্ত ও স্যাডিস্ট বলা হয়েছে সংসদে। সংবিধান লঙ্ঘনকারী হিসেবে তাঁর অভিশংসনের দাবি উঠেছে সংসদে।
এই পরিস্থিতি যেকোনো নাগরিককে হতাশ করার মতো। এর মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে দুটি প্রতিষ্ঠানেরই মর্যাদাহানি হয়েছে। প্রধান বিচারপতি এবং স্পিকার উদ্যোগ নিয়ে হয়তো এই বিশেষ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন। দুটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান নিজেদের স্বার্থেই হয়তো পারস্পরিক সংঘাত এড়াতে পারবেন। কিন্তু সাধারণ নাগরিকদের, বিশেষ করে স্বাধীন মত প্রকাশের মাধ্যমে বা কর্মগুণে যাঁরা মানুষের কাছে শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, অশালীন কিংবা অসম্মানজনক বাক্যবাণ থেকে তাঁদের রক্ষা করবে কে?

২.
আমরা ভুলে যাই যে শালীনতা, সৌজন্যবোধ এবং মার্জিত ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সব প্রতিষ্ঠানের জন্য। সাংসদেরা তাঁদের অবাধ বাক্স্বাধীনতা-সংক্রান্ত বিশেষ অধিকারের কথা বলেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গৃহীত ১৬৬৯ সালের বিল অব রাইটসের ৯ম অনুচ্ছেদ অনুসারে অধিকাংশ দেশের মতো বাংলাদেশেও সাংসদদের অবাধ বাক্স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে বিল অব রাইটসের সেই অনুচ্ছেদেও বলা হয়েছিল যে স্বয়ং পার্লামেন্টে এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলা বা বাধা সৃষ্টি করা যাবে।
আমাদের জাতীয় সংসদ পরিচালনা-সংক্রান্ত কার্যপ্রণালি বিধির বিভিন্ন জায়গায়ও সাংসদদের বাক্স্বাধীনতার ক্ষেত্রে কিছু সীমারেখা টানা হয়েছে। যেমন, আইন-আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য থেকে শুরু করে যে কারও সম্পর্কে আক্রমণাত্মক, কটু বা অশ্লীল ভাষা ব্যবহার না করার দায়িত্ব রয়েছে সাংসদদের। কার্যপ্রণালি বিধি অনুসারে স্পিকার বাকসংযমে ব্যর্থতার জন্য কোনো সাংসদকে সতর্ক করতে পারেন, তাঁর মাইক বন্ধ করে দিতে পারেন, কার্যপ্রণালি বিধি থেকে তাঁর বক্তব্য বাতিল করে দিতে পারেন, এমনকি ১৫ বিধি অনুসারে বিশৃঙ্খল আচরণের জন্য তাঁকে সংসদ থেকে চলে যেতে আদেশ দিতে পারেন। এরস্কিন মে রচিত পার্লামেন্টারি প্র্যাকটিস বইয়ে রয়েছে, ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অতীতে আপত্তিকর বক্তব্যের জন্য বহু সাংসদকে নানা শাস্তি (যেমন: তিরস্কার, আটকে রাখা, বহিষ্কার) দেওয়ার নজির রয়েছে।
এমন নজির আমরা আমাদের সংসদে খুবই কম দেখি। এই সংসদে কারও ‘কোলে ওঠার’ অশ্লীল বাক্যবিনিময় হয়েছে, একজন প্রয়াত নেতার মৃতদেহ নিয়ে অত্যন্ত অরুচিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, সংসদে অনুপস্থিত ব্যক্তি সম্পর্কে চরম অসত্য বিষোদ্গার করা হয়েছে। কখনো আমরা তিরস্কার বা মাইক বন্ধের মতো মৃদু শাস্তি দেখেছি, কিন্তু যেসব বক্তব্য ফৌজদারি অপরাধতুল্য (যেমন, মানহানিকার), সেসব ক্ষেত্রেও আমরা স্পিকার কর্তৃক কাউকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করতে দেখিনি।

৩.
সৌজন্যতার বাধ্যবাধকতা আছে উচ্চ আদালতের বিচারকদের ক্ষেত্রেও। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভুলভাবে শাস্তি না দেওয়ার তাগিদ ইংলিশ জুরিস্ট উইলিয়াম ব্লাকস্টোনের মৌলিক নীতিতে ছিল। পরবর্তী সময়ে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার-সংক্রান্ত ১৯৬৬ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তিতে ‘প্রিসাম্পশন অব ইনোসেন্স’-এর নীতি গৃহীত হয়। কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস্ ইনিশিয়েটিভসের ফেয়ার ট্রায়াল ম্যানুয়াল অনুসারে বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে যেহেতু কাউকে দোষী বলা যায় না, তাই বিচারকদের কর্তৃক যেকোনো অভিযু্ক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করা বাঞ্ছনীয়। ১৯৮৫ সালের জাতিসংঘের প্রিন্সিপাল অব ইনডিপেনডেন্স অব জুডিশিয়ারির ১১ নম্বর গাইডলাইন অনুসারে একজন বিচারকের তাঁর সম্মুখে উত্থাপিত বিষয়ে কোনো রকম পূর্ব ধারণা পোষণ না করারও কঠোর বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে। উচ্চ আদালতে রিট পিটিশনের শুনানির আগে যেহেতু ফৌজদারি অপরাধের মতো তদন্ত, চার্জশিট দাখিল ও চার্জ গঠন করা হয় না, তাই সেখানে বিবাদী বা রেসপোনডেন্টকে শুনানিকালে নির্দোষ ধরে নিয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করার বাধ্যবাধকতা আরও বেশি রয়েছে বলা যায়।
এ দেশে উচ্চ আদালতের একটি বেঞ্চে আমরা অন্যরকম আচরণ দেখি। পিটিশনের শুনানি চলাকালে রেসপোনডেন্টদের বিরুদ্ধে নাজিমুদ্দিন রোড (জেলখানা) বা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি আমরা সেই বেঞ্চ থেকে শুনেছি। শুনানি সম্পন্ন হওয়ার আগে ঢালাওভাবে ‘চোর’ বলা হয়েছে, এটিও পত্রপত্রিকায় এসেছে। কেউ দোষ করেছেন কি না, সে সম্পর্কে প্রাথমিক শুনানিকালে তাঁকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখার বহু ঘটনা ঘটেছে। এগুলো কোনোভাবেই বিচারের আন্তর্জাতিক নর্ম বা মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
উচ্চ আদালতের বিচারকেরা আমাদের জাতির ক্রান্তিলগ্নে অনেক সময় প্রত্যাশিত ভূমিকা রেখেছেন। মানবাধিকার ও পরিবেশ রক্ষা করার ক্ষেত্রে বর্তমানেও উচ্চ আদালত থেকে আমরা অনেক সময় জনমুখী রায় পেয়ে থাকি। কিন্তু উচ্চ আদালতের একজন বিচারকও যদি আইন ও রীতি লঙ্ঘন করেন বা এজলাসে কারও প্রতি সংবিধানের ৩৫(৫) লঙ্ঘনতুল্য লাঞ্ছনাকর ব্যবহার করেন, তার প্রতিকার বিচার বিভাগের মর্যাদা ও সম্মান রক্ষার স্বার্থে হলেও করতে হবে।
উচ্চ আদালতের বিচারকদের জবাবদিহি আমাদের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রণীত কোড অব কনডাক্ট কর্তৃক সুনির্দিষ্ট। আচরণবিধিতে বলা হয়েছে যে একজন বিচারক মামলার পক্ষগণ এবং আইনজীবীদের প্রতি ধৈর্যশীল, মর্যাদাপূর্ণ, সশ্রদ্ধ এবং ভদ্র আচরণ করবেন। এতে আরও বলা আছে যে একজন বিচারক কোনো অবস্থাতেই প্রকাশ্য বিতর্কে জড়াবেন না বা রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্য কোনো মতামত ব্যক্ত করবেন না কিংবা তাঁর বিচারাধীন কোনো মামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না। আচরণবিধির উপসংহারে বলা হয়েছে যে এই আচরণবিধির ১৪টি বিধি কেবল সুনির্দিষ্ট উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপিত হলো, এর বাইরে একজন বিচারক এমন কিছু করবেন না, যা উচ্চ আদালতের আস্থাযোগ্যতা ও স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে।
আচরণবিধির লঙ্ঘন গুরুতর অসদাচরণ হলে প্রধান বিচারপতি ও আপিলেট ডিভিশনের দুজন সিনিয়র বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল রাষ্ট্রপতির কাছে বিষয়টি জানিয়ে তাঁকে অভিশংসনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট রুলস অনুসারে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক কোনো বিচারপতির বেঞ্চ ভেঙে দেওয়া, তাঁকে কিছু সময়ের জন্য ছুটি প্রদান করা বা তাঁকে সংশোধনমূলক পরামর্শ দেওয়ার বহু সুযোগ রয়েছে।
দু-একজন বিচারকের আচরণ ও উচ্চ আদালতের মর্যাদা নিয়ে বিচলিত হওয়ার মতো বহু সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও আমরা সর্বোচ্চ বিচার প্রশাসনকে কোনো প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখিনি। আমার মনে হয় না এ ধরনের ব্যবস্থা আগে গ্রহণ করলে আজকের বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।

৪.
জাতি হিসেবে আমাদের শালীনতাবোধ নিয়ে গভীরভাবে আত্মসমালোচনা করার সময় এসেছে। রাষ্ট্রকাঠামোতে অধিষ্টিত সর্বোচ্চ ব্যক্তিরা যখন নিজেরাই সৌজন্য ও শালীনতার চর্চা ভুলে যান বা তাঁদের এখতিয়ারভুক্ত ব্যক্তিদের কর্তৃক অসৌজন্যমূলক ও ভব্যতাহীন আচরণ নিয়ন্ত্রণে অপারগ থাকেন, তখন আমাদের কপাল খুবই মন্দ বলতে হবে। এসব অব্যাহত থাকলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কী শিখবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ও নীতি প্রয়োগকারীদের কাছে থেকে? কীভাবে তাঁরা গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করবেন এই রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে?
মানুষের আচার-আচরণ নাকি বংশের পরিচয়। তেমনি রাষ্ট্রের কর্ণধারদের আচার-আচরণও জাতি হিসেবে আমাদের ভব্যতা ও সভ্যতার পরিচায়ক। তাঁদের কেউ কেউ সে বিষয়ে সচেতন আছেন কি না, তা নিয়ে আমাদের আমজনতার অবশ্যই উদ্বেগ রয়েছে।

আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।