কালিগঞ্জের এসআই নৃপেনকে সর্বোচ্চ শাস্তির সুপারিশ

প্রথম আলো জুন ১১, ২০১২

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশ হেফাজতে বালু ব্যবসায়ী মামুন ভূঁইয়া (৩২) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশ। এতে কর্তব্যে অবহেলার জন্য উপপরিদর্শক (এসআই) নৃপেন চন্দ্র দেকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
মামুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গত বৃহস্পতিবার গাজীপুরের পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।
তদন্ত কমিটির সদস্য ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের প্রথম আলোকে জানান, তদন্তে পুলিশের কর্তব্যে অবহেলার প্রমাণ মিলেছে। তাই মামুনকে গ্রেপ্তারকারী এসআই নৃপেন চন্দ্রকে সর্বোচ্চ বিভাগীয় শাস্তি ও তাঁর অন্য দুই সহকর্মীকে কর্মস্থল পরিবর্তনের শাস্তির প্রস্তাব করা হয়েছে।
ওসি আবুল খায়ের আরও জানান, কোনো আসামি ধরতে যাওয়ার আগে থানায় সাধারণ ডায়েরি বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নেওয়ার বিধান থাকলেও নৃপেন চন্দ্র তা করেননি। তিনি মামুনকে বড়গাঁও এলাকা থেকে ২৯ মে সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করেন। তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে অটোরিকশায় তুলে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে রামচন্দ্রপুরে পৌঁছালে মোক্তারপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম ওরফে তোরণ ও সাবেক ইউপি সদস্য হেকিম ফরাজি পূর্বশত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীদের সহায়তায় পুলিশের হাত থেকে মামুনকে ছিনিয়ে নিয়ে খুন করে।

হত্যাকাণ্ডের সময় মামুনের হাতে হাতকড়া ছিল, যা পরে খুলে নেয় পুলিশ। এসআই নৃপেন চন্দ্রের পোশাকে রক্তের দাগ ছিল। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি চেয়ারম্যান শরিফুলের সঙ্গে দেখা করে থানায় ফেরেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামুনের ভাই নাজমুল ভূঁইয়ার করা মামলায় চেয়ারম্যান শরিফুল ও সাবেক ইউপি সদস্য হেকিম ফরাজিকে আসামি করা হলেও তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবুল হোসেন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে।

 

Probe finds 2 cops guilty

A probe committee has found two policemen and an Ansar member responsible for the death of a detainee in Gazipur on May 29, sources say.

The three-member committee has recommended taking the highest punitive measures against the three law-enforcers for “sheer neglect of duty” and “extreme inhuman attitudes”.

According to the committee’s probe report, criminals took away Mamun Bhuiyan of Baragaon village in Kaliganj from the policemen and killed him in front of them.

“The policemen took the handcuffs off his hands and returned to the police station [Kaliganj police station], leaving him dead on the spot instead of taking him to the hospital,” it reads.

The incident occurred after Sub-inspector Nripen Chandra Dey along with a police constable and an Ansar member arrested Mamun at Ramchandrapur village that evening and was on way to Kaliganj Police Station.

Mamun’s brother Nazmul Bhuiyan alleged that the law enforcers had turned his brother in to the criminals, including a former Union Parishad member.

Hours after the incident, SI Nripen filed a case saying 150 to 200 people had taken away Mamun from them at Ramchandrapur. Mamun was arrested in a case filed by local UP chairman Shariful Islam Toran on charges of attacking him earlier.

Two days after the incident, Superintendent of Police of Gazipur Abdul Baten formed a committee to probe the incident. Headed by Additional SP Mohammad Abul Hossain, the committee also included Shahrier Al Mamun, Kaliganj circle ASP, and Mohammad Abul Khayer, officer-in-charge of Gazipur district detective branch.

Nripen was subsequently suspended and his team members were withdrawn from the police station.

After a weeklong investigation, the committee submitted its report to the SP on Thursday.

Talking to The Daily Star, probe body chief Abul Hossain said the policemen had set an example of sheer neglect in duty and also showed extreme inhuman attitudes.

“The SI went to arrest Mamun without informing the officer-in-charge. He conducted the drive while there were only two members with him,” the additional SP added.

He said the criminals had dared to snatch away the detainee as there had been an inadequate number of policemen. But the policemen did not take any step to rescue the victim, he added.

Earlier on May 31, the victim’s brother filed a case against nine identified and eight to 10 anonymous people. The accused include Shariful Islam, chairman of Moktarpur Union Parishad in Kaliganj.

Police have so far arrested four people — the chairman’s brothers Shakhawat Hossain Iran and Iman Hossain Kawsar, Shyamal Chandra Sarkar and Sri Cinibas Mondol.

Of them, only Iran was accused in the case.