Speaker regrets on behalf of MPs

Unparliamentary words to be expunged

On behalf of the Jatiya Sangsad, Speaker Abdul Hamid yesterday regretted the recent “unwanted discussion” in parliament, criticising noted litterateur Prof Abdullah Abu Sayeed using “unparliamentary words”.

“Professor Abdullah Abu Sayeed is a respected person of this country. Therefore, I will expunge from parliament proceedings all the unparliamentary words used in the discussion on him,” he said in a rare ruling.

সংসদে স্পিকারের দুঃখ প্রকাশ: অধ্যাপক সায়ীদের উদ্দেশে বলা অসংসদীয় বক্তব্য বাদ–প্রথম আলো

“The undesired discussion was held following the publication of misleading news items in some newspapers and some unparliamentary words were used [by some MPs in the discussion]. I sincerely regret it on behalf of the Jatiya Sangsad.”

Treasury bench lawmakers welcomed the ruling by thumping desks.

The Speaker urged legislators, intellectuals, civil society members and the general people regardless of their political affiliation to uphold the dignity of the House.

“Everyone should refrain from publishing such news and making such comments which undermine the dignity of parliament,” he said, adding, “There may be good and bad people in every profession. So it is not appropriate to make sweeping remarks.”

On June 3, a number of ruling alliance MPs in parliament launched a blistering attack on Prof Sayeed for his reported remarks about MPs and ministers. Independent MP Fazlul Azim piloted the attack in which Awami League MP Sheikh Fazlul Karim Selim and Jatiya Party lawmaker Mujib ul-Haque Chunnu also joined.

Citing news reports, they alleged that Prof Sayeed had told a programme of Transparency International Bangladesh on June 2 that lawmakers and ministers act like “thieves and robbers”. They also demanded that the House take action against Prof Sayeed.

Ali Ashraf, who was presiding over the sitting then in absence of the Speaker and the Deputy Speaker, even demanded that Sayeed apologise to the House.

The attack on Prof Sayeed sparked uproars and drew huge criticism.

Later, The Daily Star and some other newspapers published in details what the noted litterateur had actually said.

Prof Sayeed, founder of Biswa Sahitya Kendra, had said it was not corruption when a thief stole. But when a man, who pledged to follow ethics and rule of law, indulges in stealing it is corruption.

As an example, he said when a minister or a lawmaker who took an oath to act in a fair and ethical manner failed to do so, it “is corruption”.

In his ruling, the Speaker said TIB’s Executive Director Iftekharuzzaman on June 4 sent the transcript of Prof Sayeed’s speech in the programme and a compact audio disk of the programme.

“I read the transcript and listened to the CD,” the Speaker said, adding, “It seems to me that there is no consistency between the reports published in [some] newspapers and his actual speech. He did not make any remarks that ministers and MPs do not have ethics.”

The Speaker said the reports were baseless. The readers were misled by the baseless reports and the matter was discussed in the House.

“Those newspapers published the reports without checking the authenticity, and it has demonstrated lack of responsibility. I hope those newspapers will act responsibly in future and publish news after checking the authenticity of the news.”

Hamid, however, defended the MPs who criticised Prof Sayeed and said the lawmakers spoke on the basis of newspaper reports.

“As elected public representatives it is the moral duty of the MPs to protect and maintain the dignity of the House. I think they spoke from this sense of responsibility and proposed taking steps to avert recurrence of such incidents in future,” Hamid, a seasoned MP, said.

He said democracy and the media complement each other. Media flourishes if democracy remains functional. Therefore, the media people are to work with responsibility for democracy to flourish and for the welfare of the people and the country.

“Media people have to be more cautious in publishing reports. They should keep in mind that publishing baseless, imaginary and motivated news reports may mislead people and may bring misfortune to the country and the people,” he said.

 

One lawmaker says sorry

Rashidul Hasan The Daily Star

Mujib-ul-Haque Chunnu
Jatiya Party lawmaker Mujib-ul-Haque Chunnu has expressed regret for the remark he made on Prof Abdullah Abu Sayeed in parliament on June 3.

“I phoned Professor Abdullah Abu Sayeed on Tuesday as I came to know that he didn’t say anything bad on MPs. I said I’m sorry for my speech in parliament. It was a misunderstanding.”

“We should not have made such comments on sir [Prof Sayeed] without knowing the fact,” Chunnu told this correspondent over the phone yesterday.

Chunnu and two other lawmakers Fazlul Azim and Sheikh Fazlul Karim Selim came down hard on Abdullah Abu Sayeed during a parliament session on June 3.

Citing a news report, they alleged Prof Sayeed had told a TIB programme on June 2 that lawmakers and ministers act like “thieves and robbers”.

Ali Ashraf, an Awami League lawmaker who was presiding over the sitting, demanded that Sayeed offer an unconditional apology in the House.

The Daily Star has learned what the noted litterateur had actually said at the event of Transparency International Bangladesh.

It is not corruption when a thief steals, but when a man who has undertaken to follow ethics, rule and the law indulges in stealing then it becomes corruption, Prof Sayeed said.

As an example, he said when a minister or a lawmaker who has taken oath to act in a fair and ethical manner fails to do so, it is corruption.

Abdullah Abu Syeed, founder of Bishwa Sahitya Kendra, is widely respected for the book reading programme he started in 1980 for students of class VI to XII.

Contacted yesterday, he said that he had no complaint or feeling of sorrow for what a section of MPs had said about him in parliament.

“But I felt very happy when the lawmaker phoned me and said he was sorry for his aggressive speech on me. It’s very positive that at least he [the JP MP] could realise the fact and felt sorry for this.”

Talking to this correspondent, Chunnu said they all had attacked Prof Sayeed on the basis of a newspaper report which was later found to be false and it was a mistake on their part.

“Prof Sayeed sent the House a recorded copy of his speech delivered at the TIB programme and it’s now clear that he did not say anything indecent.”

However, neither independent lawmaker Fazlul Azim nor AL MP Sheikh Selim has expressed regret or anything like that so far.

 

সংসদে সমালোচনা মর্মাহত আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সাংসদদের বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্ন করে বক্তব্য দিয়েছেন বলে সংসদে অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ জন্য তাঁকে সংসদে এসে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। গতকাল রোববার সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্বকালে সরকারি দলের সাংসদ আলী আশরাফসহ কয়েকজন সাংসদ এ জন্য সাংসদদের কাছ থেকে বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্নের নোটিশ আহ্বান করেন।
তবে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ প্রথম আলোকে বলেছেন, সাংসদদের অধিকার ক্ষুণ্ন তো দূরের কথা, সেদিনের বক্তব্যে তিনি সাংসদ শব্দটি উচ্চারণই করেননি। তাঁর বক্তব্যকে সংসদে ভুলভাবে উপস্থাপন করায় তিনি অত্যন্ত মর্মাহত বলে জানিয়েছেন।
গতকাল সংসদে অনির্ধারিত আলোচনার সূত্রপাত করেন স্বতন্ত্র সাংসদ ফজলুল আজিম। তিনি বলেন, শনিবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) একটি অনুষ্ঠানে একজন বুদ্ধিজীবী সাংসদ ও মন্ত্রীদের চোর-ডাকাত বলে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন। তাঁর এ বক্তব্য দুঃখজনক। তিনি বলেন, ‘এসব বক্তব্য গণতন্ত্রের জন্য সুফল বয়ে আনবে না। আমরা এখানে জনগণের রায় নিয়ে এসেছি। অনেকেই আছি যারা বারবার নির্বাচিত হয়েছি। আমরা কেউ ধোয়া তুলসী পাতা নই। ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। সে জন্য আইন আছে। ভুল করলে জনগণ বিচার করবে।’
এরপর জাতীয় পার্টির সাংসদ মুজিবুল হক বলেন, ‘এ মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। দেশের সকল অর্জনের পেছনে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা রয়েছে। জনগণ ভোট দিয়ে সাংসদদের নির্বাচন করেছেন। অধ্যাপক আবু সায়ীদকে আমরা শ্রদ্ধা করি। কিন্তু এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ভোটারদের অবমাননা করেছেন।’
এরপর শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, এই বক্তব্য গণতন্ত্র ও সংসদের ওপর আঘাত। বুদ্ধিজীবীরা জাতির বিবেক হয়েছেন। বিপদে তাঁদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যায় না। কোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ থাকে, তবে প্রমাণসহ উপস্থাপন করেন। সেই মন্ত্রী পদত্যাগ করবেন। কিন্তু ঢালাও অভিযোগ করা যাবে না।
শেখ সেলিম অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘যেসব বুদ্ধিজীবী সরকারের সমালোচনা করেন, তাঁদের আয়ের উৎস কী, তা খতিয়ে দেখেন। এক-এগারোতে তাঁরা কী করেছেন, তা আমাদের জানা আছে। একজন শিক্ষক এত দামি গাড়িতে কী করে চড়েন? নির্বাচিত সরকার থাকলে তাঁদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। অনির্বাচিত সরকার থাকলে তাঁরা পদ পান। এক-এগারোর পর ব্যবসায়ী, ছাত্র, শিক্ষকদের যখন গ্রেপ্তার করা হয়, তখন তো তাঁরা একটি কথাও বলেননি, বরং সেই সরকারের প্রশংসা করেছেন।’
স্পিকারের দায়িত্ব পালনকারী আলী আশরাফ সাংসদদের বক্তব্যকে যথার্থ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের আকাশে কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে। সংসদকে অবমাননার মাধ্যমে দেশের জনগণ ও সংবিধানকে অবমাননা করা হয়েছে। এতে সাংসদদের বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। এটা বিচ্ছিন্ন কোনো বক্তব্য নয়। সে জন্য তাঁকে (আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ) বিশেষ অধিকার কমিটির মাধ্যমে নোটিশ করে আমরা এ সংসদে তলব করতে পারি। কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। তাঁকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। কারণ, সংসদকে অবমাননা করার অধিকার কারও নেই।’
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ যা বলেছিলেন: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ গত শনিবার টিআইবির এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। বক্তব্যের শুরুতে দুর্নীতি কী, তা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘চোর যে চুরি করে, ডাকাত যে ডাকাতি করে, সেটি কি দুর্নীতি? আমার ধারণা, এটা দুর্নীতি নয়। কারণ, দুর্নীতি শব্দের মধ্যে আরেকটি শব্দ লুকিয়ে আছে। শব্দটি হলো ‘নীতি’। চোর বা ডাকাতের কাজ ঠিক দুর্নীতি নয়। কারণ, তাদের কোনো নীতিই নেই। সুতরাং, দুর্নীতি সেই মানুষটি করে, যার নীতি আছে। একটা উদাহরণ দিই। যেমন—যদি একজন মন্ত্রী এই বলে শপথ নেন যে তিনি শত্রু-মিত্র ভেদাভেদ না করে সবার প্রতি সমান বিচার করবেন, কিন্তু পরে তিনি সেটি না করেন, সেটা হবে দুর্নীতি।’
তাঁর এই বক্তব্যের রেকর্ড প্রথম আলোর কাছে আছে।

 

MPs blast Prof Sayeed

Ask him to apologise for comments on politicians

A section of ruling alliance lawmakers in parliament yesterday slammed noted litterateur Prof Abdullah Abu Sayeed, who is also a trustee member of the TIB, for his “derogatory” remark on Saturday about lawmakers and ministers, and demanded that Sayeed offer an unconditional apology in the House.

Prof Md Ali Ashraf, who was presiding over the sitting, said Sayeed’s remark was tantamount to contempt of parliament and democracy.

“Parliament should summon him [Sayeed]…Keep him standing in the House and ask him to offer unconditional apology before the nation,” said Ashraf, a lawmaker from the ruling Awami League.

“It [Sayeed’s comment] is a bad sign, and if we don’t take action against him it will be harmful for democracy.”

He suggested that lawmakers submit a notice for bringing a censure motion against Sayeed in the House.

Referring to newspaper reports, Ashraf said Prof Sayeed had told a TIB programme on Saturday that lawmakers and ministers acted like thieves and dacoits, and their behaviour was not proper. And they ignored their oath.

Prime Minister Sheikh Hasina, leader of the House, was present at the sitting.

Taking the floor on a point of order, independent lawmaker Fazlul Azim raised the issue and said Prof Sayeed had undermined the lawmakers’ dignity and the sovereignty of parliament by making such comments.

“Parliament should do something against such derogatory comments.”

After him, Jatiya Party lawmaker Mujib-ul-Haque Chunnu came down hard on Prof Sayeed and other intellectuals for criticising lawmakers and ministers on different occasions.

“They [intellectuals] can only give advice but it was the politicians who won independence for the country,” he said.

AL lawmaker Sheikh Fazlul Karim Selim also criticised Prof Sayeed and other intellectuals. He, however, did not mention any names other than Prof Sayeed.

“Intellectuals like him [Prof Sayeed] give certificates to lawmakers, ministers and the government. But who will give them certificates?”

They bring a lot of money but on whom do they spend that? “They [Transparency International Bangladesh] bring money from non-governmental organisations and talk against democracy and parliament,” said Selim.

He said intellectuals like Prof Sayeed had always supported unelected, illegal and military regimes because they get something from those governments.

Selim also asked what authority TIB had to inquire about corruption in ministries.

“We all know their role in 1/11. They did not say anything when the last caretaker government arrested students.”

The AL lawmaker called upon the finance minister to find out the sources of TIB’s funds and how they organised “one or two colourful programmes” every week.

“You [the finance minister] should look into how they [TIB officials] own cars and live a posh life. They must answer,” said Selim.