HC bans billboards in Dhaka’s 8 areas

The Daily Star June 13, 2012

The High Court yesterday directed the authorities not to install billboards in eight areas in Dhaka city including Gulshan, Banani, Kakoli, Baridhara, and Notun Bazar till further order.

The court also issued a rule upon Dhaka City Corporation (North) to explain in four weeks why their work order to Ritu Advertisement Firm on March 8 for mounting billboards in those areas should not be declared illegal.

The HC bench of Justice Farid Ahmed and Justice Sheikh Hassan Arif came up with the order and rule in response to a writ petition.

Arif Rahman, owner of a building at Gulshan-2, and Anjarul Ahsan, a Supreme Court lawyer, filed the petition on June 10, challenging the legality of the work order. They argued that the public safety and security were being jeopardised due to ever-increasing billboards in the city.

The bench also issued a suo moto rule on the government to explain why it should not formulate guidelines on installing billboards in Dhaka city.

Barrister Rafique-ul Huq and Barrister Sakhawat Hossain represented the petitioners, while Deputy Attorney General Motaher Hossain Saju stood for the government.

 

নির্ধারিত স্থান ছাড়া দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানো যাবে না: আইন কার্যকর হচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

প্রথম আলো ৩১-০৩-২০১২

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানো নিয়ন্ত্রণ আইন’ ১ এপ্রিল থেকে কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির জন্য তা সরকারি ছাপাখানায় পাঠানো হয়েছে। এ আইন কার্যকরের ফলে নির্ধারিত স্থান ছাড়া দেয়াললিখন বা পোস্টার লাগানো যাবে না।
একই সঙ্গে আইনটি বাস্তবায়নের বিষয়ে বিধিমালা প্রণয়নের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আবদুল মালেককে আহ্বায়ক করে আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আইন হয়ে যাওয়ায় আমরা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেটি কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষগুলো (সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ) এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে।
দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানো (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১২ গত ২০ ফেব্রুয়ারি সংসদে পাস হয়। আইনে বলা হয়েছে, সরকার প্রজ্ঞাপন দ্বারা যে তারিখ নির্ধারণ করবে, সেই তারিখ থেকে তা কার্যকর হবে।
এক মাসের বেশি সময় আগে আইন পাস হলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি। ফলে এখনো ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনিয়ন্ত্রিতভাবে দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানো হচ্ছে। ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর সর্বত্র দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানোর মহোৎসব শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সূত্র জানায়, আইনটি কার্যকর হলে বিদ্যমান দেয়াললিখন মোছার ও পোস্টার তুলে ফেলার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এই সময়সীমায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সুবিধাভোগীকে তাঁর দেয়াললিখন বা পোস্টার মুছে ফেলতে বা অপসারণ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা করা না হলে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষ স্ব-উদ্যোগে অননুমোদিত যেকোনো দেয়াললিখন বা পোস্টার সরাবে এবং এই কাজের জন্য ব্যয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সুবিধাভোগীর কাছ থেকে আদায় করবে।
আইন অনুযায়ী কোনো স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ দেয়াললিখন বা পোস্টার লাগানোর জন্য প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে স্থান নির্ধারণ করবে এবং নির্ধারিত ওই স্থানে দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানো যাবে। তবে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত স্থান ছাড়াও অন্য স্থানে বিধি দ্বারা নির্ধারিত শর্তে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে দেয়াললিখন ও পোস্টার লাগানো যাবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, বিধিমালা প্রণয়নে গঠিত কমিটিই এসব শর্ত ও ফি নির্ধারণ করবে।
আইনে আছে, কোনো ব্যক্তি এই আইন ভঙ্গ করলে তাঁকে অন্যূন পাঁচ হাজার টাকা এবং অনূর্ধ্ব ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা যাবে। অনাদায়ে ১৫ দিন পর্যন্ত বিনা শ্রম কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।

দেয়াললিখন ও পোস্টার বলতে যা বোঝাবে: আইন অনুযায়ী প্রচার বা ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে যেকোনো রঙের কালি বা চুন বা রাসায়নিক দিয়ে দেয়াল বা যানবাহনে কোনো লিখন, মুদ্রণ, ছাপচিত্র বা চিত্র অঙ্কন করাকে দেয়াললিখন বোঝাবে। আর পোস্টার বলতে বোঝাবে কাগজ, কাপড়, রেক্সিন বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমসহ অন্য যেকোনো মাধ্যমে প্রস্তুত করা কোনো প্রচারপত্র, প্রচারচিত্র, বিজ্ঞাপন এবং যেকোনো ধরনের ব্যানার ও বিলবোর্ড।