গার্মেন্টস মালিকদের ধর্মঘট কেন?

গার্মেন্ট মালিকদের ধর্মঘট

বিডিনিউজ২৪ডট কম জুন ২০, ২০১২

monjur-f111১৭ জুন থেকে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ঢাকার পাশের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে তাদের সেক্টরের সব কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। মালিকপক্ষ অভিযোগ করেছে, প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে যে অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছিল, জ্বালাও-পোড়াও-ভাঙ্গচুর চলছিল, শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দিচ্ছিল; তারই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে শ্রম আইনের ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দিন দশক ধরে আশুলিয়ার অশান্ত পরিস্থিতি সত্ত্বেও কিছু কিছু কারখানায় উৎপাদন কম-বেশি অব্যাহত ছিল। বর্তমানে সবই বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে তিনশ’র বেশি কারখানার কয়েক লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বেতন-ভাতা ছাড়া নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। মালিকরাও বিপুল লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছেন। বিদেশি ক্রেতারাও তাদের অর্ডার বাতিল করতে শুরু করেছেন। এলাকার দোকানপাট, ব্যবসা-বাণিজ্যেও অচলাবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে।<

আশুলিয়ার এই ঘটনার ধাক্কা অন্যান্য শিল্প এলাকায় এসে লাগছে এমন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।

গার্মেন্ট সেক্টরে বর্তমান সঙ্কটের পেছনে শুধু একটি নয়, বেশ কিছু কারণ আছে। সেই কারণগুলো বোঝা দরকার। কারণগুলো দূর করার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ নিতে না পারলে ঘুরে-ফিরে সঙ্কটের আবর্তেই ঘুরতে থাকবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প সেক্টর। শিল্পখাতে এককভাবে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই শিল্পে চল্লিশ লাখেরও বেশি শ্রমিক কাজ করেন।

গার্মেন্ট শিল্পের সাফল্য, মুনাফা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় সামনে থাকার অন্যতম কারণ বাংলাদেশের সস্তা শ্রম। সস্তা শ্রম মানে শ্রমিকদের বঞ্চনা, শ্রমিক-শোষণ। এখান থেকেই সঙ্কটের একটা বড় দিকের উদ্ভব। গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি কম। দুই বছর আগে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ৫০০০ টাকা নুন্যতম মজুরি নির্ধারণের দাবি জানানো হয়। তখন দেশের অর্থনীতিবিদসহ অনেকেই এ দাবির ন্যায্যতা স্বীকার করেছিলেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি ‘অমানবিক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু পরে মিনিমাম ওয়েজ বোর্ড তিন হাজার টাকা নুন্যতম মজুরি নির্ধারণ করে। এই মজুরি অপ্রতুল হওয়ায় সেই সময় কিছু কিছু জায়গায় শ্রমিকরা স্বত:স্ফুত ধর্মঘট করে এবং রাস্তায় নেমে আসে। সরকার শ্রমিকদের ওপর তীব্র দমননীতি চালায়, হাজার হাজার শ্রমিক ছাঁটাই-বরখাস্ত হন। অনেকে গ্রেফতার হন, মন্টু ঘোষসহ অনেক নেতাকে গ্রেফতার করা হন, গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করা হয়। মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। ইতিমধ্যে দ্রব্যমূল্য ও জীবনধারণের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। দফায় দফায় ঘরভাড়া বৃদ্ধি, যাতায়াত-শিক্ষা-চিকিৎসার ব্যয় বৃদ্ধি শ্রমিকদের জীবন দুর্বিসহ করে তুলেছে। শ্রম মন্ত্রনালয়ের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক গার্মেন্ট শ্রমিক ঘোষিত নুন্যতম মজুরিও পাচ্ছেন না। এছাড়া সোয়েটারে এবং পিস রেটের ক্ষেত্রে নানা অসঙ্গতি বিরাজ করছে। রেশনিং চালু করার কথা বলেও তা চালু করা হয়নি। এছাড়া যা পাওনা তা ঠিকমতো এবং ঠিক সময় শ্রমিকরা পান না। উল্লেখযোগ্য, সম্প্রতি সরকার যে মজুরি কমিশন গঠন করেছেন তাতে নুন্যতম শ্রম মজুরি ৪,১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ম্যানেজমেন্টের কিছু লোকজন কর্তৃক শ্রমিক হয়রানি, দুর্বব্যবহার নিত্যদিনের ব্যাপার। তাছাড়া শ্রমিকদের এই সমস্যাগুলো তুলে ধরার কোনও সুযোগ নেই। শ্রম আইনে ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার থাকলেও বাস্তবে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করতে দেওয়া হয় না। কেউ চেষ্টা করলে নেমে আসে দমন-পীড়ন। শ্রমিকরা কেউ তাদের দু:খের কথা মালিকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করলে তার ওপর নেমে আসে দমননীতি, মাস্তানদের হামলা, পুলিশের নির্যাতন, ছাঁটাই-বরখাস্ত। এ সব কারণে শ্রমিকদের ক্ষোভ-দু:খ যখন কোনও ভাবে প্রকাশ করার সুযোগ থাকে না, তখন ক্ষোভ জমা হতে হতে একসময় ফেটে পড়ে। শ্রমিকদের বিক্ষোভ বিদ্রোহে রুপ নেয়।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে নানা স্বার্থান্বেষী মহল নানা রকম চক্রান্তে মেতে ওঠে। কিছু মালিক তাদের পকেট ইউনিয়ন বা দালাল ইউনিয়ন বানায় অথবা কিছু নেতাকে টাকা দিয়ে কিনে নেয়। অন্যদিকে শ্রমিকদের স্বার্থে সংগ্রামী গঠনমূলক ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করতে দেওয়া হয় না। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোটি টাকা নিয়ে বাংলাদেশে তথাকথিত শ্রমিক সংগঠনের কয়েকটি এনজিও পরিচালনা করা হচ্ছে। ওরা আসলে শ্রমিক স্বার্থে নয়, মার্কিন অথবা সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থ রক্ষা করার জন্যই কাজ করে।

এছাড়া আর একটি ফ্যাক্টর এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টিতে কাজ করে। গার্মেন্ট শিল্প এলাকাগুলো ঘিরে ঝুট ব্যবসায়ীরা টিফিনের কন্ট্রাক্ট বা এই জাতীয় নানা ব্যবসা ও সুযোগ-সুবিধা মালিকদের কাছে থেকে আদায় করে নেয়। অনেক ক্ষেত্রে কারখানার ম্যানেজমেন্টের মধ্যে কিছু দুর্নীতিবাজ লোকদের সঙ্গে মিলে একটি কায়েমী স্বার্থ গড়ে ওঠে। শ্রমিকদের পাওনা টাকা আত্মসাৎ করে। এই সব টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের নিজেদের মধ্যে যেমন দ্বন্দ্ব থাকে- তেমনি মালিক, ম্যানেজমেন্ট বা কারখানার ওপর হামলা হয়। এদের ভাগাভাগির সঙ্গে পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন যুক্ত হয়ে যায়। এরা সবাই শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগায়।

এই সব কায়েমী স্বার্থবাদী মহল কখনও শুধু শ্রমিক আন্দোলন বানচাল করার জন্য, মালিকের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিজেদের সুবিধা আদায় করার জন্য অথবা দেশে একটি অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করে নিজেদের বা তাদের বিদেশি প্রভুদের স্বার্থ হাসিলের জন্য অরাজকতার দিকে শিল্পকে ঠেলে দেয়। কখনও কখনও কিছু মালিক নিজেরাই কারখানায় ভাঙচুর ও আগুন লাগাবার উস্কানি দেয়। শ্রমিকদের ওপর দোষ চাপিয়ে তাদের পাওনা শোধ না করেই ছাঁটাই-বরখাস্ত করে। কম মজুরিতে নতুন শ্রমিক নিয়োগ করে। মালিকের যে ক্ষতি হয় তার চেয়ে বেশি টাকা সে বীমা কোম্পানির কাছ থেকে আদায় করে। একজন সত্যিকার শ্রমিক সাধারণত কখনও ভাঙচুরের মধ্যে যায় না। সে জানে তার রুটি-রুজি নির্ভর করে শিল্পে উৎপাদন চালু থাকার ওপর।

বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে আরও কিছু ঘটনার যোগাযোগ লক্ষ্য করা যায়। কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ঢাকায় এসেছিলেন। উনি গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য মায়াকান্না করে সরকার ও মালিকদের হুমকি দিয়ে গেছেন। যে আমেরিকার নিজ দেশে কোটি মানুষ বেকার, লাখো মানুষ ফুড স্ট্যাম্প বা নোঙ্গরখানার খাবার খেয়ে বাঁচে, যারা ইরাকে-আফগানিস্তানে নারী-শিশু-বৃদ্ধকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে, তাদের মুখে এ সব কথা শোভা পায় না। শ্রমিকস্বার্থে ‘আইএলও’ কাজ করে বলে যুক্তরাষ্ট্র আইএলও ছেড়ে দিয়েছিল। এর মাঝে আইএলও-র পাওনা পরিশোধ না করে কোটি কোটি টাকা চাঁদা বকেয়া রেখে আইএলও-কে অচল করতে চেয়েছিল। সেই আমেরিকা আজ শ্রম আইন এবং আইএলও সনদ কার্যকর করতে গার্মেন্টে কমপ্লায়েন্স-এর কথা বলে কোন মুখে! ইরাকে মানববিধ্বংসী অস্ত্র আছে, আফগানিস্তানে ইসলামী জঙ্গী (তালেবানদের জন্ম ও ট্রেনিং দিয়েছিল আমেরিকা এবং এ কাজে পাকিস্তানকে ব্যবহার করেছিল মার্কিনীরা) রয়েছে, লিবিয়াতে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে- এমনই নানা অজুহাত দেখিয়ে মার্কিনীরা এসব দেশ দখল করেছে, বর্বর গণহত্যা চালিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও তারা কমপ্লায়েন্সের নামে অথবা মানবাধিকার, শিল্পশ্রম, দুর্নীতি ইত্যাদি অজুহাত সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ আদায় করে নিতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র যদি আন্তরিকভাবে এসব সমস্যার সমাধান চাইত তাহলে কিছু বলার থাকত না। ১৯৭৪ সনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খাদ্য-অস্ত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে খাদ্য শস্যবাহী জাহাজ বঙ্গোপসাগর থেকে ঘুরিয়ে অন্যত্র পাঠিয়ে দিয়ে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছিল। ওই পটভূমিতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে মার্কিন স্বার্থে বাংলাদেশে রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তন ঘটানো হয়েছিল। আজ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে কমপ্লায়েন্স (শ্রমিকদের প্রাপ্য অধিকার ও সুযোগ সুবিধার বাস্তবায়ন), মানবাধিকার, শিশুশ্রম, দুর্নীতি ইত্যাদি প্রশ্ন তুলে বাংলাদেশকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে। মার্কিনীরা প্রকাশ্যে টিক্কা চুক্তি, স্ট্র্যাটেজিক (সামরিক) অংশীদারত্ব চুক্তি ও সংলাপ, তেল-গ্যাসের সামুদ্রিক এবং স্থলভাগের ব্লকগুলো মার্কিন কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া, বাংলাদেশের সমুদ্রে সম্ভাব্য নৌবাহরের আনাগোনা এবং মার্কিন নৌ-শক্তি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের ওপর চাপ দিয়ে যাচ্ছে।

প্রাক্তন গার্মেন্ট শ্রমিক এবং পরে আমেরিকান এক এনজিওর কর্মি আমিনুল হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা করেছি আমরা। সম্প্রতি আশুলিয়া এবং কাঁচপুরে গার্মেন্ট শ্রমিক কামরুন্নাহার ও সনিয়াকে হত্যা করা হয়। খোদ হিলারি আমিনুল হত্যাকান্ডের নিন্দা করেছেন কিন্তু অন্যরা যারা গামেন্টে কর্মরত থাকা অবস্থায় নিহত হয়েছেন তাদের কথা বলেননি। গামেন্ট শ্রমিকদের ওপর অতীতেও দমন-পীড়ন হয়েছে। এখনও হচ্ছে। হাজার হাজার শ্রমিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, ছাঁটাই-বরখাস্ত-গ্রেফতার হয়েছেন অনেকে, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নেতা এ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষকে গ্রেফতার করে ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়েছে, নারী শ্রমিকদের গ্রেফতার করে দৈহিক নির্যাতন করা হয়েছে, মোশরেফা মিশুসহ শত শত কর্মীকে গ্রোফতার করা হয়েছে। তখনকিন্তু শ্রমিক-দরদী হিলারি টু শব্দটিও করেননি। লক্ষ্য করার বিষয়, হিলারি ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিলেন। সেই দিনই মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিজিএমইএ অফিসে গার্মেন্ট মালিকদের সঙ্গে দেখা করে অনেক কথা বললেন। তার দু’একদিন পরেই আশুলিয়ায় এই পরিস্থিতি।

কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করা যেতে পারে?

প্রথমত, শ্রমিকদের অসন্তোষ যাতে কোনও স্বার্থান্বেষী মহল কাজে লাগাতে না পারে সে জন্য শ্রমিকদের সমস্যাগুলো সহানুভূতির সঙ্গে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। শ্রমিকের দু:খ ও প্রয়োজনের বিষয়টি যাতে মালিকদের শান্তিপূর্ণভাবে জানানো যায় সে জন্য দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন যা দেশের আইন দ্বাড়াও সমর্থিত তাকে অবাধে কাজ করতে দিতে হবে। শ্রমিকদের দাবিকে যাতে সংঘাত ও সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হওয়ার পথে ঠেলে দেওয়া না হয় সে জন্য আইনের বিধান অনুসারে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তির উদ্যোগ নেয়া জরুরি।

যে সব দেশি-বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল এবং কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠী পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে নানা অপতৎপরতায় লিপ্ত- সরকারকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, তাদের দমন করতে হবে, শ্রমিকদের নয়।

দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ও শিল্পের স্বার্থে অবিলম্বে শ্রমিক-মালিক আলোচনা শুরু করা উচিত।

অবিলম্বে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় ও কারখানা পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু করা দরকার। শ্রমিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে এবং দেরি না করে কারখানাগুলো চালু করতে হবে।

মনজুরুল আহসান খান: বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি।