Humayun Ahmed buried at Nuhash Palli

bdnews24.com July 24, 2012

Humayun Ahmed has been laid to rest at his favourite retreat at Nuhash Palli in Gazipur on Tuesday.

 

হুমায়ূন বিতর্কে শাওন কেন কাঠগড়ায়

 

 

ফেইসবুকের ভোটেও নুহাশ পল্লীই শীর্ষে

নুহাশপল্লীর মাটির ঘরে হুমায়ূন

পরশপাথর হুমায়ূন

ঢাকায় ফিরেছেন গুলতেকিন

Gultekin arrives in Dhaka 

নুহাশ পল্লীতে ইফতার মাহফিল-মিলাদ

হুমায়ূন নিয়ে মূলধারায় ‘অতি সাংবাদিকতা’

মৃত হুমায়ূন আহমেদ এবং দৈনিক মানবজমিনের সাংবাদিক…

Thousands of people including his fans, relatives and friends thronged Nuhash Palli to say ‘good bye’ to the popular writer who captivated them for nearly four decades.

‘আবার লিখুন হুমায়ূন আহমেদ’

হুমায়ূনকে নিয়ে সুমনের গানটি শুনতে ক্লিক করুন

Humayun laid in eternal rest

Humayun`s janaza held at Nuhash Palli

As Humayun was buried, rain, which had fascinated the writer most in his lifetime, poured down incessantly.

Humayun’s elder son Nuhash led the pallbearers who gave their shoulders and placed Humayun in the grave. Nuhash was wearing a Panjabi of blue colour, the colour his father related with rainy season in many of his fictions.

Humayun’s daughters Sheela and Nova, second wife Meher Afroz Shaon and her sons Nishad and Ninit attended the burial along with the writer’s two brothers – Muhammad Zafar Iqbal and Ahsan Habib – and two sisters.

BNP wants cultural centre at Nuhash Palli

Following family’s decision early morning on Tuesday to bury Humayun at Nuhash Palli, the ambulance carrying Humayun’s remains left BIRDEM mortuary. The ambulance with Shaon and her sons aboard reached Nuhash Palli at 12:05pm.

Nuhash, Sheela and Nova, Humayun’s children with his first wife Gultekin, reached their before the ambulance came.

বৃষ্টি মাথায় মানুষের ঢল

Fans started to throng Nuhash Palli as soon as the first light of the day appeared and about a kilometre of road stretching from Nuhash Palli to Pirujali village was filled with people.

All of them took part in the writer’s last namaj-e-janaza conducted by the Imam of a local mosque Mozibur Rahman. The writer was laid to rest in his grave dug out at Humayun’s favourite part of Nuhash Palli, Lichu Tola.

Humayun died on July 19 at a New York hospital after battling with Cancer for about ten months. His first janaza was held in United States followed by the one held at Jatiya Eidgah on Monday.

His burial site selection saw division among family members. Shaon claimed Humayun’s last wish was to be buried at Nuhash Palli while the writer’s three elder children from his first wife wanted their father to be buried at a place in Dhaka easily accessible by all.

Zafar Iqbal informed the media about the decision of burying his brother at Nuhash Palli at 2:30 am Tuesday saying they did not want to get Humayun’s burial delayed anymore.

BBC

Mourners have been paying their last respects

Popular Bangladeshi fiction writer Humayun Ahmed has been buried at his country house near the capital Dhaka.

Thousands of admirers lined up to bid an emotional farewell as his body was brought to Nuhash Palli in Gazipur district.

Mr Ahmed died of colon cancer at a New York hospital last week.

He was known for his depiction of the tribulations of ordinary middle-class Bangladeshi life.

Mourners, including relatives of the 64-year-old author, braved the rain to pay their last respects.

Earlier a funeral prayer meeting was held within the High Court premises in Dhaka.

On Monday thousands of people gathered in the city’s Central Shaheed Minar monument to pay their last respects to Mr Ahmed after his body was flown back from the US.

The author and film maker’s burial was delayed following a family feud over the location of his burial site.

It was finally resolved early on Tuesday after the intervention of Prime Minister Sheikh Hasina.

Mr Ahmed wrote more than 200 fiction and non-fiction books in easily understandable Bengali – nearly all of which were bestsellers in Bangladesh.

BBC Bengali editor Sabir Mustafa says that he was idolised by an entire generation of young men and women who grew up in the 1980s and 1990s.

 

বিবিসি বাংলা

বাংলাদেশের সদ্য প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্রভাবে সমালোচিত হচ্ছেন লাশ দাফন বিতর্কে তাঁর কথিত ভূমিকার জন্য।

সাত বছর আগে বিয়ে হলেও তাদের প্রেম, বিয়ে এবং এর পরিণামে হুমায়ূন আহমেদের আগের সংসার ভেঙ্গে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এখন নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে ফেসবুকে, বিভিন্ন ব্লগে এবং অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে।

কিন্তু যেভাবে মেহের আফরোজ শাওন সোশ্যাল মিডিয়ায় কথিত হুমায়ূন ভক্তদের সমালোচনার টার্গেটে পরিণত হয়েছেন, এবং যে ভাষায় তাঁর এই সমালোচনা করা হচ্ছে—সেটা কতোটা ন্যায্য এবং যৌক্তিক সে প্রশ্ন উঠেছে।

“ভাবতে আশ্চর্য লাগছে, যারা নিজেকে হুমায়ূনের বিশাল ভক্ত হিসেবে দাবি করছে, আজ তারাই হুমায়ূনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটাকে নিয়ে কুৎসিততম মন্তব্য করে যাচ্ছে। শাওন মিথ্যা না সত্য বলছে, সে অভিনেত্রী না ভালোমানুষ, তাকে ব্যক্তিগতভাবে না জেনে, না চিনে মন্তব্য করার অধিকার আমাদের কে দিয়েছে”—ফেসবুকে তাঁর স্ট্যাটাসে মুনমুন শারমিন শামস নামের একজন এভাবেই তাঁর ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

পারিবারিক মূল্যবোধ

হুমায়ূন আহমেদ তাঁর বেশিরভাগ গল্পে মধ্যবিত্তের পারিবারিক মূল্যবোধেরই জয়গান গেয়েছেন

হুমায়ূন আহমেদ মূলত লিখেছেন বাংলাদেশের নাগরিক মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তের জীবন নিয়ে। নিজের লেখায় যৌনতার খোলামেলা বর্ণনা তিনি সচেতনভাবে এড়িয়ে গেছেন, এবং তাঁর অনেক গল্পেই শেষ পর্যন্ত মধ্যবিত্তের পারিবারিক মূল্যবোধেরই জয় দেখানো হয়েছে।

কিন্তু এই জনপ্রিয় লেখক নিজেই যখন প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তিরিশ বছরের সংসার ভেঙ্গে মেয়ের বান্ধবী মেহের আফরোজ শাওনকে বিয়ে করেন, তখন স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিলেন তাঁর ভক্তরাও।

“মেহের আফরোজ শাওনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর এই প্রবণতা খুবই হতাশাজনক। এটা খুবই অবমাননাকর” — ফাহমিদুল হক, শিক্ষক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

কিন্তু সেই বিতর্কও এক সময় থিতিয়ে এসেছিল। নিজের লেখালেখি, টেলিভিশন নাটক এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে হুমায়ূন আহমেদ তার ভক্তদের মাতিয়ে রেখেছেন।

কিন্তু মৃত্যুর পর জনপ্রিয় এই লেখকের সাহিত্য কীর্তির মূল্যায়নের চাইতে তাঁর ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবনই গণমাধ্যমে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি আলোচিত হচ্ছে।

কোথায় হুমায়ূন আহমেদকে দাফন করা হবে তা নিয়ে যেভাবে পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্য মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন, তা যে এই বিতর্ককে নতুন করে উস্কে দিয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।

‘নারী সবসময় ভিকটিম’

প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের সংসার ভাঙ্গার জন্য অনেকে দূষছেন মেহের আফরোজ শাওনকে। কোথায় হুমায়ূন আহমেদকে দাফন করা হবে, সেই দ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত শাওন যেভাবে জয়ী হন—সেটাকেও লেখকের উত্তরাধিকার কব্জা করার প্রয়াস হিসেবে দেখেছেন অনেকে।

“একটা মেয়ে ঘর বাঁধলেও মুশকিল, না বাঁধলেও মুশকিল। ঘর টেকাতে না পারলে তার দায়ও মেয়েদের ওপরই আসে। আমাদের দেশে নারী সবসময়েই ভিকটিম” — সমাজবিজ্ঞানী মাহবুবা নাসরিন

কিন্তু মেহের আফরোজ শাওনের ওপর এই আক্রমণের মধ্যে সমাজের সনাতনী পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গীরই প্রকাশ ঘটেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

“ফেসবুকে এবং ব্লগে যে ভাষায় মেহের আফরোজ শাওনের সমালোচনা করা হচ্ছে তাতে হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে তাকে অবমাননা করার একটা চেষ্টা খুবই স্পষ্ট”, বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক।

“অনেকে আবেগের জায়গা থেকে এমন কিছু কথা বলছেন, লিখছেন যা খুবই অনভিপ্রেত। বিশেষ করে এখানে শাওনকে ডেমোনাইজ করার একটা চেষ্টা চলছে। এমনকি হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর জন্যও তাকে দায়ী করে নানা ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা হচ্ছে। মেহের আফরোজ শাওনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর এই প্রবণতা খুবই হতাশাজনক। এটা খুবই অবমাননাকর।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের অধ্যাপক মাহবুবা নাসরিন বলেন, এ ধরণের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সমাজে সবসময় নারীকেই দোষারোপ করার একটা প্রবণতা দেখা যায়।

“একজন পুরুষের সম্পৃক্ততা না থাকলে একজন নারী তার জীবনে জড়িয়ে যায় না। কিন্তু বিষয়টাকে আমরা সেভাবে দেখি না। একটা মেয়ে ঘর বাঁধলেও মুশকিল, না বাঁধলেও মুশকিল। ঘর টেকাতে না পারলে তার দায়ও মেয়েদের ওপরই আসে। আমাদের দেশে নারী সবসময়েই ভিকটিম।”

মাহবুবা নাসরীন বলেন, হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে যখন বিয়ে হয়, তখন শাওন তো বয়সে অনেক ছোট ছিলেন। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ তো অনেক ম্যাচিউরড অবস্থা থেকে এই কাজটা করেছেন। কিন্তু কেউ তো হুমায়ূন আহমেদকে ইঙ্গিত করে কিছু বলছেন না। ইঙ্গিত করা হচ্ছে তাঁর স্ত্রী শাওনের প্রতি।”