What a farce! Hasina brands Syed Abul as a real patriot as he resigned ‘voluntarily’!!!

The Daily Star July 26, 2012

Prime Minister Sheikh Hasina termed recently resigned Information and Communication Technology minister Abul Hossain as a real patriot.

The PM made the comment while talking to journalists of Bangla newspapers on her arrival in London Wednesday night to join the inaugural programme of London Olympic 2012, reports BBC Bangla.

The premier also praised Abul saying that he resigned for the interest of the country.

Hasina informed journalists that her government had already spent Tk 1,500 crore for the construction of the Padma bridge project.

The construction work of the bridge will continue according to the plan whether the World Bank finances it or not, the prime minister added.

On July 23, Abul resigned finally following Finance Minister AMA Muhith’s comment that the government had been considering accepting the WB’s fourth condition to persuade the global lender to review the cancellation of the Padma bridge loan.

His resignation is likely to end the 10-month impasse between the government and the WB following the global lender’s corruption allegations in the $2.97 billion project.

The WB in September last year suspended its promised $1.2 billion funding for the country’s biggest infrastructure project.

It was the second time Syed Abul Hossain resigned as a minister. He had been forced to resign as state minister for the LGRD ministry in August 1997 over a controversy for using a private passport instead of a diplomatic book.

Though there has been a strong public opinion against him for the last few months, Abul has kept protesting his innocence and refuted allegations of any irregularities in the Padma bridge project. He accused a section of the media of resorting to propaganda against him, saying it misled the WB to cancel the project’s funding.

The ex-communications minister first came under fire ahead of the last year’s Eid-ul-Fitr for failing to repair and maintain roads and highways in many parts of the country.

He was removed from the communications ministry and given the charge of ICT ministry on December 5 last year after the WB brought corruption allegations against him and suspended its loan.

 

bdnews24.com

Prime Minister Sheikh Hasina has praised the former Communications Minister Syed Abul Hossain as he resigned from the cabinet in the wake of raging tension between the government and the World Bank over alleged corruption in the Padma bridge project.

She also mentioned that the World Bank could not provide any evidence regarding the corruption allegation they raised against Abul Hossain.

“They (WB) pointed finger at a minister,” Hasina said while replying questions from local Bangladeshi community media in London. “He put up advertisements in the media making his points and then submitted resignation letter to me.”

“He had not resigned (earlier) because he had the guts (to face it), because he is a patriot.”

“He [Abul Hossain] also wants Padma bridge. You should appreciate, only (an) Awami League (minister) could do this,” she said.

Hasina said that the World Bank had stopped financing in communications and power sector in 2005 when BNP was in power. “Did the ministers resign at that time?”

The World Bank on Jun 29 cancelled its pledged $ 1.2 billion credit for the Padma bridge project claiming that the Bangladesh government had failed to meet its four conditions, one of which was sending those linked to the alleged corruption on leave pending the investigation.

The government has all along refuted the Washington-based lender’s allegations. On Monday, however, Syed Abul Hossain, who was the Communications Minister when the graft charges were made, resigned as Minister of Information and Communications Technology, clearing the way for possible negotiations with the World Bank again. Former Bridges Division Secretary Mosharraf Hossain Bhuiya had also been sent on leave.

However, the Prime Minister in London said that the government had not moved away from its decision to build the Padma bridge with own fund.

She said if the World Bank decides to finances the Padma bridge project, that they would do on their own judgment.

“Let them decide. We have not moved away [from the initiative to build the bridge with own fund]. We will not back off.”

“Padma bridge will be built with our own funds. Our initiative is on,” Sheikh Hasina said on Wednesday in London.

The Prime Minister was talking to the local journalists of Bangladeshi origin at the St Pancras Renaissance Hotel in London.

She reiterated her government’s ‘firm stand’ to build Padma bridge. “We are not going backwards. We don’t beg. We take loans.”

“Whether World Bank comes or not we will build Padma bridge. We have the preparation,” Hasina added.

On a question of submitting wealth statement of her cabinet members, the Prime Minister said the ministers submit wealth statement to the Cabinet Division every year. She also said that the account of wealth of the ministers can be found in the website of the Election Commission.

 

আবুল হোসেন ‘দেশপ্রেমিক’

সদ্য পদত্যাগী মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের প্রশংসা করে তাঁকে দেশপ্রেমিক হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বুধবার রাতে লন্ডনে একটি হোটেলে স্থানীয় বাংলা গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আবুল হোসেন দেশপ্রেমিক। তাই তিনি দেশের সম্মান রাখতে পদত্যাগ করেছেন। কোন মন্ত্রীর গাটস থাকে যে পদত্যাগ করে! এটা একমাত্র আওয়ামী লীগ আমলেই সম্ভব। আমাদের সেই সাহস আছে।’
ব্রিটেনের রানির আমন্ত্রণে লন্ডন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে লন্ডন পৌঁছান শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় তিনি লন্ডনে কর্মরত বাংলা গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে ইফতার ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার রাশেদ চৌধুরী ও সোশ্যাল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার সৈয়দ আলীর পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন।
পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা পিছু হটে না। আমি বলেছি, দেশের টাকায় পদ্মা সেতু হবে, সেটা হবেই।’
পদ্মা সেতু দুর্নীতির বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের অবস্থান সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির গত আমল থেকেই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে সহায়তা বন্ধ করছে। পদ্মা সেতু নিয়ে তারা যে কাণ্ড করছে, সেটা ভিত্তিহীন। নিজেদের পছন্দের প্রতিষ্ঠান কাজ পায়নি দেখেই বিশ্বব্যাংক আবুল হোসেনের সঙ্গে লেগেছে। বিশ্বব্যাংক তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে পরামর্শক নিয়োগের জন্য বারবার চাপ দিচ্ছিল। সেই বিশেষ কোম্পানির কাছ থেকে কোনো কমিশন খেয়েছে কি না, আপনারা সাংবাদিকেরা সেটা খতিয়ে দেখেন।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘সরকার ইতিমধ্যেই দেড় হাজার কোটি টাকা নিজস্ব অর্থায়ন থেকে খরচ করেছে। আমাদের সে উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। কোনো সংস্থা যদি এগিয়ে আসে আমাদের সহায়তার জন্য, আমরা সেটা নেব। তবে আমরা কারও কাছে হাত পাতব না, আমরা স্বনির্ভরভাবেই পদ্মা সেতু করব।’
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতিসংক্রান্ত বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র দেন তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তিমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন। একই সঙ্গে ছুটিতে গেছেন সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। তিনি সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ছিলেন। বিশ্বব্যাংকের শর্ত পূরণ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রগুলো বলেছে। বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি অব্যাহত রাখতে মন্ত্রীসহ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার নাম দিয়ে তাঁদের ছুটিতে পাঠানোর শর্ত দিয়েছিল।
গত সেপ্টেম্বরে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন স্থগিত করে বিশ্বব্যাংক। এ সময় সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়। গত জানুয়ারিতে তাঁকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি নামে একটি নতুন মন্ত্রণালয় করে তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
সৈয়দ আবুল হোসেন আওয়ামী লীগ সরকারের দুই দফায় দুবার মন্ত্রী হয়েছিলেন। দুবারই তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। দুই পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশভ্রমণের দায়ে তাঁর মন্ত্রিত্ব যায়। আর এবার গেল পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের কারণে।

লন্ডনে অন্যান্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী
প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি লন্ডন-সিলেট-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিগগিরই লন্ডন-সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট চালু করা হবে। প্রবাসীরা যাতে দেশে গিয়ে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, তার জন্য সরকার সব সময় সচেষ্ট।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এ যাত্রায় আমাদের সাড়ে তিন বছরে ১০% দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়ে ৮৪৮ ডলার হয়েছে। গ্রামের মানুষের ব্যাপক আর্থিক উন্নতি হয়েছে। প্রতিবছর খাদ্য উত্পাদন বেড়ে চলেছে।’
স্বাস্থ্য খাতেও ব্যাপক উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজে আমরা নিয়োজিত আছি। প্রত্যেক ইউনিয়নে, গ্রামে এখন ইন্টারনেট-সুবিধা পৌঁছে গেছে। চার হাজার ৫৯২টি ইউনিয়নে এখন ইন্টারনেট-সুবিধা আছে, যা কিছুদিন আগে কেউ কল্পনাও করতে পারত না।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির সময় দেশ ছিল সন্ত্রাসীদের স্বর্গরাজ্য। আর তত্ত্বাবধায়কের সময় ছিল আতঙ্করাজ্য। এখন বাংলাদেশের সেই পরিচয় নেই। আমাদের সময় মাঝেমধ্যে দু-একটা ঘটনা ঘটছে, তবে তা ধবধবে সাদা জামার মধ্যে সামান্য ছিটেফোঁটার মতো। এ জন্যই এটা বেশি চোখে পড়ছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ব্রিটেনে আপনারা অর্থনৈতিক মন্দা অনুভব করলেও বাংলাদেশে বসে তা বোঝার উপায় নেই। দেশের প্রবৃদ্ধি ছয় শতাংশ বজায় রেখেছি। আমাদের সময় সাক্ষরতার হার বেড়েছে। শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের কারণে প্রভূত উন্নতি হয়েছে।’ সিলেট অঞ্চলের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আগের সরকারের সময় এই অঞ্চল শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল। এখন এসএসসি, এইচএসসির ফলাফল প্রকাশিত হলে দেখা যায়, দেশের সেরা সিলেট।’
বিদ্যুত্ উত্পাদন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে তিন হাজার আট মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করেছি। আরও ছয় হাজার তিন মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদনের কাজ চলছে।’
সাংবাদিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার আয়োজন ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনার সাইদুর রহমান, ‘সাপ্তাহিক জনমত’-এর প্রধান সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশা, সাংবাদিক বেলাল আহমদ, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ‘সাপ্তাহিক জনমত’-এর সম্পাদক নবাব উদ্দিন, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ‘সাপ্তাহিক পত্রিকা’র সম্পাদক এমদাদুল হক চৌধুরী, ‘সাপ্তাহিক সুরমা’র সম্পাদক সৈয়দ মনসুর উদ্দিন, সাংবাদিক আবু মুসা হাসান, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজেদুর রহমান ফারুক প্রমুখ।