The CHT may go violent again, warns Santu Larma

Dhaka, Aug 8 (bdnews24.com)

Indigenous community leader Santu Larma on Wednesday warned the Chittagong Hill Tracts may plunge into violence and bloodshed any moment over problems plaguing the region.

“Man’s lifestyle changes. Confrontation and controversies in hills were once set to rest. It may start all over again,” said the former guerrilla leader.

15 PCJSS men kidnapped in Rangamati

He was speaking at a discussion organised by Chittagong Hill Tracts Regional Council and NGO Nijera Kori at CIRDAP auditorium, where discussants shared their ideas about settling land disputes in the hilly region.

His statement shed light on the brewing discontent among the tribal people as the government continues to deny existence of indigenous communities in Bangladesh.

Late last year, a frustrated Larma threatened to start an agitation to make operational the Chittagong Hill Tracts accord that ended decades of bloody bush war.

The Chittagong Hill Tracts used to be a tinderbox even two decades ago when indigenous people gathered under the banner of Shanti Bahini, an armed force, demanding autonomy.

The Bahini was dissolved following signing of Chittagong Hill Tracts Peace Accord in 1997. Santu Larma, whose real name is Jyotirindra Bodhipriyo Larma, became Chairman of CHT Regional Council, a body formed in line with the accord.

The accord, one of the major points of which is the immediate settlement of land ownership, remains mostly unimplemented.

“Thousands of disputes over land ownership in the hills were created by the government,” alleged Larma as he demanded that the CHT Land Commission be strengthened.

Indigenous leaders want changes to some provisions of Land Commission law but Bengali settlers living in the hills are opposed to this.

National Human Rights Commission Chairman Mizanur Rahman doubts implementation of the peace accord at all if it does not happen in the current term of the Awami League-led government.

He announced his commission would carry out a census on indigenous people.

ঢাকা, আগস্ট ০৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

পার্বত্যাঞ্চলের সমস্যার সমাধান না হলে ফের পরিস্থিতি অশান্ত হতে পারে বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করেছেন পাহাড়ি নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

এক সময়ের এই গেরিলা নেতা বলেছেন, “মানুষের জীবনধারা পরিবর্তনশীল। পাহাড়ে একসময় সংঘাত ও বিতর্কের অবসান হয়েছে। কোনো দিন তার সূচনাও হতে পারে।”

পার্বত্যাঞ্চলে ভূমি বিরোধ নিয়ে বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও নিজেরা করি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সন্তু লারমা একথা বলেন।

স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে পাহাড়িদের সশস্ত্র সংগ্রামে দুই যুগ আগেও অশান্ত ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম। শান্তি বাহিনী নামে ওই সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন সন্তু লারমা।

১৯৯৮ সালে শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি করে অস্ত্র ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরে পাহাড়িরা। গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, যার চেয়ারম্যান হন সন্তু লারমা।

তবে ভূমি বিরোধসহ ওই চুক্তির সব ধারা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, যা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির।

ভূমি বিরোধের জন্য সরকারকে দায়ী করে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমা বলেন, “পাহাড়ে ভূমি নিয়ে সৃষ্ট হাজার হাজার বিরোধ সরকার সৃষ্টি করেছে।”

ভূমি বিরোধ অবসানে শক্তিশালী ভূমি কমিশন গঠনের দাবি জানান জনসংহতি সমিতির সভাপতি।

বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বিরোধ অবসানে একটি কমিশন কাজ করছে। তবে আইনের কিছু ধারা সংশোধনের দাবি তুলেছে জনসংহতি সমিতি। তবে এই ধারা সংশোধনে আপত্তি জানিয়ে আসছে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসরত বাঙালিদের সংগঠন সম-অধিকার আন্দোলন।

পার্বত্য শান্তি চুক্তির বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমলে চুক্তি বাস্তবায়ন যদি না হয়, অন্য দল আসলে কি সম্ভব? এই সরকারই শেষ ভরসা।”

পাহাড়ে এখনকার সন্ত্রাসী তৎপরতার জন্য শান্তিচুক্তিবিরোধী পাহাড়িদের সংগঠন ইউপিডিএফকে দায়ী করেন জনসংহতি সমিতির সভাপতি।

সন্তু লারমা বলেন, “ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী সংগঠন। শাসকগোষ্ঠী এটি সৃষ্টি করেছে। সরকারের একটা অংশ যারা আমাদের বিরোধিতা করছে, তারাই এই সন্ত্রাসী সংগঠন সৃষ্টি করেছে। এই সংগঠনটি নিজ জাতের বিরোধী।”

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কাউন্সিলের স্টাডি সমন্বয়ক শক্তিপদ ত্রিপুরা বলেন, “সরকার আদিবাসীদের প্রথাগত ভূমি আইন ও রীতিনীতিকে উপেক্ষা করে নানা ধরনের আইনকানুন তৈরি করছে। ফলে আদিবাসীরা তাদের ভূমি হারানোর আশঙ্কা করছেন।”

এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর বলেন, “সরকার আদিবাসীদের প্রথাগত ভূমি আইন ও রীতিনীতি স্বীকার করছে না, কথাটি ঠিক নয়।”

“ভূমি কমিশনের আইনেও বলা হচ্ছে, প্রথাগত ও প্রচলিত আইনেই আদিবাসীদের ভূমির বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে,” বলেন তিনি।

মিজানুর রহমান বলেন, আদিবাসীদের বিভিন্ন প্রথা রয়েছে, তা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত। প্রথা আইনের শক্তিশালী অংশ। প্রথা ও আইনের মধ্যে তফাত দেখি না।

“প্রথাগত আইন লিপিবদ্ধ করা গেলে ভূমিকেন্দ্রিক যে কোনো সমস্যা ভবিষ্যতে দূর করা যেতে পারে,” বলেন তিনি।

মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে ‘আদিবাসীদের প্রকৃত সংখ্যা গণনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ‘আদিবাসী’ বললেও সরকার পাহাড়িদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে নারাজ। সরকারের ভাষায়, তারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।

মিজানুর রহমান বলেন, “আদিবাসীকে আদিবাসী না বলা অন্যায়।”

সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন দেয়ালে আদিবাসী শব্দের বদলে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ লেখা সম্বলিত নানা রঙের পোস্টারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “টাকা ছড়িয়ে পোস্টার ছাপিয়ে এ বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।”

এই পোস্টার প্রসঙ্গে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, “নিরাপত্তা সংস্থা এসব করছে।”

“কেন যে এমন বিতর্কে জড়ানো হচ্ছে? কোনোই দরকার ছিল না। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সবাই আদিবাসী বলছে। হঠাৎ করে বদলে গেল কেন? আওয়ামী লীগের ইশতেহারেও আদিবাসী ছিল। কোন ঘটনায় আমরা পিছিয়ে গেলাম,” প্রশ্ন করেন এই সংসদ সদস্য।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনে আদিবাসী স্বীকৃতি দাবি করেছিল জনজাতি গোষ্ঠীগুলো। সংবিধান সংশোধন কমিটির সদস্য মেননও সেই দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু তা উপেক্ষিত হয়।