World Bank officials behind Padma Bridge corruption scandal, says a suspect

Dhaka, Aug 8 (bdnews24.com)

Former Secretary of the Bridge Division M Mosharraf Hossain Bhuiyan has claimed that a section of the World Bank officials created confusion by raising allegations of corruption in the much-talked-about Padma Multipurpose Bridge Project.

He also claimed that a vested quarter of the country was also involved in conspiracy against the project.

‘দায়ী বিশ্ব ব্যাংকের একদল কর্মকর্তা’

Mosharraf, a major graft suspect of the Padma bridge project, made the claim while talking to reporters after facing interrogation by the investigation team of the Anti-Corruption Commission (ACC) at its headquarters in the city on Wednesday.

He also claimed that no corruption took place in the country’s largest infrastructure project.

Mosharraf, the then Executive Chairman of the Bangladesh Economic Zone Authority, went on leave after the World Bank, the lead financier of the Padma bridge project, raised allegations of corruption in the project in September last year.

He was sent on leave apparently following the Washington-based global lender’s recommendation to take action against some government officials for their ‘involvement in corruption’ in the project.

However, Mosharraf told reporters at the ACC headquarters that no one forced him to go on leave. “Rather I myself told the Finance Minister that I want to be on leave until the investigation is completed.”

Before cancelling the $1.2 billion loan agreement, the World Bank urged the Bangladesh government to fulfil four conditions, including removal of then Communications Minister Syed Abul Hossain and some Bridge Division officials, to get its funding for the project.

As the government failed to meet two of the conditions, the lender on June 29 finally scrapped its committed credit support to the $2.9-billion mega project.

Mosharraf said a section of the officials of the Integrity Department of the WB intentionally raised some allegations and sent wrong information to the lender’s headquarters through an e-mail. “They did it (raising graft allegations) intentionally.”

“Some inefficient officials of the Integrity Department raised the issue and tarnished the image of the country. They created confusion over transparency in the project.”

“Some people of our own country and a vested quarter are involved in the conspiracy with them,” he added.

Claiming himself a clean man, the former Bridge Division Secretary said the WB never talked of his involvement in the alleged corruption.

In its letters sent to the government regarding extension of the deadline for loan activation, the global lender said they would extend funding support if the government took action with regard to corruption in the Padma Bridge project, in line with the recommendations made by the lending agency.

Finance Minister AMA Muhith recently said the global lender mentioned some names in the letter, but the government would not make those public.

The World Bank claims that the Canadian company SNC-Lavalin had offered several influential Bangladeshis, including Abul Hossain, fat bribes to bag the consultancy for the bridge project.

The Canadian police have already arrested two officials of SNC-Lavalin and put them on trial.

Mosharraf is one of the officials allegedly bribed by the Montreal-based company.

 

ঢাকা, আগস্ট ০৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্ব ব্যাংকের একদল কর্মকর্তা বিভ্রান্তি তৈরি করেছেন এবং তাতে দেশের একটি মহল জড়িত বলে দাবি করেছেন সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইঞা।

কথিত দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগের মুখে থাকা মোশাররফ হোসেন বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এই প্রকল্পে কোনো দুর্নীতিই হয়নি।

দেশের সর্ববৃহৎ এই নির্মাণ প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংক অর্থায়ন বাতিলের পর ছুটিতে যান বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মোশাররফ। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তাকে সেতু বিভাগের সচিবের পদ থেকে সরানো হয়।

তবে মোশাররফ দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, “কেউ আমাকে ছুটি নিতে বাধ্য করেনি। আমি নিজেই অর্থমন্ত্রীকে বলেছি, যতদিন না তদন্তকাজ শেষ হচ্ছে, ততদিন আমি ছুটিতে থাকতে চাই।”

গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পর বিশ্ব ব্যাংক প্রকল্পে অর্থায়ন অব্যাহত রাখার শর্ত হিসেবে যাদের নাম এসেছে, তাদের ছুটিতে পাঠানোসহ চারটি শর্ত দেয়। তা সরকার বাস্তবায়ন করেনি দাবি করে গত ২৯ জুন ২৯০ কোটি ডলারের এই প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে সংস্থাটি।

দুর্নীতির অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে মোশাররফ বলেন, “বিশ্ব ব্যাংকের ইন্টিগ্রিটি বিভাগের কিছু কর্মকর্তা কিছু ভুল তথ্য ই-মেইলের মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংককে প্রদান করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে তারা এই কাজ (দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ) করেছে।”

“বিশ্ব ব্যাংকের ইন্টিগ্রিটি বিভাগের কিছু জুনিয়র কর্মকর্তা, যারা এই প্রকল্প নিয়ে ডিল করেছে, তারাই বাংলাদেশের মুখে কালিমা লেপন করেছে। একটি স্বচ্ছ কর্মকাণ্ডে ধূম্রজাল সৃষ্টি করে বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ ঝুলিয়ে দিয়েছে। আমাদের দেশের কিছু ব্যক্তি এবং একটি বিশেষ মহলও তাদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে,” বলেন তিনি।

নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সেতু বিভাগের সাবেক এই সচিব বলেন, “বিশ্ব ব্যাংক কখনো আমার নাম উল্লেখ করে বলেনি যে আমি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছি।”

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে সরকারকে কাছে কিছু সুপারিশ করা হয়, যা চিঠি দিয়ে জানানো হয়। ওই চিঠিতে কয়েকটি নাম রয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন। তবে বিশ্ব ব্যাংকের চিঠিগুলো সরকার প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব ব্যাংকের অভিযোগ, প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হতে বাংলাদেশের কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তাকে ঘুষ সেধেছিলেন কানাডীয় কোম্পানি এসএনসি লাভালিন।

কানাডা পুলিশ ইতোমধ্যে লাভালিনের দুই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে, তাদের বিচারও শুরু হয়েছে। গ্রেপ্তার এক কর্মকর্তার ডায়রিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে, যার মধ্যে মোশাররফ হোসেনের নামও রয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমের খবর।

মোশাররফ বলেন, “ডায়রিতে কী লেখা ছিল, তা কি কেউ দেখেছি? তাছাড়া যদি কেউ কাউকে টাকা দিতে চায়, তা ডায়রিতে লিখে রাখার দরকার পড়ে না।

“রমেশের (গ্রেপ্তার এক কর্মকর্তা) সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। সে তার বস কেভিন ওয়ালেসকে নিয়ে এসেছিল,
তখন কেভিনের সঙ্গে আলাপ হয়।”

শুধু এসএনসি লাভালিনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেই কথা হয়েছিল কি না- জানতে চাইলে মোশাররফ বলেন, “পাঁচটি কোম্পানির সঙ্গে একটি মিটিং হয়েছিল, তখন কেভিনের সঙ্গে আলাপ হয়।”

পদ্মা সেতু প্রকল্পে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাকযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের একটি এসএনসি লাভালিন, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চূড়ান্তভাবে নির্বাচনের আগেই প্রকল্প ঝুলে যায়।

পরার্শক নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির কারিগরি মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাভালিনকে কেন সুপারিশ করা হল- জানতে চাইলে সেতু বিভাগের তৎকালীন সচিব বলেন, “কারিগরি এবং আর্থিক প্রস্তাব যুক্ত করে সার্বিক মূল্যায়নে এসএনসি লাভালিনকে মনোনীত করা হয়।

“কারিগরি মূল্যায়নে প্রথম স্থান অধিকারী এইচপিআর ইউকে ৭১ মিলিয়ন ডলার দাবি করেছিল, এসএনসি লাভালিন দাবি করেছিল ৩৭ মিলিয়ন ডলার।”

মূল্যায়ন কমিটির বিবেচনায় যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান ছিল, তার অন্য তিনটি হল এইসিওএম (নিউজিল্যান্ড), হালক্রো (ইউকে) এবং ওরিয়েন্টাল (জাপান)।

বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বাতিলের পর নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এছাড়া মালয়শিয়ার সঙ্গেও আলোচনা চলছে। তবে বিশ্ব ব্যাংকের ফিরে আসার সম্ভাবনাও একেবারে বাতিল করছেন না অর্থমন্ত্রী।

মোশাররফ বলেন, “আমরা ব্যর্থ হইনি। কিছু সমস্যার কারণে প্রকল্পটি কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে। আশা করি, সঙ্কট দ্রুত কেটে যাবে।”

পদ্মা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তকারী দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের যে অভিযোগ, তার হোতা কারা তা অনুসন্ধান করা হ্েচ্ছ।”

মোশাররফকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি বলেন, “দুর্নীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা যুক্ত তাদের সবাইকে ডাকা হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় সেতু বিভাগের সচিবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।”

দুর্নীতি দমন কমিশন এর আগে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সংসদ সদস্য নূর-ই আলম চৌধুরীর ভাই নিক্সন চৌধুরী, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী এবং এসএনসি লাভালিনের স্থানীয় এজেন্টদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করে।