Malaysia lifts ban on Bangladeshi workers

The Daily Star November 3, 2012

After a four-year ban, Malaysia is likely to resume hiring Bangladeshi workers from January next year.

The Malaysian cabinet committee on foreign workers and illegal immigrants said the applications to recruit them were expected to be opened on December 1, Malaysian daily The Star reported yesterday.

Zafar Ahmed Khan, secretary of the expatriates welfare and overseas employment ministry, hoped that the recruitment will begin in January.

মালয়শিয়ায় শ্রমিক নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু ডিসেম্বরে

He said the two governments will sign a memorandum of understanding (MoU) on employment of workers at the end of the month. “We have completed almost all the process to sign the MoU.”

Last month, the cabinet approved a proposal for signing the MoU, under which a jobseeker will be able to land a job in Malaysia at a maximum cost of Tk 40,000.

To complete the hiring process under state arrangement, the two sides discussed elaborately the signing of the MoU during the Malaysian Human Resources Minister S Subramaniam’s visit to Dhaka in September.

প্রথম আলো, নভেম্বর ২, ২০১২

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের (এমওইউ) কথা ছিল, শেষ মুহূর্তে সেটি আবার পেছাচ্ছে। দুই দেশই মানবপাচার ও আন্তরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমন-সংক্রান্ত দুটি এমওইউর প্রয়োজন বোধ করায় এ প্রক্রিয়া কিছুটা পেছাচ্ছে বলে জানা গেছে।
৯ নভেম্বর কুয়ালালামপুরে এ বিষয়ে এমওইউ সই হওয়ার কথা ছিল। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে মালয়েশিয়া সরকার প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জনশক্তি রপ্তানি-সংক্রান্ত এমওইউর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মানবপাচার প্রতিরোধ ও আন্তরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমন-সংক্রান্ত দুটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া পেশ করেছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, মানবপাচারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যে খসড়া করার কথা ছিল, সেটি তাঁরা নির্ধারিত সময়ে করতে পারেননি।
জানতে চাইলে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান আজ শুক্রবার রাতে প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আমরা যেমন নিরাপদ অভিবাসন চাই, মালয়েশিয়াও তেমনি নিরাপদ অভিবাসন চায়। আর এ কারণেই জনশক্তি রপ্তানির সঙ্গে সঙ্গে মালয়েশিয়া মানবপাচার-সংক্রান্ত এমওইউ সই করতে চায়। এই মাসের মধ্যে এমওইউ সই হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নানাভাবে মালয়েশিয়ায় লোক যাচ্ছে, বিশেষ করে সমুদ্রপথে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে অবৈধভাবে শ্রমিক যাওয়ার বিষয়টিকে উদ্বেগজনক মনে করছে মালয়েশিয়া সরকার। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবপাচার-সংক্রান্ত ওয়াচ লিস্ট-২ থাকার কারণে বাংলাদেশের মতো মালয়েশিয়াও মানবপাচারের বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক। আর এ কারণে জনশক্তি রপ্তানি চুক্তির আগে মানবপাচার বন্ধে চুক্তির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে দেশটি।
প্রবাসীকল্যাণ সচিব আরও জানান, মানবপাচার রোধে করা খসড়াটি মালয়েশিয়া সরকারকে দ্রুত দেওয়া হবে। এরপর সেটি ওই দেশের মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হবে, যেমনটি হয়েছে জনশক্তি রপ্তানি-সংক্রান্ত এমওইউর ক্ষেত্রে। এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যাবে।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার মালয়েশিয়ায় প্রায় চার বছর ধরে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ। এক বছর ধরে সরকারিভাবে জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলছে।