Increasing food prices pushing inflation up: BBS

Inflation rose by 0.19 percentage point to 7.41 percent in November compared to the previous month.

The non-food inflation however decreased by 1.15 percentage point in November while the food inflation increased by 0.88 percentage point, said the data of Bangladesh Bureau of Statistics (BBS), released at its Agargaon office Thursday morning.

The overall inflation was 7.22 point in October.

In November, non-food inflation was 9.31 percent which was 10.46 percent in October.

Food inflation was 6.45 percent in November against the 5.57 percent in October.

 

ঢাকা, ডিসেম্বর ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

গত ১০ মাসে ধীরে ধীরে কমে আসতে থাকলেও খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে আবার বাড়তে শুরু করেছে সার্বিক মূল্যস্ফীতি।

২০০৫-০৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায় গত নভেম্বর মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ ছিল।

সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে করা পুরনো হিসাবেও। অক্টোবরের ৭ দশমিক ২২ শতাংশ থেকে বেড়ে নভেম্বরে হয়েছে ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ এই তথ্য প্রকাশ করেন পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, প্রধানত আটা, ডাল, মাছ, মাংস, মসলা, দুধ ও অন্যান্য খাদ্য সমাগ্রীর মূল্য বাড়ায় খাদ্য মূল্যস্ফতি ঘটেছে। এ কারণে সার্বিক মূল্যস্ফীতিও কিছুটা বেড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন পদ্ধতিতে (২০০৫-০৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে) অক্টোবরে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ২ দশমিক ৫১ শতাংশ। নভেম্বরে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে।

আর পুরনো পদ্ধতিতে (১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে) খাদ্য মূল্যস্ফীতি অক্টোবরের ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ হয়েছে।

দুই হিসাবেই খাদ্য বহির্ভূত খাতের মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে এসেছে।

পুরনো হিসাবে অক্টোবরের ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ থেকে কমে নভেম্বরে হয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। আর নতুন পদ্ধতিতে হিসাব করলে এই হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ থেকে কমে ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল (পুরনো হিসাবে) ১১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ১০ দশমিক ৪২ শতাংশে দাড়ায়। মার্চ মাসে তা আরও কমে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ হয়। আর এপ্রিলে এ হার ছিল ৯ দশমিক ২ শতাংশ।

এভাবে গত ১০ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমতে থাকলেও সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাস থেকে তা ফের বাড়তে শুরু করেছে।

নভেম্বর মাসে নতুন হিসাবে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। অক্টোবরে এ হার ছিল ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। আর পুরনো হিসাবে নভেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ থেকে সামান্য বেড়ে ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ হয়েছে।

অন্যদিকে ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের হিসাবে শহর এলাকায় নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ হয়েছে। ১৯৯-৯৬ ভিত্তি বছরের হিসাবে নভেম্বরে শহরে মূল্যস্ফীতি েেহয়ছে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অক্টোবরে হয়েছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ।

গত ১৮ জুলাই পরিসংখ্যান ব্যুরোর টেকনিক্যাল কমিটির সভায় ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের সিপিআই (ভোক্তার মূল্য সূচক) অনুমোদন দেয়া হয়। সে ভিত্তিতে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের পাশাপাশি ১৯৯৫-৯৬ ভিত্তিবছরের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর ব্যুরোর সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সময়ের সঙ্গে ভোক্তাদের ভোগ্য পণ্য ব্যবহার এবং সেবা কর্মের ধরন পরিবর্তনের কথা বিচার-বিশ্লেষণ করে ভিত্তি বছরে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।

২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরে গ্রামাঞ্চলে ৩১৮টি আইটেম সিপিআই বাস্কেটে নিয়ে মূল্যস্ফীতির হিসাব করা হয়েছে। শহর এলাকায় এ সংখ্যা ৪২২টি।

আর ১৯৯৫-৯৫ ভিত্তি বছরে গ্রাম ও শহর এলাকায় এ সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৮২টি ও ২৭১টি। নতুন ভিত্তি বছরে গ্রামে নতুন আইটেম সংযোজন হয়েছে ১৩৬টি। শহরে ১৫১টি।

তবে নতুন হিসাবে পুরনো ভিত্তি বছরের গ্রামাঞ্চলে ৩৩টি ও শহরে ৩১ আইটেম বাদ দেয়া হয়েছে।