Bangladesh: Activists beaten up for seeking justice for sex abuse victims!

DT coverDhaka Tribune reports:

Police charged truncheons, hurled tear gas cannisters and used water cannon in Dhaka yesterday to disperse a group of unarmed leftist students who were protesting the force’s inaction regarding assaults on women during Pohela Boishakh celebrations.

About a hundred members of Bangladesh Chhatra Union had gathered at the TSC roundabout on Dhaka University campus around 11:45am as per a previously announced schedule for laying siege to the office of Dhaka police chief.

Cop suspended over brutality on women activists

Writ challenging cop brutality on activists
Analysis: A Mother’s Day gift from police! by The Daily Star

Sexual assault: Cops thrash protesters (video)

After about a 15-minute stay there and a few speeches, the gathering brought out a procession. The protesters marched through some of the streets on the campus and headed towards the Shahbagh intersection.

But they had to turn back towards the Doyel Intersection because there was heavy traffic in Shahbagh. Chhatra Union later alleged that police created the traffic jam artificially to block them.

The march then turned back towards the Doyel Intersection, looking to leave the DU campus through the High Court point.

“A truck, loaded with barricades, was standing near the Bangla Academy. As soon as the protesters reached the TSC roundabout, the truck sped towards the Doyel Intersection,” said Dhaka Tribune’s photojournalist Mahmud Hossain Opu.

At Doyel, police tried to block the protesters using barricades. But the protesters breached the barricade and kept marching towards Minto Road, where the office of Dhaka Metropolitan Police (DMP) chief is located.

After having overcome two more smaller obstacles at Matsya Bhaban and Kakrail, the protesters reached near the Officer’s Club around 1pm. Police however did not allow them to move any further by putting up a strong barricade. So, the protesters decided to stage a sit-in right there.

According to witnesses, there were around 150 policemen including riot police, an armoured car and a water cannon stationed in the area. Law enforcers had by then stopped vehicular movement on the road from Kakrail church to the Moghbazar intersection.

Dhaka Tribune’s senior photojournalist Syed Zakir Hossain heard a police officer telling his superior over phone: “Do not worry, Sir. We will not allow them to move even an inch further.”

Soon, riot police personnel started replacing the regular police members in the front row of the barricade. A police officer asked the Chhatra Union men to go back; but the protesters replied that they would not until the DMP commissioner came and explained why they had not yet arrested anyone for assaulting women on DU campus on the Bangla New Year’s day.

While ruling Awami League’s student front Chhatra League has been surprisingly keeping mum about the assault on women, Chhatra Union, the student front of the Communist Party of Bangladesh (CPB), has been leading the protests for nearly a month.

The riot police members tried to push the protesters back and a scuffle ensued. In no time, the policemen started charging truncheons on the gathering and the protesters started running to and fro to avoid getting beaten up.

Some of them started fighting back by hurling bricks at the police and the law enforcers retaliated with tear gas cannisters and water cannon.

Photos taken by journalists showed policemen brutally beating up some of the protesters, including women, who got caught up in the middle of the skirmish, with rifle butts, truncheons and boots.

The police action on unarmed protesters went on for about 10 minutes and by 1:30pm, the protesters were completely dispersed. Police arrested five Chhatra Union members from the spot.

In a press conference at Modhu’s Canteen on DU campus later in the afternoon, Chhatra Union said that at least 34 of their leaders and activists were injured in police beating.

Lucky Akter, general secretary of Chhatra Union, told reporters at the presser: “Over the last 26 days, we have been staging peaceful protest programmes against the assault on women on Bangla New Year’s day … In these 26 days, the police administration has not been able to make the least of progresses in arresting the culprits. On top of that, they clarified their stance in favour of the attackers by questioning the authenticity of the incident.

“Today’s [Sunday] siege was part of a series of peaceful protest programmes to press home a set of six specific demands. Police personnel, obeying orders from the DMP commissioner, lodged a brutal attack on our programme.

“With this attack, the university and police authorities have made it even clearer that they are on the side of the attackers,” said Lucky, who rose to prominence during the 2013 Shahbagh movement.

The arrested members are Anik Roy, organising secretary of Chhatra Union’s Dhaka city unit; Dipanjan Siddhanta Kajal, general secretary of Jahangirnagar University (JU) unit; Ariful Islam Anik, member of JU unit; Antu Chandra Nath, member of Dhaka unit; and Saddam Hossain Joy, member of Dhaka unit.

Chhatra Union President Hasan Tarek later announced protest marches across the country for today and peaceful strikes at all educational institutions for tomorrow. Over the past month, the leftist student organisation organised a number of human chains and rallies protesting the Boishakh assault on women.

When contacted, Mashiur Rahman, the OC of Ramna police station, told the Dhaka Tribune: “Six police members including Second Officer-in-Charge Kamrul Islam and Inspector Ali Hossain were injured.”

Confirming that they had arrested five leaders and activists of Chhatra Union, the OC said that they were still to decide whether to show them arrested or release them after primary investigation.

“We detained those students because they were assaulting on-duty police members and were trying to obstruct the law enforcers from performing their duties,” OC Mashiur claimed.

The Dhaka Tribune also contacted Abdul Baten, deputy commissioner of Police’s Ramna Zone, who was leading the policemen during the incident.

He said: “The protesters were obstructing traffic in the area. Police asked them to move away and send their representatives with their demands. But they did not listen to us and created chaos in the VIP area.”

On April 14, several women, who joined the Bangla New Year celebrations, were sexually assaulted by a group of miscreants at Dhaka University’s TSC and Suhrawardy Udyan gate areas.

Liton Nandi, president of DU unit of Chhatra Union, along with other activists were injured while trying to rescue a few of the victims.

When contacted yesterday, police spokesperson Monirul Islam said they had some pictures of the Boishakh attackers but did not have enough proof to identify and arrest them.

Facebook posts condemning police

  • “জামাত বিএনপির পক্ষে যায় এমন কোন আন্দোলন সরকার দাড়াইতে দেবে না আপাতত।”
  • A Prothom Alo journalist writes: ছাত্র ইউনিয়নের মিছিলের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলাকে যারা জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছেন তাদের নামগুলো লিখে রাখছি। ভবিষ্যতে কখনো আপনারা পুলিশের মার খেলে আমি সশরীরে গিয়ে জাস্টিফিকেশন দিয়ে আসবো।

নির্বিচারে ছাত্র-ছাত্রীদের মারধরের পুরো দায় পুলিশের রমনা বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। বিশেষ করে রমনা বিভাগের ডিসি বাতেন সাহেবের লিডারশিপের চরম ব্যর্থতাই এর জন্য দায়ী। সাড়ে চার বছরের ক্যাম্পাস রিপোর্টিং আর আট বছরের ক্রাইম রিপোর্টিংয়ের অভিজ্ঞতায় আমি কোনো সংগঠনকে এরকম ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়ে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে মন্ত্রী পাড়া পর্যন্ত যেতে দেখিনি। এরকম কর্মসূচির ক্ষেত্রে সাধারণত শাহবাগ, দোয়েল চত্বর বেশি হলে হাইকোর্টের মোড়ে গিয়ে মিছিল থেমে যায়। ব্যারিকেডের সামনে ঘণ্টা দুয়েক স্লোগান-বক্তব্য দিয়ে বিক্ষোভকারীরা ক্যাম্পাসে ফিরে যান। আর স্মারকলিপি পেশের কর্মসূচি থাকলে বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিরা পুলিশের সঙ্গে গিয়ে এক কপি স্মারকলিপি দিয়ে আসে।
কিন্তু বাতেন সাহেবের ব্যর্থতায় রোববার যখন পরপর দুটি ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা মন্ত্রী পাড়ার কাছাকাছি পৌঁছে রাস্তায় বসে গেলেন তখন রাস্তা থেকে তাদের সরিয়ে দিতে চাপ বাড়তে থাকে। আর এই চাপ নিতে পারেননি বাতেন সাহেব। হুকুম দিয়ে ফেলেন লাঠিপেটা করার। মিছিলের ওপর রায়ট কার উঠিয়ে দেয় বাতেন সাহেবের লোকজন। নির্বিচারে চলে পুলিশের লাঠি, বুট আর বন্দুকের বাট। এরকম মাথামোটা কর্মকর্তা ক্যাম্পাস এলাকায় থাকলে ঘটনা আরো ঘটবেই।
সবশেষে ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের সাহসের তারিফ না করে পারা যায় না। বিশেষ করে সেই মেয়েটা। হ্যাটস অফ কমরেডস।

  • পাশাপাশি দুটো ছবি দিলাম। দুটোই বাংলাদেশের লজ্জা। কিন্তু রহস্যজনকভাবে একটি ছবি বেশী মিডিয়া কাভারেজ পায়, অন্য ছবিটি নিরবে ঢাকা পড়ে যায়।

Police-Army_Dhaka-CHT‪#‎কারণ‬, সেই ছবিটা পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী জুম্ম নারীর উপর সংঘটিত হয়েছে। আমি বলতে চাইছিনা অন্যগুলোও প্রচার না পাক, বরং রাস্ট্রযন্ত্রের এমন অত্যাচারের ছবিগুলো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক সেটাই চাই।

‪#‎কিন্তু‬, পার্বত্য চট্টগ্রামের ছবিটি দেখূন, দেখতে পাবেন সেখানে শুধু পুলিশ নয়, একজন জুম্মনারীকে পেটানোর কাজে হাত লাগিয়েছে অসংখ্য অস্ত্রধারী সেনাবাহিনী…. এ লজ্জা কি বাংলাদেশের নয়??? এই লজ্জা কি সকল স্বাধীন বাংলাদেশীদের নয়??? এই লজ্জা কি দুই নারী নেত্রী শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াদের নয়???? এই লজ্জা কি মানবতার নয়??? কোথায় হারিয়ে যায় সেই মানবতা যখন পার্বতৌ চট্টগ্রামের কোনায় কোনায় চলে রাস্ট্রের স্বীকৃত গুন্ডাদের কর্তৃক ধর্ষণ, হত্যা, অত্যাচার???

* একজন দুইজন পুলিশকে বরখাস্ত করলেই কি দায় মুক্তি মিলে যাবে? যৌন নিপীড়নের বিচার না করা এবং প্রতিবাদকারীদের উপর উল্টো হামলার মূল দায় দ্বায়িত্ব কিন্তু স্বরাস্ট্রমন্ত্রণালয়ের। কার নির্দেশে পুলিশ আন্দোলনকারীদের উপর হামলা করল এবং কেন কার নির্দেশে পুলিশ যৌন সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা থেকে বিরত আছে- তার জবাব পাওয়াটা জরুরি।

  • আওয়ামী লীগের একজন প্রেসেডিয়াম সদস্যের মুখে কথাগুলো শোনা। তিনি বলছেন; ছয় দফার আগে ছাত্রলীগ কোন মেধাবী ছেলেরা করতো না। ফাস্ট ক্লাশ গ্রেডের ছেলেরা সবসময় ছাত্র ইউনিয়ন করতো। বি গ্রেড বা সি গ্রেডের পোলাপাইন-ই মূলত ছাত্রলীগ করত। বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার জোয়ারে সকল মেধাবী ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগে ভিড়তে শুরু করে। মূলত তখন থেকেই ছাত্রলীগে প্রথম শ্রেণির মেধাবীরা করতে শুরু করে। তবে ওরা নেতৃত্বের পেছনে থাকত নেতা হতে চাইত না। তবে নেতা হতে গেলে ওদের সার্পোট থাকা দরকার ছিল। ফলে ওরা যা চাইত দল তাই করতে বাধ্য হতো। তবে স্বাধীনতার পর দল থেকে এদের বিতাড়িত করা হয় আবার অনেকে দল থেকে বের হয়ে জাসদের সাথে যোগ দেন। তিনি আরো যোগ করে বলেন; ছাত্রলীগে যদি এতো মেধাবী ছেলেই থাকত তাহলে আওয়ামীলীগ কেন বামদের নিয়ে এসে মন্ত্রী বানায় এটা তোমরা বোঝ না?

গত সাত বছরে ছাত্রলীগ সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিল করা ছাড়া আসলে কী করেছে কেউ বলতে পারবেন। বরং পেপার পত্রিকায় টেন্ডারবাজি ও বদমাশির নিউজই পাওয়া যায়। সোহেল তাজ যখন মন্ত্রী ছিলেন তখন আমার এলাকার এক বন্ধু টেন্ডারবাজি করার সময় পুলিশের হাতে ধরা পরে এবং জেলে যায়। সোহেল তাজকে কল করা হয়েছিল তিনি বলেছেন কিসের ছাত্রলীগ। টেন্ডারবাজি করছে তো জেলে পাঠান আমি কোন ছাত্রলীগ চিনি না। পরবর্তীতে সোহেল তাজ আওয়ামীলীগের এক মন্ত্রীর ভাইয়ের হাতে নিজ অফিসে চরম অপমানিত হয়ে মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে আমেরিকায় চলে যান।

পহেলা বৈশাখে টিএসসি যা হল সেক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদী ভূমিকায় আসার কথা ছিল।। কারণ ক্যাম্পাস তাদের নিয়ন্ত্রনে। অথচ আমরা দেখলাম ছাত্রলীগের নারী অংশ প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিতে গেলে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তা বাধা দিয়ে অফ করে দেওয়া হয়। ছাত্রলীগ যদি বৈশাখের ঘটনায় বিচার চাইত তাহলে তাহলে কিছুটা পজেটিভ লাইনে আসতে পারত। যাই হোক কালকের ঘটনায় ছাত্র ইউনিয়ন নাকি দায়ি। তারা আন্দোলন ঠিক মতন করতে পারে না তাই তারা পিটুনি খাইছে। আমার কথা হল ওরা তো পারে তাহলে তোমরা গিয়ে আন্দোলন করলা না কেন? উল্টো তোমাদের সংগঠনের ছাত্রীরা যাতে আন্দোলন করতে না পারে তার জন্য কাজ করছ!

৭০ সালের আওয়ামীল ছিল অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতির। অনেক প্রগতির মানুষজন সংগঠনে যুক্ত ছিল। কালকে দেখলাম আহসান উল্লাহ মাস্টারের এলাকার ২০০ জন জামাত আওয়ামীলীগে যোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জ্বলে উঠেছে! আহসান উল্লাহ মাস্টার নিহত হয় বিএনপি-জামাতের আমলের তাদের হাতেই। আহসান উল্লাহ মাস্টারের মৃত্যু বার্ষিকীতে গাজিপুর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আহসান উল্লাহ মাস্টারের প্রতি এটা সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধা ছিল।

হেফাজত যখন নারী পিটায়, রাস্তায় মতিয়া চৌধুরীর যখন শাড়ি খুলে ফেলা হয় তখন পুলিশ খারাপ, বিএনপি জামাত খারাপ। কিন্তু আওয়ামী সরকারের আমলে যখন নারী পিটায়, নাস্তিকদের রাস্তা জবাই দেয় তখন ঐ নারী খারাপ কারণ সে পুলিশের গাড়িতে ফুলের টব মেরেছে, নাস্তিক খারাপ কারণ তারা লেখালেখি করেছে। বিরোধী দলে থাকলে দুই মাইল হেটে হুমায়ুন আজাদকে দেখতে যাওয়া যায় কিন্তু অভিজিৎ রায়ের বাবাকে লুকিয়ে কল করতে হয় আওয়ামী লীগদের!

আমার বাপ-ভাই আর মামাকে বলতাম তারা বঙ্গবন্ধুর থেকে বড় আওয়ামী লীগ। কারণ বঙ্গবন্ধু নিজের দলকে চোরের খনি বলছিলেন। একবার শেখ হাসিনা আমাদের এলাকার আসবেন বিকাল চারটায়। আমার মামা-ভাই মিলে বেলা বারটা থেকে গিয়ে আসন পেতে বসে আছেন। ঠাডাভাঙা রোদের মধ্যে বসে থাকার কারণ একটাই প্রিয় নেত্রীকে কাছ থেকে দেখবেন। আমি ভাবতাম এরকম লোকই মনে হয় বড় আওয়ামী লীগ তবে ভুল ভাঙছে! এর থেকে বড় আওয়ামী লীগ অনলাইনে আছেন। তাই তো ইনিয়ে বিনিয়ে তবে কিন্তু যদি দিয়ে একটা মেয়েকে রাস্তায় নির্যাতন করার সার্পোট করে যাচ্ছে। এদের কাছে আমার একটা অনুরোধ; আপুরা ঐ মেয়েরা তো আন্দোলন করতে পারেনি। উগ্রও বটে কারণ ফুলের টব ছুড়ে মারছে গাড়িতে। আপনারা যেহেতু উগ্র না তাই লেপটপ থেকে উঠে একটু রাস্তায় নেমে এসব মেয়েদের দেখিয়ে দিন কীভাবে ফুলের টব না ছুড়ে আন্দোলন করতে হয়।

* দেয়ালে আরবি হরফে লিখে প্রস্রাব না করার আমন্ত্রণ জানিয়ে যদি মুমিনদের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা যায়, তাহলে কি বুকে পিঠে বঙ্গবন্ধুর নাম লিখে ছাত্রলীগের পাণ্ডা আর পুলিশের ঝাণ্ডা হতে মুক্তি পাওয়া যাবে ?

* প্রশ্নঃ রাম ছাগল ও শুয়োরের সংমিশ্রন – শুগল,কারা?
উত্তরঃ যারা মনে করে কোন মেয়ে যদি পুলিশের গাড়িতে ইটা মারে,তাহলে সেই মেয়েকে রাস্তায় ফেলে লাঠি পেটা করা যায়,চুল ধরে ছেচড়ে টেনে নেয়া যায়,বুট দিয়ে পিষে ফেলা যায়।

* যখন বর্ষবরনে নারীরা লাঞ্চিত হলো, ওরা বললো- ঠিকই তো আছে! অমন বুক প্যাট দেখাইয়া পুরুষকে উত্তেজিত করলে তো এমন হইবোই….

আবার যখন সে লাঞ্চনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নারী নির্যাতিত হইলো, এরা বললো- ঠিকই তো আছে। পুলিশকে উত্তেজিত করলে পুলিশ কি ছেড়ে কথা বলবে!’

ওই ওরা আর এই এরাদের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। দুটাই মৌলবাদী।
পার্থক্য শুধু এটাই- একটা ধর্মের আড়ালে আর অন্যটা প্রগতিশীলতার মুখোশে…

* রবিবার (১০ মে) পয়লা বৈশাখের যৌননিপীড়নের বিচারদাবীকারীরা পুলিশ কার্যালয় দখল করতে যাননি। যৌননিপীড়কদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবীতে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল। রায়ট কার সাইরেন বাজিয়ে পানি ছুঁড়তে ছুঁড়তে ঢোকার সময় উপস্থিত ব্যানারধারী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। চারদিকে ঘিরে মাটিতে ফেলে প্রহার করবার অনেকগুলো ছবি গণ ও সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে স্যান্ডেল খোয়ানো ইসমত জাহান যখন রায়ট কারের দিকে পাশের নার্সারী থেকে তুলে নেওয়া মাটির খালি টব ছুঁড়েছেন, তখন তাকে গ্রেফতার করা যেতেই পারে। কিন্তু তার বদলে যা করা হয়েছে, তার অনেক ছবি আপনারা দেখেছেন। আমি নতুন করে সেই সব ছবি আর দিচ্ছি না। শুধুমাত্র দু’টো ছবি দিচ্ছি।

  • ফ্যক্ট ১ঃ পহেলা বৈশাখে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছিলো।

ফ্যক্ট ২ঃ সেই ঘটনাতে কেউ গ্রেফতার বা আটক হয়নি।
ফ্যক্ট ৩ঃ পুলিশ (ডিবির কমিশনার), ঢাবির প্রোক্টর এবং সংশ্লিষ্ট সকলেই বলেছেন কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, অর্থাৎ মিথ্যাচার হয়েছে, কারণ ঘটনার অকাট্য প্রমাণ আছে।

পুরা ঘটনা প্রবাহের এই পর্যায়ে প্রথম রাজনীতিটা করার চেষ্টা হয়েছিলো মজা লস সহ অন্যান্য নানান পেইজ থেকে। ঘটনার পরপরেই কিছু ছবি ( যার শনাক্তকরনের প্রক্রিয়ার ব্যপারে কেউ কোন স্বচ্ছ বক্তব্য দেয়নি) দিয়ে সেগুলি ছাত্রলীগের কর্মীদের নামে চালিয়ে দিয়ে চাওয়া হয়েছিলো। এবং সেই মজা লস পেইজ এই সংক্রান্ত একাধিক মিথ্যাচার করেছিলো তখন। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকেও এই সম্পূর্ণ ব্যপারটার দায়ভার চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সরকারী দলের ছাত্র সংগঠনের উপরে।

সেটা অনৈতিক ছিল, সেটা অন্যায় ছিল, ঠিক যেমনি অনৈতিক ছিল ঘটনার এতদিন পরেও কাউকে শনাক্ত বা গ্রেফতার না করা এবং পুরো ব্যপারটি ঘটেইনি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন ভাব করা।

সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়া গুলি কি ছিল? আসুন দেখিঃ

প্রতিক্রিয়া ১ঃ মেয়েদের এই সমস্ত জায়গা এড়িয়ে চলা উচিত, মোটা দাগে পহেলা বৈশাখ বর্জন করা উচিত।

প্রতিক্রিয়া ২ঃ মেয়েদের পোশাকে সমস্যা, বাইরে গেলে সমস্যা, তাই না যাওয়াই উত্তম। এবং সেই কারনেই এই ধরণের ঘটনাগুলিকে জায়েজ করার চেষ্টা করা হয়েছিল অনেক মানুষবেশি **বাচ্চার মাধ্যমে।

বটম লাইনঃ মূল অপরাধীরা শনাক্ত হয়নি, কোন ধরণের শাস্তির মুখোমুখি হয়নি। লাভটা কার হয়েছে? সরকারের? মোটেই না। কারণ এই অপরাধীদের ধরতে পারলে সব থেকে বড় বাহবাটা সরকারের কাছেই যেত এবং প্রমানিত হয়ে যেত যে এই ঘটনা ছাত্রলীগের দ্বারা ঘটেনি। সেই সাথে আরও বেশ কিছু ঘটনা পরিষ্কার হত যেহেতু আমরা জানি একটি বিশেষ গোষ্ঠী সবসময়েই পহেলা বৈশাখ পালনের বিরোধিতা করে।

আবারও বলি, এতে লাভটা কার বা কাদের হল? মেয়েরা পহেলা বৈশাখে না গেলে কাদের মতবাদের বিজয়? অপরাধী ধরা না গেলে কাদের ক্ষতি? দায়ভার আসছে কাদের ঘাড়ে?

প্রশ্নগুলির উত্তর বের করুন। সম্পূর্ণ প্লটটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
এই ঘটনার দ্বিতীয় অংশটা দেখি।

ছাত্র ইউনিয়ন ধাপে ধাপে আন্দোলন এগিয়েছে। তারা প্রথমে প্রক্টর এর কার্যালয় ঘেরাও করেছে। বিনা কারনে এই প্রক্টর সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করেছেন। অথচ ঘটনাটাকে অন্যভাবেও সামাল দেওয়া যেত।

পরের অংশে আসি। আজকের লাঠিপেটার ঘটনাটাকে অনেক আওয়ামিলীগ সমর্থক কে সমর্থন করতে দেখছি।

ভাই দলকানা হতে নিজের বিবেক বিসর্জন দিতে হয়না।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার সময়ে খালেদা জিয়া কি বলেছিল, সেটা কি ভুলে গেছেন সবাই? তারা বলেনি যে আওয়ামি লীগের অন্তরকোন্দলের জের ধরে এই হামলা? তাতে কি ব্যপারটা শুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলো?

মতিয়া চৌধুরীর ছবি শেয়ার দেওয়ার পরে অনেকে বলছিলেন, মতিয়া চৌধুরী তো পুলিশের গাড়িতে ঢিল দেননি কোনদিন। না তিনি দেননি, তবে যে যুক্তির রাস্তায় আপনারা হাঁটছেন, তাতে যদি সেইদিন মতিয়া চৌধুরীকে পেটানোর অন্য কোন ছবিতে দেখা যায় যে তিনি পুলিশকে ধাক্কা দিচ্ছেন, তাহলে সেই পেটানোও কি জায়েজ হয়ে যায়?

এই আওয়ামি লীগের প্রচুর মহিলা নেতা কর্মীকে জঙ্গি জামাতিরা এইভাবেই লাঠিপেটা করেছিল। খেয়াল রাইখেন, লীগের মিছিলেও কিন্তু শ্লোগান থাকে, একশন একশন ডাইরেক্ট একশন, তো সেই শ্লোগান এর জন্য কি মিছিলে গুলি, বা পুলিশ পেটানো জায়েজ হয়ে যায়?

এরপরেও বলতে আসবেন, পুলিশের উপরে আক্রমন হলে পুলিশ কি করবে? হ্যাঁ, পুলিশের করার আছে অনেক কিছু। বেশ কিছুদিন আগের ডিক্লেয়ার করা এই কর্মসূচিতে যে মেয়ে থাকতে পারে, সেটা কি পুলিশ জানত না? নাকি ডিএমপিতে মহিলা পুলিশের সঙ্কট?

এই পর্যায়ে অনেকে আবার বলতে আসবেন, আমেরিকাতে তো পুলিশ এর বিরুদ্ধে কিছু করলেই গুলি করে দেয়। সেটা সভ্য দেশে ঘটছে বলেই সেই ঘটনা জায়েজ হয়ে যায় না কিন্তু, খেয়াল রাখবেন।

আবার অনেকেই প্রশ্ন রাখবেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা যদি এইভাবে আসে? সেই ক্ষেত্রেও আমার উত্তর একই হবে। এবং তখন আরও একটা প্রশ্ন আসবে, সেটা হল, জামায়াত বা আজকের এই কর্মসূচী দেওয়া দলটা কি একই হইলো? সেইম ট্রিটমেন্ট পাওয়ার মত অপজিশন?

এই বিশ্লেষনের ফলাফল কি?

ফলাফল হল, এর আগে এই ঘটনাতে যেখানে সরকারের উপরে দায় চাপানোর সুযোগটা খুব হালকা কিছু এলিগেশনের উপরে ছিল, আজকে সেইখানে সুযোগটা বেশ ভালো একটা যুক্তির উপরে দাঁড়িয়ে গেলো। কারণ পুলিশ যৌন নিপীড়কদের ধরতে না পারলেও প্রতিবাদকারীদের ঠিকমতই পিটিয়েছে।

এতে ক্ষতি কার হল? ক্ষতি হল সরকারের, আওয়ামি লীগের। এখন অনেকেই বলার সুযোগ পাবে, অপরাধীদের না ধরে বরং প্রতিবাদকারীদের মারা হল।

এবং দেখুন, সেই আগুনে কিন্তু ঘি ঢালছেন আপনারাই। কিভাবে? খুব লেইম একটা যুক্তি এবং ঘটনার একটা ভিডিও দেখিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন, সেই ঘটনার দায় আসলে মেয়েটার।

সাধারন মানুষ মাত্রই এই যুক্তির মুখে থুতু ছিটাবে, সেটাই উচিত। কারণ মেয়েটা পুরুষ পুলিশকে শারীরিক আক্রমন করলেও এইভাবে ফ্লাইং কিক মারার অধিকার পুলিশ পায় না। এবং সেখানে আরও অনেক ছেলেকেও মারাত্মক ভাবে পিটিয়েছে পুলিশ, সেটার অধিকারও পুলিশের নাই। কেন? কারণ হইলো এরা জামায়াতি না। এঁরা শিবির না, হিজবুতি না, যে পুলিশকে পিটিয়ে মেরে চোখ উপড়ে ফেলবে। সুতরাং, আপনাদের এই তুলনাটা প্রচণ্ড হাস্যকর একটা তুলনা, এবং প্রচণ্ড এক চোখা।

এই ক্ষেত্রে দায়টা কার ঘাড়ে যায়? লাভবান কারা?সরকার? মোটেই না। আবার অপরাধীরা পার পেয়ে যাবার ঘটনাতে লাভটা কাদের হয়? ছাত্রলীগের? মোটেই না। লাভটা হয় তালেবানদের।

সব থেকে বড় ব্যপার হল কর্মসূচীর নাম নিয়ে আপত্তি। আসলেই তো। এই আমরাই তো এতদিন বলেছি, নারীকে পাল্টা আঘাত করতে হবে। আমরাই তো এতো দিন বলেছি, নারীর অধিকার নারীকে ছিনিয়ে নিতে হবে। সেই তারাই যদি তাঁদের অধিকার এর জন্য “পাল্টা আঘাত” করে, সেটাকে আমি ভুল বলব কিভাবে?

ভুলে যাবেন না, অপরাধী ধরার দায়িত্বটা কিন্তু পুলিশের ছিল, যেটা করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। তো, সেই খানে এই ইট ছুঁড়ে মারার বিষয়টার একটা সামাজিক সিম্বলিকাল ভ্যালু আছে।

ভ্যালুটা হল নারী প্রতিঘাত করুক, পাল্টা আঘাত করুক।

Dhaka Metropolitan Police

ডিএমপি কর্তৃক ৩ সদস্যের কমিটি গঠন

আজ ১১/০৫/২০১৫ খ্রি. বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বাংলা নববর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী কর্তৃক নারী লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বিগত ১০/০৫/২০১৫ খ্রি. তারিখ ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের কর্তৃক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদরদপ্তর ঘেরাওয়ের কর্মসূচীতে বাধা প্রদান সংক্রান্তে পুলিশ কর্তৃক গৃহিত পদক্ষেপকে নিয়ে বিরূপ সংবাদ পরিবেশিত হয়। তাই সংশ্লিষ্ট ঘটনায় পুলিশী কার্যক্রম পর্যালোচনায়, ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা কিভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এতগুলো ব্যারিকেড পার হয়ে মিন্টো রোডস্থ র্স্পশকাতর মন্ত্রীপাড়ায় এসে রাস্তায় যানচলাচল বন্ধকরণের পাশাপাশি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যগণ ও পুলিশ যানবাহনের উপর হামলার প্রয়াস পেলে সে বিষয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের দায়-দায়িত্ব নিরূপণ, উল্লেখিত ঘটনায় রমনা বিভাগ কর্তৃক কি ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল তা মূল্যায়ন, পুলিশের উপর হামলার কারণে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত আইনানুগ ব্যবস্থা এবং পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ যা নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিরূপ সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে তার প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের জন্য নি¤œবর্ণিত ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হ’ল। সদস্যরা হলেন-

১। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (লজিস্ট্রিক্স, ফিন্যান্স এ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) – সভাপতি
২। উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি-দক্ষিণ) – সদস্য
৩। আসমা সিদ্দিকা মিলি, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার – সদস্য

কমিটি আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।