শে হাসিনা বিবিসি-কে যা বললেন

সোহরাব হাসান

আমাদের নেতা-নেত্রীরা খুব একটা গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন না। তাঁরা একতরফা বলতে ভালোবাসেন। আবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও বাংলাদেশের নেতা-নেত্রীদের মুখোমুখি হওয়ার তাগিদ তেমন দেখা যায় না। সেদিক থেকে বিবিসি ওয়ার্ল্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকারটি গুরুত্বের দাবি রাখে। এখন দেখার বিষয় এই সাক্ষাৎকারে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা তথা বাস্তবতার কতটা অ-মিল বা বে-মিল আছে।
সাক্ষাৎকারের একটি বড় অংশ ছিল জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাঁর সরকারের সাফল্য ও ব্যর্থতা। সেই অনুষঙ্গে এসেছে বাল্যবিবাহ বা মেয়েদের বিয়ের বয়স নিয়ে সরকারের স্ববিরোধী অবস্থান। এসেছে দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের অগ্রবর্তী অবস্থান, রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতা, ইসলামি জঙ্গিদের হাতে মুক্তচিন্তার কয়েকজন লেখক-ব্লগারের খুন হওয়ার ঘটনা। বাদ যায়নি সম্প্রতি ঢাকা সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্তব্য কিংবা প্রধানমন্ত্রীর ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকের হাউস অব কমন্সের সদস্য নির্বাচিত হওয়া।
জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের সাফল্য ও কৃতিত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের আগেই আওয়ামী লীগের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী তাঁরা অনেক বিষয়ে কাজ করেছেন, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাঁরা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানিসহ আটটি কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনেক দূর এগিয়ে গেলেও ২০০১-২০০৮ সালে দেশ পিছু হটতে শুরু করে, অনেক কর্মসূচি বিএনপি সরকার বন্ধ করে দেয়। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সামাজিক খাতে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তাঁর এই দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন না করেও যে কথাটি বলা প্রয়োজন তা হলো, সামাজিক উন্নয়ন খাতের সাফল্যের পেছনে পূর্বাপর সব সরকারেরই কমবেশি ভূমিকা আছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের বড় কোনো কর্মসূচি বিএনপি বন্ধ করেছে বলে জানা নেই। বরং প্রধানমন্ত্রী মেয়েদের শিক্ষার প্রসার নিয়ে যে কৃতিত্ব দাবি করেছেন, তার সূচনাটি হয়েছিল খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারের আমলে। সেই সময়ই মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের জন্য বৃত্তি চালু হয়। পরবর্তীকালে সেটি উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে উন্নীত হয়। অন্যদিকে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে যে দুস্থ নারী ও বৃদ্ধ ভাতা চালু করা হয়, খালেদা জিয়ার সরকারও সেটি বহাল রাখে।
বাংলাদেশে এখন ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। এ অবস্থায় কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরও অধিকসংখ্যক নারীর শিক্ষা গ্রহণ করার তাগিদ বোধ করছেন কি না—বিবিসির সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধানে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার কথা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিশুর ভর্তি, বিনা বেতনে মেয়েদের শিক্ষা, সবাইকে বিনা মূল্যে বই দেওয়া, বিদ্যালয়ে খাবার ও গরিব বাবা–মাকে নগদ অর্থ দেওয়া এবং স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।
এসব কার্যক্রম সত্ত্বেও এক-তৃতীয়াংশ মেয়েশিশুর ১৫ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার তথ্যটি কিসের ইঙ্গিত—এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মেয়েরা এখন বিদ্যালয়ে, কলেজে যাচ্ছে। তারা লেখাপড়ায় থাকলে আপনাতেই বাল্যবিবাহ কমে যাবে। তাদের জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা হচ্ছে, কেউ মেয়েদের নাজেহাল করলে আইন অনুযায়ী তার বিচার হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মেয়েদের সুযোগ দিলে ও পরিবেশ নিশ্চিত হলে বাবা-মা ভাববেন, বিয়েটাই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। মেয়েরা এখন অর্থ উপার্জন করতে পারে, তারা পরিবারকে সহায়তা করতে পারে, তারা অনেক কিছু করতে পারে। পাঁচ হাজারেরও বেশি তথ্যসেবাকেন্দ্রে ছেলেরা ও মেয়েরা কাজ করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত করার সুযোগ নেই। কিন্তু এত সব সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ-আয়োজন সত্ত্বেও এক-তৃতীয়াংশ মেয়ের ১৫ বছরের আগে বিয়ে হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি উদ্বেগজনক।
তাহলে কি সরকারের, বেসরকারি সংস্থাগুলোর কোনো কর্মসূচি এই এক-তৃতীয়াংশের কাছে পৌঁছায় না? তারা কি প্রদীপের নিচে অন্ধকার হয়েই থাকবে? প্রধানমন্ত্রী বলছেন, শতভাগ শিশু বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। কিন্তু ভর্তি হওয়ার পর কি তাদের সবাই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে? তা যে পারছে না তার প্রমাণ সাক্ষরতার হার আমরা ৫৭ শতাংশের ওপরে নিতে পারেনি। শ্রীলঙ্কায় এই হার ৯২, ভারতে ৬১ ও মিয়ানমারে ৯৩ শতাংশ। সমাজের এক-তৃতীয়াংশ মেয়ের ১৫ বছরের আগে বিয়ে হয়ে যাওয়ার অর্থ তাদের পড়াশোনা, সংসারের বাইরে গিয়ে কাজকর্ম সবই বন্ধ হয়ে যাওয়া। অল্প বয়সে মা হলে প্রসূতি ও সন্তান দুজনই অপুষ্টি ও নানা রোগে ভোগে।
মেয়েদের বিয়ের বয়স নিয়ে যেসব প্রশ্ন করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী প্রায় সবটাতেই স্ববিরোধী উত্তর দিয়েছেন। একবার বলেছেন, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছরই থাকবে। আবার বলেছেন, এ ব্যাপারে ইংল্যান্ডের আইন অনুসরণ করা হবে। ইংল্যান্ডে ১৬ বছর স্বীকৃত। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তি হলো, যদি কোনো দুর্ঘটনা হয়, অর্থাৎ ১৮ বছরের আগেই কোনো মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে, তাহলে বাবা-মায়ের সম্মতিতে তাকে বিয়ে দেওয়া যাবে। বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের সামাজিক অবস্থান এক নয়। সেখানে শতভাগ ছেলেমেয়ে লেখাপড়ার সুযোগ পায়; বিয়ের ব্যাপারেও নিজেরা সিদ্ধান্ত নেয়। আর বাংলাদেশে এখনো সব শিশু পড়াশোনার সুযোগ পায় না, অধিকাংশের বিয়ে হয় পারিবারিক উদ্যোগে। সবার জন্মনিবন্ধনও করা হয় না। আইনে ১৮ বছর থাকলেও অনেক অভিভাবক বয়স বাড়িয়ে দেখিয়ে ১৬ বছরেও মেয়ের বিয়ে দেন। আইন শিথিল করে সেটি ১৬ বছরে নামিয়ে আনলে ১৪ বছরের মেয়েকেও বিয়ের পিঁড়িতে বসানো হবে ১৬ বছর দেখিয়ে।
বিবিসির প্রশ্ন ছিল, তাহলে কি আপনারা বিয়ের বয়স ১৮ থেকে নামিয়ে ১৬ বছর করার কথা ভাবছেন? প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘না। আপনি আমাকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করছেন।’ এরপর তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায়, যদি ১৬ বা ১৭ বছর বয়সে কোনো মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে, সে ক্ষেত্রে আমাদের দেশে তো অবৈধ শিশুকে গ্রহণ করা হয় না। অতএব, আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।
পদক্ষেপ নেওয়ার অর্থ কোনোভাবেই বিয়ের বয়স কমানো নয়। পদক্ষেপ হলো প্রতিটি মেয়ের অন্তত উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা নিশ্চিত করা। সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। পদক্ষেপ হলো লেখাপড়ার পর সব মেয়ে যাতে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে জন্য তাদের কাজের ব্যবস্থা করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ কারণেই এটি আইন অনুযায়ী ১৮ বছরই থাকবে। কিন্তু আইনটি শিথিল করতে হবে।
বিবিসি সাংবাদিক জানতে চান, বাল্যবিবাহের ব্যাপারেই শিথিলতা জরুরি কি না? প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি সামাজিক দাবি। গার্ল সামিটে শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ বছরের নিচে বিয়ে পুরোপুরি বন্ধ করার ওয়াদা করেছেন। সেই ওয়াদা পূরণের উপায় হিসেবে বিয়ের বয়স কমানো হবে আত্মঘাতী। বিয়ের বয়স কমিয়ে উন্নয়নের সূচক বাড়ানো যায় নাবরং আর্থসামাজিক ও শিক্ষার পরিবেশটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে কোনো অভিভাবক ১৫ বছরের নিচে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তাই করবেন না। প্রধানমন্ত্রী সেই পথে না গিয়ে উল্টো সমাধান খুঁজছেন। তিনি ‘দুর্ঘটনার’ কথা বলেছেন। কিন্তু ‘দুর্ঘটনা’ দিয়ে তো আইন হয় না। আইন হয় আর্থসামাজিক বাস্তবতার আলোকে।
দুর্নীতির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাবেক সামরিক সরকারগুলোর ওপর দোষ চাপিয়েছেন। তাঁর সরকারের আমলে দুর্নীতি কমেছে বলে দাবি করেছেন। কোথায় কমেছে? হল–মার্ক, বেসিক ব্যাংকের মতো ঘটনা কি আগের কোনো সরকারের আমলে হয়েছে? তাঁর দাবি, দেশে ব্যাপক দুর্নীতি থাকলে জিডিপি ৬ শতাংশ হতে পারত না। চীন, রাশিয়াসহ অনেক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের জিডিপি আরও অনেক বেশি। অতএব, প্রধানমন্ত্রীর এই যুক্তিও টেকে না।
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে আপনার বাবা (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এখনো বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা আছে কি না?
প্রধানমন্ত্রীর জবাব, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আছে। ১৯৭৫ সালে আমার বাবাকে হত্যা করে যখন সামরিক শাসকেরা ক্ষমতা গ্রহণ করেন, তখন তাঁরা সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা মুছে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে তিনি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছেন।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সামরিক শাসকদের প্রবর্তিত পঞ্চম সংশোধনী ও অষ্টম সংশোধনীর সংশ্লিষ্ট ধারা কেন বাতিল করলেন না? তিনি যেই দুই সামরিক শাসকের কঠোর সমালোচনা করেছেন, তাদের মধ্যে নিকৃষ্টজনকে নিয়েই তো এখন দেশ শাসন করছেন আওয়ামী লীগ। তাঁর প্রবর্তিত রাষ্ট্রধর্ম রেখে দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা হয় না।
এরপর ইসলামি জঙ্গিদের, বিশেষ করে যারা হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি তাদের উৎসাহিত করেছে। তাদের শাসনামলে এই জঙ্গিদের ব্যবহার করে আমাদের দলের দুই হাজারেও বেশি নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে। তাদের হাতে দুজন সাংসদ খুন হয়েছেন। আমার ওপরও হামলা হয়েছে। আমরা সরকার গঠনের পর জঙ্গিবাদ বা যেকোনো সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। দেশে এখন একটি বা দুটি ঘটনা ঘটেছে এবং আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি, তাদের গ্রেপ্তার করেছি এবং জেলে ঢুকিয়েছি। আমরা কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হতে দেব না।’ যেসব বিশিষ্ট নাগরিককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে, তাঁদের উপযুক্ত নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি হুমকিদাতাদের খুঁজে বের করার কথাও বলেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী যখন জঙ্গি দমনে তাঁর সরকারের সাফল্য বয়ান করছেন, তখন বাস্তব অবস্থা হলো নিহত তিন লেখক–ব্লগার অভিজিৎ রায়, ওয়াশিকুর রহমান ও অনন্ত বিজয় দাসের খুনিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ওয়াশিকুরের ঘটনায় দুই খুনিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ধরিয়ে দিলেও তার নেপথ্যে কারা আছে, সরকার তাও খুঁজে বের করতে পারেনি। অনেকেই এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। জঙ্গিদের তালিকাভুক্ত ৮৫ জনের একজন অনন্য আজাদ, যাঁর বাবা প্রখ্যাত লেখক হুমায়ুন আজাদও এক দশক আগে জঙ্গিদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন, ডিপ্লোম্যাট পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছেন, ‘জীবন বাঁচাতে আমি দেশ ত্যাগ করছি। আমার কাছে দুটি বিকল্প আছে। বিদেশে নির্বাসন অথবা নিহত হওয়া। আমি প্রথমটি বেছে নিতে যাচ্ছি। কিন্তু আমি আমার লেখালেখি বন্ধ করতে পারব না।’
মুক্তবুদ্ধির একজন তরুণের এই অসহায়ত্ব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী কি বলবেন? অনন্য আজাদের মতো আরও যঁারা হত্যার হমকি মাথায় নিয়ে আছেন, তাঁদের সম্পর্কে রাষ্ট্রের কি কিছুই করুণীয় নেই?
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrabhassan55@gmail.com