Tagged: Awami League Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 18:01 on July 16, 2015 Permalink |
    Tags: Awami League, , Hefazat, honeymoon, , , Prof Asif Nazrul, Sheila Ahmed   

    ফজলুল বারীঃ আসিফ নজরুলের রাজনৈতিক হানিমুন 

    Asif Nazrul_Sheila Ahmed-marriage-5আমাদের সময়ের একজন পন্ডিত (!) ব্যক্তি। তার আজকের নাম আসিফ নজরুল। আজ প্রথম আলোতে হানিমুন বিষয়ে একটি রচনা লিখেছেন। হানিমুন কী, কত প্রকার ইত্যাদি! তিনি কামেল মানুষ। জ্ঞাতসারে এরমাঝে তিন খানা বিবাহ করেছেন। অজ্ঞাতসার সমূহ সম্পর্কে আমাদের বন্ধুবান্ধবদের যথেষ্ট ধারনা আছে। যেহেতু একাধিক বিবাহ করেছেন, একাধিকবার হানিমুনে যাবার অভিজ্ঞতা আছে, তাই এই বিষয়টি নিয়ে দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু তিনি তার রচনায় তার ব্যক্তি অভিজ্ঞতা বাদ দিয়ে এক্ষেত্রেও শেখ হাসিনার সরকারকে টার্গেট করাতে যার পর নাই পুলকিত! অবশ্য ইনি এমনই। এসবই উনার সাম্প্রতিক এসাইনমেন্টও বটে।

    ইনার সঙ্গে যখন পরিচয় তখন তিনি খবর গ্রুপের চিত্রবাংলা, ছায়াছন্দ এসব চটি পত্রিকায় খ্যাপ লিখতেন। আমাদের বিচিন্তার আসরে আসার পর তাকে বলা হয়, আপনার নামটি খুব পচা। এরপর তার মো: নজরুল ইসলাম নামটি পাল্টে আসিফ নজরুল করা হয়। এখন তিনি সেই পরিবর্তিত নামেই পরিচিত। হয়তো এফিডেবিট করে পিতামাতার রাখা নামটি পাল্টে থাকতে পারেন। কিন্তু গোলাম আযমের বিচারের গণ আদালত পর্যন্ত তার সার্টিফিকেটে পিতামাতার নামটি মো: নজরুল ইসলামই ছিলো। উল্লেখ্য তখন গণ আদালতে কেউ গোলাম আযমের আইনজীবী হতে কেউ রাজি হচ্ছিলোনা। ইনি কেন রাজি হন তা ওয়াকিফহালরা জানেন। পরবর্তিতে তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সঙ্গে প্রতারনা অথবা স্বরূপে আবির্ভূত হবার পর কি করে পক্ষ ত্যাগ করেন, তা নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। এরপরের একটা ঘটনা বলি। বিএনপি-জামায়াত শিক্ষক কোটায় তিনি ততক্ষনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় ঢুকে গেছেন। শামসুন্নাহার হলের ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ভিসি আনোয়ারুল্লাহ’র পদত্যাগের দাবিতে তুমুল ছাত্র আন্দোলন চলছে। পদ আঁকড়ে রাখতে ভিসি সকালে এককথা বিকালে আরেককথা বলেন। এসব নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকরা ছেঁকে ধরেছেন আনোয়ারুল্লাহকে। তখন আনোয়ারুল্লাহকে রক্ষা করতে ইনি তার পাশে বসেন কামেলের ভূমিকায়! ইনি সাংবাদিকদের বলেন ‘আমি মিথ্যা বলতে পারি, কিন্তু আনোয়ারুল্লাহ স্যার কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ আজকের প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার মোশতাক তখন জনকন্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে সে আমাকে বলে, এই লোকটা না আপনাদের সঙ্গে কাজ করতো। এমন দুই নাম্বার কেন এই লোক? আর যে লোক নিজের মুখে বলে সে মিথ্যা বলে, বলতে পারে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়-থাকে কী করে?

    ২০০১ সালে যখন বিএনপি-জামায়াতের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয় ইনি লুকিং ফর শত্রুজ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর ঘনিষ্ঠ বিশেষ খ্যাতিমান হয়ে ওঠেন। তিনি বাবরকে ফোন করলেই তাকে যা খুশি করে দেয়। ১/১১’এ বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতাচ্যুত হবার পর ইনার নানা দূর্ভাবনা বিশেষ প্রকাশ পায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর নীতি-নৈতিকতার বিষয়গুলো নিয়ে উনার উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বাড়ে! যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর পর সাঈদি যুদ্ধাপরাধী না, তার এক বক্তব্যে তিনি কিছুটা বিপাকে পড়েন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার অফিস আক্রান্ত হয়। আমাকে তখন একজন বলেন, ইনি না আপনাদের সঙ্গে কাজ করতেন। আপনাদের পত্রিকায় না প্রথম ছাপা হয়েছিল সাঈদি যুদ্ধাপরাধী। আমি তাকে জবাবে বলেছিলাম, আমাদের পত্রিকায় ছাপা হবার সময় তিনি যেহেতু চিত্রবাংলা, ছায়াছন্দে চটি লিখতেন তাই হয়তো সেই লেখাটি খেয়াল করেননি। আর শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সঙ্গে বেঈমানির আগে ইনি কিন্তু সাঈদিকে যুদ্ধাপরাধী জেনে-বলেই মুখে ফেনা তুলতেন। বেঈমানি করার পর মনে করেন না। কারন যখন যে দেবতার পুজা তিনি করেন তাকেই তিনি শুধু ভোগ দেন।

    এমন এক কামেল ব্যক্তি আজ বরাতজোরে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পত্রিকা প্রথম আলোর আশ্রয়পুষ্ট। বাংলাদেশের সামাজিক-রাজনৈতিক নানা সমস্যা আছে। এরপরও বিস্ময়কর ইতিবাচক অনেক অর্জন সাফল্য আছে বাংলাদেশের। কিন্তু শুধু প্রথম আলোতে এই ভদ্রলোকের যদি লেখাগুলোর যোগফল দাঁড় করান, তাহলে বলতে হবে বাংলাদেশ বলেতো কিছু নেই আর! অনেক আগে ভেনিস হয়ে গেছে বাংলাদেশ! অথবা এসব ক্রন্দনের মূল কারন একটাই, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় কেন নেই, আসেনা কেনো? অথবা আসিবে কী কভু? প্রথম আলোর শুক্রবারের লেখায় ইনি তার গুরু এমাজউদ্দিন থেকে শুরু করে সবাইকে ধুয়ে দিয়েছেন! কারন এরা কেউ তার বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় ফেরত আনতে পারছেনা! তার লেখাটির নিচে এক পাঠক মন্তব্যটি বেশ মজার! ইনি লিখেছেন, “Mr. Asif Nazrul, Have you ever found anything good in AL? Have you ever found anything bad in Jamat or BNP? Who are you? What are you, Mr. Nazrul?”

    Advertisements
     
  • probirbidhan 18:41 on July 4, 2015 Permalink |
    Tags: Awami League, , militants, radical Islamists, religious fanatics,   

    ব্লগারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে: অধ্যাপক অজয় রায় 

    আন্তর্জাতিক এই সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী বাকস্বাধীনতা ও তথ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে।

    শুক্রবার ব্র্যাক সেন্টার ইন মিলনায়তনে ‘স্পন্দমান ও শঙ্কামুক্ত অনলাইন ক্ষেত্র চাই’ শিরোনামে ওই ‘সনদ’ উন্মোচন করেন নিহত ব্লগার অভিজিৎ রায়ের বাবা পদার্থবিজ্ঞানী অজয় রায়।

    আর্টিকেল ১৯ এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া পরিচালক তাহমিনা রহমান বলেন, “মত প্রকাশের অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে ব্লগাররা সাধারণত যে সব জটিলতার মুখোমুখি হয় সেসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ব্লগারদের জন্য এই সনদ।

    “এই সনদে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের অধিকার, তাদেরকে সহিংসতা, নির্যাতন ও হয়রানি থেকে সুরক্ষার কথা জোরালোভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।”

    পাশাপাশি তথ্যসূত্র প্রকাশ করতে বাধ্য না করা এবং সরকারি সংস্থার সাথে নিবন্ধন করার ব্যাপারে বাধ্য না করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যাপক অজয় রায় ‘ব্লগারদের প্রতি সরকারের নিষ্ক্রিয় মনোভাব রয়েছে’ অভিযোগ করে বলেন, “তারা (ব্লগাররা) যে এক ধরনের মৌলবাদীদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে সেটি সরকার অনুধাবন করতে পারেনি। যদি পারত, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে তিনটি হত্যাকাণ্ড হত না।”

    অভিজিতের হত্যা মামলার অগ্রগতি জানতে কিছু দিন আগে গোয়েন্দা কার্যালয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা বলছে, তারা দুজনকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। তবে এখনও ধরতে পারেনি।”

    ব্লগারদের প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলে অজয় রায় বলেন, “ধরে নিলাম ব্লগাররা নাস্তিক, সেটি যদি অপরাধ হয় তাহলে তাদের বিচারের সম্মুখীন করুক। যদি আদালত তাদের ফাঁসির রায় দেয় তাহলে ফাঁসিতে লটকাবে, কেন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সরকার প্রশ্রয় দেবে?”

    ব্লগারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে বলেও জোর দিয়ে বলেন তিনি।

    “অভিজিতের হত্যাকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিফোন করে বলেছিলেন, আপনার জন্য কী করতে পারি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ, তিনি সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এ খবরটি তিনি মিডিয়াতে দেননি অর্থাৎ ব্লগারদের প্রতি তার কিছু না কিছু সহানুভূতি প্রকাশ পাক সেটিও বোধহয় তিনি জনগণকে জানাতে চাননি।”

    “ব্লগারদের প্রতি সরকারের নিষ্ক্রিয় মনোভাব রয়েছে, তারা বিচার চান না সেটা আমি বলবো না। কিন্তু এটি নিয়ে তাদের একটা খুব আহামরি অভিযোগ নেই।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন এই অধ্যাপক।

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় যে কথা বলেছেন তার কোন প্রয়োজন ছিল না। তোমার এ ব্যাপারে মাথা ঘামানোর কোন দরকার ছিল না। সে উটকো মন্তব্য করে বলেছে, অভিজিৎ একজন স্বঘোষিত নাস্তিক, আওয়ামী লীগ এ ধরনের রাজনীতি করে না। তোমার এই অর্বাচিন উক্তিটার দরকার কী ছিল?”

    “এদিক থেকে দেখে মনে হয় ব্লগারদের প্রতি বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের হত্যাকারীদের ধরার ব্যাপারে উৎসাহ নেই, এমনকি ব্লগার হত্যার বিষয়ে সরকারের ঘৃণা বা প্রতিবাদও নেই।”

    ঢাকায় স্বামীর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সরকারের কার্যক্রমের সমালোচনা করে রাফিদা আহমেদ বন্যার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জয় বলেছিলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি তার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য এতটাই নাজুক যে প্রকাশ্যে তার কিছু বলা স্পর্শকাতর ছিল, তাই তিনি ব্যক্তিগতভাবে অভিজিতের বাবাকে সহমর্মিতা জানিয়েছিলেন।

    অভিজিৎকে ‘ঘোষিত নাস্তিক’ উল্লেখ করার পর রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে জয়কে উদ্ধৃত করে বলা হয়, “আমরা (আওয়ামী লীগ) নাস্তিক হিসেবে পরিচিত হতে চাই না। তবে এতে আমাদের মূল আদর্শের কোনো বিচ্যুতি হবে না। আমরা ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী।”

    যে সনদ তৈরি করা হয়েছে তা ব্লগারদের সুরক্ষা কবজ হিসেবে কাজ করবে এবং এই সনদ সরকার আমলে নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন অভিজিতের বাবা অজয় রায়।

    ব্লগারদের উদ্দেশে অজয় রায় বলেন, “এমন কিছু ‍লিখবেন না যা জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। আপনারা এই সনদ ছাড়াও নিজেদের আত্মনিয়ন্ত্রণ করুন, আপনারা মত প্রকাশ করতে যেয়ে এমন কাজ করবে না যা অন্যর চেতনা বা ধর্মীয় বা অন্য যে চেনতাই হোক তাতে নিরর্থক আঘাত হানে।”

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক শাখার প্রধান আদ্রিয়ান জোনস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহবুবুর রহমান, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগের মডারেটর আইরিন সুলতানা, ব্লগার ফাতিমা আবেদিন নাজলা, কবি নীল সাধু ও নাসরিন সুমি।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে শতাধিক ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, ব্লগ সঞ্চালকরা উপস্থিত ছিলেন।

    ১২ সুপারিশ

    আর্টিকেল ১৯ এর ১২টি ধারার মধ্যে অন্যতম অনলাইনে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে আন্তজার্তিক আইনের যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা। অনলাইন মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর যে কোন বিধি-নিষেধ আরোপের ক্ষেত্র্রে আন্তজার্তিক মানদণ্ড অনুসরণের সুপারিশ এসেছে সনদে।

    এছাড়া ব্লগে লেখালেখির কারণে ব্লগারদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের হয়রানিমূলক অপপ্রয়োগ বন্ধ করা, তাদের উপর আক্রমণ ও সহিংসতাকে মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর প্রত্যক্ষ আঘাত হিসেবে বিবেচনা করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

    অন্যদিকে বিদ্যমান আইনে পেশাদার সাংবাদিকরা যে ধরনের সুরক্ষা বা সুবিধা পেয়ে থাকেন, জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের কাজে নিয়োজিত ব্লগারদের জন্যও একই ধরনের সুরক্ষা ও সুবিধাদি নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করে আর্টিকেল ১৯।

    পেশাদার সাংবাদিকদের পাশাপাশি ব্লগারদের জন্যও প্রবেশাধিকার সম্পর্কিত সরকারি স্বীকৃতিব্যবস্থা উম্মুক্ত করা, সাংবাদিকতাধর্মী কাজে নিয়োজিত ব্লগারদের পেশাদার সাংবাদিকদের মতই তথ্যসূত্রের সুরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা, তথ্যসূত্র প্রকাশের যে কোন অনুরোধ বা নির্দেশ শুধু গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে সনদে।

    তবে এক্ষেত্রে প্রথমে আদালতের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।

    আর্টিকেল ১৯ বলছে, ব্লগারদের কখনোই সরকার বা সরকারি সংস্থার কাছে নিবন্ধিত হতে বাধ্য করা যবে না।

    ব্লগে লেখালেখির জন্য ব্লগারদেরকে তাদের প্রকৃত নামে নিবন্ধিত হতে বাধ্য করা যাবে না।

    এছাড়া প্রচলিত ধারার গণমাধ্যম কর্তৃক প্রণীত আচরণ বিধি মেনে চলতে ব্লগারদের বাধ্য না করার সুপারিশও এসেছে সনদে।

    ১৯৮৭ সাল থেকে তথ্য অধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিয়ে কাজ করছে লন্ডন ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন আর্টিকেল ১৯। ‘মানবাধিকার সনদের’ ১৯ ধারা থেকে সংগঠনটি তাদের নাম নিয়েছে।

     
  • probirbidhan 18:05 on May 30, 2015 Permalink |
    Tags: Awami League, celebration, Dhaka streets, political activists,   

    শেখ হাসিনার সোনার ছেলেরা কতভাবে অঙ্গভঙ্গি করে উত্যক্ত করতে পারে! 

    আজ শেখ হাসিনার সোনার ছেলেরা দলে দলে বাস ভরে ভরে সারা শহর মাতিয়ে সভাস্থলে যাত্রা করেছে। শেরাটনের সিগনালে সাকুরার উল্টাদিকে রিকশায় বসে আছি। দুপুর ২.৩০ টা হবে। আমার বামে সামনে পেছনে বাস আর পিকআপে কর্মীরা। হুড উঠিয়ে বসে আছি, লম্বা সিগনাল।
    কয়েক সেকেন্ড পর থেকেই একজন দুজন করে বাসের উপর থেকে শিস দেয়া, চটুল গান গাওয়া শুরু করল আমাকে দেখে।
    তারপর বাস এর ভেতর থেকে, পিকআপের ওপরে বসা তাদের সাথীরা দারুণ জান্তব আনন্দে মেতে উঠলো আমাকে কতভাবে অঙ্গভঙ্গি করে উত্যক্ত করা যায় তা নিয়ে। এরপর শুরু হল ফুলের ডাল থেকে ফুল, পাতা, ডালের টুকরা ছুঁড়ে মারা। আমার গায়ে এসে সমানে পড়ছে। আমার পাড়ার বুড়ো রিকশাওয়ালা বুঝতে পারছে না কী করবে! আমি চুপ করে আছি, সিগনালও ছাড়ছে না। এরপর বাসের ভেতর থেকেও অশ্লীল কথায় ডাকাডাকি, আরো নানা কায়দা করলো তারা।
    শেষে সিগনাল ছাড়ার পর আমি সে পথ থেকে পরিত্রাণ পেলাম! আমি প্রতিবাদ করতে পারিনি। কারণ ঢাকায় দীর্ঘ ১৫ বছর একা চলার অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে– একা থাকলে রাজনৈতিক দলের সোনার ছেলেদের কিছু বলা যায় না।
    আমার যত বড় বড় ক্ষমতাবান আত্মীয় থাকুক, আমার আপন খালু প্রশাসনের বড়কর্তা হোক– এই পরিস্থিতিতে এতগুলো জানোয়ারের সাথে একা কিছু বলতে গেলে টানাহেঁচড়ায় আমাকে আগামীকালের নিউজের উপাত্ত হতে হবে। পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখবে, জনতা পালাবে, আমি হাইলাইটেড হবো!
     
  • probirbidhan 19:31 on May 26, 2015 Permalink |
    Tags: Awami League, , , Rampal power plant, Sundarbans mangrove forest   

    ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে সুন্দরবনের কি ঘটবে তার পূর্বাভাস’ 

    রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য বালু ভরাট, ড্রেজিং ইত্যাদি কাজের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণটুকুও নিয়ণ্ত্রণ করা হয়নি বলে খোদ সরকারি রিপোর্টেই স্বীকার করা হয়েছে! যেমন:

    ১) কথা ছিল মাটি ভরাটের সময় বাতাসে ধুলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার জন্য পানি ছিটানো হবে এবং জায়াগাটা ঘিরে রাখা হবে। কিন্তু ধুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য এই সামান্যকাজ গুলোও করা হয়নি বলে স্বীকার করা হয়েছে গত নভেম্বর ২০১৪ সালের মনিটরিং রিপোর্টে।

    ২) ড্রেজিং এর কাজের সময় শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কর্মদক্ষ (ইফিশিয়ান্ট) ড্রেজার ব্যাবহার করার কথা থাকলেও এমন ড্রেজার ব্যবহার করা হচ্ছে যেগুলো থেকে প্রজেক্ট এলাকায় ব্যাপক শব্দ দূষণ হচ্ছে।

    ৩) কর্মদক্ষ (ইফিশিয়ান্ট) মেশিন ও জেনারেটর ব্যবহার করার মাধ্যমে জেনারেটর, ড্রেজার ও বালু বহন কারী জলযানের সালফার ও নাইট্রোজেনের বিষাক্ত অক্সাইড নিয়ন্ত্রণ করার কথা থাকলেও বালু বহন করী জলযানগুলো থেকে কালো ধোয়া উদগীরিত হওয়ার কথা স্বীকার হয়েছে ঐ রিপোর্টে।

    ৪) বর্জ্য ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে নদীতে অপরিশোধিত বর্জ্য ফেলার বন্ধ করার কথা থাকলেও প্রকল্প এলাকায় সেরকম কোন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেখা যায় নি, শ্রমিকরা খোলা টয়লেট ব্যাবহার করছেন এবং টয়লেট থেকে বর্জ্য উপচে পানিতে মিশছে বলে লিখা হয়েছে সরকারি রিপোর্টে।

    ৫) নদী থেকে বালু উত্তোলণ ও মাটি ভরাটের সময় মৎস সম্পদের উপর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রজনন মৌসুমে (জুন থেকে আগষ্ট) কাজ বন্ধ রাখা, উপযুক্ত নিষ্কাশন নালা নির্মাণ, দেয়াল নির্মাণ ও দুর্ঘটনা ঘটলে যন্ত্রপাতি থেকে তেল ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর ব্যাবস্থা থাকার কথা ছিল। কিন্তু এগুলো কোনটাই সম্পূর্ণ ভাবে পালন করা হয় নি।

    এই পর্যবেক্ষণগুলো সবই সরকারের নিয়োগ করা প্রতিষ্ঠান সিইজিআইএস এর নভেম্বর ২০১৪ সালের মনিটরিং রিপোর্ট থেকে নেয়া হয়েছে। এই দুষণগুলোর জন্য হয়তো সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে না, কিন্তু এগুলো বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে সুন্দরবনের কি ঘটবে তার পূর্বাভাস।

    By Kallol Mustafa

     
  • probirbidhan 17:59 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: Awami League, , mentally sick, migrants, ,   

    কই মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোম কিংবা কানাডার বেগম পাড়ায় যাওয়ার আকাঙ্খাকে কে তো কারও মনে হয় না ‘মানসিক অসুস্থতা’! 

    “শ্রমিকদের গন্তব্য তো মালয়েশিয়ার কোন সেকেন্ড হোমে না, শ্রমিকরা যেতে চায় মালয়েশিয়ার রাবার প্ল্যান্টেশানে!
    শ্রমিকেরা তো স্রেফ কাজের আশায় বিদেশ যেতে চায়, ক্ষমতা আর বিলাসের জন্য দেশ লুট তো আর করে না!
    কই মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোম কিংবা কানাডার বেগম পাড়ায় যাওয়ার আকাঙ্খাকে কে তো কারও মনে হয় না ‘মানসিক অসুস্থতা’!
    কেউ বিষ্ময় নিয়ে প্রশ্ন করে না, এত কিছু থাকার পরেও এরা কেন চুরি, দুর্নীতি, লুন্ঠন করছে!
    দুর্নীতি করে দেশকে বিশ্বের ১ নম্বর পজিশনে নিয়ে গেলেও তো দেশের ‘সুনাম’ ক্ষুণ্ণ করার অপরাধেতাদের শাস্তির কথা কাউকে বলতে শোনা যায় না..
    কিন্তু দরিদ্র শ্রমজীবি মানুষ একটু ভালো ভাবে বেচে থাকার আশায়, ঘামের উপযুক্ত মূল্য পাওয়ার আকাঙ্খায় মরিয়া হয়ে বিদেশ যেতে চাচ্ছে বলে বিষ্ময়ের শেষ নেই! এই দরিদ্র মানুষরা নাকি মানসিক ভাবে অসুস্থ! দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপরাধে তাদের নাকি শাস্তি দিতে হবে!
    ও, গরীবের বুঝি ভালো ভাবে বেচে থাকার ইচ্ছা থাকতে নেই!
    গামের্ন্টস, কন্সট্রাকশান কিংবা দিনমজুরের ৫/৭ হাজার টাকার ন্যূনতম মজুরির অনিশ্চিত জীবন নিয়েই সারা জীবন তাদেরকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে..
    ধানের দাম না পেলেও ধান ক্ষেতেই পড়ে থাকতে হবে কৃষকের সন্তানদের..
    দুধ ভাত শুধু তাহাদের, গরীব কেবলই পাথর চিবুতে বাধ্য..
    এই বাজারে পরিবার নিয়ে খেয়ে পড়ে মানুষের মতো বেচে থাকার জন্য ২০ হাজার টাকার কম মজুরি হলে চলে না..
    কিন্তু বাংলাদেশের শ্রমজীবি মানুষদের জন্য দেশের ভেতরে এমন কোন খাত নেই যেখানে ভালো ভাবে পরিবার নিয়ে বেচে থাকার মতো মজুরি পাওয়া যায়..
    এই দরিদ্র মানুষরা যে ২০ হাজার টাকা মজুরির আশায় মালয়েশিয়ায় যেতে চাইবেন তাতে আশ্চর্য হওয়ার তো কিছু দেখি না..
    বৈধ ভাবে যাওয়ার ব্যাবস্থা থাকলে তারা তো বৈধ ভাবেই যেতেন… নিজের জমি বাড়ি বেচে, ধার দেনা করে এভাবে বহু মানুষই গেছেন.. আর আপনারা তাদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স নিয়ে গর্ব করেছেন!
    কিন্তু বৈধ ভাবে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে আপনাদের লোকেরাই তো অবৈধ পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার রাস্তা খুলেছে.. মিথ্যা প্রতারণা এমনকি জোর জবরদস্তি করে গরীব মানুষদেরকে দাস হিসেবে নৌকায় তুলেছে.. এর বিনিময়ে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে..
    এতদিন কি এগুলো জানতেন না, এখন কেন আকাশ থেকে পড়ার ভান করছেন, কেন নিজেদের দোষ স্বীকার না করে উল্টো দরিদ্র মানুষদের দোষী করছেন?
    এত দিন ধরে ফোলানো উন্নয়নের বেলুন ফুটো হয়ে গেছে বলে খুব রাগ হচ্ছে এই দরিদ্র মানুষদের উপর, তাই না?”

    By Kallol Mustafa

     
  • probirbidhan 02:31 on February 27, 2013 Permalink |
    Tags: AK Mohammad Hossain, Awami League, , Parliament Petition Committee   

    Bangladesh Parliament deaf of People’s voice for 38 years! 

    Bangladesh Parliament Building, Manik Mia Avenue, Dhaka

    Bangladesh Parliament Building, Manik Mia Avenue, Dhaka

    Rashidul Hasan, THE DAILY STAR February 27, 2013 — 

    The Parliament Petition Committee, the only House body through which people can participate in the law making process, remains practically inactive since its inception 38 years ago.

    Following the footsteps of many world democracies, the committee was introduced in the country in 1975 so that people can have their voices heard in parliament through this body and seek remedies to their problems.

    But, parliament experts and lawmakers say, the House committee by remaining inactive has been depriving citizens of their lawful rights. This committee remains inoperative all these years due to “insincerity” on the part of the parliament authorities.

    Moreover, most people are not aware of the committee and its function, they add.

    “Many issues of public importance could have been resolved had the Petition Committee worked properly,” parliament expert AK Mohammad Hossain told The Daily Star.

    Parliament sources say more than 1,039 bills were passed by the Jatiya Sangsad in the last 38 years. But not a single citizen participated in the law-making process through the committee.

    There is, however, one instance of getting solution to an issue of public importance in the eighth parliament in 2005 following a petition by Abul Hossain, the then president of the Satkhira Bar.

    In line with recommendations of the then Petition Committee, a road inside the Satkhira TV relay station was opened for public until construction of an alternative road.

    Petition committees play important roles in ensuring public participation in the law-making process in many democracies including in Australia, Germany, India, Scotland and the UK, said officials in the parliament secretariat.

    According to the House Rules of Procedure, anyone with consent of the Speaker can submit a petition, giving his opinion or feedback on any bill placed in the House. Petitions can also be filed on issues pending in the House or any other matters related to public interest.

    Under the rules, the Petition Committee headed by the Speaker would inform the House about the petition and recommend actions. This is an all-MP committee, and ministers cannot be its members.

    Statistics show 149 petitions related to public issues were submitted to the Petition Committee in the last 38 years. Of them, 12 were filed during the present (ninth) parliament that began in January 2009.

    The eighth parliament where the BNP-Jamaat alliance had majority seats, accepted one petition out of 20 submitted. Earlier, the seventh parliament accepted two petitions and the fifth parliament 17 petitions.

    Records of the meetings held by the committee during successive parliaments are also very poor. No meeting was held during the first four parliaments from 1973 to 1990. During the next four parliaments from 1991 to 2006, the committee sat nine times.

    The Petition Committee of the current parliament has yet to hold its first meeting.

    One of the members of the committee is not happy about such inaction. “You better talk to the Speaker,” he told this correspondent, requesting anonymity.

    Speaker Abdul Hamid said, “How we can hold meetings when we have not received any petition for discussion?”

    Contacted, BNP lawmaker Moudud Ahmed said the Petition Committee had an important role in holding parliament accountable through people’s participation.

    “But unfortunately, the committee exists only on paper. And this trend had been prevailing for the past 38 years for which we, the MPs, parliament and the successive governments, are responsible,” he added.

    Asked what steps his party had taken when in power, he said no government in the past had done enough to make the committee functional.

    “We will have to tell people that they have such a right in parliament. But lawmakers themselves would have to be more serious about the importance of the committee,” he added.

     
  • probirbidhan 21:18 on December 6, 2012 Permalink |
    Tags: Awami League, , Bangladesh Bureau of Statistics (BBS),   

    Increasing food prices pushing inflation up: BBS 

    Inflation rose by 0.19 percentage point to 7.41 percent in November compared to the previous month.

    The non-food inflation however decreased by 1.15 percentage point in November while the food inflation increased by 0.88 percentage point, said the data of Bangladesh Bureau of Statistics (BBS), released at its Agargaon office Thursday morning.

    The overall inflation was 7.22 point in October.

    In November, non-food inflation was 9.31 percent which was 10.46 percent in October.

    Food inflation was 6.45 percent in November against the 5.57 percent in October.

     

    ঢাকা, ডিসেম্বর ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

    গত ১০ মাসে ধীরে ধীরে কমে আসতে থাকলেও খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে আবার বাড়তে শুরু করেছে সার্বিক মূল্যস্ফীতি।

    ২০০৫-০৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায় গত নভেম্বর মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ ছিল।

    সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে করা পুরনো হিসাবেও। অক্টোবরের ৭ দশমিক ২২ শতাংশ থেকে বেড়ে নভেম্বরে হয়েছে ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ এই তথ্য প্রকাশ করেন পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল।

    তিনি বলেন, প্রধানত আটা, ডাল, মাছ, মাংস, মসলা, দুধ ও অন্যান্য খাদ্য সমাগ্রীর মূল্য বাড়ায় খাদ্য মূল্যস্ফতি ঘটেছে। এ কারণে সার্বিক মূল্যস্ফীতিও কিছুটা বেড়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন পদ্ধতিতে (২০০৫-০৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে) অক্টোবরে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ২ দশমিক ৫১ শতাংশ। নভেম্বরে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে।

    আর পুরনো পদ্ধতিতে (১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে) খাদ্য মূল্যস্ফীতি অক্টোবরের ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ হয়েছে।

    দুই হিসাবেই খাদ্য বহির্ভূত খাতের মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে এসেছে।

    পুরনো হিসাবে অক্টোবরের ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ থেকে কমে নভেম্বরে হয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। আর নতুন পদ্ধতিতে হিসাব করলে এই হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ থেকে কমে ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল (পুরনো হিসাবে) ১১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ১০ দশমিক ৪২ শতাংশে দাড়ায়। মার্চ মাসে তা আরও কমে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ হয়। আর এপ্রিলে এ হার ছিল ৯ দশমিক ২ শতাংশ।

    এভাবে গত ১০ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমতে থাকলেও সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাস থেকে তা ফের বাড়তে শুরু করেছে।

    নভেম্বর মাসে নতুন হিসাবে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। অক্টোবরে এ হার ছিল ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। আর পুরনো হিসাবে নভেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ থেকে সামান্য বেড়ে ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ হয়েছে।

    অন্যদিকে ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের হিসাবে শহর এলাকায় নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ হয়েছে। ১৯৯-৯৬ ভিত্তি বছরের হিসাবে নভেম্বরে শহরে মূল্যস্ফীতি েেহয়ছে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অক্টোবরে হয়েছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ।

    গত ১৮ জুলাই পরিসংখ্যান ব্যুরোর টেকনিক্যাল কমিটির সভায় ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের সিপিআই (ভোক্তার মূল্য সূচক) অনুমোদন দেয়া হয়। সে ভিত্তিতে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের পাশাপাশি ১৯৯৫-৯৬ ভিত্তিবছরের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে।

    গত ৭ সেপ্টেম্বর ব্যুরোর সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সময়ের সঙ্গে ভোক্তাদের ভোগ্য পণ্য ব্যবহার এবং সেবা কর্মের ধরন পরিবর্তনের কথা বিচার-বিশ্লেষণ করে ভিত্তি বছরে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরে গ্রামাঞ্চলে ৩১৮টি আইটেম সিপিআই বাস্কেটে নিয়ে মূল্যস্ফীতির হিসাব করা হয়েছে। শহর এলাকায় এ সংখ্যা ৪২২টি।

    আর ১৯৯৫-৯৫ ভিত্তি বছরে গ্রাম ও শহর এলাকায় এ সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৮২টি ও ২৭১টি। নতুন ভিত্তি বছরে গ্রামে নতুন আইটেম সংযোজন হয়েছে ১৩৬টি। শহরে ১৫১টি।

    তবে নতুন হিসাবে পুরনো ভিত্তি বছরের গ্রামাঞ্চলে ৩৩টি ও শহরে ৩১ আইটেম বাদ দেয়া হয়েছে।

     
  • probirbidhan 20:07 on November 18, 2012 Permalink |
    Tags: attack on police, Awami League, , , , , state religion   

    BNP, Jamaat slam Hasina for Shariah remarks 

    The Daily Star November 18, 2012

    Two BNP leaders yesterday criticised Prime Minister Sheikh Hasina for threatening to implement sharia and alleged that the government intended to create instability in the country by misleading the people.

    Speaking separately at two programmes, BNP Standing Committee Member Khandaker Mosharraf Hossain and BNP acting general secretary Mirza Fakhrul Islam Alamgir said it was ironic to listen to the leader of the Awami League talk about implementing sharia.

    They said the talk on sharia was nothing but an attempt to confuse people.

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে আলোচনা

    Shibir men go berserk in Ctg

    Jamaat men clash with cops at Jatrabari

    ‘US advice will cheer war criminals’

    ঐকমত্য হলে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ হতে পারে

    পাকিস্তানপ্রেমী জামায়াত কেন বাংলাদেশে রাজনীতি করে?

    জামায়াতের ইসলাম, রাজনীতি ও আমাদের দূর্বলতা

    জামায়াত-শিবিরের ‘নৈরাজ্যের’ বিরুদ্ধে সভা-সমাবেশ

    জামায়াত নেতার বাসায় ‘জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’

    PM, home minister firm against Jamaat plot

    জামায়াতের রাজনীতির জবাবদিহি তাদের কাছে

    ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সমস্যায় পরিণত হয়েছে, সংসদে প্রধানমন্ত্রী

    At a human chain in the capital, Mosharraf said the AL has always tried to enhance its image at home and abroad, by claiming to be a secular party.

    The programme was organised by Shadhinota Forum demanding to know the whereabouts of Ilias Ali, a missing BNP leader.

    Meanwhile, speaking at a programme marking the 36th death anniversary of Maulana Bhasani, organised by BNP, Tangail Unit, Fakhrul said the AL’s �double standard policy� has been shown through Hasina’s speech.

    While addressing a meeting of AL Central Working Committee at Gono Bhaban, on November 16, the Prime Minister, said those who had assaulted the police to hinder the war crimes trial could be tried �under the sharia law�.

    �The government knows how to deal with those who are attacking the police to save the war criminals. Besides, there are alternative means like sharia to try them,� Hasina said.

     

    PM speaks about Shariah law to stop Jamaat-Shibir violence

    The Daily Star November 17, 2012

    Prime Minister Sheikh Hasina yesterday said those attacking law enforcers and trying to hinder the war crimes trial could be tried under sharia.

    �The more excesses they do, the faster will be the war crimes trials. There will be no let-up in the trials,� she said.

    The government knows how to deal with those who are attacking police and out to save the war criminals. Besides, there are even alternative means like sharia and qiyas to try them, she said.

    The prime minister was addressing a meeting of the Awami League Central Working Committee at her Gono Bhaban residence.

    Hasina, also president of the ruling AL, said attacking police would bring no good for Jamaat-Shibir.

    Her comments follow a spate of attacks on the police by activists of Jamaat-e-Islami and its student body Islami Chhatra Shibir. The Islamist party has lately stepped up its demonstrations for a halt to the trials of its top brass on charges of war crimes.

    Contacted, noted jurist M Zahir said it would not be possible to try anyone under sharia [Islamic law] straight away. Those attacking the police could be tried under the traditional laws of the land.

    �If the trials have to be done under sharia, the Islamic law has to be passed by parliament,� Zahir told The Daily Star, adding that if any law was passed only to punish someone or some people, it would be considered a bad law.

    The prime minister in her speech also mentioned qiyas. According to Wikipedia, qiyas is the process of deductive analogy in which the teachings of the Hadith are compared and contrasted with those of the Quran, in order to apply a known injunction to a new circumstance and create a new injunction. Here the ruling of the Sunnah and the Quran may be used as a means to solve or provide a response to a new problem that may arise.

    At the ALCWC meet, Hasina said, in an indirect reference to the opposition, �They have plotted various conspiracies in their last-ditch effort to hinder the war crimes trials, and attacks on police across the country were parts of that plan.

    �So I call upon all, also the opposition leader, to refrain from trying to hinder the trials.�

    The prime minister observed the war crimes trial was the demand of the nation, especially the youths, and it must be held.

    Referring to the international crimes tribunals, she claimed that the tribunals were functioning transparently and there was hardly any instance in the world where so many opportunities had been given to the accused.

    She said the main opposition BNP enforced hartal on the day the verdict of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman killing case was announced. The verdict was delivered during the last Awami League-led government’s tenure, 1996-2001.

    �This time, I also want to say that these trials [war crimes trials] must also be held and none can prevent them,� she said.

    She said the nation was of warriors and they would never bow down to the defeated forces (Jamaat-Shibir).

    At the meeting yesterday, a coordination committee was formed for holding a grand alliance rally at Suhrawardy Udyan in the capital on December 16, Victory Day. Awami League leader Muhammad Nasim was made the convener of the committee.

    The Awami League chief also instructed party workers to prepare for the month-long celebrations in December.

    On the attack on minorities in Ramu of Cox’s Bazar on September 29-30, the prime minister said it had been staged to destroy the country’s communal harmony and people knew that very well.

    �This incident was unexpected�it was done in a planned way to create anarchy in the country. But fortunately, we managed to prevent it.�

    She criticised the opposition leader for visiting China and India before visiting Ramu, where she �only presented the victims with a speech of allegations against the government and nothing else�.

    The meeting yesterday also fixed December 29 for holding the party’s national council in Dhaka.

     
  • probirbidhan 15:54 on October 11, 2012 Permalink |
    Tags: Awami League, ,   

    Is war crimes trial against the anti-Awami League forces? 

    Bangladesh: the forgotten template of 20th century war

    This is a cross post from Open Democracy by Gita Sahgal published on Harry’s Place

    Cross-Post, October 10th 2012, 1:00 pm

    In 1971 the Jamaat e Islami supported the Pakistani army against the nationalist Awami League: now their leaders are being indicted by an international crimes tribunal and secularism is back on the agenda. It’s time to discuss the forgotten role of the fundamentalist militias in the war of liberation of Bangladesh.

    A recent article by Elliot Wilson in the Huffington Post asked whether British aid was being used to fund a crackdown on human rights in Bangladesh. The article did not discuss where the £250 million given by the British government is spent or whether that spending is effective.

    Is Britain’s Aid Funding a Political Crackdown in Bangladesh?

    Wilson argues that the Awami League government of Sheikh Hasina has undertaken ‘the most sustained assault on freedom of speech in the 41 years since independence’. A major reason for his claim is the arrest of Mir Quasem Ali, whom he describes as a leading member of the Islamist political party Jamaat-e-Islami, head of a major charity and a media magnate, arguing that he has been arrested solely for his public criticism of a Tribunal established to try crimes committed during the Bangladesh war of liberation in 1971. He argues that the International Crimes Tribunal (ICT) is completely politically motivated.

    As the extensive comments show – many Bangladeshis living at home and abroad – are concerned about the human rights situation in their country. But many don’t necessarily buy the main thrust of the argument. Although human rights advocates and independent observers agree that many of the tribunal processes are flawed, there are also extensive comments arguing against the proposition that the International Crimes Tribunal (ICT) was established solely as a sort of vanity project for Prime Minister Sheikh Hasina, to get rid of her political opposition.

    Indeed the strength of the debate within Bangladesh and in the diaspora, suggests that although governments frequently fail to meet their promise, civil society activists working in both development and human rights have gone some way to highlighting human rights violations, addressing impunity for mass crimes – without which there would be no international crimes tribunal – and most remarkably for creating a development success story.

    Human rights concerns in Bangladesh are far wider than the Wilson suggests. For instance, the government has been reluctant to accept new refugees fleeing violence in Burma. Unfortunately for Wilson’s argument that this is the worst attack on freedom of speech in Bangladesh’s history – the opposition is also implicated in targeted attacks on minorities when they came to power in a BNP and Jamaat e Islami coalition.

    Fear of their rise to power again has lead religious minorities to campaign hard for Bangladesh to return to its secular founding principles. At meetings in the East London tabernacle and at the House of Commons a number of organisations representing religious minorities such as Ahmadiyyas, and the Bangladesh Hindu Buddhist Christian Unity Council, described pogroms against them as soon as the BNP came to power in a previous election. Syed Anas Pasha, representing Bangladeshi journalists, described how journalists reporting on these attacks were themselves attacked.

    For those whose lives are threatened by fundamentalists, 1971 is not simply a bad memory but a current threat; one which has largely disappeared from public memory abroad.

    For those who do remember, even if they were children at the time, Bangladesh 1971 remains the template for many of the conflicts that define the late 20th century. It is a forgotten template, although many aspects of genocidal conflicts in former Yugoslavia, Rwanda during the 1990s, and on a smaller scale in Gujarat, India in 2002 were pre-figured in Bangladesh. These include widespread and systematic mass rape, and targeted killings of men and boys such as at Srebrenica in the context of attacks on groups based on their ethnicity, religion or both. Also crucial was the role of militias. The Bangladesh story tells us what happens when a military crackdown is supported by militias composed of religious fundamentalists with their own agenda.

    The Jamaat e Islami was already known as a violent political party of the far right in Pakistan, bent on attacking minorities and creating an Islamic state. Indeed, their founder Maulana Maududi, who had opposed the creation of Pakistan as a Muslim homeland, is regarded as the first modern theorist of an Islamic state. On March 25th 1971, the Pakistan army launched a huge military crackdown in Dhaka – including an assault on Dhaka University in which many staff and students were rounded up and killed. Hindu halls of residence were particularly targeted. The army had by then decided that they were not going to let Sheikh Mujibur Rahman take power. As the leader of the Awami League, which had won a decisive victory in the recent elections, he was entitled to become Prime Minister of Pakistan. But Bhutto, whose Pakistan Peoples Party was the largest party in west Pakistan did not want to stand aside. Although, the Jamaat e Islami had not fared well in the elections, its political leaders and cadres, supported the idea of Pakistan – and were prepared to fight to preserve both the East and West wings as a unified state. Working beside the Pakistani army in two different militias, al Badr and al Shams, members of the student wing of the Jamaat e Islami are alleged to have both supported the Pakistani army, and been involved in their ‘own scheme of killing’ – as journalist Enayetullah Khan told me during the 1990s –  long before there was any possibility of establishing a tribunal.

    The most notorious event that al Badr are said to have instigated, is known as the ‘killing of the intellectuals’. In the days before the surrender of the Pakistani army, dozens of professors, journalists, doctors and others were picked up, taken to torture centres, and killed.

    Wilson fails to mention that Mir Quasem Ali is under investigation by the tribunal, not for what he said about it, but for what he is alleged to have done during 1971. According to the Bangladesh press, the charges against the Jamaat leader include that he was the Chittagong unit commander of Al-Badr, described as ‘a vigilante outfit mobilised by Jamaat’s erstwhile student wing Islami Chhatra Sangha’, and was third in the outfit’s command structure. The investigation relates to atrocities alleged to have been committed by al Badr.

    It is not surprising that Wilson, who calls himself an investigative journalist, doesn’t mention any of this. A recent book on 1971 by Sarmila Bose, Dead Reckoning: memories of the 1971 Bangladesh War, which has been comprehensively rebutted by Naeem Mohaiemen, manages to claim to interview all sides, to give a balanced account of what happened. As I showed in my analysis of the book, the author failed to interview any members of the Jamaat e Islami, or address allegations of their role in the conflict.  The story has simply vanished from her work.

    David Bergman, himself a critic of the Tribunal, has investigated the Jamaat e Islami’s extensive lobbying efforts in the USA, and raised questions about whether the lobbying firm hired by Mir Quasem Ali in New York acted legally under the Foreign Agent Registration Act of 1938.

    This Act requires that any lobbying firm acting on behalf of a foreign political party must register itself with the Department of Justice. The firm in question has signed contracts with Mr Ali (whose contract was terminated) and his brother worth $310,000 to work on exactly the same issues – ‘the Bangladesh War Crimes Tribunal and political opposition matters.’ Later they were reported to have dropped the work on opposition matters.

    Given the extensive well funded lobbying effort by lawyers and lobbyists hired by the Jamaat e Islami or individuals connected to them, we might ask whether the Huffington Post article is part of this extensive lobbying effort, or driven by a genuine concern for fair trial and free speech. Both human rights and development efforts have been driven forward in Bangladesh by the efforts of  activists committed to secular values and gender equality. Without these efforts, the Awami League would not have made a commitment to hold trials in the first place, nor be able to show such a good record on development.

    In part two of this article Gita Sahgal will address the role of development in Bangladesh.

     
  • probirbidhan 20:40 on September 8, 2012 Permalink |
    Tags: Awami League, Comprehensive Trade Policy (CTP) of Bangladesh, , PPP   

    Govt agencies functioning in haphazard mood, says fin min 

    Finance Minister AMA Muhith on Saturday said there is a lack of coordination among various ministries and agencies of the government, hampering important activities.

    “I feel very unhappy…,” he said while addressing a consultative workshop on Comprehensive Trade Policy (CTP) of Bangladesh at a local hotel.

    Muhith said coordination is very much important in the formulation of such a medium-term trade policy having long-term targets where various parties are involved.

    Hasina criticises her own management style!

    Mentioning that investment and trade always go together, Muhith stressed the need for giving more attention to attracting FDI, Public-Private-Partnership (PPP) initiatives and on SMEs on the Comprehensive Trade Policy.

    He also highlighted the importance of manufacturing sector apart from agriculture and industry, ensuring environment measures and labour standards, services sector comprising construction, health and IT, product standardisation and manpower exports while formulating the CTP.

    The finance minister suggested fixing the trade volume target at 70 percent of GDP in the next five years and opposed fixing any sector as a thrust sector for an indefinite period instead of a three-year timeframe.

    On trade facilitation, Muhith came up with the opinion that Bangladesh should introduce a better system of trade financing adding, “In the present situation …trade financing is a central issue,”

    Commerce Minister GM Quader, president of the Federation of Bangladesh Chambers of Commerce & Industry (FBCCI) AK Azad and charge de Affaires, delegation of the EU to Bangladesh, Andrew Barnard, spoke at the workshop organised by the Ministry of Commerce with Commerce Secretary Ghulam Hussain in the chair.

     
  • probirbidhan 18:47 on September 6, 2012 Permalink |
    Tags: Awami League, , , finance   

    Hasina criticises her own management style! 

    The Daily Star September 6, 2012

    Prime Minister Sheikh Hasina yesterday in parliament said inefficiency in public administration and weakness and irregularities in financial management were the main factors behind the hamstrung governance.

    The government, she said, was now active in implementing the perspective plan 2010-2021 and a five-year plan after taking measures to reform different institutions to strengthen democracy, increase efficiency in public administration and prepare a strong strategy to curb corruption.

    Lack of social justice causes militancy, extremism: PM

    PM for fighting poverty jointly

    “Good governance and real democracy are required to properly implement development plans and establish a balanced society free from discrimination,” she told lawmakers during the prime minister’s question-answer session.

    In a lighter vein, Hasina said she has asked the power officials to employ load shedding for an hour each morning and evening so that people do not forget about blackouts. “This will help reduce their electricity bill.”

    The people are not careful about using electricity efficiently, added the premier.

    The leader of the House dwelt on her government’s success in generating power to meet the country’s growing demand.

    She blasted the past BNP and caretaker governments for what she said was their failure to generate a single megawatt of power.

    Hasina mentioned the measures taken by her government to achieve good governance and real democracy.

    The measures include protecting democracy by holding free, fair and competitive local polls through a strong and independent Election Commission, introduction of citizens’ charters in different ministries and departments to increase their accountability and enhancing the capacities of local government bodies.

    On the implementation of the five-year plan, she said, her government was also giving emphasis on strengthening the House, the EC and local government system, reforming the judicial system and utility service providers, curbing graft, improving e-governance and protecting human rights.

    The prime minister portrayed a rosy picture of the country’s present economic situation, improvements in the flow of remittance, law and order, employment, manpower export, women empowerment, poverty alleviation and development of human resources.

     
  • probirbidhan 21:10 on August 28, 2012 Permalink |
    Tags: Awami League, ,   

    How high is Grameen Bank interest rate? 

    Mo Chaudhury/ Financial Express August 28, 2012

    The Nobel-winning microcredit institution Grameen Bank (GB) and its founder Dr Muhammad Yunus have of late been the subject of controversial moves by the government of Bangladesh (GoB) intended to gain governmental control of the acclaimed institution that is free from any formal influence of Dr Yunus. During a recent BBC interview, Sheikh Hasina, the Prime Minister of Bangladesh, made the rather thinly clad allegation that GB under Dr Yunus had been charging its (poor) member/borrowers such high interest rates that the practice borders exploitation by GB. Some simple arguments below show that this particular allegation lacks merit.

    While GB provides several types of loans, we will consider here its bread and butter basic loan in a stylised manner. For a Bangladesh Taka (BDT) 1,000 (about 12.5 USD) basic loan, GB typically charges an annual interest of BDT 100. With 52 weekly equal installments of both the principal and the annual interest, each installment is BDT 21.15 in total (=19.23 principal + 1.92 interest). Consequently, the weekly financing cost in percentage annualised term starts at 10 per cent for the first week, but rises to very high levels toward the end. The exact calculation shows that the effective interest cost is 20 per cent per annum as intuition would suggest. Considering other loan features, the all-in effective interest cost could near the 27 per cent range. While some critics, including the Prime Minster of Bangladesh, have casually placed this cost to be even higher, exceeding 30 per cent or 40 per cent, the financial basis of such cost figures are not known that well.

    Supposing the effective cost is about 27 per cent, the critical question is whether such a cost is too high. There are several ways to look at this issue. First, let us compare GB loans to loans from the scheduled banks and other financial institutions of Bangladesh, and for this purpose, we abstract from other loan features as they are difficult to compare. Data from the country’s central bank (http://www.bangladesh-bank.org/fnansys/interestlending.php) indicates that, as of July 2012, the scheduled banks’ lending rate was around 15 per cent on term loans and working capital loans to small, medium and large-scale industries, around 16 per cent on housing loans, and about 17 per cent on consumer credit. The April-June, 2012 lending rates at other financial institutions were in the neighbourhood of 20 per cent for trading commerce, agricultural projects, loans to industry, and housing schemes (http://www.bangladesh-bank.org/econdata/openpdf.php?i=4).

    Granted that these lending rates represent a snap shot rather than historical averages, but they still provide useful benchmarks for GB loans. It seems that, the 20 per cent cost of GB loan is rather on the low side, considering that GB loans are not collateralised by any asset and the GB member/borrowers have very little equity, if at all. It is to be noted that the rate of interest on the outstanding amount of loans against credit cards, the closest to non-collateralised loans from the scheduled banks, is about 24 per cent, not too far from GB’s 27 per cent.

    Second, in the absence of GB loan and microcredit in general, the member/borrowers would have to seek formal credit from the scheduled banks and other financial institutions or informal credit from the local private money lenders. It is well recognised that a typical GB member/borrower has virtually no access to formal credit, an outcome similar to an exorbitantly high interest cost at which the loan will not be sought. It is also widely accepted that the cost of loans from local private money lenders is substantially higher than 27 per cent, aside from the personally abusive nature of such loans.

    Third, for solely income generating use of GB loan, the 27 per cent effective interest rate does not appear burdensome. To see this, pretend that the stated interest rate is 13.5 per cent and ignore other loan features, thus leading to an effective interest cost of 27 per cent. For every BDT 1,000 initial loan, the business income requirement is BDT 94.58 (=BDT 1,135/12) or 9.46 per cent gross return on asset (excluding own labor) per month to pay the weekly loan installments summed over a typical month. With such income, the borrower should in fact be left with the business assets she acquired using the initial BDT 1,000 loan even after paying an effective interest cost of 27 per cent. Any income in excess of BDT 94.58 per month would of course augment her capital accumulation and as such expedite the process of moving out of poverty.

    Now say the member/borrower simply decides to hold the BDT 1,000 loan in cash and then work as a domestic helper at the very low wage rate of BDT 500 per month to generate the required business income of BDT 94.58 per month. This means that if she works 5.68 days per month (=94.58/500 x 30), she would have a saving (and capital) of BDT 1,000 in cash after paying off the loan and bearing the effective interest cost of 27 per cent. Such a plan is quite feasible, especially working on a part-time basis, for the typical female GB member/borrower and does not appear financially burdensome at all. In this illustrative plan, the part-time work is truly the source of savings and capital accumulation since the loan money was not invested in any asset or business with income and/or capital gain potential. To the extent such investments are made with prudence, the member/borrower’s savings and capital accumulation would obviously be augmented.

    Now consider the case where the member/borrower simply spends the loan money for temporary consumption. In this case, she needs to work every month as a domestic helper just to meet the loan installments and would have little prospect of moving out of poverty. This is what the critics claim as the curse of GB loans or microcredit in general. GB, on the other hand, argues that it has managed to keep the incidence of such perils for the member/borrowers at a very low level, primarily due to its proven system of regular and frequent advisory and monitoring at the grassroots level.

    Lastly, given GB’s business model of grassroots surveillance and advisory, the administrative cost of GB is rather high and accounts for much of the 27 per cent effective interest cost paid by the borrowers. GB is left with profitability that is modest, or at least is not higher than that earned by regular banks and financial institutions. In 2010, the return on equity (RoE) was 17 per cent t0 21 per cent for regular banks (http://www.thefinancialexpress-bd.com/more.php? news_id=123291&date=2012-03-13) and 10.74 per cent for GB (http://www.grameen-info.org/index.php?option=com_content&task=view&id=632&Itemid=664). This lends support to the premise that the 27 per cent effective interest cost of GB loans is there not to maximise GB’s profitability, instead it is a necessity to keep the programme on a financially viable growth path that in turn should help an increasing number of member/borrowers to gradually move out of poverty.

    To conclude, the effective interest cost charged by GB does not seem burdensome for the member/borrowers or excessive in the sense of maximising GB profitability at the expense of the member/borrowers. It may, however, be worthwhile to explore ways to reduce the effective rate of interest further.

    Mo Chaudhury, PhD, is Professor of Practice in Finance at McGill University, Montreal, Canada. His 27-year experience includes teaching and research in finance at reputable universities in Canada and USA and financial risk management of two large financial institutions based in USA.

    mo.chaudhury@mcgill.camochaudhury@gmail.com

     
    • Soumik Paul 01:57 on October 1, 2012 Permalink | Log in to Reply

      Boss will u please mail me the system of calculation of the interest rate…. how its calculated? because in my calculation its all the same 10% in every week…. i was talking about this rate issue and when i myself calculated it i seemed really confusing. plz mail me the theory applied to calculate it…. don’t worry i am not a supporter of prof unus…. (paul.soumik.007@gmail.com)

    • probirbidhan 04:28 on October 1, 2012 Permalink | Log in to Reply

      Dear Soumik, it’s a pleasure for me to see your interest in this issue. The email address of the writer of this post is given at the end. Please do contact him. Thanks.

  • probirbidhan 22:04 on August 24, 2012 Permalink |
    Tags: Awami League, ,   

    Khaleda was behind August 21 grenade attack, says Awami League 

    The Daily Star/UNB, Dhaka

    Minister without portfolio Suranjit Sengupta on Friday said opposition leader Khaleda Zia must apologise to people admitting her mistake for what he said backing the August 21 grenade attack.

    4-party alliance involved in grenade attack: Hasina

    ‘Enemies’ still hatching plots to kill me

    AL involved in Aug 21 grenade attack: BNP

    A test for investigators

    Slow trial frustrates AL ranks

    BNP shifts stance

    Tarique promised attackers safe exit

    “I appreciate BNP Chairperson Khaleda Zia for recently admitting her mistake by backing former president Iajuddin Ahmed as the chief adviser to the caretaker government, and she should now admit her fault in patronising the August 21 grenade attack,” he told a discussion at the city’s Osmani Auditorium.

    According to media reports, Khaleda at a meeting of the BNP standing committee on August 2 “admitted her mistake of backing Iajuddin as the chief adviser to the caretaker government”.

    “Backing Iajuddin was not the only mistake the BNP chairperson made,” Suranjit said adding, “She should admit and apologise to people for all her mistakes, including backing the August 21 grenade attack and delaying the war crimes trial.”

    “It’s natural to make mistakes in politics, but there’s also scope for corrections in politics. It’s better to admit the mistakes,” he said.

    “If she doesn’t admit the fault and prefers the culture of violence, bloodshed and obstructing constitutional course, she’ll lose her position in democratic politics,” he added.

    Speaking at the discussion, organised by Bangabandhu Sangskritik Jote marking the 8th death anniversary of AL leader Ivy Rahman, State Minister of Law Quamrul Islam accused the then BNP government of destroying a lot of evidence of the grenade attack case.

    Ivy, the then Women Affairs secretary of the AL, along with others was injured in a grenade attack on an AL rally at Bangabandhu Avenue in the city on August 21, 2004. She later died at the Combined Military Hospital on August 24.

    “But, I think, the trial on the grenade attack will be completed under this government,” he said.

    The trial proceedings are progressing fairly well as 62 witnesses have already testified in the court, Quamrul added.

    “Not only the trial of the grenade attack, but also the trial of war criminals and 10-truck arms haul case will be completed before the end of our tenure,” he said.

     

    প্রথম আলোঃ

    সম্পৃক্ততা না থাকার কারণেই বিএনপি তাদের আন্দোলন থেকে সরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। বাসস।

    আজ সকালে আইভি রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাঁর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের হানিফ এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, জনমত সৃষ্টির জন্য সাম্প্রতিক সময়ে তাঁরা (বিএনপি) যে চেষ্টা চালাচ্ছেন, বক্তৃতা দিচ্ছেন, তাতেই প্রমাণিত হয় দেশের সাধারণ জনগণ তাঁদের আন্দোলনের সঙ্গে নেই।

    এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, যাঁরা হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন, তাঁরা মিথ্যাচার ছাড়া আর কী করবেন। ওই সময়ের (২০০৪ সাল) ডিজিএফআইপ্রধানের জবানবন্দি প্রদানের মধ্য দিয়ে এটা পরিষ্কার হয়েছে, ওই হামলায় খালেদা জিয়া জড়িত ছিলেন। তিনি বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তাঁর ছেলে তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ সর্বোচ্চ মহল জড়িত ছিল। তাঁরাই এই গ্রেনেড হামলার নীলনকশা প্রণয়ন করেছিলেন। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্ত চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগর এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

     
  • probirbidhan 20:11 on August 23, 2012 Permalink |
    Tags: Awami League, Dhaka University, Rashed Khan Menon   

    No recommendation by the JS committee executed to try the August 2007 DU incident 

    Dhaka, Aug 23 (bdnews24.com)

    Rashed Khan Menon, the MP who led the parliamentary sub-committee to probe incidents of army repression against the teachers and students of Dhaka University during the last caretaker government, has expressed anguish over their recommendations remaining unimplemented.

    No single recommendation implemented 

    The chief of the Workers Party of Bangladesh – a constituent of the ruling alliance led by the Awami League – said the report, submitted about a year ago, was never discussed in Parliament, despite promises by the Speaker.

    DU to observe Black Day Aug 28 this year

    “I am ashamed, (the) recommendations we had made to prevent recurrence of such incident in future remained unimplemented due to lack of steps by Parliament,” Menon said at a rally organised by the ‘Dhaka University Students-Teachers’ at the ‘Aporajeyo Bangla’ – a sculpture on the DU campus – on Thursday.

    The annual ‘Black Day’ protest rally is being organised ever since the students and teachers of the university were beaten up by the security forces in August 2007.

    On Aug 20, 2007, some army persons had altercation with some Dhaka University students at the university’s play ground during a football game over a trifle matter. The army men then beat up the students.

    As the news spread, the students took to the streets and assaulted some senior army officers. The angry students burnt one army vehicle on the campus. Violence erupted across the country in protest.

    Troops arrested many university teachers in Dhaka and Rajshahi on charges of instigating the violence against the army. The emergency government imposed curfew across the country and troops assaulted hundreds of innocent people including students and journalists.

    The incident caused nationwide student unrest ultimately forcing the then military-backed caretaker government to relent and release the arrested teachers and students, and withdrew army camps from the university campus.

    A four-member parliamentary sub-committee was constituted after the Awami League-led grand alliance assumed power in 2009 to probe the incident.

    The committee found the then Chief Advisor to the caretaker government Fakhruddin Ahmed and Army chief Moeen U Ahmed responsible for the incident.

    The 383-page probe report submitted on Feb 6 this year recommended 13 steps to prevent such incidents from recurring. They included trying the then DGFI chief Maj Gen ATM Amin, Brig Gen Fazlul Bari, Col Shamsul Alam and others.

    “It won’t mean anything if the incidents are kept only in the pages of memory, those who involved must be punished,” Menon said.

    Prof Anwar Hossain, one of the four teachers arrested at the time and now Vice-chancellor of Jahangirnagar University, cautioned the army officers against carrying out such “wrong” acts in future.

    The then President of Bangladesh Chhatra Union, Manabendra Dev said the Dhaka University students would protest every time such incidents happened.

    Prof Sadrul Amin, Prof Muntasir Mamun, Prof Mejbah Kamal, Prof Gitiara Nasrin and Prof Kaberi Gayen also attended the protest rally, which was presided over by Prof Mohammad Samad.

    Various student organisations took out processions on the university campus to mark the day.

     
  • probirbidhan 06:34 on August 15, 2012 Permalink |
    Tags: Awami League, Congress, ilitary, , , martial law   

    Ershad meets Manmohan, discusses Tipaimukh 

    Former Bangladesh president and Jatiya Party Chairman HM Ershad meets Indian Prime Minister Manmohan Singh in New Delhi yesterday. Photo: PIB, India

    Indian Prime Minister Manmohan Singh yesterday reiterated his government’s commitment to signing of the much-cherished Teesta Water Sharing Treaty with Bangladesh and pledged that India would not do anything regarding the Tipaimukh Dam, which could harm its neighbour.

    He also said enclaves would be handed over to Bangladesh after ratifying the land boundary treaty to this end in the next session of parliament, reports our correspondent from New Delhi.

    Manmohan gave these assurances when Jatiya Party Chairman HM Ershad called on him at his official residence at Race Course Road in central Delhi.

    Emerging from nearly half-an-hour meeting, Ershad, a key leader in the ruling Awami League-led grand alliance government, told reporters that he had brought up the issues of proposed Teesta river water-sharing agreement, the Tipaimukh dam project and the implementation of land boundary agreement at the meeting.

    The Indian premier assured him that the Teesta accord would be signed and efforts were on to reach a consensus on this with West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee, who had been opposing it, the JP chairman said.

    As Manmohan informed the JP leader that Bangladesh would be getting more than 50 percent of Teesta water according to the information he had, Ershad said it was not important whether his country would get 50 percent or less, but it was important to have a permanent solution through the signing of the treaty, JP presidium member Ziauddin Ahmed Bablu told The Daily Star last night after talking to Ershad.

    About Tipaimukh Dam project, the Indian prime minister told Ershad that it was a hydropower project in which Bangladesh could also invest and benefit and that India would do nothing which would harm Bangladesh’s interests, he added.

    Ershad said he had also raised the issue of interlinking of rivers in India, to which Manmohan said the project would not affect international rivers but involve only rivers within the country.

    With regard to the land boundary agreement signed during Manmohan’s visit to Dhaka in September last year, Ershad said the Indian premier had pointed out to him that its ratification in Indian parliament required constitutional amendment by two-thirds majority, which his government lacked at present.

    However, efforts were on for a consensus on the agreement, Ershad quoted Manmohan as saying.

    At the meeting, other issues, including political situation and the next general elections of Bangladesh, also came up for discussion.

    Ershad, who arrived in Delhi on Monday on an invitation, however, declined to elaborate.

    In response to a question, an official spokesperson of the Ministry of External Affairs, Syed Akbaruddin, said, “General Ershad’s visit is part of our ongoing engagement with a democratic and multi-party politics in Bangladesh.”

    The prime minister conveyed the high priority that the government and people of India attach to developing the friendliest of relations with Bangladesh, which is an important neighbour of India.

    General Ershad will also visit Ajmer Sharif on August 15 and 16, 2012. He is scheduled to call on President Pranab Mukherjee on Friday.

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel