Tagged: Bangladesh Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 17:53 on August 4, 2015 Permalink |
    Tags: acid violence, Bangladesh, fatwa, , , , sexual violence, suicide   

    জুলাই মাসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৫ জন! 

    বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের দেওয়া তথ্য মতে, জুলাই মাসে মোট ৩৬৮ জন নারী বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ৮৩টি। গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৫ জন। আর ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৯ জনকে। এ ছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ১৯ জনকে। শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন ১০ জন। যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন একজন।

    আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সংস্থাটির লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংর‌ক্ষিত ১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

    মহিলা পরিষদ বলছে, ওই মাসে ৬২ নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪১ জন নারী। এদের মধ্যে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে ১৯ জনকে। অ্যাসিড দগ্ধ হয়েছেন ৪ জন। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৬টি। নারী ও শিশু পাচার হয়েছে ৪ জন। এর মধ্যে যৌনপল্লিতে বিক্রি করা হয়েছে ২ জনকে। গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪ জন। এর মধ্যে হত্যা করা হয়েছে দুজনকে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই সময়ের মধ্যে উত্ত্যক্ত করা হয়েছে ২৪ জনকে। এর মধ্যে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন একজন। ফতোয়ার শিকার হয়েছেন ৭ জন। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ২৬ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন এবং নয়জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাল্য বিয়ের শিকার হয়েছে ৩ জন। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দুজন। শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে ৩০ জনকে।

    Advertisements
     
  • probirbidhan 19:09 on August 1, 2015 Permalink |
    Tags: Bangladesh, Islamisation, , radical Muslims,   

    Blogger killing probe draws flak from activists 

    Four secular Bangladeshi writers have been killed since November of 2014: Rajshahi University professor AKM Shafiul Islam, and writers Avijit Roy, Oyasiqur Rahman Babu and Ananta Bijoy Das.

    At least a dozen more have been killed and scores of others attacked or threatened with death for their progressive and secular views, since massive protests erupted in 2013 calling for Islamist parties to be banned. The protesters also demanded that war criminals including some Islamist politicians be hanged for war crimes committed in 1971. A war crimes court handed down a series of death sentences to a number of people including a few Islamist leaders later that year.

    All of the murdered bloggers or activists had one thing in common: they openly opposed Bangladesh’s increasingly unpopular largest Islamist party Jamaat-e-Islami, and similar communal Islamist organisations, who have been fighting a losing battle for a more conservative, religion-based legal regime in the country since 1971 when the country first won independence from Pakistan. In 2013, Bangladesh’s Supreme Court declared the Jamaat illegal, blocking it from contesting in the country’s elections.

    Law enforcement and the judiciary have failed to adequately investigate the recent killings, some of which have happened with apparent blessings from international militant groups like al-Qaeda.

    Bangladesh is a non-religious parliamentary democracy, which means there is no Sharia or blasphemy law. People who identify as atheists have the same rights as other citizens. However, under Section 295A of Bangladesh’s Penal Code (1860), any person who has a “deliberate” or “malicious” intention of “hurting religious sentiments” is liable to imprisonment. While Bangladesh’s constitution has recognised and protected the right to secularism since 2011, it also allows religion-based politics and identifies Islam as its state religion. Government inaction and police ineffectiveness have also given Islamist groups a certain amount of impunity.

    Several militant leaders and field-level workers were arrested in a crackdown recently, including an alleged leader of Al-Qaeda’s branch in the region. Al-Qaeda in South Asia has claimed responsibility for the murder of several secular bloggers in Bangladesh this year, including Mukto-Mona blog (free-thinker) founder Avijit Roy.

    Law enforcers have also identified new militant organizations that are campaigning against progressive cultural norms to justify the need for Islamic revolution in this state. But the cases of the bloggers and professor mentioned above have scarcely seen progress. Police last week claimed to have identified seven suspected killers of Avijit, saying that their photos had been verified by the wife of the slain blogger, but Mukto-Mona blog refuted the claim on Thursday.

    Global Voices contacted several secular bloggers and online activists to know their views regarding the recent killings, investigation process and possible future plan of the militant groups operating in the country. We received responses from four individuals. Several others refrained from making any comment out of fear of reprisal.

    Read the interviews on Global Voices

     
  • probirbidhan 20:29 on June 3, 2015 Permalink |
    Tags: Bangladesh, Prova sex scandal, , sex before marriage,   

    শাস্তি দিতে হয়, সেইটা প্রভার খোদা দিবেন; আপনাদের এত ক্ষমতা কে দিলো? 

    By Nadia Islam

    প্রভা একটা নাম, বাংলাদেশে যার বাসায় ইন্টারনেট নাই, যিনি নাটক দেখেন না, যার টিভি নাই, যিনি সারাদিন আল্লাহ-বিল্লাহ করেন, যিনি সারাদিন রিক্সা চালান, যিনি আর্ট ফিল্ম ছাড়া বাজে ছবি দেখেন না, যিনি পত্রিকা পড়েন না, যিনি পর্ণ দেখেন না বলে দাবী করেন- তিনিও প্রভাকে এক নামে চিনেন।

    পর্নস্টার প্রভা। মাল প্রভা। মাগী প্রভা। নষ্টা প্রভা। রাজিব-প্রভা। অপূর্ব-প্রভা। সবাই এক নামেই উনারে চিনেন। যেই মেয়ে পর্ন উচ্চারণ করতে পারেন না লজ্জায়, সেই মেয়েও প্রভাকে চিনেন। সেই মেয়েও বয়ফ্রেন্ডের বাসায় প্রভার সেই ভিডিও দেখছেন। সেই মেয়ে এবং তার বয়ফ্রেন্ডও পর্ন দেখা শেষ করে একসাথে বিছানায় শুয়ে প্রভাকে বেশ্যা বইলা গালি দিচ্ছেন।

    বাংলাদেশের সমাজে প্রেম করা খুব খারাপ জিনিস। এক ভিডিওতে দেখছিলাম বগুড়ায় পুলিশ আছে প্রেমিক-প্রেমিকা ধরার জন্য। এই অদ্ভূত সমাজে একটা ছেলে তার বান্ধবীর হাত ধইরা হাঁটতে পারবেন না। প্রকাশ্যে ধর্ষণ কোনো সমস্যা নাই, চুরি, ডাকাতি, টেন্ডারবাজি, রাস্তায় পেশাব করলে সমস্যা নাই, প্রকাশ্যে চুমু খাইলে আপনার জাত, আপনার চৌদ্দগুষ্টির মান-সম্মান সব যাবে। ক্যানো, প্রেমে সমস্যা কই? যারা বলেন, ‘বিয়ের আগে প্রেম? সেইটা তো পাশ্চাত্যের ধ্যাণ-ধারণা; আমাদের না’- তাদের জিগাই, আমাদের ধ্যাণ-ধারণা কিসে ভাইজান? সমস্ত প্রকৃতি-বিরূদ্ধ চিন্তা এবং কাজ আমাদের ট্র্যাডিশান? দুনিয়া আগায় যাক, আমাদের সমস্যা নাই, আমরা লজ্জাবণতঃ হইয়া, প্রেম না কইরা, মাস্টারবেশান না কইরা, অযৌন জীবন যাপন কইরা, পিরিয়ড নিয়া কথা না বইলা, বাচ্চা জন্ম-প্রক্রিয়া লুকাইয়া রাইখা, সেক্স এডুকেশান ছাড়াই একদিন বড় হইয়া- একদিন বিয়া কইরা বাচ্চা পয়দা কইরা একদিন সুখে শান্তিতে ঘর করতে থাকবো?

    আপনি বাচ্চার বাপ মা, মানলাম। বাচ্চা রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব আপনার, তাও মানলাম। কিন্তু আপনি বাচ্চার বাপ মা হইয়া যতই বাচ্চারে গিট্টু দিয়া রাখতে চান, বাচ্চা কিন্তু একদিন বড় হবেনই। সেই বাচ্চা আরেক বাচ্চার সাথে একদিন শুইতেও চাইবেন। সেই দুই বাচ্চা মিলা আরেক বাচ্চাও উনারা একদিন পয়দা করবেন। আপনারা বাপ-মা’রা যেইটা বুঝতে চান না, তা হইলো, যৌন চাহিদা মানুষের স্বাভাবিক জৈবিক চাহিদা। আপনারা বুঝেন না বইলাই ঢাকার বেশিরভাগ ছেলেমেয়েরা, আপনাদের এবং ধর্ম এবং সমাজরে গোপন কইরা বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক করেন। তা উনারা যেইখানে এ্যাডাল্ট, সেইখানে উনাদের প্রেম করতে না দেওয়া বা বন্ধু বান্ধবীর লগে শুইতে না দেওয়া তো ক্ষুধার্তরে ভাত না খাইতে দেওয়ার মতই পানিশমেন্ট, নাকি? আপনি সমাজের নাম কইরা, ধর্মের নাম কইরা, ট্র্যাডিশানের নাম কইরা সুযোগ না দিতে চাইলে কি হবে, উনারা নিজেরাই নিজেদের সুযোগ কইরা নিবেন। এবং নিচ্ছেনও। এইটাই স্বাভাবিক। একদিন আপনারে পেটখারাপ অবস্থায় সারাদিন হাগা-মুতা না করতে দিয়া বসায়ে রাখলে আপনিও টের পাবেন জৈবিক চাহিদা কি জিনিস। কত প্রকার এবং কিকি। উদাহরণসহ।

    তো বিয়ার আগে প্রভা রাজিবের সাথে শুইছেন। তাতে কোন মহাভারত অশুদ্ধ হইছে? বিয়ার আগে আমিও আমার এক্স বয়ফ্রেন্ডের সাথে শুইছি, আমার ফ্রেন্ডলিস্টে যত ছেলে মেয়ে আছেন, তার নাইনটি পারসেন্টই শুইছেন। যারা শোন নাই, তারা বয়ফ্রেন্ডরে চুমা দিছেন, মেইক আউট করছেন, ঢাকা-কুমিল্লা যাওয়ার পথে বাসে ওড়নার তলায় গার্লফ্রেন্ডের বুকে হাত দিছেন। সমাজ তাতে ধ্বংস হইয়া গেছে? ধর্মের জুজুর ভয় দেখাইতে আল্লাহর লানত নাইমা আসছে তাতে? এইসব ছেলেমেয়েরা পড়ালেখা না কইরা নষ্ট হইয়া গেছেন? ড্রাগ এডিক্ট হইয়া গেছেন? জারজ সন্তানে মেডিক্যাল কলেজের আঙ্গিনা ভইরা উঠছে?

    আমি এখন বিবাহিত। আমার স্বামীর সাথে আজকেই আমার পাঁচ বছরের ওয়েডিং এনিভার্সারি। বিয়ের আগে আমি আরেকজনের সাথে শুইছি বইলা আমার কি আমার স্বামীর সাথে সম্পর্ক ভাইঙ্গা গেছে? আমাদের ঘরের সব শান্তি কি নীল আসমানে উড়াল দিছে? আল্লাহ (যদি থাকেন) উনি আমারে মরলে পরে কী শাস্তি দিবেন, সেইটা আল্লাহ এবং আমার ব্যাপার। আপনার তো তাতে মাথা ব্যথা থাকার কথা না, তাই না? প্রভারেও যদি শাস্তি দিতে হয়, সেইটা প্রভার খোদা দিবেন। আপনাদের এত ক্ষমতা কে দিলো? আপনারা নিজেরা কোন ধোয়া তুলশী পাতা?

    প্রভার সাহসরে আমি রেস্পেক্ট করি। প্রভার জায়গায় নিজেরে চিন্তা করি। যেই বয়ফ্রেন্ড আমাদের একান্ত ব্যক্তিগত সময়গুলা বাইরে বেইচা দেওয়ার সাহস এবং ধৃষ্টতা এবং কুরুচি রাখতে পারেন, তার মুখের সামনে কোমড় সোজা হইয়া দাঁড়ায়ে আবার নিজের কাজে ফেরৎ যাওয়া সাহসের বিষয় বটে। প্রভার জায়গায় আপনি হইলে হয়তো আত্মহত্যা করতেন। নিজের ন্যাংটো শরীর সারা বাংলাদেশ দেখছে জানলে বোরখা পিন্দা ঘরে গিট্টু দিয়া বইসা থাকতেন। নিজেরে দ্বীপান্তর করতেন আন্দামান কি হনলুলু। প্রভা তা করেন নাই। তিনি এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বেশ্যা সাইজা- সেক্সুয়ালি ফ্রাস্টেটেড পুরুষ সাংবাদিকরা উনার নামে আবার কী নতুন রসালো কেচ্ছা লিখবেন সেই ভয়ে ধুকধুক করতে করতে নতুন সংসার করেন। অন্য কোনো সমাজে অন্য কোনো দেশে যেইখানে রাজিবরে কোর্টে দাঁড়াইতে হইতো, জরিমানা গুনতে হইতো নিজের পকেট থিকা, সেইখানে প্রভার চোখের সামনে রাজিব চইড়া খান। প্রভার কপাল খারাপ, উনার জন্ম হইছিলো বাংলাদেশ নামক এক উলটা রাজার দেশে। প্রভার কপাল খারাপ, উনি যেই সমাজে জন্মাইছেন, সেই সমাজ ভালোরে ভালো, খারাপরে খারাপ বলতে শিখেন নাই। উনি সেই সমাজে জন্মাইছেন, যেইখানে ধর্ষণের দায় ধর্ষিতার কাপড়রে দেওয়া হয়। উনি সেই সমাজে জন্মাইছেন, যেইখানে একজন সৎ সাংবাদিক নাই, সৎ নেতা নাই, সিনেমার সৎ পরিচালক নাই, সৎ রাজনীতিবিদ নাই, সৎ নাট্যকর্মী নাই, একজন সৎ মানুষ নাই, যিনি কোমড় সোজা কইরা প্রভার পাশে দাঁড়াইয়া বলবেন, প্রভা তো ভাই একলা চু* নাই। প্রভা যদি বয়ফ্রেন্ডের সাথে শুইয়া বেশ্যা হন, তাইলে রাজিব প্রভার সাথে শুইয়া কোন নবী হইছেন? প্রভা সেই সমাজে জন্মাইছেন, যেইখানে উনার মেয়ে বন্ধুরাও উনার পাশ থিকা সইরা গিয়া গোপনে দীর্ঘশ্বাস ফেইলা হাসিমুখে কইবেন, আল্লাহ বাঁচাইছে, আমার বয়ফ্রেন্ড রাজিব না, ভাই! আমার বয়ফ্রেন্ড কিন্তু এত্তগুলা ভালো, ইশ! (নাইলে কত কী যে কেলেংকারি হইতো, হায়!) প্রভা সেই যৌনহতাশাগ্রস্থ সমাজে জন্মাইছেন, যেই সমাজের লোক এই স্ট্যাটাস পইড়াও যৌনসুখ পাবেন, ফেইসবুকে ধর্ম এবং সমাজ নিয়া বড় বড় বাণী দিয়া, ফেইসবুক বন্ধ কইরা- ইন্টারনেটে প্রভার বুক দেইখা হাত মারবেন। প্রভা কপাল খারাপ নিয়া জন্মাইছেন। প্রেম করলেন সবাই, নাম হইলো উনার একলার, হাহা।

    ভাইজানেরা, বড় হন, বড় হইতে শিখেন। যৌনতা খারাপ এবং গোপন জিনিস না। ‘তোর ছবি বাজারে ছাইড়া দিবো’ টাইপ ভয় মেয়েদের আর কত দেখাবেন? যেই মেয়ে আপনার সাথে আর প্রেম করতে চান না, উনারে জোর কইরা ক্যানো আপনার সাথেই প্রেম করতে হবে? উনার মন কী সারাজীবন আপনার কাছেই বেঁচা? আর, আপারা, আপনারা যারা অতীতে বহুত কর্মকান্ড কইরা ইদানিং খুব ভদ্র হইছেন, শ্বাশুড়িরে শব-ই-বরাতে চালের রুটি বেইলা দিতেছেন, তারা মনে রাইখেন, পাশার ছক উল্টাইতে বেশিদিন লাগে না। আপনার আজকের আপাত-নিরীহ স্বামী কালকে যে আপনার ছবিই বাজারে বেঁচবেন না, তার নিশ্চয়তা কিন্তু নাই, হাহা! সুতরাং, অন্যায় আইডেন্টিফাই করতে শিখেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন। ছেলেরা খারাপ বলতেছে, সমাজ খারাপ বলতেছে, ধর্ম খারাপ বলতেছে কী কী জিনিসরে একটু তলায়ে দেখেন যদি বুদ্ধি থাকে! সমাজের শিখায়ে দেওয়া বুলি তোতা পাখির মত আউড়ায়েন না।

    নারী আন্দোলন, নারী স্বাধীনতা, নারী নির্যাতন নিয়া আপনারা যারা এনজিও খুলছেন, বক্তৃতা দিচ্ছেন ইয়োরোপ আমেরিকা, তারা সাদিয়া জাহান প্রভারে দেইখা শিখেন, নারী আন্দোলন কোন জিনিস। প্রতিদিন মানসিক নির্যাতন সহ্য কইরা প্রভা যেই আন্দোলন কইরা এখনো দাঁড়ায় আছেন সোজা হইয়া, সেইজন্য প্রভারে অভিনন্দন! Sadiya Jahan Prova আপনার প্রতি ভালোবাসা!

    Prova wrote:

    Ki bolbo ba likhbo jani na………..atota valo lagar kanna kadale………Apu beche thakar ichchata aro bariye dilA Nadia Islam

    Ami bachte chai plz
    Ami kharap na ami sl*t na ami p***s na ami valobeshe biswash korechi bokAmi korechi
    Kintu seta onnai na
    plz amake kharap mea bolar age aktu amake Niye vebe dekho plz

     
  • probirbidhan 19:33 on May 28, 2015 Permalink |
    Tags: গণধর্ষণ, ধর্ষণ, Bangladesh, , , ,   

    ‘আজ যেহেতু আপনি চুপ করে আছেন সেহেতু কাল নিজের বোনের ধর্ষনের খবর পাবার জন্য তৈরী থাকুন’ 

    আমি আমার বোনের সাথে কখনো বাইরে যেতে চাইতামনা। চলতি পথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষ নামের জন্তুগুলো যেরকম বাজে ভাবে তাকিয়ে থাকতো আর নোংরা নোংরা সাইড কমেন্ট করতো তাতে করে আমার পিত্তি জ্বলে যেত। মনে হত ধরে নিয়ে থাপ্পর দিয়ে ভদ্রতাবোধটা শিখিয়ে দেই।

    একবার আপুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কেউ বাজে ভাবে তাকালে বা বাজে কমেন্ট করলে আমার খুব রাগ লাগে, মন খারাপ হয়ে যায়। তোর কি খারাপ লাগেনা? আপু বলেছিল, ‘আমার সেরেফ মরে যেতে ইচ্ছে করে!’

    একটা মেয়ে সারাদিনে ঠিক কতবার শারীরিক বা মানষিকভাবে হেনস্থার শিকার হয় তা কেবল ঐ মেয়েটাই জানে। আমরা পুরুষরাতো নোংরা কথা বলেই খালাস। কিন্তু কতক্ষনই বা সহ্য করা যায়? কয়টা নোংরা কথাই বা সহ্য করা যায়? যদি উল্টোটা ঘটতো? যদি একটা ছেলে সারাদিনে একটা মেয়ের মত নোংরা কথার সম্মুখীন হত? কী হত তাহলে? আমি হলফ করে বলতে পারি একটা মেয়ে সারাদিনে যতবার যত পুরুষ দ্বারা শারীরিক ও মানষিকভাবে হেনস্তার শিকার হয় তার একশোভাগের দশ ভাগও যদি কোন পুরুষকে ভোগ করতে হত তাহলে তুলকালাম বেধে যেত।

    আমাদের সমাজে একটা বিষয় খুব ভাল সয়ে গেছে। আমার কাছে আমার বোন মানে আমার বোন আর তোর বোন মানে একটা মাল। আর তোর কাছে তোর বোন মানে তোর বোন আর আমার বোনটা একটা মাল। আপনি ফ্রয়েড পড়ে নাক সিঁটকালেও পারলে ফ্রয়েডের তত্ত্বকেই সত্যি করবেন অবিরাম।

    যন্ত্র সভ্যতা অনেক এগিয়েছে ঠিকই কিন্তু জন্তুর সভ্যতা বাড়েনি এক চুলও। এমনকি আমাদের শিক্ষিত সমাজের মানষিকতাও রয়ে গেছে জন্তু পর্যায়ে। একটা মেয়ে ধর্ষিত হলে আমাদের পত্রিকার শিরোনাম হয়

    ‘রাজধানীতে ষোড়শী ধর্ষিত’

    ‘মিরপুরে যুবতীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষন’

    ‘দশজন মিলে গণধর্ষণ করল অষ্টাদশী নারীকে’

    ‘তরুণীকে দল বেঁধে ধর্ষণ’

    আর সংবাদের ভিতরে থাকে ধর্ষণের রগরগে বর্ননা। আমাদের মানষিকতা বিকৃত হতে হতে ঠিক কোন পর্যায়ে চলে গেছে তা আমরা জানিনা। আমার এক কলিগের সাথে কথা হচ্ছিল। আমি জানতে চাইলাম ধর্ষনের মামলা পুলিশ নিতে চায়না কেন? কলিগ বলল, ধর্ষনের মামলায় টাকা খাবার সুযোগ কম, ঝামেলা বেশি। সে কারনে পুলিশও এড়ায় যায়।

    গত বৃহস্পতিবার রাতে একজন নারীকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে পাঁচজন যুবক মিলে ধর্ষণ করেছে। ধর্ষিতা মেয়েটির বোন পাশের থানায় মামলা করতে গেলে তারা জানায় এটি তাদের এলাকার অন্তর্ভক্ত নয়। সেখান থেকে আবার তাদেরকে পাঠানো আরেকটি থানায়। এভাবে এক থানা থেকে আরেক থানা করতে করতে পরদিন শুক্রবার দুপুরে মামলা নথিভুক্ত করা হয়। কি অদ্ভূত!

    ধর্ষিতা মেয়েটি গারো। পত্রিকাগুলো তাদের শিরোনামে মেয়েটির এই পরিচয়টি দিতে কার্পণ্য করেনি। যাতে করে আপনি মেয়েটিকে ধর্ষণের দৃশ্য কল্পনা করার সময় একটি গারো মেয়ের মুখাবয়ব মনে করে পূর্ণ আনন্দ নিতে পারেন। আরেকটি বিষয় হতে পারে, মেয়েটি যেহেতু গারো সেহেতু আপনার মাথা ব্যাথার কোন কারন নেই, সে আপনার সম্প্রদায়ের বা আপনার ধর্মের কেউনা। তাই আপনার প্রতিবাদ করতে হবেনা, আপনি ঘরে বসে মুড়ি খান।

    কিন্তু জেনে রাখেন এভাবে আপনি যতদিন নিজের বোনকে সম্মান করে আগলে রাখবেন আর অন্যের বোনকে মাল ডাকবেন ততদিন আপনি জন্তু সভ্যতা থেকে বের হতে পারবেননা। আর একটি গারো মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে বলে আজ যেহেতু আপনি চুপ করে আছেন সেহেতু কাল আপনার নিজের বোনের ধর্ষনের খবর পাবার জন্য তৈরী থাকুন। জানেনতো, আপনার বোনটাও কারো না কারো চোখে মাল।

     
  • probirbidhan 17:09 on May 28, 2015 Permalink |
    Tags: Bangladesh, coastal areas, , Rohingya criminals,   

    Documented Rohingyas in Cox’s Bazar to be shifted to Hatia Island 

    কক্সবাজারের দুটি ক্যাম্পে অবস্থানকারী মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দক্ষিণাঞ্চলের হাতিয়া দ্বীপে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে সরকার।

    সরকারের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ সরকারের মিয়ানমার শরণার্থী বিষয়ক সেলের প্রধান অতিরিক্ত সচিব অমিত কুমার বাউল এএফপিকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের হাতিয়া দ্বীপে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে।

    তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্প অবশ্যই অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু অনানুষ্ঠানিক পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।

    তবে বাংলাদেশ সরকারকে এ পরিকল্পনা বাতিল করার অনুরোধ জানিয়েছেন মোহাম্মদ ইসলাম নামে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এক নেতা।

    বাংলাদেশ সরকারের এমন পদক্ষেপে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবন আরো দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারেএমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি এএফপিকে বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে আমাদের চাওয়াএখান থেকেই সমস্যার সমাধান হোক।

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে দুটি শরণার্থী ক্যাম্পে ৩২ হাজার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন, যারা নিজ দেশ মিয়ানমারে সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধদের দ্বারা বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হয়ে বিভিন্ন সময়ে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছেন।

    অমিত কুমার বাউল জানান, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে। সেখানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর কারণে পর্যটন শিল্পের ক্ষতি হচ্ছে। ক্যাম্পগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর সেখানে হোটেল ও রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘সরকার পর্যটন খাতের উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই রোহিঙ্গা ক্যাম্প দুটিকে দূরের কোনো এলাকায় স্থানান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প দুটিকে হাতিয়া দ্বীপে স্থানান্তরের বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা না হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। হাতিয়া দ্বীপের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বদরে ফেরদৌস জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প স্থানান্তরের জন্য হাতিয়া দ্বীপে ৫০০ একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে।

    এদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প স্থানান্তরে বাংলাদেশ সরকারের এ পরিকল্পনার আওতায় নেই অনিবন্ধিত প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক, যাদের বেশির ভাগেরই বসবাস রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর আশেপাশে। অনিবন্ধিত এই রোহিঙ্গা নাগরিকরা খাদ্য বা অন্য কোনো ধরনের সহায়তাও পান না।

    মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবিবাংলাদেশ থাকা অবৈধ রোহিঙ্গা অভিবাসীরা দুর্বিষহ অবস্থার মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন। তবে ১৯৯১ সাল থেকে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সহায়তা দিয়ে আসা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা রোহিঙ্গা ক্যাম্প স্থানান্তরে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

    Bangladesh plans to relocate thousands of Rohingya who have spent years in refugee camps near the Myanmar border to a southern island, an official said Wednesday, as the region faces a human-trafficking crisis.

    The government has started planning the relocation to Hatiya island in the Bay of Bengal in a move backed by Prime Minister Sheikh Hasina, said additional secretary Amit Kumar Baul.

    “The relocation of the Rohingya camps will definitely take place. So far, informal steps have been taken according to the PM’s directives,” Baul, head of the government’s Myanmar Refugee Cell, told AFP.

    A Rohingya leader urged the government to rethink, saying the plan would only make life worse for the refugees, many of whom have been languishing in the camps for years since they left Myanmar.

    “We want the (Bangladesh) government and international organisations to resolve our issue from here,” Mohammad Islam, a community leader in one of the camps, told AFP.

    Bangladesh is home to 32,000 registered Rohingya refugees who are sheltering in two camps in the southeastern district of Cox’s Bazar which borders Myanmar.

    The Muslim Rohingya leave Myanmar largely to escape discriminatory treatment by the Buddhist majority.

    The United Nations refugee agency, which has been assisting the refugees in the camps since 1991, said such a scheme would have to be voluntary to succeed.

    “The success of the plan would depend on what will be on offer in the new location and if the refugees would like to be there,” UNHCR spokeswoman Onchita Shadman told AFP.

    A forced relocation would be “very complex and controversial”, she said.

    Baul said the move was partly motivated by concerns the camps were holding back tourism in Cox’s Bazar, home to the world’s longest unbroken beach where locals flock to hotels and resorts.

    “The government has been paying (increasing) importance to the tourism sector. Therefore, a plan to relocate them to an isolated area is under process,” he said.

    • Mass graves –

    Thousands of persecuted Rohingya from Myanmar as well as Bangladeshi migrants have been attempting perilous boat journeys organised by people-smugglers to Southeast Asia.

    Malaysia is a favourite destination. Migrants often travelled to Thailand by boat, then overland to northern Malaysia.

    But Thailand began a crackdown on smuggling following the discovery of mass graves there, which appears to have thrown regional human-trafficking routes into chaos.

    More than 3,500 migrants have arrived on Thai, Malaysian and Indonesian soil in recent weeks, and hundreds or thousands more are feared still trapped on boats.

    Seven camps — some with dozens of graves believed to contain the bodies of Rohingya — have been uncovered in Thailand’s Songkhla province close to the Malaysian border.

    Rights groups say local people must have been aware of the trade, and on Wednesday Thai police said they wanted villagers to aid their investigation.

    Malaysian media reported that police are investigating 12 of their own officers to determine whether they had links to more mass graves found within Malaysia, close to the Thai sites.

    A total of 139 grave sites and 28 recently abandoned camps have been found on the Malaysian side of the frontier, but the number of dead is unclear.

    The US Wednesday backed the investigation, calling for a “transparent, credible and expeditious effort” and urging Malaysian authorities to prosecute those responsible.

    • ‘Mentally sick’ –

    Details of Bangladesh’s plans emerged just days after Hasina slammed Bangladesh’s own economic migrants, calling them “mentally sick” and accusing them of hurting the country’s image.

    The island plan, reported this week in local media, has not been formally announced but officials have been tasked with preparing for the relocation.

    Badre Firdaus, government administrator of Hatiya island, said 500 acres (200 hectares) had been identified as suitable for the relocation.

    The move would not include the estimated 200,000 unregistered Rohingya refugees who have fled across the border over the past decade and taken refuge in Muslim-majority Bangladesh.

    Most live close to the two camps but are not entitled to food or other aid.

    Rights groups say those illegal Rohingya migrants survive in appalling conditions in Bangladesh, living on the margins and running the gauntlet of the country’s authorities.

    The camps are a nine-hour journey by land and sea from Hatiya, home to Bangladeshi farmers and fishermen and located at the mouth of the Meghna river in the Bay of Bengal.

     
  • probirbidhan 18:08 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: Bangladesh, Biddhists, communal attack, , , ,   

    ‘নিজের দেশের পাহাড়ী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন নিয়ে সামান্য প্রতিবাদও করতে দেখি না’ 

    আজকে যাদেরকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে চোখের পানি ফেলতে দেখি, তাদের অধিকাংশকেই কখনো নিজের দেশের পাহাড়ী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন নিয়ে চোখের পানি তো দূরের কথা সামান্য প্রতিবাদও করতে দেখি না।
    এমনকি গতবার বিহারীদের নিয়েও যাদেরকে ব্যাপক হইচই করতে দেখেছিলাম, তারাও কেন জানি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ইস্যুতে সোজাসুজি কথা না বলে, ঘুড্ডির মতো ডানে-বামে কান্নি খায়। সব মিলিয়ে কি আর বলবো ভাইলোগ !
    কুমিরের কান্না বলুন, আর যাই বলুন, এই তথাকথিত মানবাধিকার শব্দটির উপর ঘেন্না ধরে গেছে। কেউ যখন প্যাচানোর জন্য হঠাৎ করে মানবাধিকারের ত্যানা উঠানো শুরু করে, তখন অটোম্যাটিক্যালিই ঘাড়ের লোমগুলো দাড়িয়ে যায় …
     
  • probirbidhan 17:59 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: , Bangladesh, mentally sick, migrants, ,   

    কই মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোম কিংবা কানাডার বেগম পাড়ায় যাওয়ার আকাঙ্খাকে কে তো কারও মনে হয় না ‘মানসিক অসুস্থতা’! 

    “শ্রমিকদের গন্তব্য তো মালয়েশিয়ার কোন সেকেন্ড হোমে না, শ্রমিকরা যেতে চায় মালয়েশিয়ার রাবার প্ল্যান্টেশানে!
    শ্রমিকেরা তো স্রেফ কাজের আশায় বিদেশ যেতে চায়, ক্ষমতা আর বিলাসের জন্য দেশ লুট তো আর করে না!
    কই মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোম কিংবা কানাডার বেগম পাড়ায় যাওয়ার আকাঙ্খাকে কে তো কারও মনে হয় না ‘মানসিক অসুস্থতা’!
    কেউ বিষ্ময় নিয়ে প্রশ্ন করে না, এত কিছু থাকার পরেও এরা কেন চুরি, দুর্নীতি, লুন্ঠন করছে!
    দুর্নীতি করে দেশকে বিশ্বের ১ নম্বর পজিশনে নিয়ে গেলেও তো দেশের ‘সুনাম’ ক্ষুণ্ণ করার অপরাধেতাদের শাস্তির কথা কাউকে বলতে শোনা যায় না..
    কিন্তু দরিদ্র শ্রমজীবি মানুষ একটু ভালো ভাবে বেচে থাকার আশায়, ঘামের উপযুক্ত মূল্য পাওয়ার আকাঙ্খায় মরিয়া হয়ে বিদেশ যেতে চাচ্ছে বলে বিষ্ময়ের শেষ নেই! এই দরিদ্র মানুষরা নাকি মানসিক ভাবে অসুস্থ! দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপরাধে তাদের নাকি শাস্তি দিতে হবে!
    ও, গরীবের বুঝি ভালো ভাবে বেচে থাকার ইচ্ছা থাকতে নেই!
    গামের্ন্টস, কন্সট্রাকশান কিংবা দিনমজুরের ৫/৭ হাজার টাকার ন্যূনতম মজুরির অনিশ্চিত জীবন নিয়েই সারা জীবন তাদেরকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে..
    ধানের দাম না পেলেও ধান ক্ষেতেই পড়ে থাকতে হবে কৃষকের সন্তানদের..
    দুধ ভাত শুধু তাহাদের, গরীব কেবলই পাথর চিবুতে বাধ্য..
    এই বাজারে পরিবার নিয়ে খেয়ে পড়ে মানুষের মতো বেচে থাকার জন্য ২০ হাজার টাকার কম মজুরি হলে চলে না..
    কিন্তু বাংলাদেশের শ্রমজীবি মানুষদের জন্য দেশের ভেতরে এমন কোন খাত নেই যেখানে ভালো ভাবে পরিবার নিয়ে বেচে থাকার মতো মজুরি পাওয়া যায়..
    এই দরিদ্র মানুষরা যে ২০ হাজার টাকা মজুরির আশায় মালয়েশিয়ায় যেতে চাইবেন তাতে আশ্চর্য হওয়ার তো কিছু দেখি না..
    বৈধ ভাবে যাওয়ার ব্যাবস্থা থাকলে তারা তো বৈধ ভাবেই যেতেন… নিজের জমি বাড়ি বেচে, ধার দেনা করে এভাবে বহু মানুষই গেছেন.. আর আপনারা তাদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স নিয়ে গর্ব করেছেন!
    কিন্তু বৈধ ভাবে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে আপনাদের লোকেরাই তো অবৈধ পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার রাস্তা খুলেছে.. মিথ্যা প্রতারণা এমনকি জোর জবরদস্তি করে গরীব মানুষদেরকে দাস হিসেবে নৌকায় তুলেছে.. এর বিনিময়ে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে..
    এতদিন কি এগুলো জানতেন না, এখন কেন আকাশ থেকে পড়ার ভান করছেন, কেন নিজেদের দোষ স্বীকার না করে উল্টো দরিদ্র মানুষদের দোষী করছেন?
    এত দিন ধরে ফোলানো উন্নয়নের বেলুন ফুটো হয়ে গেছে বলে খুব রাগ হচ্ছে এই দরিদ্র মানুষদের উপর, তাই না?”

    By Kallol Mustafa

     
  • probirbidhan 17:56 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: Bangladesh, , sexual haarssment,   

    ‘বিশ্বের সবচেয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্রটি ধর্ষন, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, অন্যায়, অত্যাচার সবদিক দিয়েই পৃথিবীর অন্যসব রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে’ 

    মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি ঘটনা;-

    একটি আর্মিক্যাম্পে একটি মেয়েকে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষন করত পাকিস্তানি সৈন্যরা। যুদ্ধের পর ঐ মেয়েকে ক্যাম্প থেকে অর্ধমৃত উদ্ধার করা হয়। সৌভাগ্যক্রমে মেয়েটির পরিবারকে পাওয়া যায় এবং মেয়েটিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মেয়ের পরিবার বাড়ি নিয়ে গিয়ে মেয়েটিকে চিকিৎসা করানোর জন্য ডাক্তার আনেন। ডাক্তার এসে রুমে ঢুকে দেখেন রুম অন্ধকার। জানালা সব বন্ধ। তিনি ইশারায় জানালার দিকে আঙুলি করে একজনকে বললেন খুলো।

    মেয়েটি বিছানায় শোয়া ছিল। সবাই অবাক হয়ে দেখল অর্ধমৃত অজ্ঞানপ্রায় ধর্ষিতা সেই মেয়েটি “খুলো” শব্দটি শুনেই তাঁর পাজামার ফিতা খোলার চেষ্টা করছে।

    কি পরিমাণ নির্মম অমানবিক অত্যাচার তার উপর হয়েছিল ভেবে দেখেন। প্রতিদিন তাকে নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে এতবার ধর্ষন করা হয়েছিল এবং এতবাত কাপড় খুলতে বলা হতো যে যে “খুলো” শুনেই সে ধরে নিয়েছিল আবার তাকে পাজামা খুলতে বলা হচ্ছে।

    এই ঘটনা স্বাধীন বাংলাদেশের নয়। এটা করেছে পাকিস্তানিরা।

    গারো মেয়েটিকে দেড় ঘন্টা ধর্ষন করা হয়েছিল। পাক্কা দেড় ঘন্টা! আমার ফ্রেন্ড লিস্টের একজনের লেখা পড়ে বিষয়টা মাথায় এসেছে আমার। আমি নিজেই এতটা খেয়াল করিনি। ঐ দেড় ঘন্টা সময় তার উপর যে কি গেছে। কল্পনা করতেও পেট গুলিয়ে বমি আসে।

    আমরা শুধু তিন অক্ষরে লিখে দিই ধর্ষন হয়েছে। লিখে ফেসবুক ভাসিয়ে দিচ্ছি, লাইক, কমেন্টের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। পিছনে যে কত বর্বর একটা ঘটনা আছে।
    এটা স্বাধীন বাংলাদেশ, পাকিস্তান নয়। বাচ্চা থেকে বুড়ি কেউ ধর্ষনের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। গরুকেও ধর্ষন করা হচ্ছে লোকমুখে শোনা সোনার(শোনার) বাংলায়। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্রটি ধর্ষন, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, অন্যায়, অত্যাচার সবদিক দিয়েই পৃথিবীর অন্যসব রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে আগামী দুই একবছরের মধ্যে সত্যিই পৃথিবীর সভ্য কোন একটা দেশের মানুষের সত্যিই আলাদা করতে কষ্ট হবে। কোনটা দেশটি বেশি খারাপ?-
    বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান?

    By Juliyas Caesar

     
  • probirbidhan 21:22 on May 18, 2015 Permalink |
    Tags: , অভিজিৎ, একুশে ফেব্রুয়ারী, ওয়াশিকুর বাবু, নববর্ষ, নাস্তিকতা, ব্লগার বিজয়, Bangladesh,   

    ‘আজ চুপ থেকে ভাবছেন আপনি বেঁচে গেলেন? ভুল!’ 

    By সিডাটিভ হিপনোটিক্স

    অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হয়েছিলো, কারন নাস্তিকতা নিয়ে লেখালেখি। যুক্তি তর্ক দর্শন। অধিকাংশই চুপ ছিলো। ওয়াশিকুর বাবুকে মারা হয়েছে। তার কথা ভুলেই গেছি। আজ ব্লগার বিজয় দাসকে কুপিয়ে মারা হলো। আবার চুপচাপ দেখছে সবাই। কারন ছিলো মুক্তমনায় লেখালেখি, এডমিন হওয়া। মোটামুটি লিস্ট নিয়ে এগোচ্ছে হত্যাকারীরা।

    আগামীকাল আমাকে মারা হবে। তাদের হত্যার প্রতিবাদের জন্য। পরশু খুন হবেন কোন কবি, কোন কবিতার জন্য। তারপর কোন ঔপন্যাসিক, কোন দূর্বার উপন্যাসের জন্য। তারপর চাকুরীজীবি মহিলাটিকে পাথর মারা হবে, ভীড়ের ভেতর পুরুষদের সাথে বাসে ওঠার জন্য। পাথর মারা হবে স্কুলের মেয়েটিকে, স্কুলে যাওয়ার জন্য।

    নববর্ষ থাকবে না, একুশে ফেব্রুয়ারী থাকবে না, রবী ঠাকুরের জন্মদিন থাকবে না। শহীদ মিনার গুড়ানো হবে। স্মৃতিসৌধ ভাঙা হবে। গভীর রাতে কেউ জীবনানন্দের কবিতা পড়বে না, নিষিদ্ধ হবে কাফকা, বোদলেয়ার। ফিল্ম মেকিং এর ভূত যুবকের কাধে থেকে নেমে যাবে, আজকের তারকারা প্রবাসী হবে, ডিরেক্টররা নিভৃতে যাবে। আপনার শাস্তি হবে ঐ সাধের সেলফির জন্য।

    এগুলো হবে, শুধু মাত্র চুপ করে অন্যায় সহ্য করার জন্য। এগুলো হবে আর সেদিনও সবাই চুপ করেই থাকবে। আজ কথা গুলো তেতো লাগবে, অবাস্তব লাগবে।

    যদি মনে করে থাকেন, অভিজিৎ কিংবা বিজয় দাসের মৃত্যুর কোন প্রভাব আপনাদের সাধারন জীবনে পড়বে না, কারন আপনারা এগুলোতে জড়িত না, তবে অনেক বড় ভুল করলেন আজ। তারা একটা রক্ত মাংসের শরীরকে মারছে না, তারা একটা চিন্তা ধারাকে খুন করছে। আমার ভাববার অধিকারকে খুন করছে।

    আজ চুপ থেকে ভাবছেন আপনি বেঁচে গেলেন, ভুল। কেউ বাঁচবো না। বাঁচলেও ওটাকে বাঁচা বলবে না।

     
  • probirbidhan 19:53 on May 18, 2015 Permalink |
    Tags: anti-women, Bangladesh, , , women in politics   

    নারী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সোচ্চার কারা? 

    Watch the videos:

    https://www.facebook.com/banglawazbd/videos/vb.559942087430924/560062597418873/?type=2&theater

    https://www.facebook.com/banglawazbd/videos/736853906406407/?theater

    https://www.facebook.com/daripallabd/videos/847439821969481/?fref=nf

    নারীকে দেশ চালানোর জন্য সৃষ্টি করা হয় নি, নারীকে অফিস চালানোর জন্য সৃষ্টি করা হয় নি, নারীকে কোর্ট কাচারি চালানোর জন্য সৃষ্টি করা হয় নি, নারীকে প্রযুক্তির জন্য সৃষ্টি করা হয় নি। শুধু মাত্র নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে তার স্বামীকে শান্তি-তৃপ্তি দেয়ার জন্য…হে মুসলিম মহিলা তোমরা বাড়িতে থাকো…

     
  • probirbidhan 19:29 on August 15, 2012 Permalink |
    Tags: Bangladesh, ,   

    Rohingya issue threatens stability in South Asia 

    By Subir Bhaumik AGARTALA and IMPHAL

    Asia Times Online August 16, 2012

    As a rising number of Rohingya Muslims flee sectarian conflict in Myanmar and take sanctuary in India’s northeastern states, the flow of refugees is putting a new strain on bilateral relations. New Delhi has called on Naypyidaw to stem the rising human tide, a diplomatic request that Indian officials say has so far gone unheeded.

    Ongoing sporadic violence between Rohingya Muslims and Buddhist Rakhines in western Myanmar has left more than 80 dead and displaced tens of thousands. The Myanmar government’s inability or unwillingness to stop the persecution of Rohingyas has provoked strong international reaction, raising calls for retribution in radical corners of the Islamic world, including a threat from the Pakistani Taliban to attack Myanmar’s diplomatic missions abroad.

    Fears are now rising that Myanmar-borne instability is spreading to India’s northeastern frontier regions, threatening to spiral into a wider regional security dilemma. At the same time that Muslim Rohingyas and Buddhist Rakhines clashed in Myanmar, fighting erupted between Muslims and Hindus in India’s northeastern Assam State. As in Myanmar, where the Rohingyas are considered illegal Bangladeshi settlers, the Muslims targeted in Assam are accused of being ethnic Bengalis who have migrated illegally from Bangladesh.

    “Unless checked firmly, the Rohingya influx could become a big headache in northeast India. The Rohingyas have nowhere to go after Bangladesh foiled their attempts to cross over from Myanmar by land and sea,” says Sabyasachi Basu Roy Choudhury, an expert in migration patterns on the India-Myanmar-Bangladesh frontier. “They are unwelcome in other countries of Southeast Asia like Thailand, so they will naturally turn towards India.”

    Before the explosion of violence in Myanmar, over the past two years more than 1,400 Rohingyas had been intercepted in three northeastern Indian states – Tripura, Mizoram and Manipur – while trying to enter illegally, according to reports sent by the state police forces to the Indian home ministry.

    While almost half of them were caught while trying to enter Indian territory from Myanmar’s Rakhine State, the rest were nabbed while trying to enter India from temporary shelters in Bangladesh’s Chittagong region. The shelters, supported by the Office of the United Nations High Commissioner for Refugees (UNHCR), were first established in the late 1970s when Rohingyas started to flee persecution in Myanmar.

    Bangladesh’s former military ruler General Zia ur Rahman was at one point of accused by Myanmar, then known as Burma, of supporting Rohingya insurgents. The number of these shelters had diminished in recent years as many Rohingyas either returned to Myanmar with UNHCR support or melted permanently into Bangladesh or further afield into South Asia, Southeast Asia or the Middle East.

    “Those trying to enter through [the northeast Indian state of] Tripura came from Bangladesh [which border Tripura], where the Rohingyas are under considerable pressure to go back to their native [Rakhine] province in Myanmar. But those trying to enter directly to India [from Myanmar] ended up in Mizoram and Manipur, which have direct borders with Myanmar,” said a senior Indian federal intelligence official who requested anonymity.

    He said that most of the Rohingyas arrested in Tripura had tried to flee Bangladesh after the country’s Awami League government started pressuring them to return to Myanmar two years ago. But many of them have been captured in the past two months in Manipur and Mizoram, trying to escape persecution in Rakhine.

    Basu Roy Choudhury said many Rohingyas are moving from their temporary shelters in Bangladesh’s Chittagong region to settle down in the Chittagong Hill Tracts (CHT), where the Buddhist Chakma and Marma tribes resent Muslim settlements.

    Militant history
    Militants from these tribes fought a two-decade guerrilla war against the Bangladesh government (1976-1997), during which Bengali Muslim settlers were regularly attacked and killed in large numbers, provoking inevitable retaliation. In 1997, the Shanti Bahini (Peace Force) which ran the armed campaign for the Buddhist tribes in southeast Banglahdesh against government troops signed an accord with Dhaka.

    Their fighters laid down arms and returned to normal life when Bangladesh promised to create an autonomous council to fulfill the tribal aspirations for self rule and also to stop Muslims from settling in the plains districts of the Chittagong Hill Tracts. But because those autonomy promises were never fully fulfilled, the Buddhist tribespeople there remain restive and any large-scale settlement of Muslims, Rohingyas or Bengalis, some fear could reignite the conflict.

    “So the Rohingyas will obviously be unwelcome in Chittagong Hill Tracts and that could create fresh tensions,” says Basu Roy Choudhury.

    Islamist groups in Bangladesh are keen to undermine the demography of the Chittagong Hill Tracts by pushing more Muslims into the area, as this is the only region in Bangladesh with a non-Muslim majority. The Jamait-e-Islami, which joined the Bangladesh Nationalist Party (BNP)-led coalition that ruled the country between 2001 and 2006, continues to view such migration as favorable to bolstering its grass roots support base and “Islamizing” of the area.

    Then, Jamait ministers encouraged Islamic non-governmental organizations supported by Saudi Arabia and Pakistan to help Muslim settlers with settlement funds to move into the Chittagong Hill Tracts. Other smaller Islamic groups continue to support Muslim settlements in the area. The local Buddhist tribespeople, meanwhile, either support their own groups or the present ruling Awami League and its more secular agenda.

    “A recent conference of [Chittagong Hill Tracts] groups in Thailand’s northern Chiang Mai city expressed apprehension about this trend,” says Mrinal Chakma, a researcher with Calcutta’s Maulana Azad Center for International Studies. “Islamist groups are backing the Rohingya settlements in the CHT, though the present government may not be encouraging it.”

    The Rohingyas are also largely unwelcome in India’s northeastern region, where nativist groups angered by the illegal migration of settlers from Bangladesh periodically attack Muslim settlers. Most of the Rohingyas caught entering northeast India have told security officials during questioning that their destination was Assam, 35% of whose 25 million people are Muslims, mostly of Bengali origin.

    “With a large Muslim population, Assam may be a natural attraction for the Rohingyas, because from there they can melt into other states of India,” says Samir Das, who has researched the nativist movements in Assam.

    Muslims of Bengali origin have been the target of recent violence by indigenous Bodo tribespeople in western Assam. More than 80 people have died in the riots that erupted in late July and more than 250,000 people, both Bodos and Muslims, have been displaced. The Assam government was forced to call out the army to control the situation and was given shoot-at-sight orders to quell the violence.

    “So for those Rohingyas headed for Assam, it would be a frying pan-to-fire situation. It could further complicate the fragile ethnic balance of Assam and the rest of India’s northeast, where there’s considerable angst over alleged illegal migration from Bangladesh,” said Samir Das.

    India has asked its northeastern states and border guards to maintain a tight vigil on the country’s borders with Bangladesh and Myanmar to prevent a further influx of Rohingyas. Officials say they are worried over the growing arc of violence after Muslims in its financial capital Mumbai and in the southern state of Andhra Pradesh attacked natives of northeastern states, easily identifiable by their Mongoloid features, at the weekend in retaliation against the violence against Muslims in Assam.

    Police opened fire in Mumbai on Saturday to control the rioting, in which two died and more than 50 others were injured, including several police. During their protests against the violence against their co-religionists in Assam, the Indian Muslim groups in Mumbai and elsewhere have also protested against Rohingya persecution in Myanmar, even calling for suspension of diplomatic ties with Myanmar.

    Subir Bhaumik, a known specialist on Northeast India and Bangladesh, is a former BBC correspondent.

    (Copyright 2012 Asia Times Online (Holdings) Ltd. All rights reserved. Please contact us about sales, syndication and republishing.)

     
    • Ko Ko Linn 00:49 on September 10, 2012 Permalink | Log in to Reply

      How irresponsible is you and your media? What benefit you get by making such senseless accusation to a world most persecuted and vulnerable community? What document do you have to claim as ARU is a terrorist group?

      • probirbidhan 01:16 on September 10, 2012 Permalink | Log in to Reply

        I guess the governments of India and Bangladesh who grossly accuse Rohingyas of crime are unable to show such evidence.

        Whatever they say, millions of Bangladeshis demand that the discrimination against Rohingyas must end.

  • probirbidhan 01:40 on August 11, 2012 Permalink |
    Tags: Bangladesh, lightning strikes, Sunamganj haor   

    Lightning kills 8 as they come out of mosque in Sunamganj 

    Sunamganj/Dhaka, Aug 10 (bdnews24.com)

    Eight people are feared dead and 15 to 20 others injured as lightning struck a gathering of Muslims attending Tarabih prayer at Dharmapasha in Sunamganj on Friday night.

    Dharmapasha Police Station Officer-in-Charge Bayes Alam said the incident took place at Sharshatipur village as Muslims were offering Tarabih, a special prayer for the Muslim’s fasting month of Ramadan, at 9:30pm.
    সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৮ জন নিহত
    He said he had reports that eight people were killed, and a police team was on its way to the village, a three-hour journey by engine-run boat from the police station.

    Identity of the deceased could not be confirmed immediately.

    Dharmapasha Upazila Nirbahi Officer Shahidul Islam said he heard the news of eight people dying from the lightning-struck.

    He said, according to his information, two people died on the spot while the rest on their way to hospital.

    Lightning kills 21 in Bangladesh

    Climate change raises lightning threat; over 100 killed in April alone

    [PDF] Presentation on Lightning Protection practices in Bangladesh

    “LIGHTNING” BANGLADESH | Flickr – Photo Sharing!

     

     
  • probirbidhan 18:07 on June 24, 2012 Permalink |
    Tags: Advani, Bangladesh, , Pakistan nuclear   

    Pakistan failed to ensure people’s basic needs 

    Bangladesh Envoy in India slams Pakistan

    June 24, 2012

    By

    Bangladesh envoy to India has attacked Pakistani army, saying its “selfish corporate mindset” may lead to a nuclear confrontation with India, a view endorsed by BJP leader LK Advani- reports the PTI.

    In his latest blog posting, Advani quotes a pamphlet written by high commissioner Ahmad Tariq Karim to say that in “its obsession with matching India tit-for-tat in missiles and nuclear race”, Pakistan has “failed to address more fundamental problems related to societal development within its own orders, and has gone pretty nigh bankrupt in the process”.

    L K Advani

    L K Advani

    Advani mentions a recent meeting with Bangladesh envoy Ahmad Tariq Karim who later sent him a 19-page pamphlet written by him on Pakistan. In the pamphlet, Karim cites seven “deadly sins” of Pakistan which were responsible for the political problems and weak democracy in the neighbouring country.

    These, according to Karim, are doctrines of Islamic invincibility over Hindus, West Pakistani superiority over inferior Bengalis (Bangladeshis), its indispensability as a strategic ally of the US, too much emphasis on relations with China and Iran, a belief that majority of Kashmiris want to join Pakistan, and that defence of East Pakistan lay in the plains of Punjab (Pakistan).

    Agreeing with the views, Advani said, “In totality this pamphlet adds up to a very perceptive summing up of all that has gone wrong with Pakistan in the three score years since its foundation.” He further adds, “In the preamble to this pamphlet Karim warns that the selfish corporate mindset of the Pakistan military establishment ultimately may lead to a nuclear confrontation with India.”

    Karim’s paper also makes a plea to the international community in general and to Saarc in particular to deploy measures that would encourage the return of democracy to Pakistan as soon as possible.

     
    • ZilleHuma 10:55 on June 25, 2012 Permalink | Log in to Reply

      Has BD government addressed and solved all issues faced by Bangladeshi people? India controls BD. So their statements would always be pro-Indian and pro-Hindu. BD officials think that it is all ‘saas-baho’ drama (As Indian media has a great hold in BD). Earlier Haseena blamed ISI for loosing the match with Pakistan. I think we don’t even bother to comment on such ridiculous and illogical comments. We didn’t comment earlier on Haseena statements and I am sure there will be no response from the Pak FO. It isn’t scoring BD a point internationally.This article is really ridiculous.
      Don’t meddle in our affairs. Mr. Tariq is blaming as if Pakistan controls and dominates BD. Rather India has literally taken over BD media, culture, politics and economy. What is the sense of using terms ‘west-Pakistan’ and ‘Punjabis’ here? As we are not 1 nation now so better don’t meddle in our foreign policy and affairs and mind your own business. Our relations with China and Iran are not going to affect you in anyway. Pakistan is not hostile towards you so don’t comment about its nukes as well.

  • probirbidhan 18:51 on June 23, 2012 Permalink |
    Tags: Bangladesh, book, , , Penguin Books India, Sheikh Mujibur Rahman: The Unfinished Memoirs   

    Mujib, Russia and Mumbai on the bookshelf 

    New Delhi, June 23 (IANS)

    The bookcart this week has gripping fiction and thought-provoking non-fiction. Browse with IANS…

    1. Book: “Barnabas”; Written by Sangeeta Nambiar; Published by Westland; Priced at Rs.250

    British India. The summer of 1942. Bombay. From the leafy lanes of Wodehouse Road, a British woman goes missing from her home. Her husband, Thomas Stanton, wants to keep the police out of the loop, and thus calls in Bombay’s first private detective, Barnabas Mehta. Barnabas, the son of a cook, has been brought up under the tutelage of his father’s employer, Francis Curtis, and thus knows the ways of the British. But that isn’t enough to solve the mystery for him. His search for Rose leads him to the bylanes of Girgaum where he finds a murder to solve and webs of deceit to traverse. Who would murder Rose so brutally? Family secrets and the workings of an evil mind — they’re all there for Barnabas Mehta to unveil!

    2. Book: “Spies & Commissars: Russia and the West in the Russian Revolution”; Written by Robert Service; Published Pan Macmillan; Priced at Rs.450

    In the immediate aftermath of the Russian Revolution, the Western powers were anxious to prevent the spread of Bolshevism across Europe. Lenin and Trotsky were equally anxious that the communist vision they were busy introducing in Russia should do just that. But neither side knew anything about the other. The revolution and Russia’s withdrawal from World War I had ensured a diplomatic exodus from Moscow. And the usual routes to vital information had been closed off. Into this void stepped an extraordinary collection of opportunists, journalists and spies — sometimes indeed journalists who were spies and vice-versa — who tried to infiltrate the political elite and influence foreign policy to the Bolsheviks’ advantage. Robert Service, acclaimed historian and one of the finest commentators on matters Soviet, turns his meticulous eye to this ragtag group of people and, with narrative flair and impeccable research, reveals one of the great untold stories of the 20th century.

    3. Book: “Sheikh Mujibur Rahman: The Unfinished Memoirs”; Written by Sheikh Mujibur Rahman, Fakrul Alam and Sheikh Hasina; Published by Penguin Books India; Priced at Rs.699

    When Sheikh Mujibur Rahman’s diaries came to light in 2004, it was an indisputably historic event. His daughter, Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina, had the notebooks — their pages by then brittle and discoloured — carefully transcribed and later translated from Bengali into English. Written during Rahman’s stay in the jail as a state prisoner between 1967 and 1969, they begin with his recollections of his days as a student activist in the run-up to the movement for Pakistan in the early 1940s. They cover the Bengali language movement, the first stirrings of the movement for independence and self-rule, and powerfully convey the great uncertainties as well as the great hopes that dominated the time. The last notebook ends with the events accompanying the struggle for democratic rights in 1955. This extraordinary document is not only a portrait of a nation in the making; it is written by the man who changed the course of history and led his people to freedom.

    4. Book: “Once Upon a Hill”; Written by Kalpish Ratna; Published by Harper Collins India; Priced at Rs.499

    How do you find something hidden in plain sight? Begin in a village named for an epidemic, witness an exorcism, and enter a labyrinth. Emerge with a mirage and meet a curious cartographer. Journey 60 million years with a turtle and a frog. Then, finally, find Gilbert Hill. The book is a plea from Kalpish Ratna to their city of Bombay. Gilbert Hill is where our past and future are gathered. Shall we revere this still point, or as seems inexorable, destroy it with our dance? The writers travel back in time to find the origin of the coastal rock, a basaltic outcrop, and tells the story of its dying present. The hill, though declared a protected zone, is under siege from nature as well as man.

    Book: “Poor Little Rich Slum”; Written by Rashmi Bansal and Deepak Gandhi; Published by Westland; Priced at Rs.250

    One million little Indian entrepreneurs. These are the stories of the little people who make up the big idea of Dharavi. A slum of energy, enterprise and hope. The book assembles real stories of the people for whom Dharavi in Mumbai is home and of people who are toiling to make the slum a habitable and tangible new urban heritage.

     
  • probirbidhan 18:32 on June 22, 2012 Permalink |
    Tags: Bangladesh, Equator Prize, Rio de Janeiro, Rio+20, UNDP   

    Bangladesh among 25 awarded Equator Prize at Rio+20 

     

    image

    Sustainable development leaders and global celebrities join in celebration (Photo: Daniel de Castro/UNDP Brazil)

    UN honours local groups with Equator Prize for sustainable development work

    UN News 21 June 2012

    Bangladesh is among the 25 local and indigenous groups who were honoured on Wednesday evening by the United Nations for their outstanding contributions to sustainable development.

    “Tonight’s event is about honouring the great innovation and leadership which is coming from the world’s local communities,” said the Administrator of the UN Development Programme (UNDP), Helen Clark, at the Equator Prize gala ceremony in Rio de Janeiro, Brazil.

    Awarded by UNDP’s Equator Initiative, the Prize recognizes outstanding local initiatives that are working to advance sustainable development solutions for people, nature and resilient communities – issues also at the heart of the discussions underway at the UN Conference on Sustainable Development (Rio+20) in Rio de Janeiro, Brazil.

    The co-management committee of Bangladesh’s “Chunuti wildlife Sanctuary” was awarded the prize for its outstanding performance. Vice-president of the organisation, Md NAzrul Islam received the prize. Environment and forests minister Hasan Mahmud and chief forest conservator Md Yunus Ali were present.

    The other winners included a forest protection community initiative in Fiji, an Egyptian medicinal plant association that cultivates species to create alternative livelihoods, a women’s artisan group in Colombia that recycles plastic and reduces waste, and an enterprise in Swaziland that teaches women how to cultivate seeds and offers environmental education.

    “Organizations which win the Equator Prize show through their actions how the sustainable management of ecosystems is not only good for the environment, but empowers local people and increases their capacities and livelihood options,” Miss Clark said.

    “Moving forward from Rio+20 it will be critical to acknowledge the central role of community-based organizations and local initiatives in delivering sustainable development solutions,” she added.

    This year’s winners were selected from 812 nominations submitted by communities in 113 countries across the developing world. The 25 winners will each receive $5,000, with 10 selected for special recognition and a total of $20,000.

    The ceremony was hosted by renowned Brazilian musician Gilberto Gil, and counted with the presence of other leaders in business and sustainable development, such as the founder of the Grameen Bank and Nobel Peace Prize recipient, Muhammad Yunus, the founder of the Virgin Group, Richard Branson, and a US actor and UN Goodwill Ambassador on Biodiversity, Edward Norton.

    This year marks the tenth anniversary of the Equator Prize, which is awarded biennially.

    More than 40,000 people – including heads of State and government, parliamentarians, mayors, UN officials, business and civil society leaders – are attending Rio+20, between 20-22 June. It seeks to shape new policies to promote global prosperity, reduce poverty and advance social equity and environmental protection.

     

    Equator Prize winners honored at Rio+20 for community-led environment and poverty solutions

    UNDP 20 June 2012

    Rio de Janeiro — The Equator Initiative celebrated the 10th anniversary of the Equator Prize with a gala event at the Vivo Rio concert hall, as part of the Rio+20 UN Conference on Sustainable Development. Twenty-five local and indigenous groups earned distinctions for their outstanding contributions to sustainable development, leading campaigns that address central themes to the Rio+20 conference like food security, freshwater access, sustainable energy, oceans and biodiversity. In addition, the Equator Initiative awarded thematic prizes in ten categories from the pool of winners.

    A host of world-renowned celebrities and leaders in sustainable development joined the winners on stage in celebration. Helen Clark, UNDP Administrator, and Gilberto Gil, world-renowned musician and former Brazilian Minister of Culture, hosted the evening event, while Edward Norton, actor and UN Goodwill Ambassador for Biodiversity, and Camila Pitanga, Brazilian actress and environmental advocate served as emcees. Sir Richard Branson, founder of the Virgin Group, Muhammad Yunus, Grameen Bank founder and Nobel Peace Prize recipient, and Achim Steiner, UNEP Executive Director, assisted with awards presentations.

    The evening’s thematic award winners, selected by jurors Maurice Strong, Sir Richard Branson, Princess Basma Bint Talal of Jordan, M.S. Swaminathan, Victoria Tauli-Corpuz, and Gilberto Gil, were:

    • Biodiversity: Pacari Network (Brazil)
    • Community-based adaptation: Namdrik Atoll Local Resources Committee (Marshall Islands)
    • Drylands: Abrha Weatsbha Natural Resource Management Initiative (Ethiopia)
    • Energy: Medicinal Plants Association (Egypt)
    • Food: Women and Land (Tajikistan)
    • Forests: West Africa Initiative of Liberia (Liberia)
    • Oceans: Pemuteran Bay Coral Protection Foundation (Indonesia)
    • Waste: United Women Artisans’ Association of Los Límites (Colombia)
    • Water: Shashwat (India)
    • Women’s Empowerment: Swazi Indigenous Products (Swaziland)

    “Tonight’s event is about honoring the great innovation and leadership which is coming from the world’s local communities,” remarked UNDP Administrator Helen Clark. “Organizations which win the Equator Prize show through their actions how the sustainable management of ecosystems is not only good for the environment, but empowers local people and increases their capacities and livelihood options.”  

    “Moving forward from Rio+20,” she continued, “it will be critical to acknowledge the central role of community-based organizations and local initiatives in delivering sustainable development solutions.”

    Both the awards ceremony and a week-long “community summit” for winners to share ideas and resources, were convened by the United Nations Development Programme (UNDP) and supporting partners to recognize and advance local development solutions for people, nature and resilient communities.

    This year’s winners were selected from 812 nominations submitted by communities in 113 countries across the developing world, indicating a global movement in community-led solutions for sustainability.

    The Equator Initiative is a partnership that brings together the UN, governments, civil society, businesses and grassroots organizations to advance local sustainable development solutions for people, nature and resilient communities. As a part of the Initiative, the Equator Prize helps share the messages that biodiversity and healthy ecosystems, which are being lost and degraded at alarming rates, are essential to ensuring global sustainability – and that community-led initiatives like those honored at the event can offer innovative, effective and much-needed solutions, and require greater support to scale their potential impact.

    The Equator Prize has been endorsed by former Heads of State Gro Harlem Brundtland and Oscar Arias, philanthropist Ted Turner, Nobel laureates including Elinor Ostrom, and celebrities Gisele Bündchen and Edward Norton.

    Current partners of the initiative include: Conservation International; Convention on Biological Diversity; Ecoagriculture Partners; Fordham University; German Federal Ministry for Economic Cooperation and Development; International Union for Conservation of Nature; The Nature Conservancy; Royal Norwegian Ministry of Foreign Affairs; Rare; Swedish International Development Cooperation Agency (SIDA); UNEP; UNDP; and UN Foundation.

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel