Tagged: Islami Chhatra Shibir Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 04:49 on August 4, 2012 Permalink |
    Tags: , Hamidur Rahman Azad, Islami Chhatra Shibir, Jamaat's Nayeb-e-Ameer AKM Nazir Ahmad   

    Jamaat politics under iftar cover against war crimes trial 

    Rakib Hasnet Suman/The Daily Star August 4, 2012

    Jamaat-e-Islami now appears to go on with a revised strategy to take advantage of the month of Ramadan to conduct a countrywide campaign against the government and also the ongoing war crimes trial.

    The party opted for organising iftar parties-discussion meetings following its failed bid to launch street agitation in the name of “welcoming holy Ramadan”, sources in the political arena said.

    Jamaat and its associated bodies will hold at least 500 such iftar parties across the country till the end of Ramadan where party central leaders will speak as chief guest, according to Jamaat insiders.

    Pro-Jamaat student body Islami Chhatra Shibir had earlier tried to bring out processions in different areas of the country on July 19 welcoming the advent of Ramadan that began on July 21. Party leaders alleged that police intercepted the processions everywhere.

    Jamaat then revised its strategy and took up the present programme considering it the best way to strengthen the party and to step up the campaign against the government, and detention and trial of its top leaders.

    Party leaders including Ghulam Azam, Motiur Rahman Nizami and Ali Ahsan Mohammad Mojaheed are now in jail and are being tried on charges of war crimes.

    Asked about the iftar parties-discussion meetings, Jamaat leader and lawmaker Hamidur Rahman Azad, however, said these are routine activities of the party and all its units. “We always organise such programmes during Ramadan,” he added.

    The party started its present programme by holding an iftar party in honour of the foreign diplomats in Dhaka on July 22, the second day of Ramadan.

    Jamaat’s Nayeb-e-Ameer AKM Nazir Ahmad made a brief speech before the diplomats, saying that the party’s top leaders were detained and put on trial under a black law, and they were being tortured.

    “Everything the government is doing in the name of trial of war criminals is against international rules and regulations,” he said.

    Asked to explain, Nazir advised this correspondent to talk to Azad, and said, “Brother I am a sick person. Sometimes I attend a few programmes, nothing else.”

    And Islami Chhatra Shibir organised an iftar party a few days ago at a city hotel.

    Taking part in the discussion there, Jamaat and Shibir leaders bitterly criticised the government “for failing to run the country.”

     
  • probirbidhan 08:49 on June 25, 2012 Permalink |
    Tags: ইসলাম ধর্ম, ইসলামী ছাত্রশিবির, , , শিক্ষাব্যবস্থা, , education policy, Islami Chhatra Shibir   

    জামায়াতের শিক্ষা ও অন্যান্য ভাবনা! 

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক একেএম নাজির আহমদ বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থাকে ধর্মহীন করে জাতিকে মেরম্নদন্ডহীন করার ষড়ষন্ত্র চলছে।
    তিনি আজ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী সদস্য শিক্ষাশিবিরের সমাপনী দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বারের পরিচালনায় ও কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাতের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষাশিবিরে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. দেলাওয়ার হোসেন।
    আরো বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, প্রচার সেক্রেটারী অধ্যাপক তাসনীম আলম, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ এমপি, মাওলানা এএইচএম আব্দুল হালিম, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ড. মু. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, ডা. মো. ফখরম্নদ্দিন মানিক, মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মঞ্জুরুল ইসলাম ভুঁইয়া, শিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মু. আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আবু সালেহ মো. ইয়াহইয়া, সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ ইউসুফ, শেখ মু. নেয়ামুল করিম, জনাব মু. মোখলেছুর রহমান, মাওলানা মোঃ জাকারিয়া ও এ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান।
    অধ্যাপক নাজির আহমদ শিবির দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে বলেন, মুহাম্মদ (স:) আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন মানবতার শিক্ষক হওয়ার জন্য। শিবিরের দায়িত্বশীলদের তাই এ দেশের ছাত্রসমাজকে ইসলাম ও ইসলামী আন্দলন সম্পর্কে জ্ঞান বিতরনের জন্য শিক্ষকের ভূমিকা পালন করতে হবে।
    তিনি বলেন, মানুষকে জানার যোগ্যতা দায়িদ্বশীলদের থাকতে হবে। মানুষের মন জয় করার জন্য ভাল আচরণের চেয়ে অধিকতর শক্তিশালী হাতিয়ার আর নেই।
    তিনি আরো বলেন, ইসলামী আন্দলনের পথ ফুল বিছানো নয়। ঈমান খাঁটি কিনা আলস্নাহ অবশ্যই পরীক্ষা করবেন। আমরা কেউ ভুলের উর্ধ্বে নই। পরস্পর পরস্পরকে ভুল থেকে মুক্ত করার জন্য আমাদের ভূমিকা পালন করতে হবে। আন্দোলনের সফলতা ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ করা। আর ব্যক্তির সফলতা হলো পরকালে জান্নাত লাভ করা। প্রত্যেক কর্মীকে দা’য়ী ইলালস্নাহ হিসাবে ভূমিকা পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
    প্রধান আলোচকের বক্তব্যে শিবির সভাপতি বলেন, বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের গতি থামিয়ে দিতে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বাংলাদেশেও ইসলামী নেতৃবৃন্দের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করা হচ্ছে। সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশের ইসলামী নেতৃত্বকে ধ্বংস করার মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংস করতে চায়। তাদের এ ষড়যন্ত্র কোনভাবেই সফল হতে দেয়া হবে না।
    তিনি বলেন, আওয়ামী সরকার তাদের ছাত্র সংগঠনকে অবাধে সন্ত্রাস চালানোর লাইসেন্স দিয়ে দিয়েছে। একদিকে সরকারের অগণাতান্ত্রিক আচরণ অন্যদিকে তাদের প্রত্যেকটি অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাস-চাঁদাবাজীতে জনগন আজ অতিষ্ঠ। ছাত্রজনতার আন্দোলনের মাধ্যমেই আওয়ামী অপশাসনের জবাব দেয়া হবে।

    এ শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন হলে জানাজা নামায পরার লোকও খুজে পাওয়া যাবে না

     

     

    ‘আল্লাহই একমাত্র বিধানদাতা’ বলবে না আর জামায়াত ? (ব্যাখ্যা)

    গতকাল ৭ জুন নির্বাচন কমিশনের সাথে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের বৈঠকের খবর আজকে ৮ জুন প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদপত্রের রিপোর্টে বিভ্রান্তিকরভাবে পরিবেশনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী জনাব আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ আজ ৮ জুন ২০১০ নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেনঃ-

    “গতকাল ৭ জুন নির্বাচন কমিশনের সাথে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের বৈঠকের খবর আজকে ৮ জুন প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদপত্রের রিপোর্টে বিভ্রান্তিকরভাবে পরিবেশিত হয়েছে। এভাবে বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট পরিবেশন করা সংবাদপত্র ও সৎ সাংবাদিকতার নীতিমালার শুধু পরিপন্থীই নয়, পেশাগত সততা ও ন্যায়-নীতিরও বিরোধী। কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার এ ধরনের ন্যক্কারজনক ভূমিকা দু:খজনক। এ সম্পর্কে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো- নির্বাচন কমিশন জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ৬টি বিষয় ব্যাখ্যা চেয়ে জামায়াতে ইসলামীর নিকট পত্র দিয়েছিল। জামায়াতে ইসলামী সেগুলো সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের নিকট সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনের নিকট যে ব্যাখ্যা দিয়েছে সে সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনও একমত হয়ে গ্রহণযোগ্য মনে করছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। শুধুমাত্র নারী নেতৃত্ব সম্পর্কে জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রে যে ফুট নোট দেওয়া হয়েছিল তা গঠনতন্ত্রের অর্ন্তভূক্ত করার জন্য নির্বাচন কমিশন পরামর্শ দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ গ্রহণ করে তা গঠনতন্ত্রের অর্ন্তভুক্ত করতে জামায়াত রাজী হয়েছে।

    উল্লেখ্য যে, গত ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের যে সব ধারা ও উপধারা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন একমত হয়েছে এবং কোন আপত্তি করেনি, সেই সব ধারা সম্পর্কেও নির্বাচন কমিশন নতুনভাবে আপত্তি করে ব্যাখ্যা চেয়ে গত ২৪ জানুয়ারী-১০ জামায়াতে ইসলামীর নিকট একটি চিঠি পাঠিয়েছে। গতকালের বৈঠকে জামায়াত নেতৃবৃন্দ নির্বাচন কমিশনের সেই আপত্তির অত্যন্ত জোড়ালো ও যুক্তিপূর্ণ জবাব প্রদান করে তা খণ্ডন করেন। জামায়াত নেতৃবৃন্দের যুক্তি নির্বাচন কমিশন গ্রহণযোগ্য মনে করে একমত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। যা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রে বর্ণিত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও প্রস্তাবনা সবই ঠিক আছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের কোন ধারা ও উপধারাই আরপিও এবং সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বা পরিপন্থী নয়। এ সম্পর্কে গতকাল ৭ জুন নির্বাচন কমিশনের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পরে আমি সাংবাদিকদের সামনে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছি। তা সত্ত্বেও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অসৎ উদ্দেশ্যেই কয়েকটি পত্রিকায় আজকে প্রকাশিত রিপোর্টে গতকাল ৭ জুন-১০ নির্বাচন কমিশনের সাথে অনুষ্ঠিত জামায়াত নেতৃবৃন্দের বৈঠকের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে ‘গঠনতন্ত্রে আল্লাহর আইনের ধারা সংশোধনে রাজী জামায়াত’ এবং ‘আল্লাহই একমাত্র বিধানদাতা বলবে না আর জামায়াত’ ইত্যাদি যে সব মন্তব্য করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

    নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন গ্রহণ করার সময় জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ২য় ধারার ৫ উপধারার যে অংশটুকু আমরা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি সেই অংশটুকু বাদ দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ২য় ধারার ৫ উপধারার চূড়ান্ত বর্তমান রূপ সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলোসহ সকলের অবগতির জন্য হুবহু নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ

    “৫) আল্লাহ ব্যতীত অপর কাহাকেও বাদশাহ, রাজাধিরাজ ও সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মানিয়া লইবে না, কাহাকেও নিজস্বভাবে আদেশ ও নিষেধ করিবার অধিকারী মনে করিবে না, কেননা স্বীয় সমগ্র রাজ্যের নিরঙ্কুশ মালিকানা ও সৃষ্টিলোকের সার্বভৌমত্বের অধিকার আল্লাহ ব্যতীত অপর কাহারও আসলেই নাই।” অর্থাৎ এই অংশটুকু জামায়াতের গঠনতন্ত্রে চূড়ান্তভাবে বর্তমানে আছে।

    এ ছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ২য় ধারার ১ থেকে ৪ উপধারা পর্যন্ত আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও নিরঙ্কুশ ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রের ২য় ধারার (খ)-এর ১ থেকে ৭ উপধারা পর্যন্ত শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর নি:শর্ত ও একনিষ্ঠ আনুগত্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। একজন ধর্ম বিশ্বাসী মুসলমান হিসেবে এ আক্বীদা ও বিশ্বাস উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই।

    উপরের উদ্ধৃতি থেকে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হচ্ছে যে, সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলো বিভ্রান্তি সৃষ্টির অসৎ উদ্দেশ্যেই জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ২য় ধারার ৫ উপধারা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর মিথ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যে সব পত্রিকাগুলো জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক খবরগুলো অদৃশ্যমানভাবে প্রকাশ করে এবং জামায়াত সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর বনোয়াট রিপোর্ট তৈরি করে তা ফলাও করে দৃশ্যমানভাবে প্রচার করে সেই সব পত্রিকাগুলোই আজকে বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তারা জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ইসলামী আক্বিদা সম্পর্কিত কিছু কিছু ধারা উল্লেখ করে লিখে এই গুলো বাংলাদেশের সংবিধান এবং আরপিও পরিপন্থী। আবার যখন সেগুলো সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেয়া হয় তখন আবার লিখে ইসলামী আদর্শ থেকে জামায়াত সরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলোর এ ধরনের দ্বৈত ভূমিকা মানবাধিকার, পেশাগত সততা, নৈতিকতারও পরিপন্থী। সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলোর এ ধরনের ভূমিকা সততা ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। জামায়াতে ইসলামীর কোন কিছু তাদের কাছে পছন্দ বা গ্রহণযোগ্য না হলে তারা তার সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু এইভাবে অসৎ উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট প্রকাশ করা কোনক্রমেই তাদের উচিত নয়।

    আমরা আশা করি এ বক্তব্যের পরে সকল বিভ্রান্তির অবসান হবে এবং সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলোর কর্তৃপক্ষ অত্র প্রতিবাদটি যথাস্থানে ছেপে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।”

     
  • probirbidhan 08:43 on May 29, 2012 Permalink |
    Tags: , , , , , freedom fighters, , intellectuals, , Islami Chhatra Sangha, Islami Chhatra Shibir, Jamaat-e-Islami Ameer Motiur Rahman Nizami, kiiling, Pakistani army, , ,   

    Nizami admits there was genocide in ’71 

    The Daily Star May 29, 2012

    Julfikar Ali Manik and Rizanuzzaman Laskar

    Jamaat-e-Islami Ameer Motiur Rahman Nizami yesterday told the International Crimes Tribunal-1 that genocide was carried out during the Liberation War in 1971, but denied his involvement in the war crimes.

    Jamaat and its student wing Islami Chhatra Sangha, historically known as an anti-liberation force, actively collaborated with the Pakistani occupation army that committed nine-month atrocities to foil the birth of Bangladesh in 1971.

    But they always refrained from saying anything about the mass killing and genocide committed during the Liberation War.

    During the war, Nizami was the president of Pakistan ICS (now Islami Chhatra Shibir), which formed Al Badr, a band of collaborators, infamous for orchestrating the killing of intellectuals, according to historical records.

    নিজামী-কাদের মোল্লার বিচার শুরু–প্রথম আলো

    Nizami took an opportunity yesterday to address the Tribunal-1 as, after reading out of the charges against him, it asked whether he pleaded guilty or not.

    Otherwise, the man who for decades has been one of the country’s most recognised war crimes suspect sat quietly in the dock, intently listening to his charges read before him.

    “I want to clearly say that my role during the Liberation War did not extend beyond the sphere of political activities,” he told the tribunal.

    The “tragic incident” would not have taken place if the country’s power was handed over to the elected representatives of 1970 general election in the then East Pakistan, he said.

    The Jamaat chief, however, did not say his definition of the “tragic incident”.

    “This is a matter of investigation that whether Bhutto saheb used Yahya Khan or Yahya Khan used Bhutto [in 1971],” he told the tribunal.

    In 1971, Zulfiqar Ali Bhutto was the chief of Pakistani Peoples Party (PPP), which opposed Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman-led Awami League’s taking over power even after the AL won majority in 1970 national assembly polls.

    Yahya Khan, the Pakistan military dictator who was then the president of Pakistan, also refused to hand over state power to Awami League. Instead, he launched mass killing and genocide against Bangalees on the night of March 25, 1971.

    “We had no link to creating the situation of genocide at that time,” Nizami said. “Zulfiqar Ali Bhutto was the Nayak [key person] of the genocide.”

    Out of the 16 charges brought against Nizami, four pointed fingers at the Jamaat ameer for making speeches inciting members of Razakar, Al Badr and other auxiliary forces to commit atrocities during the Liberation War.

    Nizami told the court yesterday that the speeches mentioned in the charges were taken from newspapers.

    He said he had visited some places and delivered speeches in 1971 as the president of ICS. However, he did not “own” all his statements published in newspapers.

    The Sangram, mouthpiece of Jamaat-e-Islami, quoted Nizami on September 15, 1971, as saying: “Everyone of us should assume the role of a Muslim soldier of an Islamic state, and through cooperation to the oppressed and by winning their confidence we must kill those, who are hatching conspiracies against Pakistan and Islam.”

    About other charges including murder and torture, Nizami said the incidents took place neither in his presence nor with his knowledge.

    “I don’t think there is any scope of accusing someone of war crimes for his political role,” he said.

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel