Tagged: Meher Afroz Shaon Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 18:22 on November 14, 2015 Permalink |
    Tags: Meher Afroz Shaon, Ninit Humayun, Nishat Humayun,   

    Humayun Ahmed’s mural inaugurated 

    Actor Meher Afroz Shaon, with her sons Nishad and Ninit, unveils a mural of her late husband and prominent writer Humayun Ahmed on the occasion of his birthday yesterday at Nuhash Palli, Gazipur .

    Actor Meher Afroz Shaon, with her sons Nishad and Ninit, unveils a mural of her late husband and prominent writer Humayun Ahmed on the occasion of his birthday yesterday at Nuhash Palli, Gazipur .

    The 67th birth anniversary of popular author dramatist and filmmaker Humayun Ahmed was observed at Nuhash Palli in Gazipur yesterday with avid love and respect.

    Stars recall wordsmith Humayun Ahmed on his 67th birthday

    Hundreds of fans of the late writer gathered at Nuhash Palli from the morning in order to pay respect and observe the day.

    Story by Dhaka Tribune

    A mural of Humayun was unveiled at Nuhash Palli by Humayun’s wife and actor Meher Afroz Shaon and their sons Nishad and Ninit around 9:40am. After that, the family, accompanied by the fans, placed a floral wreath on his grave.

    Later, they cut a cake to celebrate the writer’s birthday in front of the mural.

    Humayun Ahmed’s birthday celebrated at Nuhash Polli 

    “I cannot tolerate the word “late” before his [Humayun’s] name. I think writers and artists such as him cannot die; they live forever through their works,” Shaon said.

    “I had wanted to build a mural in memory of Humayun. An organisation named Sona Rong took the initiative to build it and finished it fairly quickly. They built it using a photo of Humayun taken by photographer Nasir Ali Mamun.”

    She thanked everyone involved with the project for the work.

    The architect of the mural, Hafiz Uddin Babu, who was present on the occasion, said it was an honour to build the mural of the writer as he was a fan himself.

    “It is the first mural of any writer in the country. It took us around 25 days to complete the work. I hope to build more murals of Humayun Ahmed across the country.”

    Meanwhile, Shaon said she wanted the state to take initiatives to observe Humayun’s birthday around the country.

    “I believe the government should come forward and take it upon itself to celebrate the birth anniversary of Humayun. He was a national treasure, after all.”

    Earlier, the staff of Nuhash Palli lit 800 candles around the premises at 12:01am to celebrate Humanyun’s birthday. “This is how Sir [Humayun] liked to celebrate his birthday, so we are doing it to celebrate this day and to remember him,” said Saiful Islam Bulbul, manager of Nuhash Palli.

    Advertisements
     
  • probirbidhan 22:05 on May 31, 2015 Permalink |
    Tags: , Meher Afroz Shaon   

    ‘হুমায়ূন আহমেদের সহধর্মিনী, অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী নাট্য নির্দেশক মেহের আফরোজ শাওনের দিনরাত্রির খবর’ 

    ফাতেমা আবেদীন

    কলিংবেল বাজার সঙ্গে সঙ্গে একটা হুটোপুটির আওয়াজ পাওয়া গেল ঘরের ভেতর থেকে। কেউ একজন দৌঁড়ে এসে খুলতে চাইছে। দরজা খোলার পর দেখা গেল, মাথাভর্তি ঝাকড়া চুলের এক শিশু দরজা খুলতে চেষ্টা করছিল। অতিথি এলে সে খুব খুশি হয়। তাই সবার আগে দরজাটা তারই খুলতে ইচ্ছা হয়। ভেতরে উঁকি দিয়ে আরেক শিশুর দেখা পাওয়া গেল। খুব বিরস মনে তিনি একটা পরোটা খাওয়ার চেষ্টা করছেন। যেন না খেতে পারলেই বেঁচে যাবে।

    এটি এক হরতালের দিন। দখিন হাওয়ায় লিফটের পাঁচে পা দিয়ে এমন দৃশ্যই দেখতে পাই আমরা। হরতালের দিনগুলো অনেকটা ছুটির দিনের মতো কাটে এ বাড়ির সদস্যদের। ও হ্যাঁ দখিন হাওয়া কার বাড়ি এটা কি বলে দিতে হবে? বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বাড়ি এটা। প্রয়াত এই লেখকের বাড়িতেই আমরা হানা দিয়েছি। উদ্দেশ্য তার সহধর্মিনী, অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী নাট্য নির্দেশক মেহের আফরোজ শাওনের দিনরাত্রির খবর নেওয়া।

    দখিন হাওয়াতে পা দিয়েই আমরা বুঝে যাই, ‘হুমায়ূন আহমেদ নেই’ কথাটা একদম মিথ্যা। তিনি আছেন,তার দুই সন্তান, অগণিত বই, বাড়ির দেয়ালের ঝুলানো চিত্রকর্ম, দরজার সামনে ঝোলানো মুখোশ, সব জায়গায় তার অবাধ বিচরণ,তার ছোঁয়া।

    আমরা হুমায়ূন আহমেদকে খুঁজতে খুঁজতে মেহের আফরোজ শাওন ভেতর রুম থেকে এসে  বসলেন। সকালবেলার স্নিগ্ধতা তার সারা চোখেমুখে। আমাদের বসতে বলে নিজের ছেলে দুটোর খোঁজ নিলেন। বড় ছেলে নিষাদকে পরাটা খাওয়া নিয়ে একটু শাসন করলেন।

     শাওনের দিনরাত্রি

    হুমায়ূন আহমেদ চলে যাওয়ার পর শাওনের দিনরাত্রি একদম বদলে গেছে। ছেলেবেলায় তিনি ছেলেমানুষি করার সুযোগ পাননি এখন নাকি তাই করছেন। ইচ্ছা হলো রাত জেগে সিনেমা দেখছেন। গান শুনছেন, বই পড়ছেন, কিংবা স্ক্রিপ্ট লিখছেন। এগুলোকে তিনি নাম দিয়েছেন ছেলেমানুষী। অনিদ্রাদেবীর সঙ্গে সখ্য তাই রাতটা প্রায়শই নির্ঘুম কাটে। নির্ঘুম রাতকে কাজে লাগানোর জন্য স্থাপত্যকলার নকশা, স্ক্রিপ্ট লেখা, ফিল্ম দেখা সব কাজ এই রাতেই হয়। তবে রাত যতই জাগেন না কেনও কাজের খাতিরে খুব ভোরে শাওনকে উঠতেই হয়। শ্যুটিং থাকলে তো কথাই নেই। ভোরবেলা উঠে ছুটতে হয়। সেখানে কোনও হেলাফেলা নয়।

    মাঝে মাঝে নিষাদ নিনিতকে স্কুলে দিয়ে আসেন। লক্ষ্মী বাচ্চাদুটোও বেশ খুশী হয় যদি সকালে মা স্কুলে দিয়ে আসেন। দিয়ে ফিরে এসে নিজের কিছু কাজকর্ম নিয়ে বসেন। নইলে তিনবন্ধু মিলে যে আর্কিটেকচার ফার্ম দিয়েছেন সেখানে যান অথবা সাইটে কাজ দেখতে যান। এর মধ্যেই চলে নিত্যদিনকার খাওয়া দাওয়া গোছগাছ সবকিছু।

    ডেইলি রুটিন জানতে চাইলে হেসে ফেললেন শাওন। তার সেই অর্থে রুটিন নেই তবে এলোমেলো অগোছালো আচরণও নেই। একেকদিন একেকরকম কাটে তার। কোনওদিন সারাদিন কাটিয়ে দেন ছেলেদের সঙ্গে খুনসুটি করে কখনও বই পড়ে। আগেই বলেছিলেন, ছেলেবেলায় যে ছেলেমানুষিগুলো করা হয়নি সেগুলোই এখন চুটিয়ে করে নিচ্ছেন। দিনগুলো কাটুক অলস কিইবা এসে যায় তাতে। তবে নিজে যত অনিয়ম করুন না কেনও ছেলেদের বিষয়ে ভীষণ কড়া মা শাওন।

    ছেলেদের সার্বক্ষণিক দেখাশোনার জন্য তাকে সহায়তা করেন নীলা। নিষাদ নিনিতও নীলাকে বেশ পছন্দ করে। তবে মায়ের সান্নিধ্য পেলে দুই ছেলেকে আর পায় কে। বিশেষ করে নিষাদ মায়ের একদম ন্যাওটা। বাবা চলে যাওয়ার পর মাকে ঘিরেই সবসময় থাকতে চায় ছোট্ট নিষাদ। যদিও মা মনে করেন নিষাদ অনেক বড় হয়ে গেছে। এই পরিবারের বড় ছেলে এখন সে,সব দায়িত্বও তার।

    কথায় কথায় শাওন বললেন, বাইরে ঘোরাঘুরি একদম কমে গেছে। মাঝে মাঝে ছেলেদের সঙ্গে বাইরে খেতে যাওয়া হয়, সেটাও খুব কম। কাজ না থাকলে তিনি একদমই বের হতে চান না। দখিন হাওয়াতেই নিষাদ নিনিত আর তাদের প্রিয় পাঁচতলার চাচী,পাশের বাসার চাচী ও খেলার সাথীদের সঙ্গে কেটে যায়। এছাড়া ছুটির দিনগুলোতে তো সমবয়সী খালাতো-মামাতো ভাইবোনদের সঙ্গ আছেই।

    রাঁধুনী শাওন

    সমঝদার না থাকলে নাকি রান্না করা হয় না। ছেলেবেলায় পড়াশোনা, নাচ, গান, অভিনয় নানা চাপে তার রান্না করা হয়ে ওঠেনি। জীবনে প্রথম ডাল রান্না করা হয়েছিল হুমায়ূন আহমেদের সংসারে এসে। এই কীর্তিমান লেখক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক ও নাট্য নির্দেশককে খুশী করতেই তিনি ডাল রান্না করেছিলেন। এরপর তো তার পছন্দের সব রান্না শিখে নিয়েছিলেন। হুমায়ূন আহমেদ যা যা খেতে পছন্দ করতে সব রান্না করতেন। নুহাশ পল্লীতে বা বাসায় যেই রান্না করুক না কেনও একটা আইটেম শাওনের রান্না করা থাকতেই হবে। শাওনও বেশ যত্ন নিয়ে রান্না করতেন। হুমায়ূন আহমেদ চলে যাওয়ার পর প্রায় দুবছর কোনও রান্না করেননি শাওন।

    পরে আস্তে আস্তে নিষাদের দাবিতে ফিরেছেন রান্না ঘরে। নিষাদ নাকি বেশ সমঝদারের মতো বলে, মা নিউইয়র্কে থাকার সময় যে পাস্তাটা রান্না করতে,লবস্টার করতে ওটা এখন করো না। এই সমঝদার ভোজনরসিকের আব্দারেই শাওন এখন রান্নাঘরে ঢোকেন। সাধারণ তিন বেলার খাবার তো রান্নার লোকই করে শাওন করেন স্পেশাল আইটেমগুলো।

    কঠিন কাজ

    শাওনের জন্য কঠিন কাজ নাকি ছবি আঁকা। প্র্যাক্টিক্যাল খাতা আর স্থাপত্যকলার বাইরে কোনওদিন পেন্সিল ধরার সাহস করে উঠতে পারেননি শাওন। এই কাজটা বেশ কঠিন লাগে তার। বললেন পৃথিবীর তাবৎ কাজের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন কাজ। কি করে রং একটি ক্যানভাসে ছবি তৈরি করে এটি নাকি বিস্ময়ই। এর পর কঠিন কাজ ফিকশন লেখা। ও হ্যা কবিতা লেখাও নাকি বেশ কঠিন শাওনের কাছে। তবে স্ক্রিপটিং করে বেশ আনন্দ পান। গেলবার দেশের শীর্ষ এক দৈনিকের ঈদসংখ্যার জন্য একটি গল্পও লিখে ফেলেছিলেন। লেখালেখি কঠিন বললেও সহজ কাজের তালিকায় কিন্তু শাওনের লেখালেখিটাই রয়ে গেছে। নিষাদ নিনিতের সারাদিনের কাণ্ড বা টুকটাক ভালো লাগার গল্পগুলো ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখাটা নাকি একদম কঠিন নয়। বলা তো যায় না একদিন এই লেখা দিয়ে উপন্যাস রচিত হবে।

    নিষাদ, নিনিতের মা শাওন

    ইদানিং শাওনের সব পরিচয় ছাপিয়ে মা পরিচয়টিই প্রকট। যেকোনও অনুষ্ঠানে দুই ছেলেকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া। ওদের সঙ্গে বেশিরভাগ সময় কাটানো, সবমিলিয়ে সন্তানময় সময় তার। আমাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে নিনিত তার খাবারের বাটিটা নিয়ে হাজির। অর্থাৎ খাইয়ে দিতে হবে মাকে। নিনিতকে কোলে বসিয়ে খাইয়ে দিতে শুরু করলেন। তারপর শুরু করলেন, দুই ছেলের গল্প। একদম জেদি নয় এই বাচ্চাদুটো। নিষাদ খুব ইন্ট্রোভার্ট নিজের ভেতরে গুটিয়ে থাকতে পছন্দ করে আর একমাত্র চাওয়া মায়ের সান্নিধ্য। নিনিত আবার বেশ আমুদে একদম বাবার মতো। তার সব কাজ সবাইকে দেখাতে চায়, অতিথি আসলে আপ্যায়নের ভারটাও নিনিত নিজেই নিয়ে নেয়। লেগো দিয়ে খেলনা বানিয়ে অতিথির দৃষ্টি আকর্ষণ কিংবা মায়ের কিছু লাগলে ছুটে গিয়ে করার চেষ্টা সবই নিনিত করে।

    তবে দুটো ছেলের একজনও জেদি নয় বলে জানালেন শাওন। চাহিদাটাও নাকি একদম নেই। ছোটো বাচ্চাদের যেসব অহেতুক আবদার থাকে সেটাও তাদের দুজনের নেই।

    শাওন নিজে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন ওদের বই পড়ে শোনাতে। বন্দুক বা অন্যান্য খেলনার চেয়ে বই কিনে দেন বেশি। এর পর দুই ভাইকে বই পড়ে শোনান ঘুমানোর আগে। আর ওদের সঙ্গে কম্পিউটার গেমস খেলতেও ভীষণ আনন্দ পান।  ওদের সঙ্গে খেলেন স্পোর গেমস, ব্যাটম্যানসহ নানা গেমস। তবে ধ্বংসাত্মক খেলা একদম খেলতে দিতে চান না। এমনকি দীর্ঘদিন দুইভাইয়ের কোনও খেলনা বন্দুক ছিল না।

    নিনিতের প্রিয় খেলা লেগো দিয়ে বাড়িঘর তৈরি। নিষাদ কম্পিউটার গেমস পছন্দ করে বেশি। ইতোমধ্যে একবার অভিযোগ করেছে মায়ের কাছে নিনিত নাকি তার সব গেমস উল্টাপাল্টা করে দিয়েছে। তবে ভাইয়ের প্রতি যত অভিযোগই থাকুক না কেন ভাইকে আগলেও রাখে নিষাদই।

    পাশের জায়গাটা বাবার

    ছবি তোলার কথা বলতেই শাওন দুই ছেলেকে ডেকে নিলেন। নিষাদ-নিনিতও মায়ের সঙ্গে নানা ভঙিমায় পোজ দিচ্ছে। যদিও নিষাদ একদমই ছবি তুলতে চায় না। তবু মায়ের নির্দেশ অমান্য নয়। ছবি তোলার সময় শাওন  এক রহস্যের কথা জানালেন। বললেন, ছবি তোলার সময় নিষাদ সবসময় পাশের জায়গাটা বাবার জন্য রাখে। আমিও খেয়াল করলাম দরজায় দাঁড়িয়ে মায়ের সঙ্গে ছবি তোলার সময়  একটা বিশাল ফাঁকা জায়গা রেখে দুইভাই  দাঁড়িয়েছে। সোফায় বসে ছবি তোলার সময়ও পাশের চেয়ারটা ফাঁকা। নিষাদের বিশ্বাস বাবা এখানেই আছে। সত্যিই তো আমাদের চারপাশেই আছেন হুমায়ূন আহমেদ। মেহের আফরোজ শাওন,নিষাদ হুমায়ূন,নিনিত হুমায়ূন ও দখিন হাওয়ার চারপাশে তো রয়েছেনই বাংলাদেশের অগণিত মানুষের হৃদয়ে চিরআসন তার। তিনি আছেন সবসময়ের জন্য। তাই শাওনের ভাষ্যমতে তার সবগল্পগুলোই হুমায়ূন আহমেদের…

    ছবি: সাজ্জাদ হোসেন।

     
  • probirbidhan 19:16 on November 12, 2012 Permalink |
    Tags: , Meher Afroz Shaon,   

    Humayun Ahmed’s birthday Tuesday 

    DHAKA, Nov 12,2012 (BSS) 

    The 65th birthday of popular writer of Bengali literature, dramatist and renowned film producer Humayun Ahmed would be observed tomorrow.

    Different organizations and satellite channels have chalked out various programmes to observe his birthday. Channe-I has arranged a daylong fair at its Tejgaon office from 11 am.

    The programmes include song, dance, recitation, interview, painting, reminiscence and staging of drama. The Channe-i will directly broadcast these programmes from 11 am to 2 pm.

    Nuhash Palli to celebrate Humayun Ahmed’s birthday Nov 13

    Humayun Ahmed was born on November 13 in 1948 and died of colon cancer at a hospital in New York on July 19 this year.

    Majaharul Islam, owner of Annya Prokash, told BSS that a cake will be cut in memory of Humayun Ahmed at the Dhanmondi residence of late writer “Dakhin Hawa” at about one minute past midnight tonight.

    Gultekin cries for Humayun, still!

    Gultekin’s love for Humayun

    Ghetu Putro Kamola–movie review

    Photos of Humayun Ahmed and his families

     
  • probirbidhan 22:25 on October 12, 2012 Permalink |
    Tags: Meher Afroz Shaon, Tahura Ali   

    Nuhash Palli to celebrate Humayun Ahmed’s birthday Nov 13 

    The 64th birth anniversary of eminent writer late Humayun Ahmed will be observed at Nuhash Palli on November 13.

    To mark the day, his family initiated a month-long programme on Friday when eight medicinal plants were planted.

    His wife Meher Afroz Shaon and her mother Tahura Ali were present at Nuhash Palli in Gazipur.

    Sixty-four plants will be planted by November 13.

    Humayun died in New York on July 19 and was buried on July 24.

     

    Photos of Humayun Ahmed-Gultekin Khan-Meher Afroz Shaon-Ninit-Nishat-Nuhash-Shila-Bipasha-Nova

    গাজীপুর, অক্টোবর ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

    প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনকে সামনে রেখে নূহাশপল্লীতে বৃক্ষ রোপন শুরু করেছে তার পরিবার।

    শুক্রবার দুপুরে এখানে আটটি ঔষধি গাছ লাগিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করা হয়।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, মাওনের মা তহুরা আলী, বাবা মোহাম্মদ আলী, বিপন্ন উদ্ভিদ গবেষক ও সংরক্ষক অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

    আগামী ১৩ নভেম্বর হুমায়ূন আহমেদের ৬৪তম জন্মদিন। তার আগেই ৬৪টি গাছ লাগানো হবে বলে জানান মোহাম্মদ আলী।

    শুক্রবার দুপুরে শাওন ও তার বাবার পরিবারের লোকজন নুহাশপল্লীতে আসেন। হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত ও বৃক্ষ রোপনের পর বিকালে তারা ঢাকা ফিরে যান।

    অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, হুমায়ূনের স্মৃতি রক্ষার্থেই এসব বিলুপ্ত প্রজাতির ঔষধি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

    এর আগে ৪ অগাস্ট হুমায়ূন আহমেদের কবরের পাশে ও নুহাশপল্লীর প্রধান ফটকের পাশে ‘তালি পাম’ গাছের দু’টি চারা রোপন করা হয়। শুক্রবার সেখানে বুড়িপাম, বাঁশপাতা, কাক লিচু, মাস মাসুন্ডাসহ আটটি ঔষধি গাছ লাগানো হয়েছে।

    চিকিৎসা চলাকালে গত ১৯ জুন নিউইয়র্কে হুমায়ূন আহমেদ মারা যান। ২৪ জুলাই তাকে নিজ হাতে গড়া নুহাশল্লীর লিচু বাগানে দাফন করা হয়।

     
  • probirbidhan 17:58 on August 28, 2012 Permalink |
    Tags: , Meher Afroz Shaon   

    Humayun Ahmed’s chehlam observed in Nuhash Palli 

    গাজীপুর, অগাস্ট ২৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

    গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের চেহলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে মঙ্গলবার।

    এ উপলক্ষে দুপুরে নুহাশ পল্লীতে মিলাদ, দোয়া মাহফিল, কবর জিয়ারত ও বিভিন্ন এতিমখানার শিশুদের খাওয়ানো হয় বলে জানিয়েছেন নুহাশ পল্লীর ব্যবস্থাপক মো. সাইফুল ইসলাম বুলবুল।

    হুমায়ূন আহমেদের চেহলাম দুই পরিবারের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে করা হয়। হুমায়ূনের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন দুপুরে নুহাশ পল্লীতে এবং সাবেক স্ত্রী গুলতেকিন খান, তার ছেলে-মেয়ে এবং লেখকের মা-ভাইরা সন্ধ্যায় ঢাকার বনানীতে চেহলামের আয়োজন করেন।

    নন্দিত এই লেখক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ৬৪ বছর বয়সে গত ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের বেলভ্যু হাসপাতালে মারা যান। পরে তাকে নিজ হাতে গড়া নুহাশ পল্লীর লিচুবাগানে দাফন করা হয়।

    চেহলামে যোগ দিতে সোমবার রাতেই শাওন দুই ছেলেকে নিয়ে নুহাশ পল্লীতে আসেন। এ সময় তার সঙ্গে বাবা মোহাম্মদ আলী, মা তহুরা আলীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন।

    আশপাশের এতিমখানার শিশুরা সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কোরআন তেলাওয়াত শুরু করে। দুপুরে কোরআন খতম, কবর জিয়ারত ও দোয়া শেষে এতিমদের খাওয়ানো হয়।

    বৃষ্টিবিলাস ভবনের সামনে এতিম শিশুদের পাতে নিজহাতে খাবার তুলে দেন শাওন। এ সময় তার সঙ্গে দুই ছেলে নিষাদ ও নিনিত ছিল।

    পরে অশ্রুসিক্ত শাওন সাংবাদিকদের বলেন, “হুমায়ূন আহমেদ নিজ হাতে তুলে মানুষকে খাওয়াতে পছন্দ করতেন। আমার ও দুই সন্তানের কাছে তিনি বেঁচে আছেন। তার দেহটা নেই, কিন্তু তার আত্মা সবসময় আমাদের পাশে আছে।

    “লিচুবাগানে গিয়ে নিষাদ-নিনিত বাবার কবরে হাত বুলায়। আর বলে, আমরা বাবাকে আদর করছি মা।”

    শাওনের বাবা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী জানান, ভাত, গরুর মাংস ও মাষ কলাইয়ের ডাল দিয়ে এতিম শিশুদের খাওয়ানো হয়েছে। এই খাবার হুমায়ূন আহমেদের খুব প্রিয় ছিল।

    বিকালেই শাওন ও তার পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় ফিরে আসেন বলে জানান নুহাশ পল্লীর ব্যবস্থাপক বুলবুল।

     
  • probirbidhan 22:04 on August 23, 2012 Permalink |
    Tags: Meher Afroz Shaon   

    Gultekin Khan, family at Nuhash Palli (Humayun Ahmed’s grave) 

    BSS Gazipur August 23, 2012

    Relatives of noted novelist Humayun Ahmed including his ex-wife Gultekin Khan today visited his grave
    at Nuhas Palli here this morning.

    Humayun’s mother, two brothers, their wives, two sisters and Gultekin came here at 10am and offered Fateha at the grave of the celebrated writer who passed away on July 19 last.

    The novelist died of cancer at a New York hospital in the USA. He was buried at Nuhash Palli, countryside retreat, on July 24.

    But Gultekin Khan, who spent over 30 years of her life with Humayun, visited the grave today.

    Earlier, on Eid day Humayun’s wife Meher Afroz Shaon visited the Nuhash Palli with her children and relatives, and offered Fateha seeking divine blessings for the writer.

     

    Gultekin cries for Humayun, still!

    Gultekin’s love for Humayun

    Photos of Humayun-Gultekin-Shaon

     

    https://openblogbd.wordpress.com/2012/07/28/photos-of-humayun-ahmed-gultekin-khan-meher-afroz-shaon-and-their-children/

     
  • probirbidhan 04:24 on August 12, 2012 Permalink |
    Tags: Badshah Namdar, , Deyal, , Himu, Jostnya Jononeer Golpo, Maddyanno, Meher Afroz Shaon, Misir Ali, , Nuhash Polli,   

    The storytelling of Humayun Ahmed, a reader’s view 

    This slideshow requires JavaScript.

    Tusar Talukder
    It is much easier to give pain than to entertain. It was Humayun Ahmed who invariably regaled us with his innate power of storytelling. Some days ago I was thinking I would include an essay entitled ‘Golpokothok Humayun Ahmed‘ in my first book of selected essays. For this reason I desired to take an interview of Humayun Ahmed. Since I didn’t have any contact with him, I planned to make it through one of my favourite storytellers, Syed Manzoorul Islam. However, when I heard the news that Humayun Ahmed had been affected by colon cancer, I abandoned the hope of interviewing him. But I didn’t give up hope of penning an essay on his storytelling. Whenever I take interviews of different authors I question them about Humayun Ahmed.

    I can recollect the day when, in an interview, Professor Fakrul Alam said he did not support those who made very plain and general comments regarding Humayun Ahmed, who had proved his abilities in a number of novels like Jostnya Jononeer Golpo, Nondito Noroke and so on.

    Last year I was taking an interview of Syed Manzoorul Islam, an eminent litterateur and storyteller of Bangladesh. It was he who made me rethink Humayun Ahmed. Before this conversation I, like the average critic, was accustomed to believing that Humayun Ahmed wrote targeting a particular age group and that no work of Ahmed could scale literary heights. Syed Islam first told me that Humayun Ahmed was an author who followed our age-old tradition of story telling in lieu of story writing. Story writing is a form which has come to this region from the West. Humayun Ahmed discarded this borrowed form of story writing. He believed in the power of our culture, myths and tradition. He had a great passion for nature and his love of nature made him village centered. In many of his discourses he narrates the tales of rural people, avoiding the hustle and bustle of city life in search of integrity. He believed that the integrity which characterises village people is absent in urban people. The very design of Nuhash Polli is remarkable proof of it.

    Gultekin Khan cries for Humayun, still! Does Shaon?

    Photos of Humayun Ahmed-Gultekin Khan-Meher Afroz Shaon and their children

    Gultekin’s love for Humayun

    No controversy over Humayun Ahmed, please: Fakhrul, Mahfuz Anam

    Humayun Ahmed penned over two hundred books. Of course all of his novels or discourses will not achieve literary value because it is true that a writer cannot live in the hearts of his readers for all of his works but rather for a selected number of his noted works. Humayun Ahmed is noted for such creations as Nondito Noroke, Jostnya Jononeer Golpo, Badshah Namdar, Deyal, Maddyanno, Himu and Misir Ali sequel, et cetera. Syed Manzoorul Islam suggested that I read Badshah Namdar, a novel based on history. Humayun Ahmed has successfully proved that a novel can be written by taking history as the main ingredient. He distinguishes himself by a unique, simple literary diction that was quickly to become popular. His storylines often blend reality with supernatural episodes. This blend is in some ways similar to magic realism. He dealt with rural as well as urban life with equal intensity of observation.

    Frankly speaking, in the early 1980s when readers almost left off reading Bangla novels, except the literary works of Tagore, Sharat Chandra, Manik Bandhapadhay and their contemporary writers, it was Humayun Ahmed who caused a breakthrough in this system. Readers are compelled to read his tales due to his unique style of storytelling, which has a great resemblance to our oral tradition. And the way we speak has been portrayed in his novels or stories. Consequently, readers find their own life tales in those stories of Humayun Ahmed. The masses were directly involved in his discourses. Conversely, when people got bored watching the same kinds of stories in television dramas or serials, it was Humayun Ahmed who turned people from monotony by infusing wit or humour in his stories.

    A few months earlier when Syed Manzoorul Islam wrote a review in Prothom Alo after reading the press copy of Humayun Ahmed’s latest novel Deyal, some critics emerged to identify this novel as a narrative of dead history. Possibly they have skipped the story behind history or simply failed to understand the science of composing a historical novel. In addition to this, it is my request to them to go through the review of Syed Islam with much concentration in order to understand the strength of Humayun Ahmed as a creator of the historical novel. Readers may wonder about frequent references to Syed Manzoorul Islam in this write-up. The truth is I have learnt much about Humayun Ahmed’s style of story telling from him. And I think Syed Manzorul Islam has rightly evaluated him more than any other critic. Hence the repetition.

    Needless to say, a writer of huge number of works may fluctuate in maintaining a standard. But at the same time there is no way to deny that some works of such writers generally have such qualities that touch literary heights. A writer has strengths as well as weaknesses and our Ahmed is no different from it. However he had those strengths which we find in few storytellers in Bangladesh. We all know that Humayun Ahmed was harshly criticized for many of his works in his lifetime. But in future will it be possible to write the history of Bangla literature by discarding Humayun Ahmed? Of course not. I salute this magician of tale.

    Tusar Talukder is a free-lance writer and translator. E-mail: tusar.talukder@gmail.com.
     
  • probirbidhan 21:05 on August 4, 2012 Permalink |
    Tags: , case against Shaon, , Meher Afroz Shaon   

    No controversy over Humayun Ahmed, please: Fakhrul, Mahfuz Anam 

     

    Urging all not to create any controversy over Humayun Ahmed, BNP acting secretary general Mirza Fakhrul Islam Alamgir on Saturday said the legendary writer was an asset of the country and none should do anything which will defame him.

    “Humayun gave Bangla literature a different identity. With his unique writings and creation, he brought Bangla literature close to the people,” he said while addressing a commemorating discussion at a city hotel.

    Jasas, cultural wing of the main opposition party, organised the programme.

    The BNP leader said recently a case has been filed in Chittagong over the death, which was so unfortunate. “Everyone should refrain from such activities. None should defame writer’s personal life.”

    Mirza Fakhrul said Humayun Ahmed inspired the young generation to read books and country’s publication industry got life back due to his writings. “Humayun won the hearts of millions of Bengali speaking people and he will always remain in readers’ hearts. None will be able to harm his life and property.”

    The noted litterateur and filmmaker died at a New York hospital on July 19 while undergoing treatment. Later the celebrated writer buried at Nuhash Palli at Gazipur.

    On Thursday a lawyer filed a case with a Chittagong court blaming Humayun’s wife Meher Afroz Shaon and an owner of a publishing house for his death.

     

    An Appeal to Media Leaders

    An advocate, Nazrul Islam, filed a case in a Chittagong court, accusing the wife of Humayun Ahmed, Meher Afroz Shaon, and one Mazharul Islam, owner of publishing house Anya Prokash Ltd, for “killing the littérateur (Humayun Ahmed) in a planned way”. The basis of his case was reports of some newspapers (none of them mainstream), that tried to create sensation surrounding the famous writer’s death.

    Just when the nation was recovering from mourning the loss of its most popular novelist and one who has been honoured by people from all walks of life, we have this despicable example of trying to malign the family of our revered writer. It is beyond our understanding how can somebody who has no personal knowledge of the events, who was in Chittagong while the tragic events occurred in far away New York, who has no way of knowing anything, and whose only source of information is a few sensation-mongering newspapers, could bring murder charge against the wife of the deceased.

    Sadder still is the fact that one of our judges, who instead of dismissing the case because of its obvious lack of prima facie evidence, found, in his wisdom, enough reason to take cognizance of the case and refer it to the CID to carry out an investigation.

    But as a media person, I feel saddest about the fact that most national newspapers splashed this “news” in such a big way. What is the news here? Couldn’t we use our news judgment and see that the lawyer who filed this case was doing it for personal notoriety? Couldn’t we see that there cannot be any “credible” case filed by someone sitting in Chittagong about events unfolding in New York? Did the plaintiff travel to New York to gather any facts? Did he talk with anyone who had firsthand knowledge of it? As journalists, we had a duty to question the plaintiff as to the “evidence” he had to file such a case.

    According to his own claim, he filed the case basing on some newspaper reports. In fact, most of these so-called reports were comments, many of which were based on unsubstantiated remarks and some observations without attribution. And even these reports did not accuse anyone of “killing” the writer.

    We, as journalists must be extremely careful about people’s reputation. By publishing this “news” and especially by giving it such coverage (which was journalistically totally unethical), we have greatly damaged the reputation of the two persons, especially his wife, whose feelings we did not care about. This lady has just lost her husband, and at that moment an unknown lawyer files a murder case against her. What can be sadder than this? Is this how we show respect to Humayun Ahmed?

    We had no right to do this. Journalism is not just publishing reports of every occurrence. If it be so, then every charlatan would indulge in the most despicable of acts, hoping for a slot in our news hole. Every out-of-work lawyer would file “murder” or similar cases against every reputable person in the country, hoping to get published.

    We have a great responsibility of protecting people’s reputation, honour and dignity. In this case we have failed, and I bow my head in shame.

    Mahfuz Anam 
    Editor and Publisher,
    The Daily Star

     
  • probirbidhan 00:10 on July 28, 2012 Permalink |
    Tags: , , , , magician M A Jalil, Meher Afroz Shaon, Ninith, Nishad, , , Shah Abdul Karim, Shila, Tahura Ali MP   

    Photos of Humayun Ahmed-Gultekin Khan-Meher Afroz Shaon-Ninit-Nishat-Nuhash-Sheila-Bipasha-Nova 

    Gultekin cries for Humayun, still!

    Gultekin’s love for Humayun

     
  • probirbidhan 20:39 on July 27, 2012 Permalink |
    Tags: , , Meher Afroz Shaon, , , , , Sheela   

    Children of Humayun Ahmed-Gultekin visit his grave at Nuhash Palli 

    Children of Humayun Ahmed visit the grave of their father at Nuhash Palli in Gazipur on Friday afternoon. Photo: Focus Bangla

    The Daily Star Online July 27, 2012

    Bipasha, Nova, Sheela and Nuhash — children of illustrious writer and filmmaker Humayun Ahmed –– visited the grave of their father at Nuhash Palli in Gazipur Friday afternoon.

    The four children from the first wife of Humayun visited the grave a in a litchi garden around 2:00pm, Bangla daily Prothom Alo reports.

    নুহাশপল্লীতে গুলতেকিনের চার সন্তান

    Nuhash Palli has become flooded on the holiday with visitors who came there from different places to pay tributes to their beloved writer, said Saiful Islam Bulbul, manager of the Palli.

    Mohammed Murtoza, an officer of a private bank, accompanied by his families and friends went to the Palli from Mohammadpur to pay tribute to their favorite writer.

    “I am a Himu,” Murtoza said in tears while visiting the grave of the creator of Himu.

    Rukhsana, a housewife of Bhaluka upazila in Mymensingh, went there to pay respect.

    “I have read many books and watched dramas of my favorite writer. I’m here to pay respect,” She said while shedding tears near his grave.

    Next book fair to be dedicated to Humayun

    Earlier on Tuesday, the illustrious storyteller was laid to rest in the serenity of his favourite retreat Nuhash Palli.

    Humayun Ahmed, 64, who was a chemistry teacher at Dhaka University before getting fully involved in writing, died at Manhattan’s Bellevue Hospital due to infection in the lungs following two surgeries for colon cancer.

     

    July 27 (bdnews24.com)

    Humayun Ahmed’s four children from his first wife have offered fatiha at the grave of the celebrated writer and filmmaker at his Gazipur retreat Nuhash Palli.

    Daughters Nova Ahmed, Sheela Ahmed, Bipasha Ahmed and son Nuhash Humayun, after whom the retreat, about an hour outside Dhaka, is named, were all present.

    “His (Humayun Ahmed) grandchildren are also with them,” Nuhash Palli Manager Saiful Islam Bulbul told bdnews24.com on Friday referring to Nova and Sheela’s children.

    Though Nova, Sheela and Nuhash were present during their father’s burial, Bipasha could not attend since she was still in the USA with her mother Gultekin Khan.

    Humayun Ahmed’s first wife Gultekin Khan and their daughter Bipasha returned to Bangladesh from the US on Thursday. But Gultekin did not come to Nuhash Palli on Friday, Bulbul said.

    After spending two days at the resort, the writer’s second wife Meher Afroz Shaon returned to Dhaka on Thursday.

    Shaon, her two sons Nishad and Ninit, and her mother Tahura Ali, an MP, started for Dhaka Thursday afternoon.

    Humayun Ahmed, 64, died at a hospital in the US on July 19 after a nearly ten-month battle against colon cancer. He was buried at Nuhash Palli on Tuesday.

    The writer’s burial triggered a dispute between his second wife Meher Afroz Shaon and his other relatives. They were divided over where to lay him down and it was decided only after a day-long drama that went as high as the prime minister who delegated a state minister to resolve the issue.

    The issue was finally resolved around 3am.

    Humayun’s three children from his first wife wanted their father to be buried somewhere in Dhaka so that everyone could visit his grave easily.

    Humayun married Gultekin in 1973. They got divorced in 2003 after the writer was said to be in the middle of an affair with Shaon, his daughter Sheela’s best friend. He married Shaon after two years.

     
  • probirbidhan 22:12 on July 25, 2012 Permalink |
    Tags: , Meher Afroz Shaon, Ninit Ahmed, Nishad Ahmed, Nova Ahmed, , Sheela Ahmed   

    Gultekin Khan in Dhaka after Humayun Ahmed’s burial 

    Dhaka, July 25 (bdnews24.com)

    Humayun Ahmed’s ex-wife Gultekin Khan arrived in Dhaka on Tuesday night with their youngest daughter Bipasha Ahmed.

    The celebrated writer’s younger brother Ahsan Habib on Wednesday confirmed bdnews24.com about their arrival from the United States.

    ‘জীবনের শ্রেষ্ঠ নারী গুলতেকিন’

    অভিমানে আড়ালেই রয়ে গেলেন গুলতেকিন

    আমেরিকায় থেকেও হুমায়ূনকে দেখতে যাননি গুলতেকিন

    গুলতেকিন হুমায়ূনকে ভীষণ ভালোবাসতেন যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়

    গুলতেকিন কি হুমায়ূন আহমেদকে ক্ষমা করতে পেরেছেন?

     

    The virtuoso playwright-movie director was buried on Tuesday at his self-nurtured sanctuary Nuhash Palli in Gazipur.

    His three children with Gultekin, Sheela Ahmed, Nova Ahmed and Nuhash Humayun, were present during the burial along with Humayun’s wife Meher Afroz Shaon and two sons Nishad Ahmed and Ninit Ahmed. The writer’s two brothers, Muhammad Zafar Iqbal and Ahsan Habib, and two sisters also attended the burial.

    Humayun Ahmed died on Jul 19 at a New York hospital after battling with cancer for about nine months. His first Namaz-e-Janaza was held there.

    The second and third funeral prayers were held respectively at National Eidgah ground after Shaon arrived with Humayun’s remains on Monday morning and at Nuhash Palli on Tuesday before his burial there.

    In the last few days, family members were divided on the issue of Humayun’s burial site. Shaon claimed Humayun’s last wish was to be buried at Nuhash Palli while the writer’s children with Gultekin wanted their father to be buried at the Martyred Intellectuals Graveyard at Mirpur in Dhaka, which is easily accessible to all.

    At 2:30am on Tuesday, after long negotiations, Zafar Iqbal told the media they had decided to bury Humayun at Nuhash Palli, adding that they did not want to get the burial delayed anymore.

    Humayun married Gultekin in 1973. Humayun in 2005 married actress Shaon, who was also a friend of their daughter Sheela, after they got divorced in 2003.

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel