Tagged: rape Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 17:53 on August 4, 2015 Permalink |
    Tags: acid violence, , fatwa, , , rape, sexual violence, suicide   

    জুলাই মাসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৫ জন! 

    বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের দেওয়া তথ্য মতে, জুলাই মাসে মোট ৩৬৮ জন নারী বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ৮৩টি। গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৫ জন। আর ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৯ জনকে। এ ছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ১৯ জনকে। শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন ১০ জন। যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন একজন।

    আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সংস্থাটির লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংর‌ক্ষিত ১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

    মহিলা পরিষদ বলছে, ওই মাসে ৬২ নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪১ জন নারী। এদের মধ্যে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে ১৯ জনকে। অ্যাসিড দগ্ধ হয়েছেন ৪ জন। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৬টি। নারী ও শিশু পাচার হয়েছে ৪ জন। এর মধ্যে যৌনপল্লিতে বিক্রি করা হয়েছে ২ জনকে। গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪ জন। এর মধ্যে হত্যা করা হয়েছে দুজনকে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই সময়ের মধ্যে উত্ত্যক্ত করা হয়েছে ২৪ জনকে। এর মধ্যে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন একজন। ফতোয়ার শিকার হয়েছেন ৭ জন। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ২৬ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন এবং নয়জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাল্য বিয়ের শিকার হয়েছে ৩ জন। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দুজন। শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে ৩০ জনকে।

    Advertisements
     
  • probirbidhan 17:12 on July 2, 2015 Permalink |
    Tags: Bangalee culture, groping, molestation, Pohela Boishakh, rape, sexual assault, , TSC   

    যৌন নির্যাতনঃ পহেলা বৈশাখ ও আমাদের রক্ষকরা 

    and we say nothingপ্রথম আলোর এই রিপোর্টটি ভয়ংকর সব তথ্য দিচ্ছে।

    বাংলা বর্ষবরণের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় পুলিশকে দোষারোপ করেছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটি। তাদের দাবি, ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরামর্শ অনুসারে পুলিশ প্রশাসন দায়িত্ব পালন না করায় ওই ঘটনা ঘটেছে।
    হাইকোর্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটি ওই ঘটনার তদন্ত করে।
    বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৬ এপ্রিল স্বতঃপ্রণোদিত আদেশে পয়লা বৈশাখে নারী লাঞ্ছনার ঘটনা তদন্ত করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পৃথক প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী এ এফ এম মেজবাহউদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। এ বিষয়ে ৭ জুলাই পরবর্তী আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত।
    আইজিপির পক্ষ থেকে গত ১৮ মে হাইকোর্টে ওই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত কমিটি গঠন এবং শাহবাগ থানায় মামলা করেছে। এ ছাড়া পুলিশের কোনো গাফিলতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    ১৯ এপ্রিল গঠিত পুলিশের তদন্ত কমিটি নারী লাঞ্ছনার ঘটনার জন্য পুলিশের অবহেলাকে দায়ী করে। ৭ মে এই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারকে দেওয়া হয়। এই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলার জন্য শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে এবং চার পুলিশ কর্মকর্তাকে সতর্ক করা হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় জড়িত কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
    ঘটনা পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার আগের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পূর্বের অভিজ্ঞতার আলোকে পরামর্শ করেন। ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুলিশকে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু ওই পরামর্শ অনুসারে পুলিশ প্রশাসন দায়িত্ব পালন না করায় ওই ঘটনা ঘটেছে।
    পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনারকে ‘একেবারেই নতুন’ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।
    প্রতিবেদনের এই মন্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার আবদুল বাতেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি এখনো প্রতিবেদন হাতে পাইনি। প্রতিবেদন হাতে না পেয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’
    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন এলাকায় পুলিশের ১৯টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা ছিল। কিন্তু এর মাত্র একটির ফুটেজেই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যায়। এতে মনে হয়, ওই সিসি ক্যামেরাগুলো কেউ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে না।
    ওই দিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র দুজন পুলিশ সদস্যকে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য লাঠিপেটা করতে দেখা গেছে। সন্ধ্যা সাতটার পর পুলিশের সংখ্যা বাড়ে। সাতটা ছয় মিনিটে সাদাপোশাকের এক পুলিশ সদস্য এক শ্লীলতাহানীকারীকে ধরার পরও ছেড়ে দেন। কিন্তু কাউকে আটক করা বা থানায় নেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় মনে করে, পয়লা বৈশাখের নারী লাঞ্ছনার ঘটনা একটি ‘সংঘবদ্ধ চক্রের পরিকল্পিত কাজ’। লাঞ্ছনাকারীদের মধ্যে এ বিষয়ে আগে থেকে বোঝাপড়া ছিল।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটির প্রধান সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) নাসরীন আহমাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘যা বলার প্রতিবেদনেই বলে দেওয়া আছে। এর বাইরে আমাদের কোনো কথা নেই।’ এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান, শিক্ষাবিদ মাহফুজা খানম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক নীলিমা আকতার ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক আফরীন চৌধুরী।
    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি লিটন নন্দী ও অন্য প্রত্যক্ষদর্শী, প্রক্টর, রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ ও রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, একই হলের নিরাপত্তাকর্মী, শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বক্তব্য এবং ৪, ৫ ও ১৬ নম্বর সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে এসব পর্যালোচনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে লিটন নন্দীসহ যাঁরা লাঞ্ছনাকারীদের প্রতিহত ও নারীদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন, তাঁদের প্রশংসা করা হয়।
    প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘১৩ এপ্রিল দিবাগত রাত থেকে ১৪ এপ্রিল সারা দিন ক্যাম্পাসে অবস্থান করে ওই অনুষ্ঠান মনিটরিং করেছেন প্রক্টর। তবে সন্ধ্যার আগে-পরে ঘটে যাওয়া ঘটনার গুরুত্ব তিনি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেননি বলে মনে হয়। এ কারণে তিনি ঘটনাস্থলে না গিয়ে প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিম পাঠিয়েছেন, অতিরিক্ত পুলিশের ব্যবস্থা করেছেন, কিন্তু সহকারী প্রক্টরদের ডেকে আনার প্রয়োজন মনে করেননি। পরিস্থিতি শান্ত হলে রাত নয়টার পর উপাচার্যকে জানিয়েছেন।’ প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘সহকারী প্রক্টররা ওই দিন বিকেলে উপস্থিত থাকলে প্রক্টরকে এককভাবে এই ‘নিন্দনীয়’ ঘটনার জন্য দায়ী করা হতো না এবং উপাচার্যকে খবর পেয়েই অবগত করলে ঘটনা দ্রুত দমন করা যেত। তবে গণমাধ্যমের কাছে মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রক্টরের সংযত হওয়া উচিত ছিল।’
    বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক এম আমজাদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন না করার বিষয়টি ঠিক নয়। কেননা, আমি ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নিয়েছি। পুলিশ পাঠিয়েছি। উপাচার্য তখন একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন, যে কারণে তাঁকে জানানো হয়নি। আমি আমার মুঠোফোনের কললিস্ট জমা দিয়েছি। পুলিশকে ফোন করার বিষয়টি সেখানেই রয়েছে।’
    আট দফা সুপারিশ: বর্ষবরণের ওই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে জন্য আট দফা সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে: দোষী ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ যাতে আরও সক্রিয় হয়, এ জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভবিষ্যতে পয়লা বৈশাখের দিন ভোর ছয়টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ থাকতে হবে। এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে শাহবাগ থানায় পুলিশের ‘ঝটিকা বাহিনী’ প্রস্তুত থাকতে হবে।
    সুপারিশে বলা হয়েছে, পয়লা বৈশাখের আগের দিন থেকে বাইরের দোকান বা কোনো কোম্পানি পণ্যসামগ্রীর বিজ্ঞাপনের গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঢুকতে পারবে না। প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর এবং তাঁদের নির্ধারিত পোশাকের ব্যবস্থা করারও সুপারিশ করা হয়েছে।

     
  • probirbidhan 19:21 on May 31, 2015 Permalink |
    Tags: Iraq, IS, Islamic state, , rape   

    আইএস-এর কাছে অল্পবয়সি পবিত্র-যোনির চাহিদা একেবারে তুঙ্গে! 

    মেয়েদের রেট চার্ট বানিয়ে ফেলেছে এক ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আইএস। যৌন ক্রীতদাসীর বাজার বসাচ্ছে হপ্তায় দু’তিন দিন। সবচেয়ে বেশি দাম এক থেকে ন’বছরের মেয়েদের।

    সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

    মিশেল ওবামার দাম ৪০ মার্কিন ডলার। এর বেশি হতেই পারে না। সুন্দরীদের ভিড়ে অমন মহিলার দাম ৪০ ডলার, এই অনেক।— বলে কী! আমেরিকার ফার্স্ট লেডি-র দাম ধার্য হয়েছে! পশ্চিম এশিয়ার আইএসআইএস (ISIS) জঙ্গিগোষ্ঠী, এখন আইএস নামে বিশ্ব-কুখ্যাত, তা-ই দাবি করছে। সম্প্রতি তাদের পত্রিকা ‘দাবিক’-এ একটি লেখায় বলা হল, তাদের বাজারে যে মেয়েরা বিক্কিরি হচ্ছে, তাদের রূপের পাশে মিশেলের দাম ৪০ ডলার ছাড়াবে না।
    বাজার মানে? মেয়েদের বাজার? আজ্ঞে হ্যাঁ, ইরাকের মসুল শহরে, সিরিয়ার রাক্কা শহরে বসছে যৌন-ক্রীতদাসী বাজার। সেই মেয়েদের যেমন খুশি, যখন খুশি ভোগ বা ধর্ষণ করা যায়, যৌন-আদেশ করা যায়, সে আদেশ না মানতে চাইলে পেল্লায় মেরে গায়ের ছালচামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া যায়, পালাতে চাইলে গুলি করে মেরেও ফেলা যায়।
    মিশেল ওবামাকে নিয়ে ওই কদর্য কথাটি লিখেছিল যে, সে এক জন মহিলাই। এক জেহাদির স্ত্রী। ওই ‘৪০ ডলার’ দামটা তার মাথায় এল কী করে? কেন, রেট-চার্ট আছে তো! কোন ধরনের মেয়েদের কত দাম, একেবারে পষ্টাপষ্টি বলে দেওয়া আছে! যেমন রোলের দোকানে এগ রোল মাটন রোল চিকেন রোলের দাম বাইরেই টাঙানো থাকে! চূড়ান্ত অশিক্ষা আর ঔদ্ধত্য মিশিয়ে, এই ইসলামিক স্টেট (হ্যাঁ, এই সংগঠন নিজেদের এখন ‘স্টেট’ বলতে ভালবাসে)— যারা কিনা ইরাক, সিরিয়া আর ইয়েমেন-এর অনেকখানি জায়গা দখল করে নিয়ে ‘ইসলামি সাম্রাজ্য’ বিস্তার করতে চাইছে, আর প্রথম বিশ্বের তাবড় উন্নত, সভ্য, শিক্ষিত দেশ থেকে ফুসলে আনছে তরুণ-তরুণী জঙ্গি, আর সারা বিশ্বের মাস্তান দেশগুলোর ঘুম ও ঘিলু শুষে নিয়েছে— তাদের ‘সাম্রাজ্যে’ দাপিয়ে বুক ফুলিয়ে চালু করে দিচ্ছে খোলা বাজারে মেয়ে কেনাবেচার দুরন্ত ব্যবসা।
    মেয়েও তো অঢেল, অভাব নেই। আইএস জঙ্গিরা ইরাকের উত্তর প্রান্ত অধিকার করে সেখানকার সংখ্যালঘু ইয়েজিদি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনকে বন্দি করছে। তার পর মেয়েদের তাদের পরিবারের থেকে আলাদা করে রাখছে অন্য জায়গায়। তার পর বিক্রি করছে চড়া দামে। মেয়েগুলিকে ভোগ করছে একাধিক আইএস জঙ্গি সৈন্য বা সদস্য। বিদেশি জঙ্গিদের হক আগে। কারণ তাদের ফুসলে আনার জন্য অনেক বেশি চেষ্টা করতে হয়েছে।
    ‘ইয়েজিদি ও খ্রিস্টান মেয়েদের তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন ক্রীতদাসী করলে তাতে পাপ তো নেই-ই, বরং পুণ্য আছে, কারণ এই সম্প্রদায়ের মানুষরা ইসলাম অমান্য করে অন্য ধর্ম পালন করেছে। ব্যস, তাদের তো উচিত শিক্ষা দিতেই হবে।’ ইন্টারনেটের একটি সাইটে আইএস এ রকম ভূরি ভূরি যুক্তি দিয়েছে। বলেছে, ‘যে সব পরিবার কাফের, তাদের বন্দি করে বা অধিকার করে দাস বানানো এবং তাদের মেয়েদের রক্ষিতা করার অধিকার শরিয়তে দেওয়া রয়েছে।’
    ওয়েবসাইট আরও বলছে, ‘আমরা খবর পেয়েছি, নারী এবং গরুর বাজারে চাহিদা বিস্তর কমে গেছে, এবং এর ফলে ইসলামিক স্টেট-এর রাজস্বে টান পড়বে, টান পড়বে মুজাহিদিনদের যুদ্ধের রসদেও। এই অবস্থায় আমরা (বাজারদরের) কিছু পরিবর্তন করছি। ইয়েজিদি ও খ্রিস্টান মেয়েদের দাম নীচে দেওয়া হল।’
    ১ থেকে ৯ বছরের মেয়েদের দাম ১৭২ মার্কিন ডলার, ১০ থেকে ২০ বছরের মেয়েদের দাম ১২৯ ডলার, ২০ থেকে ৩০ বছরের মেয়েদের দাম ৮৬ ডলার, ৩০ থেকে ৪০ বছরের মেয়েদের দাম ৫৬ ডলার, আর ৫০ বছরের ওপরের মেয়েদের দাম ৪৩ ডলার। এক জন তিনটির বেশি যৌন ক্রীতদাসী রাখতে পারবে না। শুধু বিদেশি জঙ্গিদের ক্ষেত্রে এবং তুরস্ক ও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে যারা জঙ্গি হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। তারা তিনের বেশি ক্রীতদাসী রাখতে পারে।
    এক বছরের মেয়ে? তিন বছরের মেয়ে? — এরা যৌন ক্রীতদাসী?! এদের শরীর থেকে কী যৌন তৃপ্তি আদায় করে নেবে এরা? কতখানি অমানুষ হলে এদের ওপর চড়াও হওয়া যায়! অনেকে বলছেন, না না, এদের তখনই ভোগ করা হয় না, নাইয়ে খাইয়ে ডাগরডোগর করে বড় করে বেচে দেওয়া হয় অন্যের ভোগের জন্য। এদের কেনা হচ্ছে ‘বিনিয়োগ’ হিসেবে। আর, বেশি বছর তো অপেক্ষা করতে হবে না। কারণ, অল্পবয়সি পবিত্র-যোনির চাহিদা একেবারে তুঙ্গে!
    এই অল্প-বয়সটা ঠিক কত বয়স হতে পারে? তারও উত্তর দিয়েছে আইএস তাদের ইস্তাহারে। প্রশ্ন আছে— যে মেয়ে ঋতুমতী হয়নি তার সঙ্গে সঙ্গম কি উচিত? উত্তরে বলা হয়েছে— যদি সেই মেয়ের শরীর সঙ্গমের জন্য প্রস্তুত থাকে, তবে ঋতুমতী না হলেও তাকে ভোগ করা যায়। যেমন, পঞ্চাশ বছরের এক জন জঙ্গি আট বছরের ফাদিদাকে কিনে নিয়ে গিয়েছিল, বলেছিল তাকে মেয়ের মতো রাখবে। সেই লোকটিই রাতে ফাদিদাকে খাইয়েদাইয়ে হাত ধরে শুতে নিয়ে গিয়েছিল নিজের ঘরে। কী কী যেন করছিল, ফাদিদার খুব কষ্ট হচ্ছিল। সকাল বেলায় ফাদিদা দেখে তার উরু বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে রক্ত, আর খুব কষ্ট সারা শরীরে। তার পর প্রায়ই এই যন্ত্রণা তাকে সইতে হয়েছে। দগ্ধে দগ্ধে বেশ কিছু দিন কেটেছে। তার পর এক দিন সে উদ্দেশ্যহীন ভাবে হাঁটতে শুরু করে। রাক্কা শহরের কোনও এক দরজায় ঘা দিয়ে আশ্রয় চায়। সেই পরিবার তাকে আশ্রয় দিলেও ফাদিদার পরিবারের কাছ থেকে মোটা টাকা নিয়ে তবে ছেড়েছে তাকে। সে এখন একটা ক্যাম্পে থাকে। চিকিৎসা চলছে। প্রথম যখন পরিবারের লোক তাকে পায়, আর ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবীদের সাহায্য চায়, তখন টানা দু’দিন আবোলতাবোল বকে গিয়েছিল ফাদিদা। তার পর দু’মাস একটাও কথা বলেনি।
    কিংবা ওই যে ন’বছরের মেয়েটা, যাকে বেশ কিছু দিন ধরে দশ জন জঙ্গি লাগাতার ধর্ষণ করেছে, সে এখন অন্তঃসত্ত্বা। তাকে উদ্ধার করা হয়েছে বটে, কিন্তু এই নিষ্ঠুর সত্যিটা সবাই নিশ্চিত করেই জানে যে, এক দিন কিতকিত খেলার বদলে বাচ্চার জন্ম দিতে গিয়ে সে মরে যাবে। এই অবস্থায় তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়। গর্ভপাত করাতে গেলেও মরবে, বাচ্চার জন্ম দিতে গেলেও মরবে।
    আর এই সব মেয়েদের লুটেপুটে ভোগ করাই নাকি চূড়ান্ত আনন্দের। নানা বয়সের জঙ্গিদের এটাই মত। বয়সে যত কচি, ভোগে তত আনন্দ— ‘আরে একটু বড় হয়ে গেলেই তো মেয়েরা বুঝতে পারে, রেপ কাকে বলে, যৌন অত্যাচার কাকে বলে। কিন্তু ছোট্ট মেয়েগুলো তো বুঝতেও পারে না। আর সেটাই আসলি মজা। আহাহা, ওই নিষ্পাপ ইনোসেন্সটাই তো কিক দেয়।’
    তা হলে এ তো কেবল বিচ্ছিন্ন কয়েক জনের মানসিক বিকৃতির ঘটনা নয়। এ তো শ’য়ে শ’য়ে ছেলের চাহিদা, যা জেহাদের নামে পূরণ করছে আইএস। ঠান্ডা মাথায় মেয়েদের তুলে নিয়ে এসে ঠুসে দিচ্ছে বদ্ধ হলঘরে বা কোনও উচ্চপদস্থ জঙ্গির ডেরায় কিংবা পরিত্যক্ত কারখানা বা পতিতালয়ে। তার পর তাদের নিলাম হচ্ছে। অনেক সময়ে নিলামের বদলে, বসে ‘রেপ লটারি’র আসর। ওই ওই আট বছরের মেয়েটা, আর ও দিকের কোনায় বছর কুড়ির যৌবনবতী, আর ডান দিকের তিন নম্বর জানলার নিচে ওই বেশি তেজ দেখানো ডাগর মেয়েটা? নিয়ে আয় এদের। বাকিগুলো ভয়ে কাঁপুক, কবে ওদের নম্বর উঠবে।
    যারা ‘নির্বাচিত’ হল, তাদের নিদান আসে স্নান করার। বলি দেওয়ার আগে যেমন স্নান করানোর রেওয়াজ আছে বহু ধর্মে। মেয়েদের স্নান করতে বললেই তাদের বুক ঢিপঢিপ, পেট গুড়গুড়। এই বার নেমে আসবে সেই ভয়ংকর খাঁড়া। অমান্য করেছ কী মার! চাবুক, লাঠি, চুল ধরে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া, দেওয়ালে মাথা ঠুকে দেওয়া। এ সবের পর ব্যথা, জমাট রক্ত, খিদে আর তেষ্টা নিয়ে অন্ধকার কুঠুরিতে পড়ে থাকা। একটু ভাল হলেই ফের স্নান।
    জালিলা, বছর কুড়ির তরুণী, অনেক কাকুতি-মিনতি করেছিল ছেড়ে দেওয়ার জন্য। সাত জন ভোগ করার পর একটু নিস্তার মিলেছিল তার। আবার রাসিদা যখন জানল যে আজ তার পালা, তখন সে মরিয়া, কী করে পালাবে। না পারলে অন্তত মরে তো যাওয়াই যায়। স্নান করতে গিয়ে খুঁজে পেল একটা শিশি, তাতে বেশ কিছুটা উগ্র গন্ধের তরল। আঁচ করল, নিশ্চয়ই বিষ। জলে মিশিয়ে সে আর বাকি মেয়েরা গলায় ঢেলে দিল। কিন্তু এমনই ভাগ্য যে অসুস্থ হয়ে পড়লেও কেউ মরল না। ভেজাল বিষও বিট্রে করল।
    এগারো বছরের জামার কিন্তু মরতে পেরেছিল। গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে বাথরুমে গিয়ে কোনও মতে ঝুলে পড়েছিল। অবশ্য তার আগে কয়েক জন জঙ্গি তাকে বেশ করে ভোগ করে নিয়েছিল। তাদের পয়সা পুরোটা জলে যায়নি। ওয়াফা নামের এক তরুণী অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-কে জানিয়েছে, সে আর তার বোন এক দিন রাতে দুজনে গলায় ওড়না জড়িয়ে একে অন্যের ওড়না ধরে টানছিল। জীবনের শেষ শক্তি জড়ো করে। কিন্তু ঘরের অন্য মেয়েরা ঘুম থেকে উঠে পড়ায় তাদের আর মরা হয়নি। এর পর মাসখানেক দুই বোনই আর কথা বলতে পারেনি।
    জয়নাব অবশ্য পালিয়ে বেঁচেছিল। বাঁচার আগে সাত বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। তিন বার হাতের শিরা কেটে, আর বেশ কয়েক বার গলার ফাঁস দিয়ে। পারেনি। প্রত্যেক বার বাঁচিয়ে নিয়েছিল ওর প্রভুরা। আর তার পর মার কাকে বলে! কালশিটের রং দেখে বোধ হয় কালশিটে নিজেও লজ্জা পেয়েছিল। প্রথম বার পালানোর পর, প্রভু বেচে দিয়েছিল এক জন লেবাননের লোককে। সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল বলে ফের ফেরত এসেছিল ইরাকে। আবার পালাতে গিয়েছিল, তখন দু’দিন অন্ধকার ঘরে বন্দি ছিল। শেষরক্ষা হয়নি। এর পর স্নান শুরু হয় বার বার, বার বার। তবু পালাতে গিয়েছিল। তখন ওকে নিয়ে গিয়ে রাখা হয়েছিল ধু-ধু মরুভূমির মধ্যে একটা ট্রেলারে। সেখানে গিয়ে জয়নাব দেখে, আরও সাত জন মেয়ে রয়েছে। তারাও যৌন ক্রীতদাসী। কিন্তু কাজ করতে হয় সবই। কাপড়-জামা কাচা, ট্রেলার পরিষ্কার রাখা, খাবার তৈরি করা। আর ‘উঃ’ বললেই পেটানি খাওয়া— সেটাও একটা নিত্য কাজ।
    এক দিন রাতে পালাতে গিয়েছিল জয়নাব। এমন মার জুটেছিল যে কথা বলতে পারেনি সাত দিন। কিন্তু তক্কে তক্কে ছিল। এক রাতে যখন জয়নাবের সঙ্গীদের দুজনকে নিয়ে ব্যস্ত ছিল কমান্ডাররা, তখন ট্রেলার থেকে নিঃশব্দে একটা ফালি দিয়ে স্লিপ করে নেমে যায় বাকি ছ’জন। হাঁটতে থাকে মরুভূমি ধরে। কোন দিকে, কোথায় যাচ্ছে, কেউ জানে না। চার-পাঁচ দিন খাবার ছাড়া, জল ছাড়া হাঁটার পর, একটা শহরে এসে একটা দরজায় ধাক্কা দেয় জয়নাব। আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি গৃহকর্তা। কিন্তু তার চালাক ছেলে রাজি ছিল, এই মওকায় কিছু যদি কামিয়ে নেওয়া যায়। পেরেওছিল। ছ’টা মেয়ের বাড়ির লোকের কাছ থেকে মোটা টাকা নিয়ে তবে ছেড়েছিল মেয়েগুলোকে। তারা এখন বিভিন্ন ক্যাম্পে। জয়নাব অনেক পরে জানতে পেরেছিল, বাকি দুটো মেয়ে, সে দিন যারা ট্রেলারে জঙ্গিদের ভোগের বস্তু ছিল, পরের রাতে চেষ্টা করেছিল পালাবার। দুজনকেই মাথায় গুলি করে মেরে দেয় ওই বীরপুঙ্গবরা।
    এখনও আইএস জঙ্গিদের কাছে প্রায় হাজার তিনেক ইয়েজিদি আর খ্রিস্টান মেয়ে রয়েছে। সে সংখ্যা আরও বাড়বে। মেয়েদের এই দশা দেখে যদি কেউ ভাবেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক, কিন্তু কী করা যাবে, যে কোনও বড় আগ্রাসনের কো-ল্যাটারাল ড্যামেজ তো আছেই’, তা হলে তিনি ভুল করছেন। এ শুধু অসহায় মেয়েদের বাগে পেয়ে যৌন আনন্দ ভোগ করার ব্যাপার নয়, এখানে আছে একটা গোটা বাজার চালাবার আস্ত ব্লুপ্রিন্ট! ব্যবসা বজায় রাখতে গেলে ক্রমাগত সাপ্লাই থাকতে হবে। সে জন্য মেয়েদের তুলে আনতে হবে রোজ রোজ। তার পর, কত জন পালাতে পারে, কাকে পিটিয়ে শিক্ষা দিতে হবে আর কাকে একদম মেরে ফেলতে হবে, ডিমান্ড অনুযায়ী কাকে কোন দামে বেচা হবে— তারও পরিষ্কার আইডিয়া থাকতে হবে। গোছালো ভাবে ব্যবসা না ফাঁদলে, লাভ কমে যাবে। পয়সা জোগানে টান পড়লে জেহাদি পুষবে কী করে, আর যুদ্ধই বা করবে কী করে? ‌তাই মেয়েরা এখানে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কাঁচামাল। পুঁজি।
    গ্যাস চেম্বার, আবু ঘ্রাইব, কঙ্গো-রেপ, দারফুর-রেপ দেখেছে বিশ্ব। এ বার এটা একটা নতুন মডেল। এরা খেল দেখাক। আর আমরা— দুর্বল, পিতপিতে, সভ্য মানুষ— নতজানু হয়ে ক্ষমা, শান্তি আর মহানুভবতার কাছে গিড়গিড়াই।

     
  • probirbidhan 19:33 on May 28, 2015 Permalink |
    Tags: গণধর্ষণ, ধর্ষণ, , , , rape,   

    ‘আজ যেহেতু আপনি চুপ করে আছেন সেহেতু কাল নিজের বোনের ধর্ষনের খবর পাবার জন্য তৈরী থাকুন’ 

    আমি আমার বোনের সাথে কখনো বাইরে যেতে চাইতামনা। চলতি পথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষ নামের জন্তুগুলো যেরকম বাজে ভাবে তাকিয়ে থাকতো আর নোংরা নোংরা সাইড কমেন্ট করতো তাতে করে আমার পিত্তি জ্বলে যেত। মনে হত ধরে নিয়ে থাপ্পর দিয়ে ভদ্রতাবোধটা শিখিয়ে দেই।

    একবার আপুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কেউ বাজে ভাবে তাকালে বা বাজে কমেন্ট করলে আমার খুব রাগ লাগে, মন খারাপ হয়ে যায়। তোর কি খারাপ লাগেনা? আপু বলেছিল, ‘আমার সেরেফ মরে যেতে ইচ্ছে করে!’

    একটা মেয়ে সারাদিনে ঠিক কতবার শারীরিক বা মানষিকভাবে হেনস্থার শিকার হয় তা কেবল ঐ মেয়েটাই জানে। আমরা পুরুষরাতো নোংরা কথা বলেই খালাস। কিন্তু কতক্ষনই বা সহ্য করা যায়? কয়টা নোংরা কথাই বা সহ্য করা যায়? যদি উল্টোটা ঘটতো? যদি একটা ছেলে সারাদিনে একটা মেয়ের মত নোংরা কথার সম্মুখীন হত? কী হত তাহলে? আমি হলফ করে বলতে পারি একটা মেয়ে সারাদিনে যতবার যত পুরুষ দ্বারা শারীরিক ও মানষিকভাবে হেনস্তার শিকার হয় তার একশোভাগের দশ ভাগও যদি কোন পুরুষকে ভোগ করতে হত তাহলে তুলকালাম বেধে যেত।

    আমাদের সমাজে একটা বিষয় খুব ভাল সয়ে গেছে। আমার কাছে আমার বোন মানে আমার বোন আর তোর বোন মানে একটা মাল। আর তোর কাছে তোর বোন মানে তোর বোন আর আমার বোনটা একটা মাল। আপনি ফ্রয়েড পড়ে নাক সিঁটকালেও পারলে ফ্রয়েডের তত্ত্বকেই সত্যি করবেন অবিরাম।

    যন্ত্র সভ্যতা অনেক এগিয়েছে ঠিকই কিন্তু জন্তুর সভ্যতা বাড়েনি এক চুলও। এমনকি আমাদের শিক্ষিত সমাজের মানষিকতাও রয়ে গেছে জন্তু পর্যায়ে। একটা মেয়ে ধর্ষিত হলে আমাদের পত্রিকার শিরোনাম হয়

    ‘রাজধানীতে ষোড়শী ধর্ষিত’

    ‘মিরপুরে যুবতীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষন’

    ‘দশজন মিলে গণধর্ষণ করল অষ্টাদশী নারীকে’

    ‘তরুণীকে দল বেঁধে ধর্ষণ’

    আর সংবাদের ভিতরে থাকে ধর্ষণের রগরগে বর্ননা। আমাদের মানষিকতা বিকৃত হতে হতে ঠিক কোন পর্যায়ে চলে গেছে তা আমরা জানিনা। আমার এক কলিগের সাথে কথা হচ্ছিল। আমি জানতে চাইলাম ধর্ষনের মামলা পুলিশ নিতে চায়না কেন? কলিগ বলল, ধর্ষনের মামলায় টাকা খাবার সুযোগ কম, ঝামেলা বেশি। সে কারনে পুলিশও এড়ায় যায়।

    গত বৃহস্পতিবার রাতে একজন নারীকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে পাঁচজন যুবক মিলে ধর্ষণ করেছে। ধর্ষিতা মেয়েটির বোন পাশের থানায় মামলা করতে গেলে তারা জানায় এটি তাদের এলাকার অন্তর্ভক্ত নয়। সেখান থেকে আবার তাদেরকে পাঠানো আরেকটি থানায়। এভাবে এক থানা থেকে আরেক থানা করতে করতে পরদিন শুক্রবার দুপুরে মামলা নথিভুক্ত করা হয়। কি অদ্ভূত!

    ধর্ষিতা মেয়েটি গারো। পত্রিকাগুলো তাদের শিরোনামে মেয়েটির এই পরিচয়টি দিতে কার্পণ্য করেনি। যাতে করে আপনি মেয়েটিকে ধর্ষণের দৃশ্য কল্পনা করার সময় একটি গারো মেয়ের মুখাবয়ব মনে করে পূর্ণ আনন্দ নিতে পারেন। আরেকটি বিষয় হতে পারে, মেয়েটি যেহেতু গারো সেহেতু আপনার মাথা ব্যাথার কোন কারন নেই, সে আপনার সম্প্রদায়ের বা আপনার ধর্মের কেউনা। তাই আপনার প্রতিবাদ করতে হবেনা, আপনি ঘরে বসে মুড়ি খান।

    কিন্তু জেনে রাখেন এভাবে আপনি যতদিন নিজের বোনকে সম্মান করে আগলে রাখবেন আর অন্যের বোনকে মাল ডাকবেন ততদিন আপনি জন্তু সভ্যতা থেকে বের হতে পারবেননা। আর একটি গারো মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে বলে আজ যেহেতু আপনি চুপ করে আছেন সেহেতু কাল আপনার নিজের বোনের ধর্ষনের খবর পাবার জন্য তৈরী থাকুন। জানেনতো, আপনার বোনটাও কারো না কারো চোখে মাল।

     
  • probirbidhan 17:21 on May 28, 2015 Permalink |
    Tags: intercourse, masturbation, , , rape, , sexually starved   

    নারীদের স্বমৈথুন বা পুরুষদের হস্তমৈথুন কি উচিৎ বা অনুচিত? 

    স্বমৈথুন বা পুরুষদের জন্য যাকে হস্তমৈথুন বলে তা সম্পর্কে অনেক পুরুষ জানতে চেয়েছেন। আমাদের দেশে পুরুষদের এই বিষয়ে স্বাস্থ্য সম্মত সঠিক জ্ঞ্যানের যথেষ্ট অভাব রয়েছে, বিভিন্ন ভুল ধারনার বশবর্তী হয়ে অল্প বয়সে অনেকে নিজের স্বাস্থ্য ক্ষয় করে আফসোস করে থাকেন। কিছু সাধারণ বিষয় জানা থাকলে সেগুলো এড়ানো যায়। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার কাছে যে সকল প্রশ্ন পুরুষেরা করে থাকেন তা নিয়ে সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করব। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে।

    ১) হস্তমৈথুন করা কি উচিৎ বা অনুচিত?
    ২) সপ্তাহে কত বার এটি করলে অভ্যস্ত হয়ে যেতে হয় বা আসক্ত হয়েছে বলা যায়?
    ৩) হস্তমৈথুনের ঝুঁকি কি কি?
    ৪) পর্ণ দেখে হস্তমৈথুন করা কতটুকু স্বাস্থ্যকর?
    ৫) অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে তা থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?
    ৬) স্বপ্নদোষ এড়ানো যায় কীভাবে?

    এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেবার আগে কিছু সাধারণ আলোচনা করি। আগেই বলে রাখি এটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি বিষয় এবং এর উত্তর নিজের কাছে নিজে সত্যি করে দিন। সেটা করতে পারলে অনেক কিছু আপনাতেই আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

    যারা পর্ণ দেখে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত তারা সঙ্গীর সাথে মিলনের সময় পর্ণ কেই সত্য বলে ধরে নেয়। আমাদের মনে রাখতে হবে পর্ণ সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি ব্যাপার। এর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। পর্ণে ৩০ মিনিট ধরে একজন রতিক্রিয়া করতে পারে এটা দেখে আপনি মনে মনে হতাশ হয়ে পরলেন, কোন দরকার নেই। স্বাভাবিক রতিক্রিয়ার সময় ৫ থেকে ৭ মিনিট এটি বেড়ে বা কমে কখনও ১০ মিনিট বা ৩ মিনিটও হতে পারে। তবে ৭ দিন আপনি স্বাভাবিক সময়ে কাজ করার পর ৮ম দিনে যদি দেখেন সময়ে একটু উল্টা পাল্টা হচ্ছে ভয় পাবেন না। মানুষের শরীর সব দিন সমান ভাবে চলে না। ক্লান্তি, অবসাদ, দুশ্চিন্তা, শারীরিক অসুস্থতা, ঘুম কম হওয়া, পুষ্টিহীনতা এমন অনেক কারনে সময় একটু বেশ কম হতে পারে, তার মানে আপনার কোন সমস্যা হয়েছে তা নয়। কাজেই নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। সাহস হারাবেন না।

    অরগাজম এমন একটি বিষয় আপনি আপনার শরীরকে যেভাবে এর জন্য প্রস্তুত করবেন সে সেভাবেই কাজ করবে। অর্থাৎ আপনি যদি পর্ণ দেখে অভ্যস্ত হন তবে তাতেই সে অভ্যস্ত হবে, যদি আপনার সঙ্গী দ্বারা হন তবে তাই, যদি একা একা হন তবে তাই। এটি মানব দেহের অন্যতম একটি প্রক্রিয়া যার সংঘটন হবার পর্যায় গুলো মস্তিস্কে খুব শক্তভাবে স্থায়ী আসন গেড়ে নেয় যা থেকে পরিবর্তন করে আনা একটু কষ্টসাধ্য। কাজেই যে বিষয়ের উপর নির্ভর করেই আপনি হস্ত মৈথুনে অভ্যস্ত হন না কেন খেয়াল রাখতে হবে তা যেন আপনার দুর্বলতায় পরিণত না হয়।

    সহজ কথায় লেবু এক দুই ফোটা সরবতে দিলে খাওয়া যায় কিন্তু পুরোটা চেপে দিলে তিতা হয়ে যায়। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না।

    স্বপ্নদোষ কেবল নামেই দোষ। এটি একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ঘটনা যত বারই হোক না কেন। এটাকে ভয় পাবার কিছু নেই। যদি নিজেকে দুর্বল মনে হ্য় ভাল করে পুষ্টি দায়ক খাবার খান যেমন দুধ, মাংস, ডিম, ফলমূল এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নিন। অহেতুক দুশ্চিন্তা করে আরও বেশি দুর্বল লাগবে। আর ছেলেদের কম বয়সে একটু বেশি পরিমাণ স্বপ্নদোষ হওয়া স্বাভাবিক যেটা বয়সের সাথে ধীরে ধীরে কমে আসে।

    যারা হস্তমৈথুনে আসক্ত হয়ে পরেছেন, বেড়িয়ে আসতে চান তারা একবারে ছেড়ে দিতে না পারলে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন। পরিবর্তন নিজেই বুঝতে পারবেন। সুস্থ শরীরে কোন সমস্যা না থাকলে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার করা যায়। এর বেশি না।

    অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের কিছু ক্ষতিকর দিকঃ
    ১) শারীরিক মিলন এবং হস্তমৈথুন আপনার দেহের জন্য একই রকম সুবিধা বহন করে না। অবশ্যই শারীরিক মিলন আপনার দেহের জন্য হস্তমৈথুন অপেক্ষা অধিক উপকারি।
    ২) যৌন রোগ বাহিত হবার ঝুঁকি না থাকলেও অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে পুরুষাঙ্গের চামড়া অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমনকি উত্থিত শিশ্নের উপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগে এর আঁকার আকৃতি নষ্ট হয়ে রক্ত চলাচল ব্যহত হতে পারে।
    ৩) মানসিক দুর্বলতা সৃষ্টি করতে পারে যার পিছনের মূল কারন আমাদের অজ্ঞতা।

    অনেক কথা বলে ফেললাম। এবার প্রশ্ন গুলো করি।
    ১) আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন কি আপনার এমন কি অনুভুতি হয় এর দ্বারা আপনার ক্ষতি হতে পারে? উত্তিত হওয়া থেকে অরগাজম পর্যন্ত কোথাও কোন অস্বাভাবিকতা মনে হয় কি?
    ২) প্রতিবার যখন আপনি এটি করেন তখন কি আপনার মনে হয় আপনি এর প্রতি আরও নির্ভর হয়ে পরছেন?
    ৩) হস্তমৈথুন করার সময় নিজের প্রতি ও নিজের জীবনের প্রতি আপনার ধারনা কি ইতিবাচক থাকে নাকি নেতিবাচক?
    ৪) এই সময় আপনার কি নিজেকে আরও নিঃসঙ্গ মনে হয়?
    ৫) আপনি যদি কারো সাথে কোন সমর্পকে ইতিমধ্যে থাকেন তবে হস্তমৈথুন করা অবস্থায় আপনার কি মনে হয় আপনার সঙ্গী থেকে আপনি আরও দূরে চলে যাচ্ছেন নাকি এটি আপনাদের সম্পর্কের জন্য ভাল কিছু বয়ে আনবে?

    উত্তর গুলো নিজেকে নিজে দিন। যদি নেতিবাচক হয় তবে সময় হয়েছে সরে আসার। সুস্থ হয়ে উঠুন। সাহস রাখুন। এটি কোন গুরুতর সমস্যা নয়। একটু সময় ও ধৈর্য ধরলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।

    -ডাঃ নাজিয়া হক অনি
    _______________________________________
    রেফারেন্সঃ

    http://en.wikipedia.org/wiki/Ejaculation

    http://candeobehaviorchange.com/…/is-masturbation-a-health…/

    http://www.webmd.com/…/male-masturbation-5-things-you-didnt…

    বিঃ দ্রঃ আমি নিশ্চিত কোন পুরুষ এখানে অশালীন কোন বক্তব্য করবেন না। নারীদের স্বমৈথুন নিয়ে লেখার পর অনেকের কষ্ট হয়েছে বলেই আপনাদের জন্য লেখা। এরপরেও লজ্জা না থাকলে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারতে চাইলে অসংলগ্ন কথা বলতে পারেন। আমার কোন আপত্তি নেই। ব্লক করতে ২ মিনিট নেব।

     
  • probirbidhan 20:22 on May 26, 2015 Permalink |
    Tags: rape,   

    ‘মসজিদের ইমাম হয়ে আমার অবুঝ মেয়েটির এমন সর্বনাশ কেমনে করলো?’ 

    ‘গরম ভাত খাইয়ে মেয়েকে সকাল বেলা আমপাড়া (কিতাব) পড়তে মসজিদে পাঠাইছিলাম। ঘণ্টাখানেক পড়েই চইলা আসার কথা। কিন্তু কেন জানি আজ মেয়েটা দেরি করছিল। তাই এগিয়ে যাই মসজিদের কাছে। গিয়ে দেখি মেয়েডা কান্না করছে। জিজ্ঞাসা করলাম কী হইছে মা? কান্না করো কেন? আমারে দেইখা অমনি মাটিতে গড়িয়ে পড়লো। এরপর ওরে তুইলা হাসপাতালে নিয়ে যাই। দেখি, মেয়ের নিচের জায়গায় রক্ত পড়ছে। জ্ঞান ফিরলে সব খুইলা বলে মেয়ে।’

    কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার ১০ বছরের মেয়ের কথা বলছিলেন তার মা। কান্নায় ভেঙে পড়ে বললেন, ‘আমার অবুঝ মেয়েটির এমন সর্বনাশ মসজিদের ইমাম হয়ে কেমনে করলো?

    সোমবার সকালে শিশু ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার উত্তর মুমুরদিয়া গ্রামে।

    বাড়ির পাশে বাজার মসজিদে পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। সে মুমুরদিয়া গ্রামের দিনমজুর নবী হোসেনের মেয়ে। হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে সে। আর বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছে।

    এক পর্যায়ে শিশুটি জানায়, সকালে সবার সঙ্গে মক্তবে পড়ার পর হুজুর তাকে বসতে বলেন। এরপর মোজো খাওয়ার জন্য ২০ টাকা হাতে দেন। এরপর সবাইকে বের করে দিয়ে হুজুর তাকে…. এ পর্যন্ত বলেই কাঁদতে থাকে শিশুটি।

    এদিকে, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় লোকজন চেষ্টা চালায় বলেও অভিযোগ করেন শিশুর মা। তিনি বলেন, পরিবারের লোকজনের সহায়তায় লম্পট ইমাম জয়নাল আবেদিনকে (৩২) আটক করে ঘরে তালা মেরে রাখি। খরব পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেদায়েতুল ইসলাম বাংলামেইলকে বলেন, ধর্ষণের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষক জয়নাল আবেদিনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

     
  • probirbidhan 18:05 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: , Lucky Akter, rape,   

    ‘আদিবাসী বলেই তাকে ধর্ষণ করলে বিচার হবেনা।’ 

    বর্ষবরণের নারী নিপীড়নের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের স্মারকলিপি দিতে আমরা ৫জনের প্রতিনিধিদল গিয়েছিলাম। কথা প্রসঙ্গে আমি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে যখন বললাম আদিবাসী নারী নির্যাতন তো নিত্য দিনকার ঘটনা। কয়টা ঘটনার বিচার আপনারা করেছেন।

    তিনি হুট করে বলে বসলেন, আদিবাসীদের বিষয়টা ভিন্ন। তাদের ঐক্যের সমস্যা। তাকে থামিয়ে দিয়ে বললাম, আমি প্রশ্ন করলাম এক আর আপনি উত্তর দিলেন আরেক। গোঁজামিল দিচ্ছেন কেন? ব্যর্থতা স্বীকার করেন। স্বীকার করেন যে এই ঘটনাগুলো আপনারা প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তিনি বললেন আরেকদিন এটা নিয়ে আলাপ করা যাবে।

    আমি বললাম সব ঘটনাগুলোই একসাথে গাঁথা। আপনাদের নির্লিপ্ত দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই নিপীড়ক উৎসাহ পাচ্ছে। অনেকে এখন বলছেন নারী নিপীড়ন ভয়ানক আকার ধারণ করেছে। আসলে সব সময়ই তা ভয়ানক ছিল। এটা নিত্যদিনকার ঘটনা। এখন কেবল তা আলোচনায় এসেছে। প্রায় প্রতিদিনের পত্রিকাতেই ছোট্ট করে নারী নির্যাতনের খবর আসে।আমরা হেডলাইন দেখেই অন্য আর একটি খবরে বুদ হয়ে থাকি। গারো মেয়েটিকে কেন ধর্ষণ করা হয়েছে?? কারণ হিসেবে বলা হয়েছে তিনি আদিবাসী।

    আদিবাসী বলেই তাকে তুলে আনা হয়েছে। তাকে ধর্ষণ করলে বিচার হবেনা। লম্ফ জম্ফ কম হবে।পাহাড় তো জলজ্যান্ত উদাহরণ। আজ গারো সম্প্রদায়ের ছাত্র সংগঠন এর এক নেতা বলছিলেন আমরা নারীকে কতটা সম্মান করি তা নিশ্চয় আপনারা জানেন। দুঃখ লাগে দেশ স্বাধীন হলেও আমরা এখনো সম্মান পাইনি। প্রতি মুহূর্তে সংগ্রাম করতে হচ্ছে। যুদ্ধতো আমরাও করেছিলাম। ভেবে দেখলাম রুখে দাঁড়ানো ছাড়া কোন উপায় নেই। রাজপথেই ভরসা। জনগণের একতাবদ্ধ সংগ্রাম ছাড়া বিকল্প নেই। আসুন জোট বাঁধি।

    পাহাড়ে কি সমতলে, লড়াই হবে সমান তালে।

    By Lucky Akter

     
  • probirbidhan 17:56 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: , rape, sexual haarssment,   

    ‘বিশ্বের সবচেয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্রটি ধর্ষন, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, অন্যায়, অত্যাচার সবদিক দিয়েই পৃথিবীর অন্যসব রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে’ 

    মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি ঘটনা;-

    একটি আর্মিক্যাম্পে একটি মেয়েকে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষন করত পাকিস্তানি সৈন্যরা। যুদ্ধের পর ঐ মেয়েকে ক্যাম্প থেকে অর্ধমৃত উদ্ধার করা হয়। সৌভাগ্যক্রমে মেয়েটির পরিবারকে পাওয়া যায় এবং মেয়েটিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মেয়ের পরিবার বাড়ি নিয়ে গিয়ে মেয়েটিকে চিকিৎসা করানোর জন্য ডাক্তার আনেন। ডাক্তার এসে রুমে ঢুকে দেখেন রুম অন্ধকার। জানালা সব বন্ধ। তিনি ইশারায় জানালার দিকে আঙুলি করে একজনকে বললেন খুলো।

    মেয়েটি বিছানায় শোয়া ছিল। সবাই অবাক হয়ে দেখল অর্ধমৃত অজ্ঞানপ্রায় ধর্ষিতা সেই মেয়েটি “খুলো” শব্দটি শুনেই তাঁর পাজামার ফিতা খোলার চেষ্টা করছে।

    কি পরিমাণ নির্মম অমানবিক অত্যাচার তার উপর হয়েছিল ভেবে দেখেন। প্রতিদিন তাকে নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে এতবার ধর্ষন করা হয়েছিল এবং এতবাত কাপড় খুলতে বলা হতো যে যে “খুলো” শুনেই সে ধরে নিয়েছিল আবার তাকে পাজামা খুলতে বলা হচ্ছে।

    এই ঘটনা স্বাধীন বাংলাদেশের নয়। এটা করেছে পাকিস্তানিরা।

    গারো মেয়েটিকে দেড় ঘন্টা ধর্ষন করা হয়েছিল। পাক্কা দেড় ঘন্টা! আমার ফ্রেন্ড লিস্টের একজনের লেখা পড়ে বিষয়টা মাথায় এসেছে আমার। আমি নিজেই এতটা খেয়াল করিনি। ঐ দেড় ঘন্টা সময় তার উপর যে কি গেছে। কল্পনা করতেও পেট গুলিয়ে বমি আসে।

    আমরা শুধু তিন অক্ষরে লিখে দিই ধর্ষন হয়েছে। লিখে ফেসবুক ভাসিয়ে দিচ্ছি, লাইক, কমেন্টের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। পিছনে যে কত বর্বর একটা ঘটনা আছে।
    এটা স্বাধীন বাংলাদেশ, পাকিস্তান নয়। বাচ্চা থেকে বুড়ি কেউ ধর্ষনের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। গরুকেও ধর্ষন করা হচ্ছে লোকমুখে শোনা সোনার(শোনার) বাংলায়। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্রটি ধর্ষন, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, অন্যায়, অত্যাচার সবদিক দিয়েই পৃথিবীর অন্যসব রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে আগামী দুই একবছরের মধ্যে সত্যিই পৃথিবীর সভ্য কোন একটা দেশের মানুষের সত্যিই আলাদা করতে কষ্ট হবে। কোনটা দেশটি বেশি খারাপ?-
    বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান?

    By Juliyas Caesar

     
  • probirbidhan 20:38 on May 23, 2015 Permalink |
    Tags: Dhaka gang rape, rape,   

    ‘একটা গারো মেয়েকে মাইক্রোতে তুলে নিয়ে সবাই মিলে মহা দুষ্টামি করে ফেলেছি, সামাল দিতে হবে স্যার’ 

    – আজকে আরো একটা মহা দুষ্টামি করে ফেলেছি। এটাও কিন্তু সামাল দিতে হবে স্যার।
    • তোমাদেরকে নিয়ে আর পারা গেলোনা। কোথায় আবার কি করে আসলে?
    • কুড়িল বিশ্ব রোডে স্যার। একটা গারো মেয়ে। মাইক্রোতে তুলে নিয়ে… তারপর সবাই মিলে মহা দুষ্টামি…এই আর কি স্যার।
    • ওহ, তাই বল। আমি আরো ভাবলাম কী না কী। কেউ দেখে ফেলেনিতো?
    • দেখলেই বা কি। পহেলা বৈশাখের মতো দুষ্টামি বলে চালিয়ে দেবেন।
    • ঠিক আছে, সমস্যা হবেনা। কিছুদিন একটু অন্য কোথাও লুকিয়ে থাকো।
    • আপনার বাসায় থাকি স্যার?
    • না না, আমার বাসায় মেয়ে আর বৌ আছে।
    • হে হে হে…সে জন্যইতো আপনার বাসায় থাকতে চাচ্ছি। মাঝে মাঝে অল্প একটু দুষ্টামি করব স্যার, মহা দুষ্টামি করবোনা।

    (তোমারে বধিবে যে, গো কুলে বাড়িছে সে)

    ডিসক্লেইমার: চরিত্রগুলো কাল্পনিক। কারো সাথে মিলে গেলে তারাই দায়ী। By Kamrul Al Mamun

     
  • probirbidhan 21:01 on May 18, 2015 Permalink |
    Tags: চাপাতি, নিরাপত্তা, পাহাড়ি, স্বাধীনতা, rape   

    ‘তখণ গোটা দেশটাই এরকম খুন-ধর্ষণের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়’ 

    By Kallol Mustafa

    ধর্ষণের দেশ বাংলাদেশ, ক্ষমতার দাপটে যা খুশী তা করার দেশ বাংলাদেশ!

    দেশে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে যে কোথাও কারো কোন নিরাপত্তা নেই..

    ঘরে ঢুকে মানুষকে জবাই করা হচ্ছে…

    ব্যাংকের ভেতরে ঢুকে গুলি করে/জবাই করে হত্যা করা হচ্ছে…

    দিনে দুপুরে রাস্তায় মানুষকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে..

    রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে/অপরাধের স্বাক্ষীকে গুম-ক্রসফায়ার করা হচ্ছে…

    রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গায়ের জোরে ক্ষমতার দাপটে যা খুশী করার স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হলে খুন-ধর্ষণেরও অবাধ পরিবেশ তৈরী হয়…

    এরকম একটা পরিস্থিতিতেই…

    রূপগঞ্জে ফকির ফ্যাশন কারখানার পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ করে বাস থেকে ফেলে দেয়া হয়..

    রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তৃতীয় শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করা হয়..

    জামালপুরে মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়..

    মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন করা হয়..

    পাহাড়ে একের পর এক ধর্ষণের শিকার হয় পাহাড়ি নারী শিশু..

    বর্ষবরণে নারীদের উপর চলে দলবদ্ধ যৌণ নিপীড়ন..

    ধর্ষণের সাথে পোশাক কিংবা চেহারার কোন সম্পর্ক নেই, ধর্ষণের সাথে সম্পর্ক ক্ষমতার..পুরুষালি ক্ষমতার, দলীয় ও গোষ্ঠীগত ক্ষমতার- এই পুরুষালি ক্ষমতার সাথে যখন বিচারহীনতার আস্কারা যুক্ত হয় তখন..

    তখণ গোটা দেশটাই এরকম খুন-ধর্ষণের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়..

    এই মাৎসান্যায় থেকে কারোরই রক্ষা নেই..

     
  • probirbidhan 18:56 on May 11, 2015 Permalink |
    Tags: rape, ,   

    Bangladesh: Activists beaten up for seeking justice for sex abuse victims! 

    DT coverDhaka Tribune reports:

    Police charged truncheons, hurled tear gas cannisters and used water cannon in Dhaka yesterday to disperse a group of unarmed leftist students who were protesting the force’s inaction regarding assaults on women during Pohela Boishakh celebrations.

    About a hundred members of Bangladesh Chhatra Union had gathered at the TSC roundabout on Dhaka University campus around 11:45am as per a previously announced schedule for laying siege to the office of Dhaka police chief.

    Cop suspended over brutality on women activists

    Writ challenging cop brutality on activists
    Analysis: A Mother’s Day gift from police! by The Daily Star

    Sexual assault: Cops thrash protesters (video)

    After about a 15-minute stay there and a few speeches, the gathering brought out a procession. The protesters marched through some of the streets on the campus and headed towards the Shahbagh intersection.

    But they had to turn back towards the Doyel Intersection because there was heavy traffic in Shahbagh. Chhatra Union later alleged that police created the traffic jam artificially to block them.

    The march then turned back towards the Doyel Intersection, looking to leave the DU campus through the High Court point.

    “A truck, loaded with barricades, was standing near the Bangla Academy. As soon as the protesters reached the TSC roundabout, the truck sped towards the Doyel Intersection,” said Dhaka Tribune’s photojournalist Mahmud Hossain Opu.

    At Doyel, police tried to block the protesters using barricades. But the protesters breached the barricade and kept marching towards Minto Road, where the office of Dhaka Metropolitan Police (DMP) chief is located.

    After having overcome two more smaller obstacles at Matsya Bhaban and Kakrail, the protesters reached near the Officer’s Club around 1pm. Police however did not allow them to move any further by putting up a strong barricade. So, the protesters decided to stage a sit-in right there.

    According to witnesses, there were around 150 policemen including riot police, an armoured car and a water cannon stationed in the area. Law enforcers had by then stopped vehicular movement on the road from Kakrail church to the Moghbazar intersection.

    Dhaka Tribune’s senior photojournalist Syed Zakir Hossain heard a police officer telling his superior over phone: “Do not worry, Sir. We will not allow them to move even an inch further.”

    Soon, riot police personnel started replacing the regular police members in the front row of the barricade. A police officer asked the Chhatra Union men to go back; but the protesters replied that they would not until the DMP commissioner came and explained why they had not yet arrested anyone for assaulting women on DU campus on the Bangla New Year’s day.

    While ruling Awami League’s student front Chhatra League has been surprisingly keeping mum about the assault on women, Chhatra Union, the student front of the Communist Party of Bangladesh (CPB), has been leading the protests for nearly a month.

    The riot police members tried to push the protesters back and a scuffle ensued. In no time, the policemen started charging truncheons on the gathering and the protesters started running to and fro to avoid getting beaten up.

    Some of them started fighting back by hurling bricks at the police and the law enforcers retaliated with tear gas cannisters and water cannon.

    Photos taken by journalists showed policemen brutally beating up some of the protesters, including women, who got caught up in the middle of the skirmish, with rifle butts, truncheons and boots.

    The police action on unarmed protesters went on for about 10 minutes and by 1:30pm, the protesters were completely dispersed. Police arrested five Chhatra Union members from the spot.

    In a press conference at Modhu’s Canteen on DU campus later in the afternoon, Chhatra Union said that at least 34 of their leaders and activists were injured in police beating.

    Lucky Akter, general secretary of Chhatra Union, told reporters at the presser: “Over the last 26 days, we have been staging peaceful protest programmes against the assault on women on Bangla New Year’s day … In these 26 days, the police administration has not been able to make the least of progresses in arresting the culprits. On top of that, they clarified their stance in favour of the attackers by questioning the authenticity of the incident.

    “Today’s [Sunday] siege was part of a series of peaceful protest programmes to press home a set of six specific demands. Police personnel, obeying orders from the DMP commissioner, lodged a brutal attack on our programme.

    “With this attack, the university and police authorities have made it even clearer that they are on the side of the attackers,” said Lucky, who rose to prominence during the 2013 Shahbagh movement.

    The arrested members are Anik Roy, organising secretary of Chhatra Union’s Dhaka city unit; Dipanjan Siddhanta Kajal, general secretary of Jahangirnagar University (JU) unit; Ariful Islam Anik, member of JU unit; Antu Chandra Nath, member of Dhaka unit; and Saddam Hossain Joy, member of Dhaka unit.

    Chhatra Union President Hasan Tarek later announced protest marches across the country for today and peaceful strikes at all educational institutions for tomorrow. Over the past month, the leftist student organisation organised a number of human chains and rallies protesting the Boishakh assault on women.

    When contacted, Mashiur Rahman, the OC of Ramna police station, told the Dhaka Tribune: “Six police members including Second Officer-in-Charge Kamrul Islam and Inspector Ali Hossain were injured.”

    Confirming that they had arrested five leaders and activists of Chhatra Union, the OC said that they were still to decide whether to show them arrested or release them after primary investigation.

    “We detained those students because they were assaulting on-duty police members and were trying to obstruct the law enforcers from performing their duties,” OC Mashiur claimed.

    The Dhaka Tribune also contacted Abdul Baten, deputy commissioner of Police’s Ramna Zone, who was leading the policemen during the incident.

    He said: “The protesters were obstructing traffic in the area. Police asked them to move away and send their representatives with their demands. But they did not listen to us and created chaos in the VIP area.”

    On April 14, several women, who joined the Bangla New Year celebrations, were sexually assaulted by a group of miscreants at Dhaka University’s TSC and Suhrawardy Udyan gate areas.

    Liton Nandi, president of DU unit of Chhatra Union, along with other activists were injured while trying to rescue a few of the victims.

    When contacted yesterday, police spokesperson Monirul Islam said they had some pictures of the Boishakh attackers but did not have enough proof to identify and arrest them.

    Facebook posts condemning police

    • “জামাত বিএনপির পক্ষে যায় এমন কোন আন্দোলন সরকার দাড়াইতে দেবে না আপাতত।”
    • A Prothom Alo journalist writes: ছাত্র ইউনিয়নের মিছিলের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলাকে যারা জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছেন তাদের নামগুলো লিখে রাখছি। ভবিষ্যতে কখনো আপনারা পুলিশের মার খেলে আমি সশরীরে গিয়ে জাস্টিফিকেশন দিয়ে আসবো।

    নির্বিচারে ছাত্র-ছাত্রীদের মারধরের পুরো দায় পুলিশের রমনা বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। বিশেষ করে রমনা বিভাগের ডিসি বাতেন সাহেবের লিডারশিপের চরম ব্যর্থতাই এর জন্য দায়ী। সাড়ে চার বছরের ক্যাম্পাস রিপোর্টিং আর আট বছরের ক্রাইম রিপোর্টিংয়ের অভিজ্ঞতায় আমি কোনো সংগঠনকে এরকম ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়ে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে মন্ত্রী পাড়া পর্যন্ত যেতে দেখিনি। এরকম কর্মসূচির ক্ষেত্রে সাধারণত শাহবাগ, দোয়েল চত্বর বেশি হলে হাইকোর্টের মোড়ে গিয়ে মিছিল থেমে যায়। ব্যারিকেডের সামনে ঘণ্টা দুয়েক স্লোগান-বক্তব্য দিয়ে বিক্ষোভকারীরা ক্যাম্পাসে ফিরে যান। আর স্মারকলিপি পেশের কর্মসূচি থাকলে বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিরা পুলিশের সঙ্গে গিয়ে এক কপি স্মারকলিপি দিয়ে আসে।
    কিন্তু বাতেন সাহেবের ব্যর্থতায় রোববার যখন পরপর দুটি ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা মন্ত্রী পাড়ার কাছাকাছি পৌঁছে রাস্তায় বসে গেলেন তখন রাস্তা থেকে তাদের সরিয়ে দিতে চাপ বাড়তে থাকে। আর এই চাপ নিতে পারেননি বাতেন সাহেব। হুকুম দিয়ে ফেলেন লাঠিপেটা করার। মিছিলের ওপর রায়ট কার উঠিয়ে দেয় বাতেন সাহেবের লোকজন। নির্বিচারে চলে পুলিশের লাঠি, বুট আর বন্দুকের বাট। এরকম মাথামোটা কর্মকর্তা ক্যাম্পাস এলাকায় থাকলে ঘটনা আরো ঘটবেই।
    সবশেষে ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের সাহসের তারিফ না করে পারা যায় না। বিশেষ করে সেই মেয়েটা। হ্যাটস অফ কমরেডস।

    • পাশাপাশি দুটো ছবি দিলাম। দুটোই বাংলাদেশের লজ্জা। কিন্তু রহস্যজনকভাবে একটি ছবি বেশী মিডিয়া কাভারেজ পায়, অন্য ছবিটি নিরবে ঢাকা পড়ে যায়।

    Police-Army_Dhaka-CHT‪#‎কারণ‬, সেই ছবিটা পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী জুম্ম নারীর উপর সংঘটিত হয়েছে। আমি বলতে চাইছিনা অন্যগুলোও প্রচার না পাক, বরং রাস্ট্রযন্ত্রের এমন অত্যাচারের ছবিগুলো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক সেটাই চাই।

    ‪#‎কিন্তু‬, পার্বত্য চট্টগ্রামের ছবিটি দেখূন, দেখতে পাবেন সেখানে শুধু পুলিশ নয়, একজন জুম্মনারীকে পেটানোর কাজে হাত লাগিয়েছে অসংখ্য অস্ত্রধারী সেনাবাহিনী…. এ লজ্জা কি বাংলাদেশের নয়??? এই লজ্জা কি সকল স্বাধীন বাংলাদেশীদের নয়??? এই লজ্জা কি দুই নারী নেত্রী শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াদের নয়???? এই লজ্জা কি মানবতার নয়??? কোথায় হারিয়ে যায় সেই মানবতা যখন পার্বতৌ চট্টগ্রামের কোনায় কোনায় চলে রাস্ট্রের স্বীকৃত গুন্ডাদের কর্তৃক ধর্ষণ, হত্যা, অত্যাচার???

    * একজন দুইজন পুলিশকে বরখাস্ত করলেই কি দায় মুক্তি মিলে যাবে? যৌন নিপীড়নের বিচার না করা এবং প্রতিবাদকারীদের উপর উল্টো হামলার মূল দায় দ্বায়িত্ব কিন্তু স্বরাস্ট্রমন্ত্রণালয়ের। কার নির্দেশে পুলিশ আন্দোলনকারীদের উপর হামলা করল এবং কেন কার নির্দেশে পুলিশ যৌন সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা থেকে বিরত আছে- তার জবাব পাওয়াটা জরুরি।

    • আওয়ামী লীগের একজন প্রেসেডিয়াম সদস্যের মুখে কথাগুলো শোনা। তিনি বলছেন; ছয় দফার আগে ছাত্রলীগ কোন মেধাবী ছেলেরা করতো না। ফাস্ট ক্লাশ গ্রেডের ছেলেরা সবসময় ছাত্র ইউনিয়ন করতো। বি গ্রেড বা সি গ্রেডের পোলাপাইন-ই মূলত ছাত্রলীগ করত। বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার জোয়ারে সকল মেধাবী ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগে ভিড়তে শুরু করে। মূলত তখন থেকেই ছাত্রলীগে প্রথম শ্রেণির মেধাবীরা করতে শুরু করে। তবে ওরা নেতৃত্বের পেছনে থাকত নেতা হতে চাইত না। তবে নেতা হতে গেলে ওদের সার্পোট থাকা দরকার ছিল। ফলে ওরা যা চাইত দল তাই করতে বাধ্য হতো। তবে স্বাধীনতার পর দল থেকে এদের বিতাড়িত করা হয় আবার অনেকে দল থেকে বের হয়ে জাসদের সাথে যোগ দেন। তিনি আরো যোগ করে বলেন; ছাত্রলীগে যদি এতো মেধাবী ছেলেই থাকত তাহলে আওয়ামীলীগ কেন বামদের নিয়ে এসে মন্ত্রী বানায় এটা তোমরা বোঝ না?

    গত সাত বছরে ছাত্রলীগ সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিল করা ছাড়া আসলে কী করেছে কেউ বলতে পারবেন। বরং পেপার পত্রিকায় টেন্ডারবাজি ও বদমাশির নিউজই পাওয়া যায়। সোহেল তাজ যখন মন্ত্রী ছিলেন তখন আমার এলাকার এক বন্ধু টেন্ডারবাজি করার সময় পুলিশের হাতে ধরা পরে এবং জেলে যায়। সোহেল তাজকে কল করা হয়েছিল তিনি বলেছেন কিসের ছাত্রলীগ। টেন্ডারবাজি করছে তো জেলে পাঠান আমি কোন ছাত্রলীগ চিনি না। পরবর্তীতে সোহেল তাজ আওয়ামীলীগের এক মন্ত্রীর ভাইয়ের হাতে নিজ অফিসে চরম অপমানিত হয়ে মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে আমেরিকায় চলে যান।

    পহেলা বৈশাখে টিএসসি যা হল সেক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদী ভূমিকায় আসার কথা ছিল।। কারণ ক্যাম্পাস তাদের নিয়ন্ত্রনে। অথচ আমরা দেখলাম ছাত্রলীগের নারী অংশ প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিতে গেলে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তা বাধা দিয়ে অফ করে দেওয়া হয়। ছাত্রলীগ যদি বৈশাখের ঘটনায় বিচার চাইত তাহলে তাহলে কিছুটা পজেটিভ লাইনে আসতে পারত। যাই হোক কালকের ঘটনায় ছাত্র ইউনিয়ন নাকি দায়ি। তারা আন্দোলন ঠিক মতন করতে পারে না তাই তারা পিটুনি খাইছে। আমার কথা হল ওরা তো পারে তাহলে তোমরা গিয়ে আন্দোলন করলা না কেন? উল্টো তোমাদের সংগঠনের ছাত্রীরা যাতে আন্দোলন করতে না পারে তার জন্য কাজ করছ!

    ৭০ সালের আওয়ামীল ছিল অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতির। অনেক প্রগতির মানুষজন সংগঠনে যুক্ত ছিল। কালকে দেখলাম আহসান উল্লাহ মাস্টারের এলাকার ২০০ জন জামাত আওয়ামীলীগে যোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জ্বলে উঠেছে! আহসান উল্লাহ মাস্টার নিহত হয় বিএনপি-জামাতের আমলের তাদের হাতেই। আহসান উল্লাহ মাস্টারের মৃত্যু বার্ষিকীতে গাজিপুর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আহসান উল্লাহ মাস্টারের প্রতি এটা সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধা ছিল।

    হেফাজত যখন নারী পিটায়, রাস্তায় মতিয়া চৌধুরীর যখন শাড়ি খুলে ফেলা হয় তখন পুলিশ খারাপ, বিএনপি জামাত খারাপ। কিন্তু আওয়ামী সরকারের আমলে যখন নারী পিটায়, নাস্তিকদের রাস্তা জবাই দেয় তখন ঐ নারী খারাপ কারণ সে পুলিশের গাড়িতে ফুলের টব মেরেছে, নাস্তিক খারাপ কারণ তারা লেখালেখি করেছে। বিরোধী দলে থাকলে দুই মাইল হেটে হুমায়ুন আজাদকে দেখতে যাওয়া যায় কিন্তু অভিজিৎ রায়ের বাবাকে লুকিয়ে কল করতে হয় আওয়ামী লীগদের!

    আমার বাপ-ভাই আর মামাকে বলতাম তারা বঙ্গবন্ধুর থেকে বড় আওয়ামী লীগ। কারণ বঙ্গবন্ধু নিজের দলকে চোরের খনি বলছিলেন। একবার শেখ হাসিনা আমাদের এলাকার আসবেন বিকাল চারটায়। আমার মামা-ভাই মিলে বেলা বারটা থেকে গিয়ে আসন পেতে বসে আছেন। ঠাডাভাঙা রোদের মধ্যে বসে থাকার কারণ একটাই প্রিয় নেত্রীকে কাছ থেকে দেখবেন। আমি ভাবতাম এরকম লোকই মনে হয় বড় আওয়ামী লীগ তবে ভুল ভাঙছে! এর থেকে বড় আওয়ামী লীগ অনলাইনে আছেন। তাই তো ইনিয়ে বিনিয়ে তবে কিন্তু যদি দিয়ে একটা মেয়েকে রাস্তায় নির্যাতন করার সার্পোট করে যাচ্ছে। এদের কাছে আমার একটা অনুরোধ; আপুরা ঐ মেয়েরা তো আন্দোলন করতে পারেনি। উগ্রও বটে কারণ ফুলের টব ছুড়ে মারছে গাড়িতে। আপনারা যেহেতু উগ্র না তাই লেপটপ থেকে উঠে একটু রাস্তায় নেমে এসব মেয়েদের দেখিয়ে দিন কীভাবে ফুলের টব না ছুড়ে আন্দোলন করতে হয়।

    * দেয়ালে আরবি হরফে লিখে প্রস্রাব না করার আমন্ত্রণ জানিয়ে যদি মুমিনদের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা যায়, তাহলে কি বুকে পিঠে বঙ্গবন্ধুর নাম লিখে ছাত্রলীগের পাণ্ডা আর পুলিশের ঝাণ্ডা হতে মুক্তি পাওয়া যাবে ?

    * প্রশ্নঃ রাম ছাগল ও শুয়োরের সংমিশ্রন – শুগল,কারা?
    উত্তরঃ যারা মনে করে কোন মেয়ে যদি পুলিশের গাড়িতে ইটা মারে,তাহলে সেই মেয়েকে রাস্তায় ফেলে লাঠি পেটা করা যায়,চুল ধরে ছেচড়ে টেনে নেয়া যায়,বুট দিয়ে পিষে ফেলা যায়।

    * যখন বর্ষবরনে নারীরা লাঞ্চিত হলো, ওরা বললো- ঠিকই তো আছে! অমন বুক প্যাট দেখাইয়া পুরুষকে উত্তেজিত করলে তো এমন হইবোই….

    আবার যখন সে লাঞ্চনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নারী নির্যাতিত হইলো, এরা বললো- ঠিকই তো আছে। পুলিশকে উত্তেজিত করলে পুলিশ কি ছেড়ে কথা বলবে!’

    ওই ওরা আর এই এরাদের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। দুটাই মৌলবাদী।
    পার্থক্য শুধু এটাই- একটা ধর্মের আড়ালে আর অন্যটা প্রগতিশীলতার মুখোশে…

    * রবিবার (১০ মে) পয়লা বৈশাখের যৌননিপীড়নের বিচারদাবীকারীরা পুলিশ কার্যালয় দখল করতে যাননি। যৌননিপীড়কদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবীতে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল। রায়ট কার সাইরেন বাজিয়ে পানি ছুঁড়তে ছুঁড়তে ঢোকার সময় উপস্থিত ব্যানারধারী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। চারদিকে ঘিরে মাটিতে ফেলে প্রহার করবার অনেকগুলো ছবি গণ ও সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে স্যান্ডেল খোয়ানো ইসমত জাহান যখন রায়ট কারের দিকে পাশের নার্সারী থেকে তুলে নেওয়া মাটির খালি টব ছুঁড়েছেন, তখন তাকে গ্রেফতার করা যেতেই পারে। কিন্তু তার বদলে যা করা হয়েছে, তার অনেক ছবি আপনারা দেখেছেন। আমি নতুন করে সেই সব ছবি আর দিচ্ছি না। শুধুমাত্র দু’টো ছবি দিচ্ছি।

    • ফ্যক্ট ১ঃ পহেলা বৈশাখে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছিলো।

    ফ্যক্ট ২ঃ সেই ঘটনাতে কেউ গ্রেফতার বা আটক হয়নি।
    ফ্যক্ট ৩ঃ পুলিশ (ডিবির কমিশনার), ঢাবির প্রোক্টর এবং সংশ্লিষ্ট সকলেই বলেছেন কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, অর্থাৎ মিথ্যাচার হয়েছে, কারণ ঘটনার অকাট্য প্রমাণ আছে।

    পুরা ঘটনা প্রবাহের এই পর্যায়ে প্রথম রাজনীতিটা করার চেষ্টা হয়েছিলো মজা লস সহ অন্যান্য নানান পেইজ থেকে। ঘটনার পরপরেই কিছু ছবি ( যার শনাক্তকরনের প্রক্রিয়ার ব্যপারে কেউ কোন স্বচ্ছ বক্তব্য দেয়নি) দিয়ে সেগুলি ছাত্রলীগের কর্মীদের নামে চালিয়ে দিয়ে চাওয়া হয়েছিলো। এবং সেই মজা লস পেইজ এই সংক্রান্ত একাধিক মিথ্যাচার করেছিলো তখন। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকেও এই সম্পূর্ণ ব্যপারটার দায়ভার চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সরকারী দলের ছাত্র সংগঠনের উপরে।

    সেটা অনৈতিক ছিল, সেটা অন্যায় ছিল, ঠিক যেমনি অনৈতিক ছিল ঘটনার এতদিন পরেও কাউকে শনাক্ত বা গ্রেফতার না করা এবং পুরো ব্যপারটি ঘটেইনি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন ভাব করা।

    সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়া গুলি কি ছিল? আসুন দেখিঃ

    প্রতিক্রিয়া ১ঃ মেয়েদের এই সমস্ত জায়গা এড়িয়ে চলা উচিত, মোটা দাগে পহেলা বৈশাখ বর্জন করা উচিত।

    প্রতিক্রিয়া ২ঃ মেয়েদের পোশাকে সমস্যা, বাইরে গেলে সমস্যা, তাই না যাওয়াই উত্তম। এবং সেই কারনেই এই ধরণের ঘটনাগুলিকে জায়েজ করার চেষ্টা করা হয়েছিল অনেক মানুষবেশি **বাচ্চার মাধ্যমে।

    বটম লাইনঃ মূল অপরাধীরা শনাক্ত হয়নি, কোন ধরণের শাস্তির মুখোমুখি হয়নি। লাভটা কার হয়েছে? সরকারের? মোটেই না। কারণ এই অপরাধীদের ধরতে পারলে সব থেকে বড় বাহবাটা সরকারের কাছেই যেত এবং প্রমানিত হয়ে যেত যে এই ঘটনা ছাত্রলীগের দ্বারা ঘটেনি। সেই সাথে আরও বেশ কিছু ঘটনা পরিষ্কার হত যেহেতু আমরা জানি একটি বিশেষ গোষ্ঠী সবসময়েই পহেলা বৈশাখ পালনের বিরোধিতা করে।

    আবারও বলি, এতে লাভটা কার বা কাদের হল? মেয়েরা পহেলা বৈশাখে না গেলে কাদের মতবাদের বিজয়? অপরাধী ধরা না গেলে কাদের ক্ষতি? দায়ভার আসছে কাদের ঘাড়ে?

    প্রশ্নগুলির উত্তর বের করুন। সম্পূর্ণ প্লটটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
    ***
    এই ঘটনার দ্বিতীয় অংশটা দেখি।

    ছাত্র ইউনিয়ন ধাপে ধাপে আন্দোলন এগিয়েছে। তারা প্রথমে প্রক্টর এর কার্যালয় ঘেরাও করেছে। বিনা কারনে এই প্রক্টর সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করেছেন। অথচ ঘটনাটাকে অন্যভাবেও সামাল দেওয়া যেত।

    পরের অংশে আসি। আজকের লাঠিপেটার ঘটনাটাকে অনেক আওয়ামিলীগ সমর্থক কে সমর্থন করতে দেখছি।

    ভাই দলকানা হতে নিজের বিবেক বিসর্জন দিতে হয়না।

    ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার সময়ে খালেদা জিয়া কি বলেছিল, সেটা কি ভুলে গেছেন সবাই? তারা বলেনি যে আওয়ামি লীগের অন্তরকোন্দলের জের ধরে এই হামলা? তাতে কি ব্যপারটা শুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলো?

    মতিয়া চৌধুরীর ছবি শেয়ার দেওয়ার পরে অনেকে বলছিলেন, মতিয়া চৌধুরী তো পুলিশের গাড়িতে ঢিল দেননি কোনদিন। না তিনি দেননি, তবে যে যুক্তির রাস্তায় আপনারা হাঁটছেন, তাতে যদি সেইদিন মতিয়া চৌধুরীকে পেটানোর অন্য কোন ছবিতে দেখা যায় যে তিনি পুলিশকে ধাক্কা দিচ্ছেন, তাহলে সেই পেটানোও কি জায়েজ হয়ে যায়?

    এই আওয়ামি লীগের প্রচুর মহিলা নেতা কর্মীকে জঙ্গি জামাতিরা এইভাবেই লাঠিপেটা করেছিল। খেয়াল রাইখেন, লীগের মিছিলেও কিন্তু শ্লোগান থাকে, একশন একশন ডাইরেক্ট একশন, তো সেই শ্লোগান এর জন্য কি মিছিলে গুলি, বা পুলিশ পেটানো জায়েজ হয়ে যায়?

    এরপরেও বলতে আসবেন, পুলিশের উপরে আক্রমন হলে পুলিশ কি করবে? হ্যাঁ, পুলিশের করার আছে অনেক কিছু। বেশ কিছুদিন আগের ডিক্লেয়ার করা এই কর্মসূচিতে যে মেয়ে থাকতে পারে, সেটা কি পুলিশ জানত না? নাকি ডিএমপিতে মহিলা পুলিশের সঙ্কট?

    এই পর্যায়ে অনেকে আবার বলতে আসবেন, আমেরিকাতে তো পুলিশ এর বিরুদ্ধে কিছু করলেই গুলি করে দেয়। সেটা সভ্য দেশে ঘটছে বলেই সেই ঘটনা জায়েজ হয়ে যায় না কিন্তু, খেয়াল রাখবেন।

    আবার অনেকেই প্রশ্ন রাখবেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা যদি এইভাবে আসে? সেই ক্ষেত্রেও আমার উত্তর একই হবে। এবং তখন আরও একটা প্রশ্ন আসবে, সেটা হল, জামায়াত বা আজকের এই কর্মসূচী দেওয়া দলটা কি একই হইলো? সেইম ট্রিটমেন্ট পাওয়ার মত অপজিশন?

    এই বিশ্লেষনের ফলাফল কি?

    ফলাফল হল, এর আগে এই ঘটনাতে যেখানে সরকারের উপরে দায় চাপানোর সুযোগটা খুব হালকা কিছু এলিগেশনের উপরে ছিল, আজকে সেইখানে সুযোগটা বেশ ভালো একটা যুক্তির উপরে দাঁড়িয়ে গেলো। কারণ পুলিশ যৌন নিপীড়কদের ধরতে না পারলেও প্রতিবাদকারীদের ঠিকমতই পিটিয়েছে।

    এতে ক্ষতি কার হল? ক্ষতি হল সরকারের, আওয়ামি লীগের। এখন অনেকেই বলার সুযোগ পাবে, অপরাধীদের না ধরে বরং প্রতিবাদকারীদের মারা হল।

    এবং দেখুন, সেই আগুনে কিন্তু ঘি ঢালছেন আপনারাই। কিভাবে? খুব লেইম একটা যুক্তি এবং ঘটনার একটা ভিডিও দেখিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন, সেই ঘটনার দায় আসলে মেয়েটার।

    সাধারন মানুষ মাত্রই এই যুক্তির মুখে থুতু ছিটাবে, সেটাই উচিত। কারণ মেয়েটা পুরুষ পুলিশকে শারীরিক আক্রমন করলেও এইভাবে ফ্লাইং কিক মারার অধিকার পুলিশ পায় না। এবং সেখানে আরও অনেক ছেলেকেও মারাত্মক ভাবে পিটিয়েছে পুলিশ, সেটার অধিকারও পুলিশের নাই। কেন? কারণ হইলো এরা জামায়াতি না। এঁরা শিবির না, হিজবুতি না, যে পুলিশকে পিটিয়ে মেরে চোখ উপড়ে ফেলবে। সুতরাং, আপনাদের এই তুলনাটা প্রচণ্ড হাস্যকর একটা তুলনা, এবং প্রচণ্ড এক চোখা।

    এই ক্ষেত্রে দায়টা কার ঘাড়ে যায়? লাভবান কারা?সরকার? মোটেই না। আবার অপরাধীরা পার পেয়ে যাবার ঘটনাতে লাভটা কাদের হয়? ছাত্রলীগের? মোটেই না। লাভটা হয় তালেবানদের।

    সব থেকে বড় ব্যপার হল কর্মসূচীর নাম নিয়ে আপত্তি। আসলেই তো। এই আমরাই তো এতদিন বলেছি, নারীকে পাল্টা আঘাত করতে হবে। আমরাই তো এতো দিন বলেছি, নারীর অধিকার নারীকে ছিনিয়ে নিতে হবে। সেই তারাই যদি তাঁদের অধিকার এর জন্য “পাল্টা আঘাত” করে, সেটাকে আমি ভুল বলব কিভাবে?

    ভুলে যাবেন না, অপরাধী ধরার দায়িত্বটা কিন্তু পুলিশের ছিল, যেটা করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। তো, সেই খানে এই ইট ছুঁড়ে মারার বিষয়টার একটা সামাজিক সিম্বলিকাল ভ্যালু আছে।

    ভ্যালুটা হল নারী প্রতিঘাত করুক, পাল্টা আঘাত করুক।

    Dhaka Metropolitan Police

    ডিএমপি কর্তৃক ৩ সদস্যের কমিটি গঠন

    আজ ১১/০৫/২০১৫ খ্রি. বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বাংলা নববর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী কর্তৃক নারী লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বিগত ১০/০৫/২০১৫ খ্রি. তারিখ ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের কর্তৃক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদরদপ্তর ঘেরাওয়ের কর্মসূচীতে বাধা প্রদান সংক্রান্তে পুলিশ কর্তৃক গৃহিত পদক্ষেপকে নিয়ে বিরূপ সংবাদ পরিবেশিত হয়। তাই সংশ্লিষ্ট ঘটনায় পুলিশী কার্যক্রম পর্যালোচনায়, ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা কিভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এতগুলো ব্যারিকেড পার হয়ে মিন্টো রোডস্থ র্স্পশকাতর মন্ত্রীপাড়ায় এসে রাস্তায় যানচলাচল বন্ধকরণের পাশাপাশি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যগণ ও পুলিশ যানবাহনের উপর হামলার প্রয়াস পেলে সে বিষয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের দায়-দায়িত্ব নিরূপণ, উল্লেখিত ঘটনায় রমনা বিভাগ কর্তৃক কি ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল তা মূল্যায়ন, পুলিশের উপর হামলার কারণে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত আইনানুগ ব্যবস্থা এবং পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ যা নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিরূপ সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে তার প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের জন্য নি¤œবর্ণিত ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হ’ল। সদস্যরা হলেন-

    ১। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (লজিস্ট্রিক্স, ফিন্যান্স এ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) – সভাপতি
    ২। উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি-দক্ষিণ) – সদস্য
    ৩। আসমা সিদ্দিকা মিলি, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার – সদস্য

    কমিটি আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

     
  • probirbidhan 14:57 on June 19, 2012 Permalink |
    Tags: , Bangladesh refugee, Burma, court, murder, , , rape, , sectarian clash,   

    Death sentence for rape-murder of Myanmar Rakhine girl 

    Rohingyas, viewed as illegal migrants, are denied citizenship and ethnic recognition in Myanmar [EPA]

    Al-Jazeera, June 19, 2012

    A court in Myanmar has sentenced two men to death for the rape and murder of a Buddhist woman whose killing last month helped set off communal violence in which more than 50 people died, state media has said.

    The verdict was handed down on Monday in western Rakhine state’s western Kyaukphyu district, according to the state-run Myanma Ahlin daily.

    দয়া করে শরনার্থীদের সাহায্য করুন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

    Q&A: Unrest in Burma’s Rakhine state

    Three Muslim Rohingyas were detained after the 27-year-old Buddhist woman was killed on May 28.

    One of the three defendants in the case hung himself while in custody.

    The woman’s death was followed by the June 3 lynching deaths of 10 Rohingyas, who were dragged off a bus by a Buddhist mob.

    The attacks helped set off almost a week of violence between ethnic Rakhine Buddhists and Rohingyas, who are denied citizenship and ethnic recognition in Myanmar and instead are viewed as illegal migrants from Bangladesh.

    Thousands of homes were burned and 50 people were killed in the unrest, which has brought to the fore discrimination and hatred against the Rohingya and tested the stability of Myanmar’s reform-minded government, which was elected after nearly half a century of army rule.

    Some civil society leaders, including the prominent comedian Zarganar, have expressed concern that people are using newfound freedoms to incite racial hatred, particularly online in social media.

    Government authorities have vowed to bring those responsible for the violence to justice, and on Saturday, Border Affairs Minister Lieutenant General Thein Htay declared that “lawlessness is unacceptable”.

    No executions are known to have been carried out in Myanmar since at least 1988.

     

    More By NYEIN NYEIN / THE IRRAWADDY| June 18, 2012 |

    Two men have been sentenced to death for the rape and murder of an ethnic Arakanese woman that sparked recent sectarian clashes in western Burma.

    The Provincial Court of Kyaukphyu Township, in northern Ramree Island of Arakan State, convicted the pair on Monday morning. They were arrested along with a third man two days after the May 28 slaying of Thidar Htwe, the authorities reported.

    Ba Shein, a lawyer and Lower House MP for the Rakhine Nationalities Development Party who attended the sentencing, told The Irrawaddy that, “the verdict was made before noon under section 302(1c) [of the Burmese Penal Code]”

    One of the original three men arrested, Shaun Shou (aka Htet Htet or Phyo Zayyar Kyaw), committed suicide in prison on June 9, state-run media reported on June 11.

    The rape and murder case enflamed sectarian tensions between Buddhist Arakanese and Rohingya Muslims in the region with 10 Muslims pilgrims killed by a lynch mob in Taunggok Township on June 3 in apparent retaliation.

    On the first day of the case being heard on June 8, a riot broke out as a group of Muslims returned from Friday prayers and torched dozens of Arakanese houses in Maungdaw Township.

    Fighting spread all over Arakan in subsequent days including the state capital Sittwe. Official figures reveal that 50 people were killed, 54 people injured and more than 2,500 houses burned down in the ensuing violence. More than 30,000 people in the region have been forced from their homes as a result.

    A 6 pm to 6 am curfew was imposed immediately after violence broke out in Maungdaw and a state of emergency was also declared in Sittwe.

    The trial was heard in public with the victim’s family and other local residents present in the courtroom. The accused pleaded guilty on June 15.

    Ba Shein said the case was concluded within a couple of weeks because there were plenty of witnesses. He also paid tribute to the local police force for their efforts in bringing the perpetrators to justice.

    The accused were charged under Burmese Penal Code section 376 for rape, section 302 (1c) for murder and section 392 for looting properties.

    The two convicted on June 18, Hla Win (aka Marme or Yaw Pi) and Lu Lu (aka Myint Swe or Wushee), were sent back to Kyaukphyu Prison after the sentencing hearing.

    They both have the right of appeal to the Union Supreme Court in Naypyidaw, added Ba Shein.

     
  • probirbidhan 16:13 on June 1, 2012 Permalink |
    Tags: Bandarban, Bangalees, Chittagong Hill Tracts (CHT) of Bangladesh, , Jumma people, Khagrachari, , Military control, PCJSS, Rangamati, rape, Shanti Bahini, United Peoples’ Democratic Front (UPDF), , violation of human rights   

    UPDF statement in UNPFII 

    To the special rapporteur on the rights of indigenous peoples
     
    Issue: Human Rights Situation in the Chittagong Hill Tracts, Bangladesh
     
    We, on behalf of the United People’s Democratic Front (UPDF), would like to draw  kind attention of Special Raporteur on the Rights of indigenous people to the human rights situation in the Chittagong Hill Tracts (CHT) of Bangladesh.
    Political repression
    In December 1997, an accord was signed to bring peace in the CHT. But in the last over 14 years it has failed to bring peace and improve the human rights situation. Soon after the signing of the accord, repression on the so-called ‘anti-accord elements’ [meaning members of the United Peoples’ Democratic Front (UPDF) and its front organizations, namely, Hill Students’ Council, Hill Women’s Federation and Democratic Youth Forum] began. In a report entitled “Life Is Not Ours: Land and Human Rights in the Chittagong Hill Tracts, Bangladesh: Update 4” published in 2000, the Chittagong Hill Tracts International Commission stated:
    Since the signing of the peace agreement, a total of more than 120 Jumma activists have been arrested, many on old (mostly fabricated) charges. Apparently, the provision in the Peace Accord for an amnesty for all JSS cadres does not apply to these activists. Immediately following the surrender of the JSS and Shanti Bahini, in the months of February and March 1998 alone, more than 30 leaders and activists of the HPC and HSC were arrested. On 17 February 1998, one week after the surrender ceremony, the police raided a hostel room at Dhaka University, which was also being used as an office for the HPC, HSC and HWF. The Police entered without a warrant, claiming they were looking for illegal arms although they found nothing incriminating.
    Since then, the situation has deteriorated even further. Repression on the UPDF and its front organizations have become commonplace. Since the signing of the accord at least 240 members and supporters of the UPDF have been killed by the Bangladesh Military personnel and armed groups patronized by them. Its peaceful rallies and demonstrations are regularly attacked while its members and supporters, including members of the Hill Women’s Federation, are arrested, tortured and jailed. On the other hand, four of its offices have been forced to shut down without due process of law.
    Most recent incidents of repression:
    -11th May 2012: Mr. Choton Kanti Tangchangya (40), UPDF leader of Bandarban district unit, unsuccessful candidate of last general election, and his follower Mr. Jolomoni Tangchangya were arrested by police on a fabricated charge.
    -14th May 2012: Bikash Tangchangya (40), a sympathizer of UPDF at Rajastali in Rangamati district was allegedly attacked and injured.
    Rape and Large scale attacks
    In addition to political repression, there have been at least 11 large scale attacks on Jumma habitations which were carried out by members of Bangladesh Army and illegal Bengali settlers in order to grab land, while rapes of Jumma women and minor girls have become a serious problem. Between January and May 10 this year, at least six Jumma girls and women were raped; one case of attempted rape was reported while another girl in her teens was abducted. In the most recent incident, an 11-year old Jumma girl, Sujata Chakma, was murdered after rape in Langudu on 9 May 2012.
    Land grabbing
    While land grabbing by illegal Bengali settlers is a perennial problem, it took a serious turn during the rule of emergency from 2007 – 2008. Hundreds of acres of land belonging to Jumma people were captured. On many occasions land grabbing or attempt at land grabbing were accompanied by communal attacks on Jumma villages, resulting in deaths and destruction of houses and other properties.
    On May 10 the settlers set fire to a house belonging to Kamal Singh Tripura in Paiong Para village under Ugudochari (Ultachari) Union in Panchari Upazila of Khagrachari district .  Kamal Singh had built the house on his land a few days ago.Two settlers namely Md. Manik and Md. Fazlul who set file have been trying to capture his land for a long time.
    Military control
    Despite the CHT accord which ended the armed insurrection led by the now-defunct Shanti Bahini guerrillas, the CHT continues to remain under military occupation. The government has replaced “Operation Dabanol” with “Operation Ottoron” to impose virtual military rule in the CHT. The overwhelming presence of the military, together with the illegal Bengali settlers, poses a serious threat to the existence of the Jumma people.
    Denial of the right to identity
    On 30 June 2011, the Bangladesh national parliament passed the fifteenth amendment to the constitution which, inter alia, provides that “The people of Bangladesh shall be known as Bangalees as a nation and the citizens of Bangladesh shall be known as Bangladeshis”. [Article 6(2)]
    The imposition of Bengali nationality on the indigenous Jumma people and other non-Bengali national minorities has serious implications. While it is a violation of fundamental human rights, it reflects the policy of the Bangladesh state to ethnic-cleanse the indigenous peoples of the country. Bangladesh continues to deny the existence of indigenous people in the country.
    There were many on ground investigation conducted by CHT commission and other international agencies into the violation of human rights in the Chittagong Hill Tracts(CHT).  But, most investigation reports could not properly focus on the political repression on the UPDF supporters-activists and other human rights defenders. More inquiry into the CHT with a follow up measure is urgent.
    Sincerely,
    Ronel Chakma
    Spokesperson (South Korea)
    United Peoples’ Democratic Front (UPDF)
    Parish Chakma
    Representative of the United Peoples’ Democratic Front (UPDF) in New York, USA
     
  • probirbidhan 18:51 on May 22, 2012 Permalink |
    Tags: 1971 war of liberation, , Bangladesh War Crimes Tribunal, , looting, , rape   

    Bangladesh Cannot Hide 1971 History: Huffington Post 

    Anushay Hossain Huffington Post May 22, 2012

    The post- Liberation War generation of Bangladesh know stories from 1971 all too well. Our families are framed and bound by the history of this war. What Bangladeshi family has not been touched by the passion, famine, murders and blood that gave birth to a new nation as it seceded from Pakistan? Bangladesh was one of the only successful nationalists movements post-Partition. Growing up, stories of the Mukti Bahini (Bengali for “Freedom Fighter”) were the stories that raised us.

    My mother told me that in 1971 you would send out the men in your family to look in large public parks for the bodies of loved ones who had “disappeared,” picked up by Pakistani soldiers. Despite the endless killings and torture, she still says, “There was a feeling in the air that you could do anything. Everyone knew Independence was only a matter of time.”

    But the one thing we did not hear about as much as we heard about the passionate fighting that defeated the Pakistani Army, were the rapes that took place in 1971. Many academics state that the first time rape was consciously applied as a weapon of war was during the Bangladesh War of Independence.

    Yet growing up, those are the stories that were missing from the narrative the post-war generation were told. While the role of women as fighters and supporters of the war are highlighted, the stories of rape camps and war babies are largely ignored.

    But we all know that as hard as you try, history cannot be rewritten. The truth exists, and ultimately comes out. In recent years, the shame slowly is lifting from this part of Bangladesh’s Liberation War, as more scholars ask questions and more feminists demand the truth.

    Each time I go home to Bangladesh, a relative, usually male, takes me aside and whispers stories to me about the “piles, and piles of bodies of rape victims” you would find under bridges in mass graves. “How many women were raped and killed in the hands of Pakistani soldiers,” my uncle tells me as his voice whimpers. “You cannot imagine, Ma.”

    But a Bangladeshi scholar wants us to do just that. In fact, as a country we all owe a great deal to Bina D’Costa who went and tracked down the Australian doctor, Geoffrey Davis, brought to Dhaka by the International Planned Parenthood Federation (IPPF) and the United Nations. Davis was tasked with performing late-term abortions, and facilitating large scale international adoption of the war babies born to Bangladeshi women.

    D’Costa’s conversation with Dr. Davis was recently published in a Bangladeshi publication, and is worth reading in its entirety. The stories of women being tied to trees and gang raped, breasts hacked off, dumped in mass graves and being held in Pakistani rape camps are all detailed.

    When asked if the usual figures of the number of women raped by the Pakistani Army, 200,000 – 400,000, are accurate, Dr. Davis states that they are underestimated:

    … Probably the numbers are very conservative compared with what they did. The descriptions of how they captured towns were very interesting. They’d keep the infantry back and put artillery ahead and they would shell the hospitals and schools. And that caused absolute chaos in the town. And then the infantry would go in and begin to segregate the women. Apart from little children, all those were sexually matured would be segregated… And then the women would be put in the compound under guard and made available to the troops… Some of the stories they told were appalling. Being raped again and again and again. A lot of them died in those [rape] camps. There was an air of disbelief about the whole thing. Nobody could credit that it really happened! But the evidence clearly showed that it did happen.

    Dr. Davis talks about how Sheikh Mujibur Rahman labeled the rape survivors as “war heroines” to help them reintegrate into their communities, but the gesture largely did not work. After being assaulted and impregnated by Pakistani soldiers, the Bangladeshi women were completely ostracized by society. Many were killed by their husbands, committed suicide, or murdered their half-Pakistani babies themselves.

    Some women were so scared to go back home after being held captive in Pakistani rape camps, they begged their Pakistani captors to take them back to Pakistan with them.

    As I was reading through the article, I found myself simultaneously looking up sources online. This video of a NBC reporter who found a shelter where many women impregnated with Pakistani soldiers stayed until they delivered, makes you remember that when we talk about the large-scale violence against women that took place in 1971, often we are talking about young girls, sometimes just 13 years old.

    As I struggled through my emotions to keep reading, I stopped and sat back in my chair. ‘What am I doing this for?” I asked myself. ‘What is the point of digging up all this horror?”

    That is when I realized that the pain is exactly the point. The shame that the women of Bangladesh who survived the war carry should be shared with all of us. Why should they suffer in silence? They probably bore the greatest burden of the war, and out of respect we must recognize them. We must find honor in their experience.

    Yes, we are a “conservative” country. Yes, we are a Muslim country. Yes, we can use a lot of excuses as to why we want to close our eyes to this painful and horrifying part of 1971. But by doing that we are denying a huge part of our history to exist. As D’Costa says, we are intentionally suffering from “historical amnesia.”

    After Bosnia, the Rome Statute officially recognized rape as a weapon of war. While these survivors are still alive, Bangladesh must honor their testimonies and have these crimes prosecuted in the War Crimes Tribunal, finally set up in Bangladesh forty years after Independence.

    The question that keeps haunting me, though, is where can the vibrant women’s movement in Bangladesh go if we have a such a massive historical wound to heal from? We must look to the past and bring justice to these women, to all the survivors of the sexual violence of the 1971 war, if we really want to move forward.

     
  • probirbidhan 01:49 on May 14, 2012 Permalink |
    Tags: , , , , , , , Kamaruzzaman, Liberation War of Bangladesh 1971, mastermind, Mujahid, Nizami, , Rajakars, rape, Sayedee, , ,   

    Ghulam Azam says he was a collaborator, not war criminal 

    ‘I was on list of collaborators’

    Julfikar Ali Manik and Rizanuzzaman Laskar

    Ghulam Azam yesterday said he was on the list of collaborators of the Pakistani occupation forces. But he denied that he was a war criminal.

    The 89-year-old said these after the International Crimes Tribuna-1 chairman Justice Md Nizamul Huq asked him if he pleaded guilty or not guilty of the five war crimes charges read out to him.

    “I don’t consider myself guilty,” replied Ghulam Azam, who stood up from his seat in the dock.

    He then sought the tribunal’s permission to say something and went on to give a speech of around 10 minutes.

    In 1973, the then Bangladesh government of Sheikh Mujibur Rahman made a list of war criminals, he told the court.

    “My name is not on that list.”

    The listed war criminals were pardoned at a meeting between the foreign ministers of Bangladesh, Pakistan and India.

    “I was among those who were branded collaborators,” said the former chief of Jamaat-e-Islami, adding that he had then been pardoned.

    The collaborator’s act was formulated at the time and many were arrested, he said.

    “There is no meaning of trying the collaborators, pardoning the real [perpetrators]. I was not on the list of war criminals. I am not a war criminal.”

    Ghulam Azam’s counsels in their submissions during the hearing of charge framing argued in the same manner, saying 195 Pakistani army personnel, who were the principal accused of committing war crimes, were pardoned and released from jail.

    Therefore, there is no point of trying their abettors, the counsels argued.

    During the charge framing yesterday, the tribunal said the ICT act is very clear to have been promulgated for the trial of persons who committed international crimes and the release of 195 prisoners of war, the collaborators order and the clemency extended to persons cannot bar the trial of the accused under the ICT Act 1973.

    It is evidence alone that determines the principal offenders and their associates, and the release of the principal offenders cannot prevent the trial of the collaborators, the tribunal said.

    In January 1972, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman’s government passed a law to try the collaborators and war criminals.

    “Those who were punished for or accused of rape, murder, attempt to murder or arson will not come under general amnesty under section 1,” reads section 2 of the act.

    According to historical records, out of 37,000 sent to jail on charges of collaboration, about 26,000 were freed following announcement of the general amnesty.

    Around 11,000 were behind bars when the government of Justice Sayem and General Ziaur Rahman repealed the Collaborators Act on December 31, 1975. An appeal spree and release of war criminals en masse followed the scrapping of the law.

    During the entire period, Ghulam Azam remained outside the country.

    Yesterday, he told the tribunal that the term “war criminal” first surfaced after the 2001 national polls, following which the BNP-Jamaat led four-party coalition formed government.

    “The Awami League and the BNP bagged almost equal percentage of votes in that election,” said Ghulam Azam.

    Nevertheless, the AL won 58 seats in parliament and the BNP 197 seats, he said, adding, “Why such a big difference in the result? Because the Jamaat and the BNP were united.”

    This proves that the AL had lost the polls because of the alliance between the two parties, the court heard him say.

    “Whenever there is an alliance, it is feared that the AL may lose the election.”

    Citing the election results at the Supreme Court Bar Association and teachers’ associations at public universities, he said in many cases the AL could not win an election when the BNP and the Jamaat were united.

    “The Awami League thinks the alliance should be broken and Jamaat should be eliminated from politics,” he said, “therefore, after 30 years, the Awami League [in 2001] decided to hold the [war crimes] trials to eliminate the Jamaat”.

    The law for trying war criminals is now being used to try the collaborators, he said. “There is no logic behind trying me as a war criminal.”

    “I say India helped us not for our liberation, but for its own interests,” he said.

    As Ghulam Azam went on, the tribunal tried to assure him that he would be given the opportunity to speak further at a later stage of the trial.

    “You are a highly educated person. You do understand that there are rules and laws,” said Justice Huq, requesting Ghulam Azam to take his seat. “We are sorry,” Justice Huq said.

    Anti-Bangladesh before & after ’71

    Ghulam Azam’s crusade to thwart the emergence of Bangladesh had continued even after the nine-month-long blood-spattered Liberation War in 1971, as he tried to revive East Pakistan and spread propaganda against Bangladesh for several years.

    Just when Pakistan was on the verge of losing the war, Ghulam Azam went to Pakistan on November 22, 1971. He formed East Pakistan Retrieval Committee in Pakistan and campaigned until 1973 to build public opinion against Bangladesh and its recognition in the Islamic world.

    While reading out the charges yesterday, Justice Md Nizamul Huq, chairman of the International Crimes Tribunal-1, gave a brief profile of accused Ghulam Azam.

    He said Ghulam Azam went to London in 1973 and set up an office of East Pakistan Retrieval Committee there. He published a weekly, Shonar Bangla, in London, which was used as a propaganda tool against Bangladesh.

    Bangladesh government cancelled his citizenship on April 18, 1973.

    Ghulam Azam later visited Saudi Arabia in March, 1975. He met King Faisal and told him that Hindus have captured East Pakistan, the holy Quran has been burnt, mosques have been destroyed and converted into temples, and Muslims were killed.

    He collected funds from the Middle East for rebuilding mosques and madrasas.

    After the assassination of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, Ghulam Azam returned to Bangladesh on August 11, 1978 with a Pakistani passport. He got back his citizenship and rejoined his post as the ameer of Jamaat-e-Islami. He served in the post until Motiur Rahman Nizami was elected ameer.

    Ghulam Azam was born on November 7, 1922. He studied in a madrasa first and then obtained master’s degree from Dhaka University in 1950. He was a teacher of Rangpur Carmichael College between 1950 and 1955.

    He joined Jamaat-e-Islami in 1954 and served as its secretary from 1957 to 1960. He became the ameer of Jamaat-e-Islami in 1969. During the Liberation War, Jamaat and Islami Chhatra Sangha under his leadership opposed the Liberation War.

    He played a pivotal role in forming Shanti (peace) Committee, Razakar, Al Badr, Al Shams (collaborator forces). He was an elected member of the national assembly from Tangail in the sham elections of 1971, Justice Nizamul Huq said.

    The Daily Star went through historic documents and is able to shed more light on Ghulam Azam’s records.

    According to records on the Liberation War, Ghulam Azam began playing an active role in helping the Pakistani occupation forces even as the nation joined the armed struggle to free Bangladesh soon after the launch of a massacre by the Pakistani military on the night of March 25, 1971.

    He was ameer of the East Pakistan Jamaat-e-Islami before the Liberation War. As the ameer, he campaigned across Bangladesh and even in Pakistan (then West Pakistan) in an attempt to foil the liberation movement.

    “Pakistan is the house of Islam for the world’s Muslims. Therefore, Jamaat activists don’t justify staying alive if Pakistan disintegrates,” said Ghulam Azam in a speech to mobilise his party men and followers against Bangladesh and help the occupation forces. (Source: Jamaat’s mouthpiece the daily Sangram, 1971).

    Ghulam Azam is one of the front men who actively helped the Pakistani forces’ attempts to foil the birth of Bangladesh. He was hyperactive against the Liberation War and became a symbol of war crimes in Bangladesh.

    He met Pakistani General Tikka Khan, who was known as the “Butcher of Baluchistan”, 10 days after the war started and earned the same title “butcher” as an architect of the genocide launched on the night of March 25, 1971 in Dhaka.

    During the nine-month-long bloody war, Ghulam Azam and his party Jamaat-e-Islami, its student wing Islami Chhatra Sangha (later renamed Islami Chhatra Shibir) played a key role along with their other political partners to foil Bangladesh’s independence struggle.

    According to newspapers, including the daily Sangram, and books and documents on 1971, Jamaat and its student wing played a key role in forming the Peace Committees and some other collaborator forces like Razakar, Al-Badr and Al-Shams.

    Throughout the nine-month war, Jamaat, its student wing and the collaborator forces actively helped the Pakistani military in mass killing, rape and atrocities.

    The Pakistani forces and their Bangladeshi collaborators committed genocide and war crimes that left three million people dead and around a quarter million women violated, besides the planned elimination of some of the best of Bengali brains on December 14, 1971.

    War records show that Jamaat formed Razakar and Al-Badr forces to counter the freedom fighters. Razakar force was established by former secretary general of Jamaat Moulana Abul Kalam Mohammad Yousuf, and Al Badr included the Islami Chhatra Sangha activists.

    Anticipating defeat, the occupation forces and their collaborators–mostly leaders of Jamaat and its student front–picked up leading Bengali intellectuals and professionals on December 14 and killed them en masse with a view to intellectually crippling the emerging independent nation.

    Though Ghulam Azam was the brain behind Jamaat’s anti-liberation efforts, incumbent Jamaat Ameer Motiur Rahman Nizami, president of Islami Chhatra Sangha in 1971, played a vital role in collaborating with the Pakistani junta in committing genocide.

    Nizami, who is also behind bars on charges of war crimes, had said, “Every one of us should assume the role of a Muslim soldier of an Islamic state and through cooperation with the oppressed and by winning their confidence we must kill those who are hatching a conspiracy against Pakistan and Islam.” (Daily Sangram quoted Nizami on September 15, 1971)

    Ghulam Azam and his party men and anti-liberation elements used to call the freedom fighters “miscreants”, “Indian agents”, “malaun” (an offensive word used against the Hindus), and “infiltrators”.

    On April 8, 1971, Ghulam Azam issued a joint statement with other Jamaat leaders. A book containing an account of the killers and collaborators titled “Genocide ’71” quotes from that statement: “India is interfering in the internal affairs of East Pakistan. Wherever patriotic Pakistanis see Indian agents or anti-Pakistan elements and infiltrators, they will destroy them.”

    Genocide ’71 also reads: “On June 18, on arriving at Lahore airport, Ghulam Azam spoke to journalists, stating that, in order to further improve the conditions in East Pakistan, he was going to provide some additional advice to the president [General Yahya Khan].

    “However, he refused to elaborate any further on what sort of advice he was going to give. Regarding the situation in East Pakistan, he said: ‘The miscreants are still engaged in destructive activities. Their main aim is to create terror and turbulence. These miscreants are being directed by Naxalites and left-wing forces.'”

    On June 19, before Tikka Khan left for Dhaka, Ghulam Azam met then Pakistan president Yahya Khan. After his meeting with Yahya, he addressed a press conference in Lahore. He told journalists, “The miscreants are still active in East Pakistan. People must be provided with arms to destroy them.”

    Addressing Jamaat workers prior to the press conference, Ghulam Azam said, “In order to prevent the disintegration of Pakistan, the armed forces had to be deployed.”

    He further noted, “The recent tumult in East Pakistan is 10 times greater than the 1857 Revolution in Bengal.”

    Speaking at a press conference in Peshawar on August 26, he said, “The armed forces have saved us from the treachery of our enemies and from the evil designs of India. The people of East Pakistan are lending full support to the armed forces in destroying miscreants and infiltrators.”

    On November 23, Yahya Khan declared a state of national emergency.

    Ghulam Azam welcomed this announcement. He told the press in Lahore, “The best way to defend ourselves is striking at our enemies.” He said in order to restore peace in East Pakistan, each patriotic citizen, each member of the Peace Committees, Razakar, Al-Badr, and Al-Shams must be armed with modern automatic weapons.

    At a meeting in Rawalpindi on November 29, he said, “There is no example in the history of a nation at war surviving without retaliation. Aggression is the best form of defence.”

    On December 3, he in Karachi said, “An East Pakistani should be in charge of the foreign office because it is only an East Pakistani who can cope with the Bangladesh tamasha [the Bangladesh farce].”

    Immediately after victory on December 16, 1971, Ghulam Azam and many others like him fled to Pakistan and returned only after the brutal assassination of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and most of his family members in 1975.

    After victory the first issues of newspapers of the new nation carried the government’s decision to ban five communal parties, including Jamaat-e-Islami, on December 18 with immediate effect.

    The banned parties were given the green light to resume politics during the regime of late president Ziaur Rahman.

    Genocide ’71 said soon after Ghulam Azam with a few of his followers went to Saudi Arabia, an advertisement, in the name of a fake organisation, appeared in several Middle Eastern papers. The ad proclaimed, “mosques are being burnt in East Pakistan, Hindus are killing Muslims and destroying their properties.” On the plea that Islam had to be saved, the ad appealed for contributions.

    It also said Ghulam Azam, in order to collect funds and to continue his campaign against Bangladesh, visited several countries of the region, including Dubai, Abu Dhabi, Kuwait, and Beirut. After completing his tour of these areas, he left for London in April, 1973.

    Even though he came to Dhaka on a three-month visa during the rule of president Ziaur Rahman in 1978, he never left Bangladesh. He became Jamaat’s undeclared ameer taking over from alleged war criminal late Abbas Ali Khan who was the acting ameer.

    In the early 90’s, Ghulam Azam was officially declared ameer of Jamaat, while Shaheed Janani Jahanara Imam launched a unique mass movement demanding trial of war criminals.

    She held an unprecedented People’s Court as a symbolic trial of Ghulam Azam where thousands of people gathered and the court pronounced a verdict to the effect that offences committed by him during the Liberation War deserve capital punishment.

    Ghulam Azam’s citizenship issue came into focus when he came to Bangladesh as a Pakistani national.

    In 1991, the BNP formed government with support from Jamaat and in 1992 Ghulam Azam filed a case with the High Court to get Bangladeshi citizenship. The government of the day arrested him and put him in jail.

    However, after Ghulam Azam acquired Bangladeshi citizenship through a court order in 1994, the government released him from prison.

    In 1998, BNP and Jamaat formed the four-party alliance and Ghulam Azam appeared at a grand public meeting with BNP Chairperson Khaleda Zia.

    Ghulam Azam left the party’s top post in 2000 and was succeeded by Nizami.

    Ghulam Azam stayed out of focus since then but he is back into the spotlight after yesterday’s court order.

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel