Tagged: secularism Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 19:09 on August 1, 2015 Permalink |
    Tags: , Islamisation, , radical Muslims, secularism   

    Blogger killing probe draws flak from activists 

    Four secular Bangladeshi writers have been killed since November of 2014: Rajshahi University professor AKM Shafiul Islam, and writers Avijit Roy, Oyasiqur Rahman Babu and Ananta Bijoy Das.

    At least a dozen more have been killed and scores of others attacked or threatened with death for their progressive and secular views, since massive protests erupted in 2013 calling for Islamist parties to be banned. The protesters also demanded that war criminals including some Islamist politicians be hanged for war crimes committed in 1971. A war crimes court handed down a series of death sentences to a number of people including a few Islamist leaders later that year.

    All of the murdered bloggers or activists had one thing in common: they openly opposed Bangladesh’s increasingly unpopular largest Islamist party Jamaat-e-Islami, and similar communal Islamist organisations, who have been fighting a losing battle for a more conservative, religion-based legal regime in the country since 1971 when the country first won independence from Pakistan. In 2013, Bangladesh’s Supreme Court declared the Jamaat illegal, blocking it from contesting in the country’s elections.

    Law enforcement and the judiciary have failed to adequately investigate the recent killings, some of which have happened with apparent blessings from international militant groups like al-Qaeda.

    Bangladesh is a non-religious parliamentary democracy, which means there is no Sharia or blasphemy law. People who identify as atheists have the same rights as other citizens. However, under Section 295A of Bangladesh’s Penal Code (1860), any person who has a “deliberate” or “malicious” intention of “hurting religious sentiments” is liable to imprisonment. While Bangladesh’s constitution has recognised and protected the right to secularism since 2011, it also allows religion-based politics and identifies Islam as its state religion. Government inaction and police ineffectiveness have also given Islamist groups a certain amount of impunity.

    Several militant leaders and field-level workers were arrested in a crackdown recently, including an alleged leader of Al-Qaeda’s branch in the region. Al-Qaeda in South Asia has claimed responsibility for the murder of several secular bloggers in Bangladesh this year, including Mukto-Mona blog (free-thinker) founder Avijit Roy.

    Law enforcers have also identified new militant organizations that are campaigning against progressive cultural norms to justify the need for Islamic revolution in this state. But the cases of the bloggers and professor mentioned above have scarcely seen progress. Police last week claimed to have identified seven suspected killers of Avijit, saying that their photos had been verified by the wife of the slain blogger, but Mukto-Mona blog refuted the claim on Thursday.

    Global Voices contacted several secular bloggers and online activists to know their views regarding the recent killings, investigation process and possible future plan of the militant groups operating in the country. We received responses from four individuals. Several others refrained from making any comment out of fear of reprisal.

    Read the interviews on Global Voices

    Advertisements
     
  • probirbidhan 18:41 on July 4, 2015 Permalink |
    Tags: , , militants, radical Islamists, religious fanatics, secularism   

    ব্লগারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে: অধ্যাপক অজয় রায় 

    আন্তর্জাতিক এই সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী বাকস্বাধীনতা ও তথ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে।

    শুক্রবার ব্র্যাক সেন্টার ইন মিলনায়তনে ‘স্পন্দমান ও শঙ্কামুক্ত অনলাইন ক্ষেত্র চাই’ শিরোনামে ওই ‘সনদ’ উন্মোচন করেন নিহত ব্লগার অভিজিৎ রায়ের বাবা পদার্থবিজ্ঞানী অজয় রায়।

    আর্টিকেল ১৯ এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া পরিচালক তাহমিনা রহমান বলেন, “মত প্রকাশের অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে ব্লগাররা সাধারণত যে সব জটিলতার মুখোমুখি হয় সেসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ব্লগারদের জন্য এই সনদ।

    “এই সনদে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের অধিকার, তাদেরকে সহিংসতা, নির্যাতন ও হয়রানি থেকে সুরক্ষার কথা জোরালোভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।”

    পাশাপাশি তথ্যসূত্র প্রকাশ করতে বাধ্য না করা এবং সরকারি সংস্থার সাথে নিবন্ধন করার ব্যাপারে বাধ্য না করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যাপক অজয় রায় ‘ব্লগারদের প্রতি সরকারের নিষ্ক্রিয় মনোভাব রয়েছে’ অভিযোগ করে বলেন, “তারা (ব্লগাররা) যে এক ধরনের মৌলবাদীদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে সেটি সরকার অনুধাবন করতে পারেনি। যদি পারত, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে তিনটি হত্যাকাণ্ড হত না।”

    অভিজিতের হত্যা মামলার অগ্রগতি জানতে কিছু দিন আগে গোয়েন্দা কার্যালয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা বলছে, তারা দুজনকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। তবে এখনও ধরতে পারেনি।”

    ব্লগারদের প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলে অজয় রায় বলেন, “ধরে নিলাম ব্লগাররা নাস্তিক, সেটি যদি অপরাধ হয় তাহলে তাদের বিচারের সম্মুখীন করুক। যদি আদালত তাদের ফাঁসির রায় দেয় তাহলে ফাঁসিতে লটকাবে, কেন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সরকার প্রশ্রয় দেবে?”

    ব্লগারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে বলেও জোর দিয়ে বলেন তিনি।

    “অভিজিতের হত্যাকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিফোন করে বলেছিলেন, আপনার জন্য কী করতে পারি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ, তিনি সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এ খবরটি তিনি মিডিয়াতে দেননি অর্থাৎ ব্লগারদের প্রতি তার কিছু না কিছু সহানুভূতি প্রকাশ পাক সেটিও বোধহয় তিনি জনগণকে জানাতে চাননি।”

    “ব্লগারদের প্রতি সরকারের নিষ্ক্রিয় মনোভাব রয়েছে, তারা বিচার চান না সেটা আমি বলবো না। কিন্তু এটি নিয়ে তাদের একটা খুব আহামরি অভিযোগ নেই।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন এই অধ্যাপক।

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় যে কথা বলেছেন তার কোন প্রয়োজন ছিল না। তোমার এ ব্যাপারে মাথা ঘামানোর কোন দরকার ছিল না। সে উটকো মন্তব্য করে বলেছে, অভিজিৎ একজন স্বঘোষিত নাস্তিক, আওয়ামী লীগ এ ধরনের রাজনীতি করে না। তোমার এই অর্বাচিন উক্তিটার দরকার কী ছিল?”

    “এদিক থেকে দেখে মনে হয় ব্লগারদের প্রতি বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের হত্যাকারীদের ধরার ব্যাপারে উৎসাহ নেই, এমনকি ব্লগার হত্যার বিষয়ে সরকারের ঘৃণা বা প্রতিবাদও নেই।”

    ঢাকায় স্বামীর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সরকারের কার্যক্রমের সমালোচনা করে রাফিদা আহমেদ বন্যার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জয় বলেছিলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি তার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য এতটাই নাজুক যে প্রকাশ্যে তার কিছু বলা স্পর্শকাতর ছিল, তাই তিনি ব্যক্তিগতভাবে অভিজিতের বাবাকে সহমর্মিতা জানিয়েছিলেন।

    অভিজিৎকে ‘ঘোষিত নাস্তিক’ উল্লেখ করার পর রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে জয়কে উদ্ধৃত করে বলা হয়, “আমরা (আওয়ামী লীগ) নাস্তিক হিসেবে পরিচিত হতে চাই না। তবে এতে আমাদের মূল আদর্শের কোনো বিচ্যুতি হবে না। আমরা ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী।”

    যে সনদ তৈরি করা হয়েছে তা ব্লগারদের সুরক্ষা কবজ হিসেবে কাজ করবে এবং এই সনদ সরকার আমলে নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন অভিজিতের বাবা অজয় রায়।

    ব্লগারদের উদ্দেশে অজয় রায় বলেন, “এমন কিছু ‍লিখবেন না যা জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। আপনারা এই সনদ ছাড়াও নিজেদের আত্মনিয়ন্ত্রণ করুন, আপনারা মত প্রকাশ করতে যেয়ে এমন কাজ করবে না যা অন্যর চেতনা বা ধর্মীয় বা অন্য যে চেনতাই হোক তাতে নিরর্থক আঘাত হানে।”

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক শাখার প্রধান আদ্রিয়ান জোনস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহবুবুর রহমান, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগের মডারেটর আইরিন সুলতানা, ব্লগার ফাতিমা আবেদিন নাজলা, কবি নীল সাধু ও নাসরিন সুমি।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে শতাধিক ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, ব্লগ সঞ্চালকরা উপস্থিত ছিলেন।

    ১২ সুপারিশ

    আর্টিকেল ১৯ এর ১২টি ধারার মধ্যে অন্যতম অনলাইনে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে আন্তজার্তিক আইনের যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা। অনলাইন মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর যে কোন বিধি-নিষেধ আরোপের ক্ষেত্র্রে আন্তজার্তিক মানদণ্ড অনুসরণের সুপারিশ এসেছে সনদে।

    এছাড়া ব্লগে লেখালেখির কারণে ব্লগারদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের হয়রানিমূলক অপপ্রয়োগ বন্ধ করা, তাদের উপর আক্রমণ ও সহিংসতাকে মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর প্রত্যক্ষ আঘাত হিসেবে বিবেচনা করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

    অন্যদিকে বিদ্যমান আইনে পেশাদার সাংবাদিকরা যে ধরনের সুরক্ষা বা সুবিধা পেয়ে থাকেন, জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের কাজে নিয়োজিত ব্লগারদের জন্যও একই ধরনের সুরক্ষা ও সুবিধাদি নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করে আর্টিকেল ১৯।

    পেশাদার সাংবাদিকদের পাশাপাশি ব্লগারদের জন্যও প্রবেশাধিকার সম্পর্কিত সরকারি স্বীকৃতিব্যবস্থা উম্মুক্ত করা, সাংবাদিকতাধর্মী কাজে নিয়োজিত ব্লগারদের পেশাদার সাংবাদিকদের মতই তথ্যসূত্রের সুরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা, তথ্যসূত্র প্রকাশের যে কোন অনুরোধ বা নির্দেশ শুধু গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে সনদে।

    তবে এক্ষেত্রে প্রথমে আদালতের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।

    আর্টিকেল ১৯ বলছে, ব্লগারদের কখনোই সরকার বা সরকারি সংস্থার কাছে নিবন্ধিত হতে বাধ্য করা যবে না।

    ব্লগে লেখালেখির জন্য ব্লগারদেরকে তাদের প্রকৃত নামে নিবন্ধিত হতে বাধ্য করা যাবে না।

    এছাড়া প্রচলিত ধারার গণমাধ্যম কর্তৃক প্রণীত আচরণ বিধি মেনে চলতে ব্লগারদের বাধ্য না করার সুপারিশও এসেছে সনদে।

    ১৯৮৭ সাল থেকে তথ্য অধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিয়ে কাজ করছে লন্ডন ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন আর্টিকেল ১৯। ‘মানবাধিকার সনদের’ ১৯ ধারা থেকে সংগঠনটি তাদের নাম নিয়েছে।

     
  • probirbidhan 22:01 on May 31, 2015 Permalink |
    Tags: , , secularism,   

    ধর্মের বিরুদ্ধে এত লেখালেখি করেন কেন? ধর্ম ছাড়া আর কোন বিষয় নাই? 

    জনৈক: আপনি ধর্মের বিরুদ্ধে এত লেখালেখি করেন কেন? ধর্ম ছাড়া আর কোন বিষয় নাই?

    আমি: কি নিয়ে লিখবো সে ব্যাপারে একটা লিষ্ট দেন, আপনার পছন্দমাফিক লিখতে পারি কিনা দেখি!

    জনৈক: এই যেমন ধরুন, দেশের দূর্নীতি, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, শিক্ষা-ব্যাবস্থা, নারী অধিকার.. এসব বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন।

    আমি: ভাল বলেছেন, আপনি তো দূর্নীতি দেখেন; আমি দেখি দূর্নীতির পিছনে ধর্মীয় কারন। আপনি শুধু সন্ত্রাস আর ধর্ষণ দেখেন, আমি দেখি ধর্ম কিভাবে এই ব্যাপারগুলোকে প্ররোচিত করে। আর ধর্মে নারী অধিকার বলতে কোন বিষয়ই নাই। নারীরা শস্যক্ষেত্র, স্বামীর সেবা করবে আর বাচ্চা জন্ম দেবে। নারীরা ঘরে থাকবে; যেন আপনার মোহর দিয়ে কেনা স্ত্রীকে বাজারে পরপুরুষেরা ধাক্কা দিতে না পারে।
    দেশের রাজনীতির দিকে তাকান, মদীনা সনদের কথা বলে মানুষকে বোকা বানানো হচ্ছে। দিনের পর দিন ধর্মের নামে মানুষ খুন হচ্ছে, তখনতো আপনি নিজে কিছু লেখেন না। অাপনার প্রোফাইলে গেলে শুধু নেত্রীর প্রসংশা আর দলীয় নেতাদের তোষামোদী করা পোষ্ট। কই আমি তো কোনদিন বলিনা, আপনি কোন বিষয়ে লিখবেন আর কোন বিষয়ে লিখবেন না। আমাকে নিয়ে আপনার এত মাথাব্যথা কেন? আমার লেখা পড়তে চান না, ইগনোর করেন, আনফলো করেন। তাও যদি আপনার সন্তুষ্টি না হয়, তাহলে আনফ্রেন্ড করেন, ব্লক করেন। তবু আমার ব্যাক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে আসবেন না। আমি আপনার দরজায় কড়া নেড়ে আমার লেখা পড়তে বাধ্য করছি না।
    আমার প্রোফাইলে আমি স্বাধীন। এত বছর বিদেশে থাকার পরও যদি এ শিক্ষাটা না হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আপনি মত প্রকাশের স্বাধীনতার মানে বোঝেন না। এমনকি নিজেও স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করার মতো সাহস অর্জন করেন নাই।

    By Farzana Kabir Khan Snigdha

     
    • doolaavai 16:42 on January 14, 2016 Permalink | Log in to Reply

      one day the greatest religion of the world (so called) islam will fall like any other religions. and it will be fallen by the women. you may knew that in Indian women filed a case to make a law so that any muslim man can’t get more than one wife at a time, before it a Saudi Arabian woman wanted a license to drive a can, but she hasn’t got it. so write it down one day Islam will fall by the muslim woman, and it would be so shame full for 1500 years old legacy, I should tell heresy. so be ready for that shame full day.

    • doolaavai 16:45 on January 14, 2016 Permalink | Log in to Reply

      thank you for your brave endeavor. I hope you I mean all of women in Islam will be truly free from that nasty religious doctrine.

    • doolaavai 21:50 on February 2, 2016 Permalink | Log in to Reply

      actually I don’t like dirty debate, specially with a girl/woman who thinks herself as a “shosha khetro”, I feel pity for you! have really seen my profile, there is no political writings, let alone ‘chamchami’ , before making comments for any matter,you should research first, for your information you are not in my friend list, and I don’t want to be friend with people like you, you don’t have any dignity left in you, and you don’t have enough intellectual to properly understand my writings, it is out of your grasp. our islam is badly effected by idiots like you. I hope your future will be happy by being third or fourth wife of a muslin man, and be his ‘shosho khetro’, what a shame! last thing I want to say”Go FUCK YOURSELF,(pardon my language), if I really write about our religion it would be thousands of pages.
      “Jodi tumi pete chao behester punji, bibigon ke kine dao ‘beheshter kunji”—moksedul mumenin,
      and I am writing with a heavy heart, you just made me sad, not angry. I have stunned, when you say “mohor die kina wife….’ tahole manush-o kena becha hoy’ shame on you! all the religions of the world cannot omit slavery from the world, and failed, but our civilized people has stopped that shameful event,
      what I really want to tell, I can’t, because people like you, arrogant and stubborn, who don’t have proper intellect, will come with a ‘chapati’ (some kind of knife), and hacked me dead. you people did it before and do it again, because your thick skull won’t understand and definitely can’t answer with a pen, I hate humayun azad’s writtings, those were so dirty, immediately I told my younger brother and sister not to read those books. those were so dirty I almost puke when he describes so elaborately, how in Africa people cut their young girls clitoris (woman’s khatna), but I never ever thought that we should kill him slash him, but you people did it. bravo!
      there is a phrase in bangla-“aulpo biddya voyongkor”, and without proper evidence and knowledge, so don’t assume yourself as a pondit, don’t just put a label on my theory and writings, if you dare to discard my opinion, do it by reasoning,
      one day a man came to Einstein and tell that, a book has been published, and its name was, “100 writers against Einstein’s theory of general relativity” , he smiled and said if I’m wrong one writer would be enough, so why they need 100 writers!
      before write something harsh, be sure first, then try not with chapati, but a pen to answer.
      any way I won’t bother to write you, its fucking waste of my time. —-Be a good
      shossho khetro’ , because he bought you with mohor, Honestly I feel so pity for you.

  • probirbidhan 21:37 on May 15, 2015 Permalink |
    Tags: , , , secularism   

    ব্লগার খুন: এরপর কে? 

    সরকারের কাছে দেওয়া কথিত ‘নাস্তিক তালিকা’ অনুযায়ী একের পর এক ব্লগারকে হত্যা করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তালিকাটি থাকলেও ব্লগারদের নিরাপত্তায় কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সরকার।
    তালিকায় থাকা অনেকেই দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। যাঁরা যাননি, তাঁরা আছেন আতঙ্কে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এখন একটাই প্রশ্ন—এরপর কে?

    ব্লগারদের জন্য ‘মোটেই নিরাপদ নয়’ বাংলাদেশ

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির আগে ব্লগারদের ওই তালিকা করা হয়েছিল। হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে দর-কষাকষির অংশ হিসেবে ১৩ মার্চ সরকার নয় সদস্যের একটি কমিটি করে দেয়। কমিটিতে আইন, তথ্য এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও ছিলেন। সেই কমিটির নাম ছিল ‘পবিত্র ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যকারী ব্লগার ও ফেসবুক ব্যবহারকারীদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কমিটি’। কমিটির প্রধান ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রয়াত অতিরিক্ত সচিব মাইনউদ্দিন খন্দকার। কমিটি ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যকারীদের বিষয়ে তথ্য দিতে একটি ই-মেইলও খুলেছিল।
    কমিটি এপ্রিল মাস পর্যন্ত চারটি বৈঠক করে। কমিটি ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যকারীর নাম আহ্বান করলে বিভিন্ন মহল থেকে সব মিলিয়ে ৮৪ জন ব্লগারের একটি তালিকা দেওয়া হয়। সেই তালিকা থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন ব্লগারের একটি তালিকা করে কমিটি তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দেয়। সেই তালিকা থেকে হেফাজতের সমাবেশের ঠিক আগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত কমিটির তৃতীয় বৈঠকে আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত নামের একটি সংগঠন ‘নাস্তিকদের তালিকা’ শিরোনামে ৫৬ জনের একটি তালিকা দেয়। এই ৫৬ জনের মধ্যে আবার ২৭ জনকে আলাদা করা হয়। এই ২৭ জনের প্রত্যেকের আলাদা প্রোফাইল তৈরি করে তা কমিটির কাছে দেওয়া হয়। সেখানে ২৭ জনের ছবি ছাড়াও প্রত্যেকের পরিচিতি, ঠিকানা এবং লেখার বিভিন্ন অংশ তুলে ধরা হয়।
    জামায়াত-শিবির পরিচালিত একটি ফেসবুক গ্রুপের নাম ‘বাঁশের কেল্লা’। একই সময়ে সেখানে ৮৪ ব্লগারের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় আগের ৫৬ জনের নামও ছিল।
    এসব তালিকা থেকেই মূলত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটি ১০ জনের প্রথম তালিকাটি করেছিল। তালিকা তৈরি করে চার ব্লগারকে গ্রেপ্তারের পরও হেফাজতে ইসলাম পূর্বনির্ধারিত ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি ডেকে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। পরে সরকারও তা শক্ত হাতে দমন করে। এতে হেফাজতের সঙ্গে সরকারের আর দর-কষাকষির প্রয়োজন হয়নি। ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটি ৫ মের পর আর কোনো বৈঠকও করেনি, তালিকাও হয়নি। গ্রেপ্তারকৃত ব্লগাররা পরে জামিন পেলেও এখনো মামলা চলছে।
    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেওয়া আনজুমানে আল বাইয়্যিনাতের তালিকায় রাজিব হায়দার ওরফে শোভনের নাম ছিল। ওই তালিকা দেওয়ার আগেই, ১৫ ফেব্রুয়ারি তাঁকে হত্যা করা হয়। এরও আগে একই বছরের ১৪ জানুয়ারি তালিকায় নাম থাকা আরেক ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এর পরে চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি তালিকায় থাকা মার্কিনপ্রবাসী অভিজিৎ রায়কে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
    এরপর ঠিক একই কায়দায় হত্যা করা হয় মূলত ফেসবুকে লেখালেখি করা ওয়াশিকুর রহমানকে। তবে কোনো তালিকাতেই ওয়াশিকুরের নাম ছিল না। সবশেষে ১২ মে সিলেটে হত্যা করা হয় ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশকে। আনজুমানে আল বাইয়্যিনাতের তালিকায় তাঁর নামটি ছিল।
    সামগ্রিক বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেছেন, তালিকার বিষয়টি তিনি জানতেন না। জেনে ব্যবস্থা নেবেন।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তালিকায় থাকা অধিকাংশ ব্লগারই ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। পর পর তিনজন খুন হওয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে অন্যদের ক্ষেত্রে কোনো বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আবার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এখানে এমন অনেকের নাম আছে, যাঁরা নিয়মিত ব্লগে লেখালেখি করলেও ধর্ম নিয়ে কখনো কিছু লেখেননি। কিন্তু ২০১৩ সালে সরকার কমিটি করার পর অতি উৎসাহীরা তালিকা বড় করার জন্য তাঁদের নামও দিয়েছিল। আবার ব্যক্তিগত রেষারেষির কারণেও কিছু নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।

    জঙ্গীপ্রেমী যুগান্তর পত্রিকা তো ব্লগারদের লিস্ট ছাপিয়ে দিয়ে তাদের খুন হবার রাস্তা সহজ করেছে। জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ ব্লগারদের তালিকা দেয় হেফাজতে ইসলাম। 

     
  • probirbidhan 15:54 on October 11, 2012 Permalink |
    Tags: , , secularism   

    Is war crimes trial against the anti-Awami League forces? 

    Bangladesh: the forgotten template of 20th century war

    This is a cross post from Open Democracy by Gita Sahgal published on Harry’s Place

    Cross-Post, October 10th 2012, 1:00 pm

    In 1971 the Jamaat e Islami supported the Pakistani army against the nationalist Awami League: now their leaders are being indicted by an international crimes tribunal and secularism is back on the agenda. It’s time to discuss the forgotten role of the fundamentalist militias in the war of liberation of Bangladesh.

    A recent article by Elliot Wilson in the Huffington Post asked whether British aid was being used to fund a crackdown on human rights in Bangladesh. The article did not discuss where the £250 million given by the British government is spent or whether that spending is effective.

    Is Britain’s Aid Funding a Political Crackdown in Bangladesh?

    Wilson argues that the Awami League government of Sheikh Hasina has undertaken ‘the most sustained assault on freedom of speech in the 41 years since independence’. A major reason for his claim is the arrest of Mir Quasem Ali, whom he describes as a leading member of the Islamist political party Jamaat-e-Islami, head of a major charity and a media magnate, arguing that he has been arrested solely for his public criticism of a Tribunal established to try crimes committed during the Bangladesh war of liberation in 1971. He argues that the International Crimes Tribunal (ICT) is completely politically motivated.

    As the extensive comments show – many Bangladeshis living at home and abroad – are concerned about the human rights situation in their country. But many don’t necessarily buy the main thrust of the argument. Although human rights advocates and independent observers agree that many of the tribunal processes are flawed, there are also extensive comments arguing against the proposition that the International Crimes Tribunal (ICT) was established solely as a sort of vanity project for Prime Minister Sheikh Hasina, to get rid of her political opposition.

    Indeed the strength of the debate within Bangladesh and in the diaspora, suggests that although governments frequently fail to meet their promise, civil society activists working in both development and human rights have gone some way to highlighting human rights violations, addressing impunity for mass crimes – without which there would be no international crimes tribunal – and most remarkably for creating a development success story.

    Human rights concerns in Bangladesh are far wider than the Wilson suggests. For instance, the government has been reluctant to accept new refugees fleeing violence in Burma. Unfortunately for Wilson’s argument that this is the worst attack on freedom of speech in Bangladesh’s history – the opposition is also implicated in targeted attacks on minorities when they came to power in a BNP and Jamaat e Islami coalition.

    Fear of their rise to power again has lead religious minorities to campaign hard for Bangladesh to return to its secular founding principles. At meetings in the East London tabernacle and at the House of Commons a number of organisations representing religious minorities such as Ahmadiyyas, and the Bangladesh Hindu Buddhist Christian Unity Council, described pogroms against them as soon as the BNP came to power in a previous election. Syed Anas Pasha, representing Bangladeshi journalists, described how journalists reporting on these attacks were themselves attacked.

    For those whose lives are threatened by fundamentalists, 1971 is not simply a bad memory but a current threat; one which has largely disappeared from public memory abroad.

    For those who do remember, even if they were children at the time, Bangladesh 1971 remains the template for many of the conflicts that define the late 20th century. It is a forgotten template, although many aspects of genocidal conflicts in former Yugoslavia, Rwanda during the 1990s, and on a smaller scale in Gujarat, India in 2002 were pre-figured in Bangladesh. These include widespread and systematic mass rape, and targeted killings of men and boys such as at Srebrenica in the context of attacks on groups based on their ethnicity, religion or both. Also crucial was the role of militias. The Bangladesh story tells us what happens when a military crackdown is supported by militias composed of religious fundamentalists with their own agenda.

    The Jamaat e Islami was already known as a violent political party of the far right in Pakistan, bent on attacking minorities and creating an Islamic state. Indeed, their founder Maulana Maududi, who had opposed the creation of Pakistan as a Muslim homeland, is regarded as the first modern theorist of an Islamic state. On March 25th 1971, the Pakistan army launched a huge military crackdown in Dhaka – including an assault on Dhaka University in which many staff and students were rounded up and killed. Hindu halls of residence were particularly targeted. The army had by then decided that they were not going to let Sheikh Mujibur Rahman take power. As the leader of the Awami League, which had won a decisive victory in the recent elections, he was entitled to become Prime Minister of Pakistan. But Bhutto, whose Pakistan Peoples Party was the largest party in west Pakistan did not want to stand aside. Although, the Jamaat e Islami had not fared well in the elections, its political leaders and cadres, supported the idea of Pakistan – and were prepared to fight to preserve both the East and West wings as a unified state. Working beside the Pakistani army in two different militias, al Badr and al Shams, members of the student wing of the Jamaat e Islami are alleged to have both supported the Pakistani army, and been involved in their ‘own scheme of killing’ – as journalist Enayetullah Khan told me during the 1990s –  long before there was any possibility of establishing a tribunal.

    The most notorious event that al Badr are said to have instigated, is known as the ‘killing of the intellectuals’. In the days before the surrender of the Pakistani army, dozens of professors, journalists, doctors and others were picked up, taken to torture centres, and killed.

    Wilson fails to mention that Mir Quasem Ali is under investigation by the tribunal, not for what he said about it, but for what he is alleged to have done during 1971. According to the Bangladesh press, the charges against the Jamaat leader include that he was the Chittagong unit commander of Al-Badr, described as ‘a vigilante outfit mobilised by Jamaat’s erstwhile student wing Islami Chhatra Sangha’, and was third in the outfit’s command structure. The investigation relates to atrocities alleged to have been committed by al Badr.

    It is not surprising that Wilson, who calls himself an investigative journalist, doesn’t mention any of this. A recent book on 1971 by Sarmila Bose, Dead Reckoning: memories of the 1971 Bangladesh War, which has been comprehensively rebutted by Naeem Mohaiemen, manages to claim to interview all sides, to give a balanced account of what happened. As I showed in my analysis of the book, the author failed to interview any members of the Jamaat e Islami, or address allegations of their role in the conflict.  The story has simply vanished from her work.

    David Bergman, himself a critic of the Tribunal, has investigated the Jamaat e Islami’s extensive lobbying efforts in the USA, and raised questions about whether the lobbying firm hired by Mir Quasem Ali in New York acted legally under the Foreign Agent Registration Act of 1938.

    This Act requires that any lobbying firm acting on behalf of a foreign political party must register itself with the Department of Justice. The firm in question has signed contracts with Mr Ali (whose contract was terminated) and his brother worth $310,000 to work on exactly the same issues – ‘the Bangladesh War Crimes Tribunal and political opposition matters.’ Later they were reported to have dropped the work on opposition matters.

    Given the extensive well funded lobbying effort by lawyers and lobbyists hired by the Jamaat e Islami or individuals connected to them, we might ask whether the Huffington Post article is part of this extensive lobbying effort, or driven by a genuine concern for fair trial and free speech. Both human rights and development efforts have been driven forward in Bangladesh by the efforts of  activists committed to secular values and gender equality. Without these efforts, the Awami League would not have made a commitment to hold trials in the first place, nor be able to show such a good record on development.

    In part two of this article Gita Sahgal will address the role of development in Bangladesh.

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel