Tagged: Sex Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 17:42 on July 21, 2015 Permalink |
    Tags: nudity, , , Sex, sex education, women body   

    ‘অামি তাদের নারী শরীর সম্পর্কে ধারণা দিতে চাই’ 

    ‘আমার ঘরভর্তি ছেলে, মোট চারজন। তারা এখনো প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠেনি। তাই তাদের ম্যাট্রেসের নিচে এখনো কোন পর্নো ম্যাগাজিন পাওয়া যায় না কিংবা লুকিয়ে কোন পর্নো সাইটও ব্রাউজ করে না তারা। আমি যতই ভাবি, আমার ছেলেরা এসবের প্রতি আসক্ত হবে না, কিন্তু অমি জানি, সেটা হবেই, তারা নারী সম্পর্কে জানতে কৌতুহলী হবে। আমি এটাও জানি, আমাদের সময়ে আমরা যে বয়সে এসব সম্পর্কে ধারণা পেয়েছিলাম, ছেলেরা তার অনেক আগেই সেসব সম্পর্কে ধারণা পেতে চাইবে। পর্নো ম্যাগাজিন পড়ে কিংবা পর্নোমুভি দেখে নারীর শরীর সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার অাগেই অামি তাদের নারী শরীর সম্পর্কে ধারণা দিতে চাই। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি আমার সন্তানদের সামনে নগ্ন হবো।’

    কথাগুলো হাফিংটন পোষ্টে নিজের ব্লগে লিখেছিলেন চার ছেলের জননী রিটা টেম্পলেটন। লেখার এক পর্যায়ে তার এমন সিদ্ধান্তের যথার্থতা উল্লেখ করে লিখেছেন, যদি আমি এমনটি না করি, তাহলে তারা কোন ম্যাগাজিন বা মুভিতে ‘নারী দেহের অসম্ভব সুন্দর আকার’ সম্পর্কে জানবে। তখন তাদের মনে কী ধারণা জন্ম নেবে? সব নারীদের শরীরই ওই রকম হওয়া চাই? কিন্তু ছবিতে নয়, বাস্তবে একজন নারী শরীর দেখতে কেমন হয়, সেটাই অামি ছেলেদের জানাতে চাই।

    তার এ লেখা নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে ইন্টারনেটে। তার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে হাফিংটন পোষ্ট তাদের লাইভ শোতে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রিটার।

    সূত্র

    সাক্ষাৎকারে রিটা বলছিলেন, তিনি সবসময়ই বাস্তবাদী মানুষ। ছেলেদেরকেও তিনি বাস্তব শিক্ষা দিতে চান। রিটা মনে করেন, সময়টা নারীশরীর নিয়ে উন্মত্ততার। চারদিকে নানান কায়দায় চলছে নারীশরীরের প্রদর্শনী। কখনও নামেমাত্র কিছু পোশাক, কখনওবা আবার পোশাকহীন। রিটার মতে, আসলে বিশেষ এক ধরনের নারী শরীরই সবজায়গায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। রোগা, লম্বা, স্ফীত স্তনের এক রকমের নারীশরীর ক্রমশ প্রদর্শিত ও বিক্রিত হয়ে চলেছে, এবং এই নারীশরীর যে ফ্যান্টাসির জন্ম দিচ্ছে তাই বিকৃতি ডেকে আনছে সমাজে।

    নগ্ন হয়ে সন্তানদের রিটা জানিয়ে দিতে চান, আসল নারীশরীর কেমন। ডিজিট্যাল প্রক্রিয়াকে সম্বল করে ফ্যান্টাসি উসকানো যে ছবি দেখানো হয়, যে ছবিতে নারীকে বিকৃত করে বিক্রি করা হয়, তা যে সত্যিকারের নারীদেহ নয় এবং তা নিয়ে অকারণ ফ্যান্টাসির প্রয়োজন নেই, সেই মিথটিই ভেঙে দিতে চান তিনি। আর তাই, নারীশরীর নিয়ে কোনও বিকৃতি যেন তাঁর সন্তানদের মধ্যে কখনও বাসা না বাঁধে এমনটাই চান তিনি৷

    রিটার এই পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজার হাজার বার শেয়ার হয়েছে। নারী শরীরকে পণ্য করে তোলার প্রতিবাদে রিটার এই অভিনব ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বহু মানুষ। রিটার এমন উদ্যোগ নিতে বাধ্য হওয়া এটাই প্রমাণ করে, নারী শরীরকে কেন্দ্র করে অহেতুক যৌনতার ব্যবসা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে!

     
  • probirbidhan 17:21 on May 28, 2015 Permalink |
    Tags: intercourse, masturbation, , , , Sex, sexually starved   

    নারীদের স্বমৈথুন বা পুরুষদের হস্তমৈথুন কি উচিৎ বা অনুচিত? 

    স্বমৈথুন বা পুরুষদের জন্য যাকে হস্তমৈথুন বলে তা সম্পর্কে অনেক পুরুষ জানতে চেয়েছেন। আমাদের দেশে পুরুষদের এই বিষয়ে স্বাস্থ্য সম্মত সঠিক জ্ঞ্যানের যথেষ্ট অভাব রয়েছে, বিভিন্ন ভুল ধারনার বশবর্তী হয়ে অল্প বয়সে অনেকে নিজের স্বাস্থ্য ক্ষয় করে আফসোস করে থাকেন। কিছু সাধারণ বিষয় জানা থাকলে সেগুলো এড়ানো যায়। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার কাছে যে সকল প্রশ্ন পুরুষেরা করে থাকেন তা নিয়ে সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করব। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে।

    ১) হস্তমৈথুন করা কি উচিৎ বা অনুচিত?
    ২) সপ্তাহে কত বার এটি করলে অভ্যস্ত হয়ে যেতে হয় বা আসক্ত হয়েছে বলা যায়?
    ৩) হস্তমৈথুনের ঝুঁকি কি কি?
    ৪) পর্ণ দেখে হস্তমৈথুন করা কতটুকু স্বাস্থ্যকর?
    ৫) অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে তা থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?
    ৬) স্বপ্নদোষ এড়ানো যায় কীভাবে?

    এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেবার আগে কিছু সাধারণ আলোচনা করি। আগেই বলে রাখি এটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি বিষয় এবং এর উত্তর নিজের কাছে নিজে সত্যি করে দিন। সেটা করতে পারলে অনেক কিছু আপনাতেই আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

    যারা পর্ণ দেখে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত তারা সঙ্গীর সাথে মিলনের সময় পর্ণ কেই সত্য বলে ধরে নেয়। আমাদের মনে রাখতে হবে পর্ণ সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি ব্যাপার। এর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। পর্ণে ৩০ মিনিট ধরে একজন রতিক্রিয়া করতে পারে এটা দেখে আপনি মনে মনে হতাশ হয়ে পরলেন, কোন দরকার নেই। স্বাভাবিক রতিক্রিয়ার সময় ৫ থেকে ৭ মিনিট এটি বেড়ে বা কমে কখনও ১০ মিনিট বা ৩ মিনিটও হতে পারে। তবে ৭ দিন আপনি স্বাভাবিক সময়ে কাজ করার পর ৮ম দিনে যদি দেখেন সময়ে একটু উল্টা পাল্টা হচ্ছে ভয় পাবেন না। মানুষের শরীর সব দিন সমান ভাবে চলে না। ক্লান্তি, অবসাদ, দুশ্চিন্তা, শারীরিক অসুস্থতা, ঘুম কম হওয়া, পুষ্টিহীনতা এমন অনেক কারনে সময় একটু বেশ কম হতে পারে, তার মানে আপনার কোন সমস্যা হয়েছে তা নয়। কাজেই নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। সাহস হারাবেন না।

    অরগাজম এমন একটি বিষয় আপনি আপনার শরীরকে যেভাবে এর জন্য প্রস্তুত করবেন সে সেভাবেই কাজ করবে। অর্থাৎ আপনি যদি পর্ণ দেখে অভ্যস্ত হন তবে তাতেই সে অভ্যস্ত হবে, যদি আপনার সঙ্গী দ্বারা হন তবে তাই, যদি একা একা হন তবে তাই। এটি মানব দেহের অন্যতম একটি প্রক্রিয়া যার সংঘটন হবার পর্যায় গুলো মস্তিস্কে খুব শক্তভাবে স্থায়ী আসন গেড়ে নেয় যা থেকে পরিবর্তন করে আনা একটু কষ্টসাধ্য। কাজেই যে বিষয়ের উপর নির্ভর করেই আপনি হস্ত মৈথুনে অভ্যস্ত হন না কেন খেয়াল রাখতে হবে তা যেন আপনার দুর্বলতায় পরিণত না হয়।

    সহজ কথায় লেবু এক দুই ফোটা সরবতে দিলে খাওয়া যায় কিন্তু পুরোটা চেপে দিলে তিতা হয়ে যায়। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না।

    স্বপ্নদোষ কেবল নামেই দোষ। এটি একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ঘটনা যত বারই হোক না কেন। এটাকে ভয় পাবার কিছু নেই। যদি নিজেকে দুর্বল মনে হ্য় ভাল করে পুষ্টি দায়ক খাবার খান যেমন দুধ, মাংস, ডিম, ফলমূল এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নিন। অহেতুক দুশ্চিন্তা করে আরও বেশি দুর্বল লাগবে। আর ছেলেদের কম বয়সে একটু বেশি পরিমাণ স্বপ্নদোষ হওয়া স্বাভাবিক যেটা বয়সের সাথে ধীরে ধীরে কমে আসে।

    যারা হস্তমৈথুনে আসক্ত হয়ে পরেছেন, বেড়িয়ে আসতে চান তারা একবারে ছেড়ে দিতে না পারলে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন। পরিবর্তন নিজেই বুঝতে পারবেন। সুস্থ শরীরে কোন সমস্যা না থাকলে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার করা যায়। এর বেশি না।

    অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের কিছু ক্ষতিকর দিকঃ
    ১) শারীরিক মিলন এবং হস্তমৈথুন আপনার দেহের জন্য একই রকম সুবিধা বহন করে না। অবশ্যই শারীরিক মিলন আপনার দেহের জন্য হস্তমৈথুন অপেক্ষা অধিক উপকারি।
    ২) যৌন রোগ বাহিত হবার ঝুঁকি না থাকলেও অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে পুরুষাঙ্গের চামড়া অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমনকি উত্থিত শিশ্নের উপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগে এর আঁকার আকৃতি নষ্ট হয়ে রক্ত চলাচল ব্যহত হতে পারে।
    ৩) মানসিক দুর্বলতা সৃষ্টি করতে পারে যার পিছনের মূল কারন আমাদের অজ্ঞতা।

    অনেক কথা বলে ফেললাম। এবার প্রশ্ন গুলো করি।
    ১) আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন কি আপনার এমন কি অনুভুতি হয় এর দ্বারা আপনার ক্ষতি হতে পারে? উত্তিত হওয়া থেকে অরগাজম পর্যন্ত কোথাও কোন অস্বাভাবিকতা মনে হয় কি?
    ২) প্রতিবার যখন আপনি এটি করেন তখন কি আপনার মনে হয় আপনি এর প্রতি আরও নির্ভর হয়ে পরছেন?
    ৩) হস্তমৈথুন করার সময় নিজের প্রতি ও নিজের জীবনের প্রতি আপনার ধারনা কি ইতিবাচক থাকে নাকি নেতিবাচক?
    ৪) এই সময় আপনার কি নিজেকে আরও নিঃসঙ্গ মনে হয়?
    ৫) আপনি যদি কারো সাথে কোন সমর্পকে ইতিমধ্যে থাকেন তবে হস্তমৈথুন করা অবস্থায় আপনার কি মনে হয় আপনার সঙ্গী থেকে আপনি আরও দূরে চলে যাচ্ছেন নাকি এটি আপনাদের সম্পর্কের জন্য ভাল কিছু বয়ে আনবে?

    উত্তর গুলো নিজেকে নিজে দিন। যদি নেতিবাচক হয় তবে সময় হয়েছে সরে আসার। সুস্থ হয়ে উঠুন। সাহস রাখুন। এটি কোন গুরুতর সমস্যা নয়। একটু সময় ও ধৈর্য ধরলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।

    -ডাঃ নাজিয়া হক অনি
    _______________________________________
    রেফারেন্সঃ

    http://en.wikipedia.org/wiki/Ejaculation

    http://candeobehaviorchange.com/…/is-masturbation-a-health…/

    http://www.webmd.com/…/male-masturbation-5-things-you-didnt…

    বিঃ দ্রঃ আমি নিশ্চিত কোন পুরুষ এখানে অশালীন কোন বক্তব্য করবেন না। নারীদের স্বমৈথুন নিয়ে লেখার পর অনেকের কষ্ট হয়েছে বলেই আপনাদের জন্য লেখা। এরপরেও লজ্জা না থাকলে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারতে চাইলে অসংলগ্ন কথা বলতে পারেন। আমার কোন আপত্তি নেই। ব্লক করতে ২ মিনিট নেব।

     
  • probirbidhan 02:10 on March 19, 2012 Permalink |
    Tags: Bangladesh prostitution, Sex, steroid, teenage girls   

    Bangladesh’s ‘teenage’ brothels hold steroid 

    Seventeen-year-old prostitute Hashi, embraces Babu, her 'husband', inside her small room at Kandapara brothel in Tangail, a northeastern city of Bangladesh, March 4, 2012. REUTERS-Andrew Biraj
    A customer jokes with seventeen-year-old prostitute Hashi as she tries to grab him into her room at Kandapara brothel in Tangail, a northeastern city of Bangladesh, March 5, 2012. REUTERS-Andrew Biraj
    Seventeen-year-old prostitute Hashi washes her hair at Kandapara brothel in Tangail, a northeastern city of Bangladesh, March 5, 2012. She earns about 800-1000 taka daily ($9.75 - $12.19) servicing around 15-20 customers every day. Hashi is one of hundreds of mostly teenage sex workers living in a painful life of exploitation in Kandapara slum's brothel who take Oradexon, a steroid used by farmers to fatten their cattle, in order to gain weight and appear 'healthier' and more attractive to clients. REUTERS-Andrew Biraj

    Their faces painted heavy with make-up, teenage girls in short, tight blouses and long petticoats loiter in squalid alleys, laughing and gesturing to potential clients who roam Tangail town’s infamous red light area in the early evening.

    There is no shortage of men looking for “company” in Kandapara slum, a labyrinth of tiny lanes – lined cheek-by-jowl with corrugated iron shacks – a few hours drive northeast of Bangladesh’s capital, Dhaka.

    But with rates as low as 50 taka (60 U.S. cents), the need to attract as many customers as possible is desperate – prompting a rising, yet dangerous, trend of steroid abuse among adolescent sex workers to “enhance” their appearance.

    “There is a huge difference between my appearance now and the malnourished look of my childhood,” says Hashi, 17, who was lured into the sex trade by a trafficker when she was 10 and sold to Kandapara’s brothel, where she began taking steroids.

    “I am healthier than before and fit to serve a lot of customers in a day. Sometimes up to 15,” she says, placing a large black bindi, or dot used by Hindu women, between her perfectly shaped eyebrows.

    She sits in her tiny room with a bed, a cooking stove and posters of Bollywood stars taped across the wall.

    Hashi is one of around 900 sex workers – some as young as 12 – living a painful life of exploitation in Kandapara, not only bonded by debt and fear of stigma, but compelled to take the steroid, Oradexon, which brings more income but leaves dangerous side effects.

    COW FATTENING DRUG

    Also known as Dexamethasone, Oradexon treats inflammation and allergies in humans and is used by farmers to fatten livestock.

    Charities say the over-the-counter drug is taken by 90 percent of sex workers in Kandapara and the other 14 legalized brothels across this impoverished South Asian nation.

    The girls are first forced to take it by their madams, or “sardarnis”, who run the brothels.

    It increases their appetite, making them gain weight rapidly and giving the appearance that these poorly nourished teens are in fact healthy and older – attracting clients who prefer girls with “curves”.

    It also helps sardarnis keep the police away. The legal age for sex work in Bangladesh is 18.

    The girls then continue to consume it, saying that it keeps them “strong and healthy”, which in turn will help them get more clients in a day so they can earn enough to survive.

    “My sardarni forced me to take a tablet. She beat me up and stopped giving food. She threatened me and reminded me about my loans,” says Hashi, who has a four-year-old son staying with relatives, whom she has not seen for two years.

    “In this brothel, customers always look for healthy girls. I take Oradexon. I need customers so I can pay my bills and loans. If I don’t get any customers one day, I cannot eat in the next day. I wish to save some money for my son.”

    The story is the same with most of Kandapara’s teenage sex workers, or “chukris”.

    Sold for as little as 20,000 taka ($245) by their poor, rural families to traffickers, they are then traded on to brothel sardarnis, who are former prostitutes themselves and keep the teenagers in bonded sex work.

    The girls speak of being with up to 15 men in one day, but say their earnings are pocketed by their sardarnis, who tell them they have to work to pay off the money paid for them.

    Many girls have been in Kandapara’s brothel for years, yet due to their illiteracy, they have no idea whether their debts have been cleared and what their rights are.

    Others, who have been left by their sardarnis because they are too old or not-profitable, are in principle free to leave but choose not to, fearful of the social exclusion they will face in the conservative, Muslim society outside of Kandapara.

    Behind The Brothel’s Wall–Video

    BATTLE WITH BROTHELS

    Oradexon, they say, keeps them going, even though there are known risks associated with its long-term use.

    The steroid can cause diabetes, high blood pressure, skin rashes and headaches and is highly addictive, according to social activists.

    It also weakens the immune system and leaves patients more susceptible to illnesses. There have been reports of young sex workers dying from over-use of the drug.

    The small white pill is easily available in Kandapara’s slums. It is sold without prescription for 15 taka (18 U.S. cents) for a strip of 10 at the tea and cigarette stalls blaring Bangladeshi pop music that populate a maze of open-sewer lanes.

    “Steroids are life-saving as well as life-destroying drugs which are used by sex workers in poor countries,” said Shipra Gowshami, a lawyer and human rights activist who works with sex workers in brothels in the central Bangladeshi town of Faridpur.

    “A lack of awareness, easy availability and malpractices of quacks are some of the prime causes of why these drugs are being abused,” Gowshami said.

    In 2010, ActionAid Bangladesh began a campaign to promote awareness of the drug among sex workers. But they say they are facing a long fight in persuading not only the brothels to stop using it but also authorities to regulate it.

    “There have been attempts to raise awareness on the negative impact of the use of such medicine but brothel owners, madams and pimps are a long way from withdrawing such practices,” said Farah Kabir, country director for ActionAid Bangladesh.

    “We have an uphill battle, yet it can be won. There needs to be greater regulation in the sale of such drugs. Government and the state must play an active role.”

    (Writing by Nita Bhalla; Editing by John Chalmers and Paul Tait)

     
    • K M Hassan 02:35 on May 17, 2012 Permalink | Log in to Reply

      Life is completely different behind those wall; In 2000, I was working in a research project that collected different samples from the CSWs in Jessore. It was an eye-opener for me. The amount of the rent they have to pay is unbelievable, the original landlord used to live in Dhaka; more than 100 girls share a single toilet and a single water source, that is what they get even after paying the huge rent. By law, all these CSWs pay taxes, for which they didn’t even have the proper right to see a doctor. Amount of loan they incur is also staggering. To pay the immediate mashis and buy their food and drug, they are always in debt with huge interest. Everyone of them has story to tell; like us many of them continue to support their families, but most often, they are dead. I never saw any authentic report on their lives. This one comes very close. Thanks for sharing.

      • probirbidhan 02:53 on May 17, 2012 Permalink | Log in to Reply

        Thanks for your opinion. Right you are. In the tangles of constitutional obligations of not promoting prostitution execution of criminal law by police for harassment, discrimination in the fields of constitutional rights of housing, food and health; societal taboo over not communicating with them and at the same time, a rising demand for professional sex workers have made the scenario worse for the sex workers. Don’t know how many years it may take, but things will change, their livelihood will improve–may be when they’ll be accepted in the society–no matter if that is allowed as prostitutes. They need to live, after all the dilemma. Things must change, may be when we’ll see patient governments looking forward and accepting every aspect of the society.

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel