Tagged: sexual harassment Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • probirbidhan 17:12 on July 2, 2015 Permalink |
    Tags: Bangalee culture, groping, molestation, Pohela Boishakh, , sexual assault, sexual harassment, TSC   

    যৌন নির্যাতনঃ পহেলা বৈশাখ ও আমাদের রক্ষকরা 

    and we say nothingপ্রথম আলোর এই রিপোর্টটি ভয়ংকর সব তথ্য দিচ্ছে।

    বাংলা বর্ষবরণের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় পুলিশকে দোষারোপ করেছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটি। তাদের দাবি, ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরামর্শ অনুসারে পুলিশ প্রশাসন দায়িত্ব পালন না করায় ওই ঘটনা ঘটেছে।
    হাইকোর্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটি ওই ঘটনার তদন্ত করে।
    বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৬ এপ্রিল স্বতঃপ্রণোদিত আদেশে পয়লা বৈশাখে নারী লাঞ্ছনার ঘটনা তদন্ত করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পৃথক প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী এ এফ এম মেজবাহউদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। এ বিষয়ে ৭ জুলাই পরবর্তী আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত।
    আইজিপির পক্ষ থেকে গত ১৮ মে হাইকোর্টে ওই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত কমিটি গঠন এবং শাহবাগ থানায় মামলা করেছে। এ ছাড়া পুলিশের কোনো গাফিলতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    ১৯ এপ্রিল গঠিত পুলিশের তদন্ত কমিটি নারী লাঞ্ছনার ঘটনার জন্য পুলিশের অবহেলাকে দায়ী করে। ৭ মে এই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারকে দেওয়া হয়। এই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলার জন্য শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে এবং চার পুলিশ কর্মকর্তাকে সতর্ক করা হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় জড়িত কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
    ঘটনা পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার আগের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পূর্বের অভিজ্ঞতার আলোকে পরামর্শ করেন। ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুলিশকে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু ওই পরামর্শ অনুসারে পুলিশ প্রশাসন দায়িত্ব পালন না করায় ওই ঘটনা ঘটেছে।
    পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনারকে ‘একেবারেই নতুন’ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।
    প্রতিবেদনের এই মন্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার আবদুল বাতেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি এখনো প্রতিবেদন হাতে পাইনি। প্রতিবেদন হাতে না পেয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’
    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন এলাকায় পুলিশের ১৯টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা ছিল। কিন্তু এর মাত্র একটির ফুটেজেই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যায়। এতে মনে হয়, ওই সিসি ক্যামেরাগুলো কেউ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে না।
    ওই দিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র দুজন পুলিশ সদস্যকে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য লাঠিপেটা করতে দেখা গেছে। সন্ধ্যা সাতটার পর পুলিশের সংখ্যা বাড়ে। সাতটা ছয় মিনিটে সাদাপোশাকের এক পুলিশ সদস্য এক শ্লীলতাহানীকারীকে ধরার পরও ছেড়ে দেন। কিন্তু কাউকে আটক করা বা থানায় নেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় মনে করে, পয়লা বৈশাখের নারী লাঞ্ছনার ঘটনা একটি ‘সংঘবদ্ধ চক্রের পরিকল্পিত কাজ’। লাঞ্ছনাকারীদের মধ্যে এ বিষয়ে আগে থেকে বোঝাপড়া ছিল।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটির প্রধান সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) নাসরীন আহমাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘যা বলার প্রতিবেদনেই বলে দেওয়া আছে। এর বাইরে আমাদের কোনো কথা নেই।’ এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান, শিক্ষাবিদ মাহফুজা খানম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক নীলিমা আকতার ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক আফরীন চৌধুরী।
    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি লিটন নন্দী ও অন্য প্রত্যক্ষদর্শী, প্রক্টর, রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ ও রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, একই হলের নিরাপত্তাকর্মী, শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বক্তব্য এবং ৪, ৫ ও ১৬ নম্বর সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে এসব পর্যালোচনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে লিটন নন্দীসহ যাঁরা লাঞ্ছনাকারীদের প্রতিহত ও নারীদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন, তাঁদের প্রশংসা করা হয়।
    প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘১৩ এপ্রিল দিবাগত রাত থেকে ১৪ এপ্রিল সারা দিন ক্যাম্পাসে অবস্থান করে ওই অনুষ্ঠান মনিটরিং করেছেন প্রক্টর। তবে সন্ধ্যার আগে-পরে ঘটে যাওয়া ঘটনার গুরুত্ব তিনি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেননি বলে মনে হয়। এ কারণে তিনি ঘটনাস্থলে না গিয়ে প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিম পাঠিয়েছেন, অতিরিক্ত পুলিশের ব্যবস্থা করেছেন, কিন্তু সহকারী প্রক্টরদের ডেকে আনার প্রয়োজন মনে করেননি। পরিস্থিতি শান্ত হলে রাত নয়টার পর উপাচার্যকে জানিয়েছেন।’ প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘সহকারী প্রক্টররা ওই দিন বিকেলে উপস্থিত থাকলে প্রক্টরকে এককভাবে এই ‘নিন্দনীয়’ ঘটনার জন্য দায়ী করা হতো না এবং উপাচার্যকে খবর পেয়েই অবগত করলে ঘটনা দ্রুত দমন করা যেত। তবে গণমাধ্যমের কাছে মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রক্টরের সংযত হওয়া উচিত ছিল।’
    বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক এম আমজাদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন না করার বিষয়টি ঠিক নয়। কেননা, আমি ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নিয়েছি। পুলিশ পাঠিয়েছি। উপাচার্য তখন একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন, যে কারণে তাঁকে জানানো হয়নি। আমি আমার মুঠোফোনের কললিস্ট জমা দিয়েছি। পুলিশকে ফোন করার বিষয়টি সেখানেই রয়েছে।’
    আট দফা সুপারিশ: বর্ষবরণের ওই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে জন্য আট দফা সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে: দোষী ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ যাতে আরও সক্রিয় হয়, এ জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভবিষ্যতে পয়লা বৈশাখের দিন ভোর ছয়টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ থাকতে হবে। এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে শাহবাগ থানায় পুলিশের ‘ঝটিকা বাহিনী’ প্রস্তুত থাকতে হবে।
    সুপারিশে বলা হয়েছে, পয়লা বৈশাখের আগের দিন থেকে বাইরের দোকান বা কোনো কোম্পানি পণ্যসামগ্রীর বিজ্ঞাপনের গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঢুকতে পারবে না। প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর এবং তাঁদের নির্ধারিত পোশাকের ব্যবস্থা করারও সুপারিশ করা হয়েছে।

     
  • probirbidhan 18:05 on May 30, 2015 Permalink |
    Tags: , celebration, Dhaka streets, political activists, sexual harassment   

    শেখ হাসিনার সোনার ছেলেরা কতভাবে অঙ্গভঙ্গি করে উত্যক্ত করতে পারে! 

    আজ শেখ হাসিনার সোনার ছেলেরা দলে দলে বাস ভরে ভরে সারা শহর মাতিয়ে সভাস্থলে যাত্রা করেছে। শেরাটনের সিগনালে সাকুরার উল্টাদিকে রিকশায় বসে আছি। দুপুর ২.৩০ টা হবে। আমার বামে সামনে পেছনে বাস আর পিকআপে কর্মীরা। হুড উঠিয়ে বসে আছি, লম্বা সিগনাল।
    কয়েক সেকেন্ড পর থেকেই একজন দুজন করে বাসের উপর থেকে শিস দেয়া, চটুল গান গাওয়া শুরু করল আমাকে দেখে।
    তারপর বাস এর ভেতর থেকে, পিকআপের ওপরে বসা তাদের সাথীরা দারুণ জান্তব আনন্দে মেতে উঠলো আমাকে কতভাবে অঙ্গভঙ্গি করে উত্যক্ত করা যায় তা নিয়ে। এরপর শুরু হল ফুলের ডাল থেকে ফুল, পাতা, ডালের টুকরা ছুঁড়ে মারা। আমার গায়ে এসে সমানে পড়ছে। আমার পাড়ার বুড়ো রিকশাওয়ালা বুঝতে পারছে না কী করবে! আমি চুপ করে আছি, সিগনালও ছাড়ছে না। এরপর বাসের ভেতর থেকেও অশ্লীল কথায় ডাকাডাকি, আরো নানা কায়দা করলো তারা।
    শেষে সিগনাল ছাড়ার পর আমি সে পথ থেকে পরিত্রাণ পেলাম! আমি প্রতিবাদ করতে পারিনি। কারণ ঢাকায় দীর্ঘ ১৫ বছর একা চলার অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে– একা থাকলে রাজনৈতিক দলের সোনার ছেলেদের কিছু বলা যায় না।
    আমার যত বড় বড় ক্ষমতাবান আত্মীয় থাকুক, আমার আপন খালু প্রশাসনের বড়কর্তা হোক– এই পরিস্থিতিতে এতগুলো জানোয়ারের সাথে একা কিছু বলতে গেলে টানাহেঁচড়ায় আমাকে আগামীকালের নিউজের উপাত্ত হতে হবে। পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখবে, জনতা পালাবে, আমি হাইলাইটেড হবো!
     
  • probirbidhan 20:22 on May 26, 2015 Permalink |
    Tags: , sexual harassment   

    ‘মসজিদের ইমাম হয়ে আমার অবুঝ মেয়েটির এমন সর্বনাশ কেমনে করলো?’ 

    ‘গরম ভাত খাইয়ে মেয়েকে সকাল বেলা আমপাড়া (কিতাব) পড়তে মসজিদে পাঠাইছিলাম। ঘণ্টাখানেক পড়েই চইলা আসার কথা। কিন্তু কেন জানি আজ মেয়েটা দেরি করছিল। তাই এগিয়ে যাই মসজিদের কাছে। গিয়ে দেখি মেয়েডা কান্না করছে। জিজ্ঞাসা করলাম কী হইছে মা? কান্না করো কেন? আমারে দেইখা অমনি মাটিতে গড়িয়ে পড়লো। এরপর ওরে তুইলা হাসপাতালে নিয়ে যাই। দেখি, মেয়ের নিচের জায়গায় রক্ত পড়ছে। জ্ঞান ফিরলে সব খুইলা বলে মেয়ে।’

    কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার ১০ বছরের মেয়ের কথা বলছিলেন তার মা। কান্নায় ভেঙে পড়ে বললেন, ‘আমার অবুঝ মেয়েটির এমন সর্বনাশ মসজিদের ইমাম হয়ে কেমনে করলো?

    সোমবার সকালে শিশু ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার উত্তর মুমুরদিয়া গ্রামে।

    বাড়ির পাশে বাজার মসজিদে পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। সে মুমুরদিয়া গ্রামের দিনমজুর নবী হোসেনের মেয়ে। হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে সে। আর বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছে।

    এক পর্যায়ে শিশুটি জানায়, সকালে সবার সঙ্গে মক্তবে পড়ার পর হুজুর তাকে বসতে বলেন। এরপর মোজো খাওয়ার জন্য ২০ টাকা হাতে দেন। এরপর সবাইকে বের করে দিয়ে হুজুর তাকে…. এ পর্যন্ত বলেই কাঁদতে থাকে শিশুটি।

    এদিকে, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় লোকজন চেষ্টা চালায় বলেও অভিযোগ করেন শিশুর মা। তিনি বলেন, পরিবারের লোকজনের সহায়তায় লম্পট ইমাম জয়নাল আবেদিনকে (৩২) আটক করে ঘরে তালা মেরে রাখি। খরব পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেদায়েতুল ইসলাম বাংলামেইলকে বলেন, ধর্ষণের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষক জয়নাল আবেদিনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

     
  • probirbidhan 18:08 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: , Biddhists, communal attack, , , , sexual harassment   

    ‘নিজের দেশের পাহাড়ী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন নিয়ে সামান্য প্রতিবাদও করতে দেখি না’ 

    আজকে যাদেরকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে চোখের পানি ফেলতে দেখি, তাদের অধিকাংশকেই কখনো নিজের দেশের পাহাড়ী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন নিয়ে চোখের পানি তো দূরের কথা সামান্য প্রতিবাদও করতে দেখি না।
    এমনকি গতবার বিহারীদের নিয়েও যাদেরকে ব্যাপক হইচই করতে দেখেছিলাম, তারাও কেন জানি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ইস্যুতে সোজাসুজি কথা না বলে, ঘুড্ডির মতো ডানে-বামে কান্নি খায়। সব মিলিয়ে কি আর বলবো ভাইলোগ !
    কুমিরের কান্না বলুন, আর যাই বলুন, এই তথাকথিত মানবাধিকার শব্দটির উপর ঘেন্না ধরে গেছে। কেউ যখন প্যাচানোর জন্য হঠাৎ করে মানবাধিকারের ত্যানা উঠানো শুরু করে, তখন অটোম্যাটিক্যালিই ঘাড়ের লোমগুলো দাড়িয়ে যায় …
     
  • probirbidhan 18:05 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: , Lucky Akter, , sexual harassment   

    ‘আদিবাসী বলেই তাকে ধর্ষণ করলে বিচার হবেনা।’ 

    বর্ষবরণের নারী নিপীড়নের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের স্মারকলিপি দিতে আমরা ৫জনের প্রতিনিধিদল গিয়েছিলাম। কথা প্রসঙ্গে আমি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে যখন বললাম আদিবাসী নারী নির্যাতন তো নিত্য দিনকার ঘটনা। কয়টা ঘটনার বিচার আপনারা করেছেন।

    তিনি হুট করে বলে বসলেন, আদিবাসীদের বিষয়টা ভিন্ন। তাদের ঐক্যের সমস্যা। তাকে থামিয়ে দিয়ে বললাম, আমি প্রশ্ন করলাম এক আর আপনি উত্তর দিলেন আরেক। গোঁজামিল দিচ্ছেন কেন? ব্যর্থতা স্বীকার করেন। স্বীকার করেন যে এই ঘটনাগুলো আপনারা প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তিনি বললেন আরেকদিন এটা নিয়ে আলাপ করা যাবে।

    আমি বললাম সব ঘটনাগুলোই একসাথে গাঁথা। আপনাদের নির্লিপ্ত দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই নিপীড়ক উৎসাহ পাচ্ছে। অনেকে এখন বলছেন নারী নিপীড়ন ভয়ানক আকার ধারণ করেছে। আসলে সব সময়ই তা ভয়ানক ছিল। এটা নিত্যদিনকার ঘটনা। এখন কেবল তা আলোচনায় এসেছে। প্রায় প্রতিদিনের পত্রিকাতেই ছোট্ট করে নারী নির্যাতনের খবর আসে।আমরা হেডলাইন দেখেই অন্য আর একটি খবরে বুদ হয়ে থাকি। গারো মেয়েটিকে কেন ধর্ষণ করা হয়েছে?? কারণ হিসেবে বলা হয়েছে তিনি আদিবাসী।

    আদিবাসী বলেই তাকে তুলে আনা হয়েছে। তাকে ধর্ষণ করলে বিচার হবেনা। লম্ফ জম্ফ কম হবে।পাহাড় তো জলজ্যান্ত উদাহরণ। আজ গারো সম্প্রদায়ের ছাত্র সংগঠন এর এক নেতা বলছিলেন আমরা নারীকে কতটা সম্মান করি তা নিশ্চয় আপনারা জানেন। দুঃখ লাগে দেশ স্বাধীন হলেও আমরা এখনো সম্মান পাইনি। প্রতি মুহূর্তে সংগ্রাম করতে হচ্ছে। যুদ্ধতো আমরাও করেছিলাম। ভেবে দেখলাম রুখে দাঁড়ানো ছাড়া কোন উপায় নেই। রাজপথেই ভরসা। জনগণের একতাবদ্ধ সংগ্রাম ছাড়া বিকল্প নেই। আসুন জোট বাঁধি।

    পাহাড়ে কি সমতলে, লড়াই হবে সমান তালে।

    By Lucky Akter

     
  • probirbidhan 18:03 on May 25, 2015 Permalink |
    Tags: Papon, sexual harassment, Shahjalal University,   

    ‘তাকে অশ্লীলভাবে উত্যক্ত করার এক পর্যায়ে জুতা দিয়ে মারধোর শুরু করে পাপন!’ 

    Shahjalal University student Papon

    Shahjalal University student Papon

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকেই মারধর ঘটনা ঘটেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান রোববার সন্ধ্যায় স্নাতকোত্তর শ্রেণীর অর্থনীতি বিভাগের এক ছাত্রী তার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এসময়  ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র রিফাত আদনান পাপন তাকে অশ্লীলভাবে উত্যক্ত করার এক পর্যায়ে জুতা দিয়ে মারধোর শুরু করেন। পরে আশপাশের শিক্ষার্থীরা ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

    যৌন হয়রানি ও মারধোরের বিষয়টি  ছাত্রী নিজ বিভাগের  প্রধান প্রফেসর হাসানুজ্জামান শ্যামল এবং যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রের আহবায়ক প্রফেসর ইয়াসমিন হককে মৌখিক ভাবে অবহিত করেন।

    এবিষয়ে প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) এমদাদুল হক জানান বিষয়টি আমি শুনেছি কিন্তু এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে অই ছাত্রের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের অনিয়মিত শিক্ষার্থী রিফাত আদনান পাপন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দোকান ভাংচুর ও এক বিদেশী শিক্ষার্থীকে মারধোরের অভিযোগে এর আগেও দুই বার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিল।

     
  • probirbidhan 20:38 on May 23, 2015 Permalink |
    Tags: Dhaka gang rape, , sexual harassment   

    ‘একটা গারো মেয়েকে মাইক্রোতে তুলে নিয়ে সবাই মিলে মহা দুষ্টামি করে ফেলেছি, সামাল দিতে হবে স্যার’ 

    – আজকে আরো একটা মহা দুষ্টামি করে ফেলেছি। এটাও কিন্তু সামাল দিতে হবে স্যার।
    • তোমাদেরকে নিয়ে আর পারা গেলোনা। কোথায় আবার কি করে আসলে?
    • কুড়িল বিশ্ব রোডে স্যার। একটা গারো মেয়ে। মাইক্রোতে তুলে নিয়ে… তারপর সবাই মিলে মহা দুষ্টামি…এই আর কি স্যার।
    • ওহ, তাই বল। আমি আরো ভাবলাম কী না কী। কেউ দেখে ফেলেনিতো?
    • দেখলেই বা কি। পহেলা বৈশাখের মতো দুষ্টামি বলে চালিয়ে দেবেন।
    • ঠিক আছে, সমস্যা হবেনা। কিছুদিন একটু অন্য কোথাও লুকিয়ে থাকো।
    • আপনার বাসায় থাকি স্যার?
    • না না, আমার বাসায় মেয়ে আর বৌ আছে।
    • হে হে হে…সে জন্যইতো আপনার বাসায় থাকতে চাচ্ছি। মাঝে মাঝে অল্প একটু দুষ্টামি করব স্যার, মহা দুষ্টামি করবোনা।

    (তোমারে বধিবে যে, গো কুলে বাড়িছে সে)

    ডিসক্লেইমার: চরিত্রগুলো কাল্পনিক। কারো সাথে মিলে গেলে তারাই দায়ী। By Kamrul Al Mamun

     
  • probirbidhan 23:21 on May 19, 2015 Permalink |
    Tags: , school, sexual harassment   

    ‘ক্লাসে রাজ্জাক স্যার সকল মেয়েকেই মারার চেষ্টা করতো’ 

    রাজ্জাক স্যার সকল মেয়েকেই মারার চেষ্টা করতো ক্লাসে। পড়া না পারলে বা সামান্য দুষ্টামি করলেই মার। স্কেল দিয়ে হাতের তালুতে বাড়ি।
    আমাদের স্কুলটা সম্পূর্ণ গার্লস ছিল
    মারার আগে তিনি অনেকটা সময় নিয়ে হাতের তালুতে স্কেল দিয়ে ছবি আঁকার মত ধিরে ধিরে দাগ কাটতেন আর শান্ত স্বরে ব্যাঙ্গ করতেন। যে মেয়েটা হাত পে্তে আছে সে শিউরে শিউরে উঠত। স্যারের মুখে এক রকম লালায়িত আনন্দের ছাপ ধিরে ধিরে স্পষ্ট হত। ………… শেষ মুহূর্তে সজোরে বাড়ি।

    আমাকে কোনদিন মারেননি। সেই সুযোগ পায়নি। তবে আদর করতেন, বাহবা দিতেন। কাছে দাড়িয়ে আমার সুন্দর ভবিষ্যতের গল্প করতেন এবং পিঠে হাত বোলাতেন। তার হাত বারবার আমার পিঠের ব্রা’র স্ট্রিপের ওপর চাপ দিয়ে যেত।

    চল্লিশ মিনিটের পুরো ক্লাসটা মরা বাড়ির মত শান্ত হয়ে থাকতো। কেউ কথা বলত না। স্যার ক্লাস থেকে বের হবার পর কেউ কেউ ঢুকরে কেঁদে উঠত।
    যে দুটো বিষয় তিনি ঘটাতেন তার কোনটার জন্যই হায়ার অথোরিটির কাছে নালিশ করার মত বুদ্ধি বা বাড়িতে মায়ের কাছে বলার মত সহজ পরিবেশ, সম্পর্ক আমাদের হয়ে উঠত না। কি বলতাম? কি নালিশ করতাম? – মা, স্যার পড়া না পারলে মারেন বা পড়া পারলে সাবাশি দেয়?

    তার বয়স ষাটের কাছাকাছি ছিল, বৃদ্ধ। আমাদের বয়সী মেয়েকে ভালবেসে সাবাশি দেয়া বা স্কেলের একটা বাড়ি দেয়া তার জন্য এবং আমাদের সমাজের জন্য স্বাভাবিক বিষয়।
    কিন্তু ঘটনার গভীরতা, তার আপ্রোচ বোঝাবার মত বয়স বা বুদ্ধি আমাদের তখনও হয়নি। তাই প্রতি মুহূর্ত একটা ঘিনঘিনে অবস্থার ভেতর দিয়ে গিয়েছি আমরা চুপচাপ !!!

    বাড়িতেও যে এমন হয়নি তা নয়।
    দূর সম্পর্কের এক নানা আসতেন বাড়িতে, বৃদ্ধ। আমাদের বাড়ির সকল বাচ্চাদের প্রতি তার ভীষণ ভালবাসা। খুব আদর করতেন সবাইকে। কাতুকুতু দিয়ে হাসাতেন আমাদের। আর কার কেমন লাগতো জানি না, তবে পরিষ্কার মনে আছে তার হাত যখন আমার বগলের তলায় সাপের মত কিলবিল করে বেড়াত তখন বাজে ভাবে আমার শরীরটা ঘিনঘিন করে উঠত। কিন্তু সাত/ আট বছরের এক বালিকার মুখ থেকে নানার নামে এই বিরক্তিকর অভিযোগ শোনার মানসিকতা তখনও আমাদের একান্নবর্তী পরিবারগুলোতে হয়ে ওঠেনি। অগত্যা…………………..

    এই বিষয়গুলো ঠিক বোঝাবার মত নয়। সঠিক ভাষা দিয়ে একে প্রকাশ করা দুস্কর।
    এর থেকে পরিত্রানের জন্য মায়ের সাথে বা বাবার সাথে বন্ধুর মত সম্পর্ক গড়ে তোলাই একমাত্র পথ।

    বিষয়টিকে আপনি যেভাবেই দেখুন না কেন, আপনার ছোটবেলার সেই তিক্ত অভিজ্ঞতাগুলো আপনারই ছয়/ সাত বা আট বছর বয়সী সন্তানের কাছে মন খুলে বলুন। শুধু তাহলেই সে তার সাথে ঘটে যাওয়া এই কুয়াশায় ঘেরা রাজ্যের গল্প বলবে।
    অবলিলায় একটা কথা তাকে বলার সাহস, পরিস্থিতি তৈরি করে দিতেই হবে আপনার -“মা, আমার যেন কেমন লাগে ওনাকে” ।

    সন্তানের সাথে সহজ হতে শিখুন। তাকে শিশু মনে করে আঁধারে রাখলে সেই আঁধার কাটাতে পরে আপনাকে না জানি কি মাশুল দিতে হয়!!

    আগামী মাসের মাঝামাঝি থেকে শিশুদের নিয়ে বাতিঘর এ শুরু হচ্ছে যৌন নিপীড়ন বিষয়ক সচেতনতা মূলক এক মাসের কর্মশালা।
    আসন পঞ্চাশটি।
    বয়স- আট থেকে চৌদ্দ। (ছেলে মেয়ে উভয়)
    সময় -প্রতি শুক্রবার সকাল দশটা থেকে ।
    মোট চারটি ক্লাস একমাসে। তিনটি শিশুর জন্য, একটি অভিভাবকের জন্য।
    যাদের আর্থিক সঙ্গতি নেই তাদের কোন রেজিস্ট্রেশন ফি নেই। এক টাকাও না।
    তবে যাদের সঙ্গতি আছে তাদের রেজিস্ট্রেশন ফি – ৫০০ টাকা।
    আমরা আছি আপনার পাশে। শুধু একটু কষ্ট করে ওকে নিয়ে আসুন আমাদের কাছ পর্যন্ত।
    একটা বিপদ আসবার আগেই যদি শিশুটির সে বিষয়ে ধারণা থাকে তবে কিন্তু বিষয়টি ডিল করা ওর জন্য সহজ হয়ে যায়।

    বাতিঘরের সাথে যোগাযোগ করুন – ০১৭৬৭৮৪৫৮৭৩, ০১৬২৪৮০৪০৪৮ এই নাম্বারে।
    ঠিকানাঃ বাতিঘর, ১/৪, বি ব্লক, লালমাটিয়া, ঢাকা। (উদ্দীপন বিদ্যালয়ের ২য় তলায়)।
    রেজিস্ত্রেশন চলবে প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত (আসন পূরণ হবার আগ পর্যন্ত)।

    তামান্না সেতু – পরিচালক, বাতিঘর

     
  • probirbidhan 18:48 on May 18, 2015 Permalink |
    Tags: Chhatra League, , sexual harassment   

    ‘শাড়ীর আঁচল ধরে টান দিয়ে জঙ্গলে নেয়ার চেষ্টা কোন সিরিয়াস বিষয় না’ 

    বাণী চিরন্তনী ঃ

    যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের প্রধান-
    শাড়ীর আঁচল ধরে টান দিয়ে জঙ্গলে নেয়ার চেষ্টা কোন সিরিয়াস বিষয় না।

    যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের সদস্য-
    শাড়ীর আঁচল কি ছিঁড়েছে? না ছিঁড়লে আমরা কি করে প্রমাণ করব?

    প্রক্টর-
    আসামীদের পুরো নাম জানো না? তাদের বের করা কি আমার দায়িত্ব নাকি!
    প্রক্টর-
    আদর্শ আকাশ থেকে শেখো…

    দেশের প্রথম মহিলা ভিসি-
    ঝড় বাদলে ইলেক্ট্রিসিটি না থাকায় টাইপ করতে এক সপ্তাহ দেরী হয়েছে রিপোর্ট দিতে,খুব বেশিদিন কিন্তু নয়।
    দেশের প্রথম মহিলা ভিসি-
    বৃহস্পতিবারও তো মাঝেমধ্যে শনিবার হয়…

    শুয়োরের ঘোৎ ঘোৎ শব্দের মতো শুনতে পাই…
    চক্রান্তের গন্ধ পাই…
    নিপীড়কদের জামাই বানাবে বোধহয়?!?

    নিপীড়ক জামাইদের বাঁচাতে তারা শুধু ছিনতাইয়ের বিষয়টা নিয়ে সিরিয়াস, মেয়েটিকে যেহেতু ধর্ষণ করতে পারে নাই তাই তা কোন সিরিয়াস ইস্যু নয়!

    আসুন আমরাও রাস্তায় শাড়ির আঁচল ধরে টানি, এটাতো কোন সিরিয়াস ইস্যু না!
    খেয়াল রাখবেন-শাড়ি যেন না ছিঁড়ে…

    প্রশাসন!!
    আরো উৎসাহ দিন,ক্যাম্পাসটাকে যৌন নিপীড়নের (ধর্ষণের,বাদবাকি তো সিরিয়াস ইস্যু না) স্বর্গরাজ্যে পরিণত করুন…
    আরো কতক মানিক, সানী গড়ে উঠুক বিজয়, ইফতি, সীমান্তের মধ্য দিয়ে…
    আপনারা হোন তাদের গর্বিত মাতা-পিতা, কাকা, মামা, খালু…
    আমরা দূর থেকে চেয়ে দেখি…

    Rehal Ferdous Shah about recent sexual harassment incident at JU

     
  • probirbidhan 18:56 on May 11, 2015 Permalink |
    Tags: , sexual harassment,   

    Bangladesh: Activists beaten up for seeking justice for sex abuse victims! 

    DT coverDhaka Tribune reports:

    Police charged truncheons, hurled tear gas cannisters and used water cannon in Dhaka yesterday to disperse a group of unarmed leftist students who were protesting the force’s inaction regarding assaults on women during Pohela Boishakh celebrations.

    About a hundred members of Bangladesh Chhatra Union had gathered at the TSC roundabout on Dhaka University campus around 11:45am as per a previously announced schedule for laying siege to the office of Dhaka police chief.

    Cop suspended over brutality on women activists

    Writ challenging cop brutality on activists
    Analysis: A Mother’s Day gift from police! by The Daily Star

    Sexual assault: Cops thrash protesters (video)

    After about a 15-minute stay there and a few speeches, the gathering brought out a procession. The protesters marched through some of the streets on the campus and headed towards the Shahbagh intersection.

    But they had to turn back towards the Doyel Intersection because there was heavy traffic in Shahbagh. Chhatra Union later alleged that police created the traffic jam artificially to block them.

    The march then turned back towards the Doyel Intersection, looking to leave the DU campus through the High Court point.

    “A truck, loaded with barricades, was standing near the Bangla Academy. As soon as the protesters reached the TSC roundabout, the truck sped towards the Doyel Intersection,” said Dhaka Tribune’s photojournalist Mahmud Hossain Opu.

    At Doyel, police tried to block the protesters using barricades. But the protesters breached the barricade and kept marching towards Minto Road, where the office of Dhaka Metropolitan Police (DMP) chief is located.

    After having overcome two more smaller obstacles at Matsya Bhaban and Kakrail, the protesters reached near the Officer’s Club around 1pm. Police however did not allow them to move any further by putting up a strong barricade. So, the protesters decided to stage a sit-in right there.

    According to witnesses, there were around 150 policemen including riot police, an armoured car and a water cannon stationed in the area. Law enforcers had by then stopped vehicular movement on the road from Kakrail church to the Moghbazar intersection.

    Dhaka Tribune’s senior photojournalist Syed Zakir Hossain heard a police officer telling his superior over phone: “Do not worry, Sir. We will not allow them to move even an inch further.”

    Soon, riot police personnel started replacing the regular police members in the front row of the barricade. A police officer asked the Chhatra Union men to go back; but the protesters replied that they would not until the DMP commissioner came and explained why they had not yet arrested anyone for assaulting women on DU campus on the Bangla New Year’s day.

    While ruling Awami League’s student front Chhatra League has been surprisingly keeping mum about the assault on women, Chhatra Union, the student front of the Communist Party of Bangladesh (CPB), has been leading the protests for nearly a month.

    The riot police members tried to push the protesters back and a scuffle ensued. In no time, the policemen started charging truncheons on the gathering and the protesters started running to and fro to avoid getting beaten up.

    Some of them started fighting back by hurling bricks at the police and the law enforcers retaliated with tear gas cannisters and water cannon.

    Photos taken by journalists showed policemen brutally beating up some of the protesters, including women, who got caught up in the middle of the skirmish, with rifle butts, truncheons and boots.

    The police action on unarmed protesters went on for about 10 minutes and by 1:30pm, the protesters were completely dispersed. Police arrested five Chhatra Union members from the spot.

    In a press conference at Modhu’s Canteen on DU campus later in the afternoon, Chhatra Union said that at least 34 of their leaders and activists were injured in police beating.

    Lucky Akter, general secretary of Chhatra Union, told reporters at the presser: “Over the last 26 days, we have been staging peaceful protest programmes against the assault on women on Bangla New Year’s day … In these 26 days, the police administration has not been able to make the least of progresses in arresting the culprits. On top of that, they clarified their stance in favour of the attackers by questioning the authenticity of the incident.

    “Today’s [Sunday] siege was part of a series of peaceful protest programmes to press home a set of six specific demands. Police personnel, obeying orders from the DMP commissioner, lodged a brutal attack on our programme.

    “With this attack, the university and police authorities have made it even clearer that they are on the side of the attackers,” said Lucky, who rose to prominence during the 2013 Shahbagh movement.

    The arrested members are Anik Roy, organising secretary of Chhatra Union’s Dhaka city unit; Dipanjan Siddhanta Kajal, general secretary of Jahangirnagar University (JU) unit; Ariful Islam Anik, member of JU unit; Antu Chandra Nath, member of Dhaka unit; and Saddam Hossain Joy, member of Dhaka unit.

    Chhatra Union President Hasan Tarek later announced protest marches across the country for today and peaceful strikes at all educational institutions for tomorrow. Over the past month, the leftist student organisation organised a number of human chains and rallies protesting the Boishakh assault on women.

    When contacted, Mashiur Rahman, the OC of Ramna police station, told the Dhaka Tribune: “Six police members including Second Officer-in-Charge Kamrul Islam and Inspector Ali Hossain were injured.”

    Confirming that they had arrested five leaders and activists of Chhatra Union, the OC said that they were still to decide whether to show them arrested or release them after primary investigation.

    “We detained those students because they were assaulting on-duty police members and were trying to obstruct the law enforcers from performing their duties,” OC Mashiur claimed.

    The Dhaka Tribune also contacted Abdul Baten, deputy commissioner of Police’s Ramna Zone, who was leading the policemen during the incident.

    He said: “The protesters were obstructing traffic in the area. Police asked them to move away and send their representatives with their demands. But they did not listen to us and created chaos in the VIP area.”

    On April 14, several women, who joined the Bangla New Year celebrations, were sexually assaulted by a group of miscreants at Dhaka University’s TSC and Suhrawardy Udyan gate areas.

    Liton Nandi, president of DU unit of Chhatra Union, along with other activists were injured while trying to rescue a few of the victims.

    When contacted yesterday, police spokesperson Monirul Islam said they had some pictures of the Boishakh attackers but did not have enough proof to identify and arrest them.

    Facebook posts condemning police

    • “জামাত বিএনপির পক্ষে যায় এমন কোন আন্দোলন সরকার দাড়াইতে দেবে না আপাতত।”
    • A Prothom Alo journalist writes: ছাত্র ইউনিয়নের মিছিলের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলাকে যারা জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছেন তাদের নামগুলো লিখে রাখছি। ভবিষ্যতে কখনো আপনারা পুলিশের মার খেলে আমি সশরীরে গিয়ে জাস্টিফিকেশন দিয়ে আসবো।

    নির্বিচারে ছাত্র-ছাত্রীদের মারধরের পুরো দায় পুলিশের রমনা বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। বিশেষ করে রমনা বিভাগের ডিসি বাতেন সাহেবের লিডারশিপের চরম ব্যর্থতাই এর জন্য দায়ী। সাড়ে চার বছরের ক্যাম্পাস রিপোর্টিং আর আট বছরের ক্রাইম রিপোর্টিংয়ের অভিজ্ঞতায় আমি কোনো সংগঠনকে এরকম ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়ে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে মন্ত্রী পাড়া পর্যন্ত যেতে দেখিনি। এরকম কর্মসূচির ক্ষেত্রে সাধারণত শাহবাগ, দোয়েল চত্বর বেশি হলে হাইকোর্টের মোড়ে গিয়ে মিছিল থেমে যায়। ব্যারিকেডের সামনে ঘণ্টা দুয়েক স্লোগান-বক্তব্য দিয়ে বিক্ষোভকারীরা ক্যাম্পাসে ফিরে যান। আর স্মারকলিপি পেশের কর্মসূচি থাকলে বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিরা পুলিশের সঙ্গে গিয়ে এক কপি স্মারকলিপি দিয়ে আসে।
    কিন্তু বাতেন সাহেবের ব্যর্থতায় রোববার যখন পরপর দুটি ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা মন্ত্রী পাড়ার কাছাকাছি পৌঁছে রাস্তায় বসে গেলেন তখন রাস্তা থেকে তাদের সরিয়ে দিতে চাপ বাড়তে থাকে। আর এই চাপ নিতে পারেননি বাতেন সাহেব। হুকুম দিয়ে ফেলেন লাঠিপেটা করার। মিছিলের ওপর রায়ট কার উঠিয়ে দেয় বাতেন সাহেবের লোকজন। নির্বিচারে চলে পুলিশের লাঠি, বুট আর বন্দুকের বাট। এরকম মাথামোটা কর্মকর্তা ক্যাম্পাস এলাকায় থাকলে ঘটনা আরো ঘটবেই।
    সবশেষে ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের সাহসের তারিফ না করে পারা যায় না। বিশেষ করে সেই মেয়েটা। হ্যাটস অফ কমরেডস।

    • পাশাপাশি দুটো ছবি দিলাম। দুটোই বাংলাদেশের লজ্জা। কিন্তু রহস্যজনকভাবে একটি ছবি বেশী মিডিয়া কাভারেজ পায়, অন্য ছবিটি নিরবে ঢাকা পড়ে যায়।

    Police-Army_Dhaka-CHT‪#‎কারণ‬, সেই ছবিটা পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী জুম্ম নারীর উপর সংঘটিত হয়েছে। আমি বলতে চাইছিনা অন্যগুলোও প্রচার না পাক, বরং রাস্ট্রযন্ত্রের এমন অত্যাচারের ছবিগুলো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক সেটাই চাই।

    ‪#‎কিন্তু‬, পার্বত্য চট্টগ্রামের ছবিটি দেখূন, দেখতে পাবেন সেখানে শুধু পুলিশ নয়, একজন জুম্মনারীকে পেটানোর কাজে হাত লাগিয়েছে অসংখ্য অস্ত্রধারী সেনাবাহিনী…. এ লজ্জা কি বাংলাদেশের নয়??? এই লজ্জা কি সকল স্বাধীন বাংলাদেশীদের নয়??? এই লজ্জা কি দুই নারী নেত্রী শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াদের নয়???? এই লজ্জা কি মানবতার নয়??? কোথায় হারিয়ে যায় সেই মানবতা যখন পার্বতৌ চট্টগ্রামের কোনায় কোনায় চলে রাস্ট্রের স্বীকৃত গুন্ডাদের কর্তৃক ধর্ষণ, হত্যা, অত্যাচার???

    * একজন দুইজন পুলিশকে বরখাস্ত করলেই কি দায় মুক্তি মিলে যাবে? যৌন নিপীড়নের বিচার না করা এবং প্রতিবাদকারীদের উপর উল্টো হামলার মূল দায় দ্বায়িত্ব কিন্তু স্বরাস্ট্রমন্ত্রণালয়ের। কার নির্দেশে পুলিশ আন্দোলনকারীদের উপর হামলা করল এবং কেন কার নির্দেশে পুলিশ যৌন সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা থেকে বিরত আছে- তার জবাব পাওয়াটা জরুরি।

    • আওয়ামী লীগের একজন প্রেসেডিয়াম সদস্যের মুখে কথাগুলো শোনা। তিনি বলছেন; ছয় দফার আগে ছাত্রলীগ কোন মেধাবী ছেলেরা করতো না। ফাস্ট ক্লাশ গ্রেডের ছেলেরা সবসময় ছাত্র ইউনিয়ন করতো। বি গ্রেড বা সি গ্রেডের পোলাপাইন-ই মূলত ছাত্রলীগ করত। বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার জোয়ারে সকল মেধাবী ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগে ভিড়তে শুরু করে। মূলত তখন থেকেই ছাত্রলীগে প্রথম শ্রেণির মেধাবীরা করতে শুরু করে। তবে ওরা নেতৃত্বের পেছনে থাকত নেতা হতে চাইত না। তবে নেতা হতে গেলে ওদের সার্পোট থাকা দরকার ছিল। ফলে ওরা যা চাইত দল তাই করতে বাধ্য হতো। তবে স্বাধীনতার পর দল থেকে এদের বিতাড়িত করা হয় আবার অনেকে দল থেকে বের হয়ে জাসদের সাথে যোগ দেন। তিনি আরো যোগ করে বলেন; ছাত্রলীগে যদি এতো মেধাবী ছেলেই থাকত তাহলে আওয়ামীলীগ কেন বামদের নিয়ে এসে মন্ত্রী বানায় এটা তোমরা বোঝ না?

    গত সাত বছরে ছাত্রলীগ সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিল করা ছাড়া আসলে কী করেছে কেউ বলতে পারবেন। বরং পেপার পত্রিকায় টেন্ডারবাজি ও বদমাশির নিউজই পাওয়া যায়। সোহেল তাজ যখন মন্ত্রী ছিলেন তখন আমার এলাকার এক বন্ধু টেন্ডারবাজি করার সময় পুলিশের হাতে ধরা পরে এবং জেলে যায়। সোহেল তাজকে কল করা হয়েছিল তিনি বলেছেন কিসের ছাত্রলীগ। টেন্ডারবাজি করছে তো জেলে পাঠান আমি কোন ছাত্রলীগ চিনি না। পরবর্তীতে সোহেল তাজ আওয়ামীলীগের এক মন্ত্রীর ভাইয়ের হাতে নিজ অফিসে চরম অপমানিত হয়ে মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে আমেরিকায় চলে যান।

    পহেলা বৈশাখে টিএসসি যা হল সেক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদী ভূমিকায় আসার কথা ছিল।। কারণ ক্যাম্পাস তাদের নিয়ন্ত্রনে। অথচ আমরা দেখলাম ছাত্রলীগের নারী অংশ প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিতে গেলে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তা বাধা দিয়ে অফ করে দেওয়া হয়। ছাত্রলীগ যদি বৈশাখের ঘটনায় বিচার চাইত তাহলে তাহলে কিছুটা পজেটিভ লাইনে আসতে পারত। যাই হোক কালকের ঘটনায় ছাত্র ইউনিয়ন নাকি দায়ি। তারা আন্দোলন ঠিক মতন করতে পারে না তাই তারা পিটুনি খাইছে। আমার কথা হল ওরা তো পারে তাহলে তোমরা গিয়ে আন্দোলন করলা না কেন? উল্টো তোমাদের সংগঠনের ছাত্রীরা যাতে আন্দোলন করতে না পারে তার জন্য কাজ করছ!

    ৭০ সালের আওয়ামীল ছিল অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতির। অনেক প্রগতির মানুষজন সংগঠনে যুক্ত ছিল। কালকে দেখলাম আহসান উল্লাহ মাস্টারের এলাকার ২০০ জন জামাত আওয়ামীলীগে যোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জ্বলে উঠেছে! আহসান উল্লাহ মাস্টার নিহত হয় বিএনপি-জামাতের আমলের তাদের হাতেই। আহসান উল্লাহ মাস্টারের মৃত্যু বার্ষিকীতে গাজিপুর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আহসান উল্লাহ মাস্টারের প্রতি এটা সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধা ছিল।

    হেফাজত যখন নারী পিটায়, রাস্তায় মতিয়া চৌধুরীর যখন শাড়ি খুলে ফেলা হয় তখন পুলিশ খারাপ, বিএনপি জামাত খারাপ। কিন্তু আওয়ামী সরকারের আমলে যখন নারী পিটায়, নাস্তিকদের রাস্তা জবাই দেয় তখন ঐ নারী খারাপ কারণ সে পুলিশের গাড়িতে ফুলের টব মেরেছে, নাস্তিক খারাপ কারণ তারা লেখালেখি করেছে। বিরোধী দলে থাকলে দুই মাইল হেটে হুমায়ুন আজাদকে দেখতে যাওয়া যায় কিন্তু অভিজিৎ রায়ের বাবাকে লুকিয়ে কল করতে হয় আওয়ামী লীগদের!

    আমার বাপ-ভাই আর মামাকে বলতাম তারা বঙ্গবন্ধুর থেকে বড় আওয়ামী লীগ। কারণ বঙ্গবন্ধু নিজের দলকে চোরের খনি বলছিলেন। একবার শেখ হাসিনা আমাদের এলাকার আসবেন বিকাল চারটায়। আমার মামা-ভাই মিলে বেলা বারটা থেকে গিয়ে আসন পেতে বসে আছেন। ঠাডাভাঙা রোদের মধ্যে বসে থাকার কারণ একটাই প্রিয় নেত্রীকে কাছ থেকে দেখবেন। আমি ভাবতাম এরকম লোকই মনে হয় বড় আওয়ামী লীগ তবে ভুল ভাঙছে! এর থেকে বড় আওয়ামী লীগ অনলাইনে আছেন। তাই তো ইনিয়ে বিনিয়ে তবে কিন্তু যদি দিয়ে একটা মেয়েকে রাস্তায় নির্যাতন করার সার্পোট করে যাচ্ছে। এদের কাছে আমার একটা অনুরোধ; আপুরা ঐ মেয়েরা তো আন্দোলন করতে পারেনি। উগ্রও বটে কারণ ফুলের টব ছুড়ে মারছে গাড়িতে। আপনারা যেহেতু উগ্র না তাই লেপটপ থেকে উঠে একটু রাস্তায় নেমে এসব মেয়েদের দেখিয়ে দিন কীভাবে ফুলের টব না ছুড়ে আন্দোলন করতে হয়।

    * দেয়ালে আরবি হরফে লিখে প্রস্রাব না করার আমন্ত্রণ জানিয়ে যদি মুমিনদের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা যায়, তাহলে কি বুকে পিঠে বঙ্গবন্ধুর নাম লিখে ছাত্রলীগের পাণ্ডা আর পুলিশের ঝাণ্ডা হতে মুক্তি পাওয়া যাবে ?

    * প্রশ্নঃ রাম ছাগল ও শুয়োরের সংমিশ্রন – শুগল,কারা?
    উত্তরঃ যারা মনে করে কোন মেয়ে যদি পুলিশের গাড়িতে ইটা মারে,তাহলে সেই মেয়েকে রাস্তায় ফেলে লাঠি পেটা করা যায়,চুল ধরে ছেচড়ে টেনে নেয়া যায়,বুট দিয়ে পিষে ফেলা যায়।

    * যখন বর্ষবরনে নারীরা লাঞ্চিত হলো, ওরা বললো- ঠিকই তো আছে! অমন বুক প্যাট দেখাইয়া পুরুষকে উত্তেজিত করলে তো এমন হইবোই….

    আবার যখন সে লাঞ্চনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নারী নির্যাতিত হইলো, এরা বললো- ঠিকই তো আছে। পুলিশকে উত্তেজিত করলে পুলিশ কি ছেড়ে কথা বলবে!’

    ওই ওরা আর এই এরাদের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। দুটাই মৌলবাদী।
    পার্থক্য শুধু এটাই- একটা ধর্মের আড়ালে আর অন্যটা প্রগতিশীলতার মুখোশে…

    * রবিবার (১০ মে) পয়লা বৈশাখের যৌননিপীড়নের বিচারদাবীকারীরা পুলিশ কার্যালয় দখল করতে যাননি। যৌননিপীড়কদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবীতে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল। রায়ট কার সাইরেন বাজিয়ে পানি ছুঁড়তে ছুঁড়তে ঢোকার সময় উপস্থিত ব্যানারধারী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। চারদিকে ঘিরে মাটিতে ফেলে প্রহার করবার অনেকগুলো ছবি গণ ও সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে স্যান্ডেল খোয়ানো ইসমত জাহান যখন রায়ট কারের দিকে পাশের নার্সারী থেকে তুলে নেওয়া মাটির খালি টব ছুঁড়েছেন, তখন তাকে গ্রেফতার করা যেতেই পারে। কিন্তু তার বদলে যা করা হয়েছে, তার অনেক ছবি আপনারা দেখেছেন। আমি নতুন করে সেই সব ছবি আর দিচ্ছি না। শুধুমাত্র দু’টো ছবি দিচ্ছি।

    • ফ্যক্ট ১ঃ পহেলা বৈশাখে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছিলো।

    ফ্যক্ট ২ঃ সেই ঘটনাতে কেউ গ্রেফতার বা আটক হয়নি।
    ফ্যক্ট ৩ঃ পুলিশ (ডিবির কমিশনার), ঢাবির প্রোক্টর এবং সংশ্লিষ্ট সকলেই বলেছেন কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, অর্থাৎ মিথ্যাচার হয়েছে, কারণ ঘটনার অকাট্য প্রমাণ আছে।

    পুরা ঘটনা প্রবাহের এই পর্যায়ে প্রথম রাজনীতিটা করার চেষ্টা হয়েছিলো মজা লস সহ অন্যান্য নানান পেইজ থেকে। ঘটনার পরপরেই কিছু ছবি ( যার শনাক্তকরনের প্রক্রিয়ার ব্যপারে কেউ কোন স্বচ্ছ বক্তব্য দেয়নি) দিয়ে সেগুলি ছাত্রলীগের কর্মীদের নামে চালিয়ে দিয়ে চাওয়া হয়েছিলো। এবং সেই মজা লস পেইজ এই সংক্রান্ত একাধিক মিথ্যাচার করেছিলো তখন। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকেও এই সম্পূর্ণ ব্যপারটার দায়ভার চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সরকারী দলের ছাত্র সংগঠনের উপরে।

    সেটা অনৈতিক ছিল, সেটা অন্যায় ছিল, ঠিক যেমনি অনৈতিক ছিল ঘটনার এতদিন পরেও কাউকে শনাক্ত বা গ্রেফতার না করা এবং পুরো ব্যপারটি ঘটেইনি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন ভাব করা।

    সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়া গুলি কি ছিল? আসুন দেখিঃ

    প্রতিক্রিয়া ১ঃ মেয়েদের এই সমস্ত জায়গা এড়িয়ে চলা উচিত, মোটা দাগে পহেলা বৈশাখ বর্জন করা উচিত।

    প্রতিক্রিয়া ২ঃ মেয়েদের পোশাকে সমস্যা, বাইরে গেলে সমস্যা, তাই না যাওয়াই উত্তম। এবং সেই কারনেই এই ধরণের ঘটনাগুলিকে জায়েজ করার চেষ্টা করা হয়েছিল অনেক মানুষবেশি **বাচ্চার মাধ্যমে।

    বটম লাইনঃ মূল অপরাধীরা শনাক্ত হয়নি, কোন ধরণের শাস্তির মুখোমুখি হয়নি। লাভটা কার হয়েছে? সরকারের? মোটেই না। কারণ এই অপরাধীদের ধরতে পারলে সব থেকে বড় বাহবাটা সরকারের কাছেই যেত এবং প্রমানিত হয়ে যেত যে এই ঘটনা ছাত্রলীগের দ্বারা ঘটেনি। সেই সাথে আরও বেশ কিছু ঘটনা পরিষ্কার হত যেহেতু আমরা জানি একটি বিশেষ গোষ্ঠী সবসময়েই পহেলা বৈশাখ পালনের বিরোধিতা করে।

    আবারও বলি, এতে লাভটা কার বা কাদের হল? মেয়েরা পহেলা বৈশাখে না গেলে কাদের মতবাদের বিজয়? অপরাধী ধরা না গেলে কাদের ক্ষতি? দায়ভার আসছে কাদের ঘাড়ে?

    প্রশ্নগুলির উত্তর বের করুন। সম্পূর্ণ প্লটটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
    ***
    এই ঘটনার দ্বিতীয় অংশটা দেখি।

    ছাত্র ইউনিয়ন ধাপে ধাপে আন্দোলন এগিয়েছে। তারা প্রথমে প্রক্টর এর কার্যালয় ঘেরাও করেছে। বিনা কারনে এই প্রক্টর সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করেছেন। অথচ ঘটনাটাকে অন্যভাবেও সামাল দেওয়া যেত।

    পরের অংশে আসি। আজকের লাঠিপেটার ঘটনাটাকে অনেক আওয়ামিলীগ সমর্থক কে সমর্থন করতে দেখছি।

    ভাই দলকানা হতে নিজের বিবেক বিসর্জন দিতে হয়না।

    ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার সময়ে খালেদা জিয়া কি বলেছিল, সেটা কি ভুলে গেছেন সবাই? তারা বলেনি যে আওয়ামি লীগের অন্তরকোন্দলের জের ধরে এই হামলা? তাতে কি ব্যপারটা শুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলো?

    মতিয়া চৌধুরীর ছবি শেয়ার দেওয়ার পরে অনেকে বলছিলেন, মতিয়া চৌধুরী তো পুলিশের গাড়িতে ঢিল দেননি কোনদিন। না তিনি দেননি, তবে যে যুক্তির রাস্তায় আপনারা হাঁটছেন, তাতে যদি সেইদিন মতিয়া চৌধুরীকে পেটানোর অন্য কোন ছবিতে দেখা যায় যে তিনি পুলিশকে ধাক্কা দিচ্ছেন, তাহলে সেই পেটানোও কি জায়েজ হয়ে যায়?

    এই আওয়ামি লীগের প্রচুর মহিলা নেতা কর্মীকে জঙ্গি জামাতিরা এইভাবেই লাঠিপেটা করেছিল। খেয়াল রাইখেন, লীগের মিছিলেও কিন্তু শ্লোগান থাকে, একশন একশন ডাইরেক্ট একশন, তো সেই শ্লোগান এর জন্য কি মিছিলে গুলি, বা পুলিশ পেটানো জায়েজ হয়ে যায়?

    এরপরেও বলতে আসবেন, পুলিশের উপরে আক্রমন হলে পুলিশ কি করবে? হ্যাঁ, পুলিশের করার আছে অনেক কিছু। বেশ কিছুদিন আগের ডিক্লেয়ার করা এই কর্মসূচিতে যে মেয়ে থাকতে পারে, সেটা কি পুলিশ জানত না? নাকি ডিএমপিতে মহিলা পুলিশের সঙ্কট?

    এই পর্যায়ে অনেকে আবার বলতে আসবেন, আমেরিকাতে তো পুলিশ এর বিরুদ্ধে কিছু করলেই গুলি করে দেয়। সেটা সভ্য দেশে ঘটছে বলেই সেই ঘটনা জায়েজ হয়ে যায় না কিন্তু, খেয়াল রাখবেন।

    আবার অনেকেই প্রশ্ন রাখবেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা যদি এইভাবে আসে? সেই ক্ষেত্রেও আমার উত্তর একই হবে। এবং তখন আরও একটা প্রশ্ন আসবে, সেটা হল, জামায়াত বা আজকের এই কর্মসূচী দেওয়া দলটা কি একই হইলো? সেইম ট্রিটমেন্ট পাওয়ার মত অপজিশন?

    এই বিশ্লেষনের ফলাফল কি?

    ফলাফল হল, এর আগে এই ঘটনাতে যেখানে সরকারের উপরে দায় চাপানোর সুযোগটা খুব হালকা কিছু এলিগেশনের উপরে ছিল, আজকে সেইখানে সুযোগটা বেশ ভালো একটা যুক্তির উপরে দাঁড়িয়ে গেলো। কারণ পুলিশ যৌন নিপীড়কদের ধরতে না পারলেও প্রতিবাদকারীদের ঠিকমতই পিটিয়েছে।

    এতে ক্ষতি কার হল? ক্ষতি হল সরকারের, আওয়ামি লীগের। এখন অনেকেই বলার সুযোগ পাবে, অপরাধীদের না ধরে বরং প্রতিবাদকারীদের মারা হল।

    এবং দেখুন, সেই আগুনে কিন্তু ঘি ঢালছেন আপনারাই। কিভাবে? খুব লেইম একটা যুক্তি এবং ঘটনার একটা ভিডিও দেখিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন, সেই ঘটনার দায় আসলে মেয়েটার।

    সাধারন মানুষ মাত্রই এই যুক্তির মুখে থুতু ছিটাবে, সেটাই উচিত। কারণ মেয়েটা পুরুষ পুলিশকে শারীরিক আক্রমন করলেও এইভাবে ফ্লাইং কিক মারার অধিকার পুলিশ পায় না। এবং সেখানে আরও অনেক ছেলেকেও মারাত্মক ভাবে পিটিয়েছে পুলিশ, সেটার অধিকারও পুলিশের নাই। কেন? কারণ হইলো এরা জামায়াতি না। এঁরা শিবির না, হিজবুতি না, যে পুলিশকে পিটিয়ে মেরে চোখ উপড়ে ফেলবে। সুতরাং, আপনাদের এই তুলনাটা প্রচণ্ড হাস্যকর একটা তুলনা, এবং প্রচণ্ড এক চোখা।

    এই ক্ষেত্রে দায়টা কার ঘাড়ে যায়? লাভবান কারা?সরকার? মোটেই না। আবার অপরাধীরা পার পেয়ে যাবার ঘটনাতে লাভটা কাদের হয়? ছাত্রলীগের? মোটেই না। লাভটা হয় তালেবানদের।

    সব থেকে বড় ব্যপার হল কর্মসূচীর নাম নিয়ে আপত্তি। আসলেই তো। এই আমরাই তো এতদিন বলেছি, নারীকে পাল্টা আঘাত করতে হবে। আমরাই তো এতো দিন বলেছি, নারীর অধিকার নারীকে ছিনিয়ে নিতে হবে। সেই তারাই যদি তাঁদের অধিকার এর জন্য “পাল্টা আঘাত” করে, সেটাকে আমি ভুল বলব কিভাবে?

    ভুলে যাবেন না, অপরাধী ধরার দায়িত্বটা কিন্তু পুলিশের ছিল, যেটা করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। তো, সেই খানে এই ইট ছুঁড়ে মারার বিষয়টার একটা সামাজিক সিম্বলিকাল ভ্যালু আছে।

    ভ্যালুটা হল নারী প্রতিঘাত করুক, পাল্টা আঘাত করুক।

    Dhaka Metropolitan Police

    ডিএমপি কর্তৃক ৩ সদস্যের কমিটি গঠন

    আজ ১১/০৫/২০১৫ খ্রি. বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বাংলা নববর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী কর্তৃক নারী লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বিগত ১০/০৫/২০১৫ খ্রি. তারিখ ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের কর্তৃক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদরদপ্তর ঘেরাওয়ের কর্মসূচীতে বাধা প্রদান সংক্রান্তে পুলিশ কর্তৃক গৃহিত পদক্ষেপকে নিয়ে বিরূপ সংবাদ পরিবেশিত হয়। তাই সংশ্লিষ্ট ঘটনায় পুলিশী কার্যক্রম পর্যালোচনায়, ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা কিভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এতগুলো ব্যারিকেড পার হয়ে মিন্টো রোডস্থ র্স্পশকাতর মন্ত্রীপাড়ায় এসে রাস্তায় যানচলাচল বন্ধকরণের পাশাপাশি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যগণ ও পুলিশ যানবাহনের উপর হামলার প্রয়াস পেলে সে বিষয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের দায়-দায়িত্ব নিরূপণ, উল্লেখিত ঘটনায় রমনা বিভাগ কর্তৃক কি ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল তা মূল্যায়ন, পুলিশের উপর হামলার কারণে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত আইনানুগ ব্যবস্থা এবং পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ যা নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিরূপ সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে তার প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের জন্য নি¤œবর্ণিত ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হ’ল। সদস্যরা হলেন-

    ১। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (লজিস্ট্রিক্স, ফিন্যান্স এ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) – সভাপতি
    ২। উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি-দক্ষিণ) – সদস্য
    ৩। আসমা সিদ্দিকা মিলি, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার – সদস্য

    কমিটি আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

     
  • probirbidhan 05:54 on May 31, 2012 Permalink |
    Tags: , , মানবাধিকার, যৌন হয়রানি, সুলতানা কামাল, , , , , lawyers, , rule of law, sexual harassment,   

    পুলিশও আইন এবং জবাবদিহির ঊর্ধ্বে নয় — সুলতানা কামাল 

    প্রথম আলো সম্পাদকীয় তারিখ: ৩১-০৫-২০১২

    প্রতিবাদী মেয়েটিকে জবরদস্তি করে তুলে নেওয়া হচ্ছে পুলিশের ভ্যানেপ্রতিবাদী মেয়েটিকে জবরদস্তি করে তুলে নেওয়া হচ্ছে পুলিশের ভ্যানে

    দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবশ্যই শৃঙ্খলা, আইন এবং পেশাগত নীতি-নৈতিকতা মেনে চলা উচিত। এখানে সদস্যদের ব্যক্তিগত আচরণের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় এই বাহিনীর নৈতিকতা ও শৃঙ্খলাপরায়ণতা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের আচরণে জবাবদিহি ও শৃঙ্খলার কোনো লক্ষণ দেখতে পাই না। তাঁদের আচরণে নাগরিকদের প্রতি ন্যূনতম সৌজন্যবোধও নেই।
    এখানে একটি কথা বলা প্রয়োজন, আমরা পুলিশকে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিইনি, সেই দায়িত্ব যাতে তারা সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে, সে জন্য তাদের হাতে অস্ত্রও তুলে দিয়েছি। যে অস্ত্র জনগণের জানমাল রক্ষায় এবং অপরাধীদের ধরতে ব্যবহার করার কথা, সেই অস্ত্র যদি তারা নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে, তার চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে?
    একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে, সমাজের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও বিচলিত। সংবিধান অনুযায়ী জনগণই প্রজাতন্ত্রের মালিক। আর আমরা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরকার, তার অধীন বাহিনী ও সংস্থাগুলোর হাতেই এই রাষ্ট্রের সমস্ত দায়িত্ব তুলে দিয়েছি। আইনের অধীনে থেকে তারা যার যার দায়িত্ব পালন করবে, এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা। আর অধীন বাহিনী ও সংস্থাগুলো সেই দায়িত্ব পালন করছে কি না, সেসব দেখা কিন্তু সরকারেরই কর্তব্য। সে ক্ষেত্রে একটি সরকারি বাহিনীর সদস্যরা যদি শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বা সাধারণ নাগরিকের অধিকার হরণ করে, তার দায় সরকারও এড়াতে পারে না।
    গত মঙ্গলবার আদালত প্রাঙ্গণে, বংশাল রোডে পুলিশ ক্লাবে ও কোতোয়ালি থানায় যেসব ঘটনা ঘটেছে, তা যেমন পুলিশ বাহিনীর শৃঙ্খলাবিরোধী, তেমনি মানবাধিকারেরও চরম লঙ্ঘন। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব নাগরিকদের সম্মান ও অধিকার রক্ষা করা। সেখানে তাদের হাতেই যদি নাগরিকদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়, নারীরা লাঞ্ছিত হন, তাহলে মানুষের আশ্রয় বলে আর কিছু থাকে না।
    পুলিশের কতিপয় সদস্যের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অনৈতিক ও আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে দেশে আইনের শাসন বলতে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
    গত মঙ্গলবার যে মেয়েটির ওপর পুলিশ নির্যাতন করেছে, তিনি আদালতে একটি মামলার প্রয়োজনে বাবা-মায়ের সঙ্গে এসেছিলেন। কিন্তু আদালত থেকে ফেরার পথে কে বা কারা ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করে আর পুলিশ মেয়েটির বাবার মোটরসাইকেল থামিয়ে তাঁকে মারধর করতে থাকে। স্বভাবতই মেয়েটি বাবাকে রক্ষায় এগিয়ে আসেন। এরপর পুলিশ মা-বাবা ও মেয়েটিকে পুলিশ ক্লাবে নিয়ে যায় এবং বাবার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। অন্যদিকে জামান ও পুলিশের আরেক সদস্য মেয়েটিকে একটি কক্ষে নিয়ে যৌন হয়রানি করে, তাঁর গলার হার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। একটি আইনানুগ বাহিনীর সদস্যরা এই কাজ করতে পারে, ভাবতেও কষ্ট হয়। মেয়েটি পুলিশের নামফলক দেখেই জামানকে চিহ্নিত করেছেন। আরেকজনের নাম না বলতে পারলেও তার চেহারার বর্ণনা দিয়েছেন। মেয়েটির হার ছিনিয়ে না নিলে কিংবা তিনি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত না হলে এভাবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করতেন না।
    মঙ্গলবার বিকেলে যখন এই ঘটনা ঘটে, আমি প্রেসক্লাবে একটি অনুষ্ঠানে ছিলাম। ইতিমধ্যে অফিস থেকে আমাকে জানানো হয়, পুরান ঢাকায় পুলিশ একটি মেয়েকে তুলে নিয়েছে। আমরা যেহেতু মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, সেহেতু অনেকেই বিপদে পড়লে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমরাও তাঁদের আহ্বানে সাড়া দিতে চেষ্টা করি। ঘটনাটি ঘটেছে আদালতপাড়ায়। সেখানে অবস্থানরত আইনজীবীদের অনেকের কাছেই আমাদের সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নম্বর ছিল। তাঁরাই টেলিফোনে খবরটি প্রথমে অফিসে দেন এবং অফিস থেকে আমাকে জানানো হয়।
    অতীতে এ ধরনের অনেক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। আমরা দিনাজপুরের ইয়াসমিনের ঘটনা জানি, তাঁকে পুলিশ ধর্ষণ ও হত্যা করে যৌনকর্মীর গল্প ফেঁদেছিল। চট্টগ্রামেও সীমা নামের একটি মেয়েও নিহত হয়েছিল। এসব কারণে ঘটনা শোনামাত্র আমি ঠিক করলাম, মেয়েটিকে আগে উদ্ধার করতে হবে। ইতিমধ্যে পুলিশ মেয়েটি ও তাঁর বাবা-মাকে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে গেছে। সেখানে কয়েকজন আইনজীবী ও সাংবাদিককেও আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁরা মেয়েটির প্রতি পুলিশের অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ করেছিলেন। এ জন্য পুলিশ তাঁদের ওপরও নির্যাতন চালায়।
    থানায় আমি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে জানতে চাই, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ? তিনি জানান, মেয়েটির বাবাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। আমি জানতে চাই, তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত কোনো অভিযোগ আছে কি না? তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। আমি বললাম, যেহেতু তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নেই, সেহেতু তাঁদের ছেড়ে দিতে হবে। তাঁদের ছেড়ে না দেওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে যাব না। আমার অনড় অবস্থান দেখে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁদের ছেড়ে দিতে রাজি হন। তখন রাত ১০টা। আমি মেয়েটির বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে এলাম। কেননা, পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পিটিয়েছে। তাঁর চোখে, ঘাড়ে ও হাতে-পায়ে আঘাতের চিহ্ন। মেয়েটি আমার কাছে অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তাঁর বাবার চোখ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। এটি বিপজ্জনক প্রবণতা। আমি আটক আইনজীবী ও সাংবাদিকদেরও ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলি। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাকে বললেন আইনজীবী সমিতির কর্মকর্তারা আসবেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে এদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
    মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে পুলিশের এই আচরণ ছিল চরম অন্যায়। শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে তাঁরা আইন তথা পেশাগত আচরণবিধি মেনে চলতে বাধ্য। মানুষকে ব্যাটন দিয়ে আঘাত করা, গলা টিপে ধরা, চোখ তুলে নেওয়ার চেষ্টা কিংবা নারীদের যৌন হয়রানি করা কোনোভাবেই পুলিশের কাজ হতে পারে না।
    একজন সাধারণ নাগরিকও যদি এ ধরনের আচরণ করে, সেটিও অপরাধ। কিন্তু আইন রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীর সদস্য হয়ে কেউ অন্যের অধিকার হরণ করলে তাঁর অপরাধ আরও গুরুতর বলে মনে করি। এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের উদ্বেগের পেছনে কতগুলো বাস্তব কারণ আছে। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে অনেকগুলো ঘটনা ঘটেছে। এসব নিয়ে যখন আমরা পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলি, তাঁরা দাবি করেন এর জন্য তাঁরা দায়ী নন। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে তৃতীয় কোনো শক্তি এসব অঘটন ঘটাচ্ছে। কিন্তু পত্রিকা ও টেলিভিশনের ছবি ভিন্ন কথা বলে।
    এর দুই দিন আগে প্রথম আলোর তিনজন সাংবাদিকের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় পুলিশ। সেখানেও কিন্তু পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মেয়েরা যে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিল, সাংবাদিকেরা তার ছবি তুলছিলেন। পুলিশও তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিল, সাংবাদিকেরা তাঁদের কাজ করছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই পুলিশের সদস্যরা নিরীহ সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। আইনের মধ্যে থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার সবার আছে। সেখানে পুলিশের চড়াও হওয়া বা অন্য নাগরিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই।
    পুলিশ সদস্যদের যদি ন্যূনতম জবাবদিহি থাকত, আমার বিশ্বাস, তাঁরা এ কাজ করতে পারতেন না। পুলিশ বাহিনীতে আমাদের অনেক বন্ধু আছেন, দেশপ্রেমিক সদস্য আছেন। তাঁরা যদি এ বাহিনীতে আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারেন, তাহলে তাঁদের সেই ভালো থাকাও অর্থহীন হয়ে পড়বে।
    সবশেষে আরেকটি বিষয়ের প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। অনেকেই অভিযোগ করেন পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক, ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থে ব্যবহারের কারণেই তারা এমন এই বেপরোয়া ও বেআইনি আচরণ করছে। এটি যে বর্তমান সরকারের আমলেই ঘটছে, তা নয়; অতীতেও পুলিশকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের বহু নজির রয়েছে। যাঁরাই ক্ষমতায় থাকুন না কেন, তাঁরা যদি পুলিশকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে থাকেন, এই বাহিনীর সদস্যরাও তখন সুযোগ নিতে চাইবেন। এ পরিস্থিতি গণতন্ত্রের জন্য যেমন বিপজ্জনক, আইনের শাসনের জন্যও কম ভয়ের কথা নয়।

    সুলতানা কামাল: আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক, টিআইবি’র চেয়ারম্যান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা।

     

    সন্ত্রাস-পুলিশ-আইন নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু কথা ও ছবি

    পুলিশের এসব শাস্তি কি লোকদেখানো?

    Corruption cripples development

     
  • probirbidhan 10:07 on April 20, 2012 Permalink |
    Tags: eve teasing, girls, sexual harassment,   

    Sexual Harassment: An Unpunished Violation 

    Cover Story: The Star magazine

    ‘Eve teasing’ is a euphemised term in Bangladesh for sexual harassment of women and girls in public spaces. It severely infringes on a woman’s freedom and right to mobility, and affects more than 90 percent of girls between the ages 10 – 18. Despite the hideous nature of these crimes, they continue to go unpunished. It is high time that relevant authorities as well as respective communities take steps to address the issue.

    Sushmita S Preetha
    Photos: Amirul Rajiv

    The glares, gestures, taunts and jeers haunt her as she makes her way across the street. By now, she should be used to the constant and unapologetic stares and inappropriate touches from strangers wherever she goes – on buses, in front of schools and colleges, in market places, crowded roads and lonely alleyways. But even though it happens all too often, every time someone makes a lewd comment about her body, whistles at her, pinches or nudges her, she feels dirty, humiliated and angry.


    Almost every Bangladeshi woman has to face harassment in public places on a daily basis
    (staged for the Star).

    She could be any woman in Bangladesh – a young garments worker, a student, a middle-aged housewife, a 60-year-old executive – who has to undergo harassment every day, subjected to what we commonly call ‘eve-teasing’. It’s a seemingly innocent term for something that encompasses ogling, molestation, humiliation, harassment, verbal and physical assaults and stalking, and which, in extreme cases, can lead to rape, abduction, suicide or murder.

    “I can’t even keep count of how many times a day I have to hear unacceptable and disgusting remarks from men on my way to and from my college, and how many times I shudder from unwanted physical contact in buses and crowded streets. I don’t know what to do but to meekly walk away from most of these situations, knowing that no one will come to my defence if I decide to charge them,” says Sharmila Guha, a student of City College.

    Like Sharmila, most girls and women in the country, especially those living in cities, towns and mufassil areas, are frustrated with the physical and verbal harassments they face on a daily basis. Rasna Ahmed, who works at a retail store, asserts, “The men have no shame, no sense of embarrassment. It’s almost like they feel entitled to do whatever they want.” The perpetrators victimise women and violate their rights without so much as an ounce of guilt, and society continues to turn a blind eye towards it, even blaming the women in many instances for attracting notice.

    Even the term ‘eve-teasing’ refers to the Biblical Eve, the beautiful temptress who lures men, and shifts culpability from the men who partake in such actions to the women who, allegedly, ‘tempt’ them to do so. Discussions about sexual harassment thus inevitably lead to questions like, “what was she wearing?” and “what was she doing there?” instead of “how can we stop this from happening?”

    “Just the other day, I stepped out of my house to get into my friend’s car. I was dressed for a pohela boishaak photoshoot, in a sari worn the traditional way. There was a group of young men sitting outside in the streets and as soon as they saw us, they started to jeer at us very loudly, making insulting and offensive comments about me. Even though I usually don’t say anything, I was so angry that day I got out of the car and demanded to know what right they had to treat me like that,” shares Anika Monaim, a young journalist.

    “One of them blatantly told me, ‘Go look at yourself in the mirror and then you’ll know why. A woman dressed like that deserves it.’ I was wearing a sleeveless blouse, and I guess that made it okay for them to humiliate me,” she comments. “I was so furious I wanted to hit him. I should be able to wear whatever I want without being called names, in the same way that he can wear shorts without attracting attention.”

    It is a sad reality that in a conservative and patriarchal society like ours, women’s choices and mobility are severely restricted. A woman on the streets is still a sight for sore male eyes, irrespective of what she is wearing or what she looks like, let alone a woman dressed in western or figure-hugging clothes. “I wear a hijab, but that doesn’t stop anyone from groping me or cat-calling me. Just the other day someone shouted, ‘Eto shundor maal dhaika raikha ki hoibo?’ (What is the point of hiding such lovely assets),” says Nurhan Afsari (not her real name). “Men will treat you like sexual objects because that’s what you are to them, no matter who you are or how you dress,” she adds furiously.

    The perpetrators can come from diverse backgrounds
    (staged for the Star).

    When the Star asked men who were caught red-handed in the act of ogling, groping and taunting what made them behave that way, many replied, with smirks on their faces, that they hadn’t done anything wrong. Some said, “Shamne thakle to korboi (if it’s right in front of you, why won’t we?), while others commented, “O dekhaite chaise to amra dekhsi, oshubidha koi? (she wanted us to see, and we saw, where’s the problem?)”

    The perpetrators come from diverse backgrounds, and include college and university students, vendors, unemployed youths, bus drivers and rickshaw pullers, commuters, professionals etc. Although men from all ages and classes partake in these activities, it is often the neighbourhood youth who prove to be the most vicious and persistent. Being in big groups give them an added opportunity to indulge in questionable actions without having to be accountable for them personally.

    “A lot of these men are young and unemployed and have too much free time on their hands. So they sit in these tongs, and when a girl walks by, they invariably start to discuss her in overtly sexual terms amid themselves and also loudly so she can hear,” says Redwan Kabir, a student of AIUB. According to him, their aim is to get the girl’s attention, fluster her and hopefully get a reaction from her. “They want the girl to engage with them, to come closer, to talk to them. So even if you are trying to protest and tell them off, chances are they are enjoying every minute of your rant and feasting their eyes on you.”

    Many of these young men are part of gangs, which have back-up, political or otherwise. Sometimes people in the neighbourhood are afraid to complain for fear of retaliation. In rare instances that cases are filed or the police are called, they get away because they have “boro bhais” (big brothers) to bail or get them out.

    Reshma Talukdar (not her real name) who lives in Rayerbazaar, says, “A group of young men who live in this community used to bully and stalk my daughter every afternoon on her way to college. One of them would declare his love for her and say all sorts of bad things to her in public, while the rest cheered on. We didn’t let her leave the house alone ever, and when my son tried to protest, he was beaten up by the gang. They said if we contacted the police, they would ‘see to it’.” Reshma and her husband married off their daughter even before she could finish college, for fear that something ominous would happen to her.

    Their fears are not unjustified. For a large number of girls and women, ‘eve teasing’ escalates into acid violence, assaults, abductions or rape, while many others are driven to commit suicide out of frustration and humiliation. In 2010 alone, more than 24 women died as a result of bullying and harassment. Rupali, a Hindu girl in class IX was kidnapped on her way to a tutor’s house. The kidnapper put vermillion on her forehead to signify marriage. Unable to deal with the disgrace, she committed suicide. Marry, an HSC student from Borishal, was attacked by local youths. When she protested their stalking, they mutilated her face with a Chinese axe and injured her father. The police refused to help since the three men were associated with the Union Parishad Chairman. In the same year, Mizanur Rashid, a 38-year-old teacher was killed when he rebuked two young men for tormenting his female students.

    For a large number of girls and women, ‘eve teasing’ escalates into acid violence, assaults, abductions or rape (staged for the Star).

    Despite the serious and troubling nature of ‘eve teasing’, it continues to go unheeded and unpunished. Most people are not aware of what protections, if any, are available to them in case of such incidents. The existing laws regarding sexual harassment are vague and inadequate, and often fail to address the multi-faceted nature of such crimes.

    As of now, section 75 of the Dhaka Metropolitan Police Ordinance, 1976 provides for imprisonment for three months or fine or both if someone uses indecent language or behaves indecently in public places or street etc; section 76 of the same Ordinance provides for one year’s imprisonment or fine or both for teasing a woman, and defines “teasing” as “”wilful and indecent exposure of one’s person in any street or public place within sight of, and in such manner as may be seen by, any woman, whether from within any house or building or not, or wilful pressing or obstructing any woman in a street or public place or insulting or annoying any woman by using indecent language or making indecent sounds, gestures, or remarks in any street or public place”.

    In 2000, the government enacted the Suppression of Violence against Women and Children Act to address the issue of violence against women and children. According to section 10(2) of the act, sexual harassment occurs “if a man, with a view to fulfilling his illegal sexual desire outrages a woman’s modesty or makes erotic gesture.” He can receive an imprisonment ranging from two to seven years and additionally be rewarded with an indefinite amount of fine. This definition of sexual harassment allows for and addresses non-physical violations against women.

    Unfortunately, section 10(2) was removed when the law was amended in 2003, but a new provision under Section 9(ka) provides for imprisonment for a period from five to ten years for inducing a woman to commit suicide. Under the amended act, there is no remedy for non-physical sexual harassment, and the perpetrator can only be punished once the victim is dead.

    To address the rise of these cases, in 2009 the government empowered mobile courts to prosecute people accused of sexually harassing women through section 509 of the Penal Code. Section 509 states that:

    “Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.”


    According to human and women rights organisations, the existing legal provisions are simply not enough to effectively address the issue (staged for the Star).

    However, according to human and women rights organisations, the existing provisions are simply not enough to effectively address the issue. As Bangladesh National Women’s Lawyers’ Association (BNWLA) highlights in its writ petition to the High Court in 2011, “[I]ntention to outrage or insult the modesty of any woman used in several sections mentioned above, particularly in section 509 of the Penal Code, is very vague and almost impossible to prove.” In addition, the new amendments fail to address stalking or the mental trauma of the victims or their family members. It also does not take into account the plight of well-wishers of the victim who come forward to protest or resist these incidents. Meanwhile, the mobile courts do not give perpetrators a chance to defend themselves, hence violating their human rights.

    Salma Ali, the Executive Director of BNWLA, explains that the organisation has filed two writ petitions, one in 2008 and one in 2011 to ask the court fill up the vacuum created by the absence of sufficient laws and the lack of government intervention. The court gave directives to the police and relevant ministries to address the issue immediately and to solve the ambiguities in existing provisions and measures. It also defined sexual misdemeanour as “any kind of provocation through phone calls or e-mail, lewd gestures, showing of pornography, lurid stares, physical contact or molestation, stalking, vulgar sounds or any display of a derogatory nature.” The court urged the government to follow these guidelines to formulate a comprehensive law. It remains to be seen whether the government will succeed in complying with the recommendations of the HC, but so far not much has happened in the way of change.

    Most women and their families shy away from reporting cases of sexual harassment and stalking for various reasons. The procedures for reporting are not clear and there is a general lack of awareness about the legal measures victims are entitled to. Even the police do not seem to know how to deal with such cases, and are often uncooperative and prejudiced.

    “When I went to report the constant stalking and harassment of my sister by a group of forty men, I was told that she would have to come to the police station herself and give details – their names, fathers’ names and addresses – before any action could be taken,” says Adnan Sharif (not his real name). We didn’t know who those men were, and my sister didn’t want to go to the station for obvious reasons. Still, we went and filed a GD, but nothing happened.”

    The police officers at the Dhanmondi Thana states that one needs full details of the perpetrator and the presence of the victim herself while the OC of Ramna Thana says that no such details are necessary. In fact, he asserts that “there is usually no need for a GD. If you inform the police beforehand, it will go to the place of the incident. How we will treat the case after that depends on the details and severity of the situation.” However, he informs us that hardly any such cases come to them. “In our society, these incidents do not come as far as the police station. Victims do not usually want to come forward,” he adds.

    Hassan Mahmood Khandker, Inspector General of Police asserts that ‘eve teasing’ is not a legal term, but there are different laws to deal with different types of sexual harassments. “How we tackle a case depends on the nature of the offence,” he says.

    Women often do not want to go to the police because the stations are, for the most part, women-unfriendly places, and the law enforcers themselves often share the same narrow mindsets of the perpetrators. “When I went to the police to file a complaint, the first thing they asked is ‘what were you wearing/doing’, as if suggesting I had a hand to play in the incident. They themselves will ogle, taunt and harass you,” comments Shabnam Nazneen, a 30-year-old homemaker.

    Salma Ali reiterates the problems faced by the women in filing cases. She says, “Girls and women have to face many challenges in order to report. Victims are double victimised when they go to the stations. They don’t know the laws or the procedures and the police don’t always assist the women.”

    It is imperative that the police, as defenders of justice, are sensitised about women’s issues so that they can perform their duties efficiently without violating women’s rights. The IGP and the Home Ministry needs to ensure that immediate steps are taken to protect women and their families from harassment and that every department is fully and uniformly informed about the legal procedures.

    Meanwhile, lawmakers and relevant ministries need to make sure that the ambiguities and deficiencies in existing laws are addressed, and that a comprehensive sexual harassment guideline and policy is developed and implemented at all levels.

    In addition, and perhaps more importantly, communities should take collective stances against such occurrences. We should protest discriminations against women, if not in public, at least in our own homes, and support those brave enough to take a stance. We should teach our sons to be more respectable of daughters instead of teaching our women to be “more careful”. ‘Eve teasing’ is a deep-rooted societal problem that stems from the way we, as a society, value – or rather, devalue – our women. As such, if we really want to address the issue, we need to first analyse and fix our own behaviour towards women and girls.

     
    • Jennifer Aqua 10:29 on August 14, 2012 Permalink | Log in to Reply

      Dr David Kenneth Cochrane Registered Sex Offender Six Counts of rape including minors, three counts of indecent assault all involving patients dating back to the early millennium. Psychiatrist 6 months in Jail, 2 years probation, including 6 month license suspension. North Bay Canada Ontario and now re-employed for the regional health centre.

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel